স্ট্রিম প্রতিবেদক

১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের আগে জামায়াত আমাদের নেতা জিয়াউর রহমানকে পেলে হত্যা করত বলে মন্তব্য করেছেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলে তাঁর এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে জাতীয় সংসদে সরকারি ও বিরোধীদলীয় সদস্যদের মধ্যে ব্যাপক হট্টগোল সৃষ্টি হয়।
ফজলুর রহমান বলেন, ‘এই কথাটা বলতে বাধ্য হচ্ছি, তাঁদের আচরণ দেখেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তাঁরা আল-বদর এবং রাজাকার ছিল। তাঁরা মুনির চৌধুরী ও আলিম চৌধুরীকে হত্যা করেছে। আমাদের নেতা জিয়াউর রহমানকে পেলেও তাঁরা ১৬ ডিসেম্বরের আগে হত্যা করত।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিরোধীদলীয় নেতা বলেছেন তিনি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের লোক, তিনি শহীদ পরিবারের লোক এবং তিনি জামায়াতে ইসলামী করেন। এটি ডাবল অপরাধ। মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের লোক কেউ জামায়াত করতে পারে না।’
বক্তব্যের একপর্যায়ে ফজলুর রহমান বলেন, ‘আজকে যাঁরা আমার ডান পাশে বসে আছেন তাঁরা তো একদিন ভাই ছিলেন। তাঁরা যা করেছেন সেটি কল্পনা করার মতো না। তাঁরা চক্রান্ত করে প্রচার শুরু করলেন যে সারা বাংলায় তাঁরা দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে পাস করবেন। তখন আমি বলেছিলাম, জামায়াত জোট যদি মেজরিটি পায় তবে আমি বিষ খাব। তাঁরা কোনো দিন রাজনৈতিক যুদ্ধে জয়লাভ করতে পারবেন না, কারণ তাঁদের পূর্বপুরুষ বাংলাদেশ চায়নি। এই দেশে শুধু জুঁই-ক্যামেলিয়া ফোটে না, রক্তগোলাপ ও রক্তজবাও ফোটে।’
এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সংসদ কক্ষে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্যরা দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানালে দুই পক্ষের মধ্যে হট্টগোল শুরু হয়। টানা কয়েক মিনিট স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সবাইকে শান্ত করার চেষ্টা করেন।
ফজলুর রহমানের বক্তব্যের জবাবে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমি শ্রদ্ধা রেখেই বলতে চাই, মাননীয় সংসদ সদস্য বয়সে আমার বড়। তিনি মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদানের কথা বলেছেন, কিন্তু নিজের অবদান বলতে গিয়ে আরেকজনের অবদানের ওপর হাতুড়ি পেটা করার অধিকার কাউকে দেওয়া হয়নি। তিনি ব্যক্তিগতভাবে আমাকে আঘাত করেছেন। আমি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য, তিনি সেটাকে চ্যালেঞ্জ করছেন। তিনি আরও বলেছেন জামায়াত ইসলামীর কেউ মুক্তিযুদ্ধ করতে পারে না। তাহলে কে কী করবে সেটি কি উনাকে জিজ্ঞাসা করে করা লাগবে? আমি কোন দল করব, কোন আদর্শ অনুসরণ করব এটি আমার নাগরিক অধিকার।’

