স্ট্রিম সংবাদদাতা

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা সংশ্লিষ্ট আরেক বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্স (এসটিএফ)। শুক্রবার (১৩ মার্চ) মধ্যরাতে কল্যানী এক্সপ্রেসওয়ে সংলগ্ন কোনো এলাকা থেকে ফিলিপ সাংমাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এসটিএফ সূত্র জানায়, বাংলাদেশি নাগরিক ফিলিপ সাংমাকে গ্রেপ্তারের পর হেফাজতে নিয়েছে এসটিএফ। তিনি শরিফ ওসমান হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদ ও তাঁর সহযোগী আলমগীর হোসেনকে মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় অনুপ্রবেশে সহায়তা করেছিলেন।
শনিবার এসটিএফের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এসটিএফ হাদি খুনের দুই আসামি ফয়সাল ও আলমগীরকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের সময় জানতে পারে– তারা বাংলাদেশের হালুয়াঘাটের ফিলিপ সাংমা নামে সীমান্ত দালালের সাহায্যে মেঘালয় সংলগ্ন ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্ত অবৈধভাবে পার হয়ে মেঘালয় রাজ্য দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন। পরে ফিলিপ সাংমাও অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। গোপন খবরে শুক্রবার রাতে শান্তিপুর বাইপাস সংলগ্ন এলাকা থেকে এসটিএফ ফিলিপ সাংমাকে গ্রেপ্তার করে।
এতে বলা হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফিলিপ সাংমা স্বীকার করেছেন– তিনি হালুয়াঘাট ও মেঘালয় রাজ্যের ডালুপাড়া সীমান্ত দিয়ে টাকার বিনিময়ে লোক পারাপার করতেন। হাদি খুনের দুই অভিযুক্ত ফয়সাল ও আলমগীরকেও মেঘালয় রাজ্য দিয়ে ভারতে ঢুকতে সাহায্য করেছেন। পরে বাংলাদেশ পুলিশের চাপে নিজেও ওই সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করেন। ফয়সাল ও আলমগীরের সঙ্গে আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন ফিলিপ সাংমা। ফিলিপ সাংমাকে শনিবার আদালতে পেশ হাজির করা হয়। তাঁকে হেফাজতে নিয়ে তদন্ত চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে এসটিএফ।
এর আগে গত ৮ মার্চ রাতে ভারতের বার্তাসংস্থা এএনআই তাদের এক্স হ্যান্ডেলের পোস্টে জানায়, হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদ ও তাঁর সহযোগী আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্স (এসটিএফ)।
পোস্টে বলা হয়েছিল, বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ এলাকা থেকে এসটিএফ অনুপ্রবেশ ও অবস্থানের অভিযোগে দুই বাংলাদেশি নাগরিক– রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ ও তাঁর সহযোগী আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে।
৩৭ বছর বয়সী ফয়সাল করিম মাসুদের বাড়ি বাংলাদেশের পটুয়াখালী এবং ৩৪ বছর বয়সী আলমগীরের বাড়ি ঢাকায়। সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে শনি ও রোববার মধ্যরাতে এসটিএফ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। ফয়সাল ছাত্রলীগের সাবেক নেতা এবং তাঁর সহযোগী আলমগীর আদাবর থানা যুবলীগের কর্মী।
পরের দিন তাদের বিধাননগর আদালতে তোলা হলে পুলিশ ১৪ রিমান্ডের আদেশ দেন। নিজেদের হেফাজতে নিয়ে ফয়সাল ও আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এসটিএফের তদন্তকারী কর্মকর্তারা।
ভারতের সাংবাদিক ও লেখক তথাগত ভট্টাচার্য স্ট্রিমকে বলেছেন, এসটিএফ কোনো রেগুলার ফোর্স না। বিশেষ মামলা ধরে মীমাংসায় পৌঁছাতে পুলিশের একটি ডেডিকেটেড দল হলো এসটিএফ। ১২ থেকে ১৪ জনের এই দলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও বিশেষজ্ঞ থাকেন।
২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট সড়কে ঢাকা-১১ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে সন্ত্রাসীরা। পরে ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। গুলির করার পরে রাজধানীর পল্টন থানায় মামলা হয়, যেটি পরে হত্যা মামলায় রূপান্তর হয়।
তদন্ত শেষে এ মামলায় আদালতে ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গত ৬ জানুয়ারি সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির ডিবিপ্রধান শফিকুল ইসলাম জানান, শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছেন তারা। তদন্তে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এ চার্জশিট দেওয়া হয়।
রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে হাদিকে হত্যা করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাজুল ইসলাম বাপ্পীর নির্দেশে হাদিকে গুলিতে হত্যা করা হয়। চার্জশিটের ১৭ আসামির মধ্যে এখন ১২ জন কারাগারে। বাকিরা পলাতক।’ যদিও ১৫ জানুয়ারি এই অভিযোগপত্রের বিরুদ্ধে নারাজি আবেদন করেন বাদীপক্ষের আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল।
গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন— প্রধান অভিযুক্ত পলাতক ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদের বাবা হুমায়ুন কবির, মা হাসি বেগম, স্ত্রী শাহেদা পারভীন সামিয়া, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ শিপু, ফয়সালের বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা, সহযোগী মো. কবির, নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, সিবিওন দিও, সঞ্জয় চিসিম, আমিনুল ইসলাম রাজু, আব্দুল হান্নান ও মো. ফয়সাল।
পলাতকরা হলেন— শুটার ফয়সাল করিম, মোটরসাইকেলচালক আলমগীর শেখ, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ দলীয় সাবেক কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী মো. আলমগীর হোসেন, ফিলিপ স্নাল ও মুক্তি মাহমুদ (৫১)।

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা সংশ্লিষ্ট আরেক বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্স (এসটিএফ)। শুক্রবার (১৩ মার্চ) মধ্যরাতে কল্যানী এক্সপ্রেসওয়ে সংলগ্ন কোনো এলাকা থেকে ফিলিপ সাংমাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এসটিএফ সূত্র জানায়, বাংলাদেশি নাগরিক ফিলিপ সাংমাকে গ্রেপ্তারের পর হেফাজতে নিয়েছে এসটিএফ। তিনি শরিফ ওসমান হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদ ও তাঁর সহযোগী আলমগীর হোসেনকে মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় অনুপ্রবেশে সহায়তা করেছিলেন।
শনিবার এসটিএফের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এসটিএফ হাদি খুনের দুই আসামি ফয়সাল ও আলমগীরকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের সময় জানতে পারে– তারা বাংলাদেশের হালুয়াঘাটের ফিলিপ সাংমা নামে সীমান্ত দালালের সাহায্যে মেঘালয় সংলগ্ন ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্ত অবৈধভাবে পার হয়ে মেঘালয় রাজ্য দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন। পরে ফিলিপ সাংমাও অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। গোপন খবরে শুক্রবার রাতে শান্তিপুর বাইপাস সংলগ্ন এলাকা থেকে এসটিএফ ফিলিপ সাংমাকে গ্রেপ্তার করে।
এতে বলা হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফিলিপ সাংমা স্বীকার করেছেন– তিনি হালুয়াঘাট ও মেঘালয় রাজ্যের ডালুপাড়া সীমান্ত দিয়ে টাকার বিনিময়ে লোক পারাপার করতেন। হাদি খুনের দুই অভিযুক্ত ফয়সাল ও আলমগীরকেও মেঘালয় রাজ্য দিয়ে ভারতে ঢুকতে সাহায্য করেছেন। পরে বাংলাদেশ পুলিশের চাপে নিজেও ওই সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করেন। ফয়সাল ও আলমগীরের সঙ্গে আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন ফিলিপ সাংমা। ফিলিপ সাংমাকে শনিবার আদালতে পেশ হাজির করা হয়। তাঁকে হেফাজতে নিয়ে তদন্ত চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে এসটিএফ।
এর আগে গত ৮ মার্চ রাতে ভারতের বার্তাসংস্থা এএনআই তাদের এক্স হ্যান্ডেলের পোস্টে জানায়, হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদ ও তাঁর সহযোগী আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্স (এসটিএফ)।
পোস্টে বলা হয়েছিল, বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ এলাকা থেকে এসটিএফ অনুপ্রবেশ ও অবস্থানের অভিযোগে দুই বাংলাদেশি নাগরিক– রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ ও তাঁর সহযোগী আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে।
৩৭ বছর বয়সী ফয়সাল করিম মাসুদের বাড়ি বাংলাদেশের পটুয়াখালী এবং ৩৪ বছর বয়সী আলমগীরের বাড়ি ঢাকায়। সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে শনি ও রোববার মধ্যরাতে এসটিএফ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। ফয়সাল ছাত্রলীগের সাবেক নেতা এবং তাঁর সহযোগী আলমগীর আদাবর থানা যুবলীগের কর্মী।
পরের দিন তাদের বিধাননগর আদালতে তোলা হলে পুলিশ ১৪ রিমান্ডের আদেশ দেন। নিজেদের হেফাজতে নিয়ে ফয়সাল ও আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এসটিএফের তদন্তকারী কর্মকর্তারা।
ভারতের সাংবাদিক ও লেখক তথাগত ভট্টাচার্য স্ট্রিমকে বলেছেন, এসটিএফ কোনো রেগুলার ফোর্স না। বিশেষ মামলা ধরে মীমাংসায় পৌঁছাতে পুলিশের একটি ডেডিকেটেড দল হলো এসটিএফ। ১২ থেকে ১৪ জনের এই দলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও বিশেষজ্ঞ থাকেন।
২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট সড়কে ঢাকা-১১ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে সন্ত্রাসীরা। পরে ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। গুলির করার পরে রাজধানীর পল্টন থানায় মামলা হয়, যেটি পরে হত্যা মামলায় রূপান্তর হয়।
তদন্ত শেষে এ মামলায় আদালতে ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গত ৬ জানুয়ারি সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির ডিবিপ্রধান শফিকুল ইসলাম জানান, শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছেন তারা। তদন্তে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এ চার্জশিট দেওয়া হয়।
রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে হাদিকে হত্যা করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাজুল ইসলাম বাপ্পীর নির্দেশে হাদিকে গুলিতে হত্যা করা হয়। চার্জশিটের ১৭ আসামির মধ্যে এখন ১২ জন কারাগারে। বাকিরা পলাতক।’ যদিও ১৫ জানুয়ারি এই অভিযোগপত্রের বিরুদ্ধে নারাজি আবেদন করেন বাদীপক্ষের আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল।
গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন— প্রধান অভিযুক্ত পলাতক ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদের বাবা হুমায়ুন কবির, মা হাসি বেগম, স্ত্রী শাহেদা পারভীন সামিয়া, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ শিপু, ফয়সালের বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা, সহযোগী মো. কবির, নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, সিবিওন দিও, সঞ্জয় চিসিম, আমিনুল ইসলাম রাজু, আব্দুল হান্নান ও মো. ফয়সাল।
পলাতকরা হলেন— শুটার ফয়সাল করিম, মোটরসাইকেলচালক আলমগীর শেখ, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ দলীয় সাবেক কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী মো. আলমগীর হোসেন, ফিলিপ স্নাল ও মুক্তি মাহমুদ (৫১)।

এবারের একুশে বইমেলায় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন প্রকাশকেরা। রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং পবিত্র রমজান মাসের কারণে স্বাভাবিক বছরের তুলনায় প্রায় ৭০ শতাংশ বই বিক্রি কমেছে। এই বিপর্যয় থেকে ঘুরে দাঁড়াতে ক্ষতিগ্রস্ত প্রকাশকদের কাছ থেকে সরকারিভাবে বই ক্রয়সহ ৫ দফা দাবি জানিয়েছে ‘প্রকাশক ঐক্য’।
২৩ মিনিট আগে
আলু উৎপাদনের বড় অংকের টাকা খরচ হলেও মিলছিল না দাম। এর মধ্যে ভারী বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে খেত। এতে আলু পঁচার শঙ্কায় দিশেহারা উত্তরবঙ্গের রংপুর ও গাইবান্ধার আলু চাষিরা।
১ ঘণ্টা আগে
নিউজ পেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব)– এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী। তিনি স্থলাভিষিক্ত হলেন এ. কে. আজাদের।
১ ঘণ্টা আগে
পরিবহনসহ বিভিন্ন সেবা খাতের বিদ্যমান বিশৃঙ্খলা ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি দূর করতে সংশ্লিষ্টদের সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সমন্বয়ক শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।
১ ঘণ্টা আগে