১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের আগে জামায়াত আমাদের নেতা জিয়াউর রহমানকে পেলে হত্যা করত বলে মন্তব্য করেছেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলে তাঁর এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে জাতীয় সংসদে সরকারি ও বিরোধীদলীয় সদস্যদের মধ্যে ব্যাপক হট্টগোল সৃষ্টি হয়।
ফজলুর রহমান বলেন, ‘এই কথাটা বলতে বাধ্য হচ্ছি, তাঁদের আচরণ দেখেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তাঁরা আল-বদর এবং রাজাকার ছিল। তাঁরা মুনির চৌধুরী ও আলিম চৌধুরীকে হত্যা করেছে। আমাদের নেতা জিয়াউর রহমানকে পেলেও তাঁরা ১৬ ডিসেম্বরের আগে হত্যা করত।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিরোধীদলীয় নেতা বলেছেন তিনি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের লোক, তিনি শহীদ পরিবারের লোক এবং তিনি জামায়াতে ইসলামী করেন। এটি ডাবল অপরাধ। মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের লোক কেউ জামায়াত করতে পারে না।’
বক্তব্যের একপর্যায়ে ফজলুর রহমান বলেন, ‘আজকে যাঁরা আমার ডান পাশে বসে আছেন তাঁরা তো একদিন ভাই ছিলেন। তাঁরা যা করেছেন সেটি কল্পনা করার মতো না। তাঁরা চক্রান্ত করে প্রচার শুরু করলেন যে সারা বাংলায় তাঁরা দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে পাস করবেন। তখন আমি বলেছিলাম, জামায়াত জোট যদি মেজরিটি পায় তবে আমি বিষ খাব। তাঁরা কোনো দিন রাজনৈতিক যুদ্ধে জয়লাভ করতে পারবেন না, কারণ তাঁদের পূর্বপুরুষ বাংলাদেশ চায়নি। এই দেশে শুধু জুঁই-ক্যামেলিয়া ফোটে না, রক্তগোলাপ ও রক্তজবাও ফোটে।’
এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সংসদ কক্ষে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্যরা দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানালে দুই পক্ষের মধ্যে হট্টগোল শুরু হয়। টানা কয়েক মিনিট স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সবাইকে শান্ত করার চেষ্টা করেন।
ফজলুর রহমানের বক্তব্যের জবাবে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমি শ্রদ্ধা রেখেই বলতে চাই, মাননীয় সংসদ সদস্য বয়সে আমার বড়। তিনি মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদানের কথা বলেছেন, কিন্তু নিজের অবদান বলতে গিয়ে আরেকজনের অবদানের ওপর হাতুড়ি পেটা করার অধিকার কাউকে দেওয়া হয়নি। তিনি ব্যক্তিগতভাবে আমাকে আঘাত করেছেন। আমি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য, তিনি সেটাকে চ্যালেঞ্জ করছেন। তিনি আরও বলেছেন জামায়াত ইসলামীর কেউ মুক্তিযুদ্ধ করতে পারে না। তাহলে কে কী করবে সেটি কি উনাকে জিজ্ঞাসা করে করা লাগবে? আমি কোন দল করব, কোন আদর্শ অনুসরণ করব এটি আমার নাগরিক অধিকার।’
.png)

যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামত শেষে শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল থেকে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিটে পুনরায় উৎপাদন শুরু হয়েছে। বর্তমানে ইউনিটটি থেকে জাতীয় গ্রিডে ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।
৩২ মিনিট আগে
গণঅধিকার পরিষদ নিয়ে বিরূপ মন্তব্যের জেরে কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মুফতি আমির হামজার গাড়িতে হামলা ঘটেছে। এ সময় সংঘর্ষে জামায়াতে ইসলামী ও গণঅধিকার পরিষদের ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কুষ্টিয়া শহরের ছয় রাস্তার মোড়ে এই সংঘর্ষ হয়।
৪১ মিনিট আগে-64ec3b.jpeg)
অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে পুনর্গঠনে বর্তমান সরকার দিন-রাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তবে মাত্র ছয় মাস বয়সী একটি গণতান্ত্রিক সরকারের পক্ষে রাতারাতি সব সংকট জাদু দিয়ে সমাধান করা অবাস্তব বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
১ ঘণ্টা আগে
সাতক্ষীরার তালায় চিকিৎসক দেখানোর কথা বলে নিয়ে গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার রাতে দুই যুবক ও তাদের সহযোগী এক নারীর বিরুদ্ধে তালা থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী।
২ ঘণ্টা আগে