স্ট্রিম ডেস্ক

জ্বালানি তেলের উৎপাদন ও রপ্তানি কোটা নিয়ে অসন্তোষের জেরে ওপেক এবং ওপেকপ্লাস ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) আমিরাত সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘোষণা দেয়।
দীর্ঘদিনের গুঞ্জন সত্যি করে তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর শক্তিশালী এই জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিল দেশটি। আমিরাতের দাবি, ওপেকের কোটা পদ্ধতি তাদের তেল রপ্তানি কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করছে।
আমিরাতের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ‘ওয়াম’ প্রকাশিত বিবৃতিতে জানানো হয়, সরকারের ‘দীর্ঘমেয়াদী কৌশল ও অর্থনৈতিক লক্ষ্য’ অর্জনের জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নিজস্ব জ্বালানি উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো এবং আন্তর্জাতিক বাজারে সেই তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে আমিরাত এখন বিনিয়োগ বাড়াতে চায়। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার এই সময়ে জ্বালানি বাজারে চাহিদার জোগান দিতে আমিরাত বদ্ধপরিকর।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার অস্থিতিশীল। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ প্রথম হামলার পর থেকে তেলের দাম প্রায় ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে হরমুজ প্রণালি নিয়ে অনিশ্চিত অবস্থা। এমন পরিস্থিতিতে ওপেকের বেঁধে দেওয়া উৎপাদন সীমা মেনে চলা আমিরাতের জন্য অর্থনৈতিকভাবে লোকসানজনক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় আমিরাতের জ্বালানি মন্ত্রী সুহাইল আল-মাজরুই জানান, বাজার পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ওপেক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত। তিনি বিগত কয়েক দশকের সহযোগিতার জন্য ওপেক সদস্য দেশগুলোকে ধন্যবাদও জানান। আন্তর্জাতিক বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ওপেক ছাড়ার পর আমিরাত এখন তেল উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়াতে পারবে।
আমিরাত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা হুট করে বাজারে ভারসাম্য নষ্ট করবে না, বরং চাহিদার সাথে তাল মিলিয়ে ধাপে ধাপে তেলের সরবরাহ বৃদ্ধি করবে।
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) তথ্যমতে, ওপেকের মোট উৎপাদনের প্রায় ১২ শতাংশ আরব আমিরাতের। দৈনিক প্রায় ৩৬ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদনকারী দেশ ওপেক থেকে বেরিয়ে গেলে এই জোটের বৈশ্বিক ক্ষমতা ও প্রভাব বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। বিশেষ করে জোটের অঘোষিত নেতা সৌদি আরবের সঙ্গে আমিরাতের ক্রমবর্ধমান নীতিগত অমিল এই বিচ্ছেদকে আরও নিশ্চিত করেছে। এক সময়ের ঘনিষ্ঠ মিত্র এই দুই দেশের মধ্যে আঞ্চলিক রাজনীতি, ইয়েমেন যুদ্ধ এবং ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তীব্র মতভেদ তৈরি হয়েছে।
এছাড়া ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে আঞ্চলিক জোট জিসিসি ও আরব লীগের ভূমিকায় আমিরাত অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। আমিরাত মনে করছে, আঞ্চলিক সংস্থাগুলো ইরানের বিরুদ্ধে যথেষ্ট কঠোর অবস্থান নিতে ব্যর্থ।

জ্বালানি তেলের উৎপাদন ও রপ্তানি কোটা নিয়ে অসন্তোষের জেরে ওপেক এবং ওপেকপ্লাস ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) আমিরাত সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘোষণা দেয়।
দীর্ঘদিনের গুঞ্জন সত্যি করে তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর শক্তিশালী এই জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিল দেশটি। আমিরাতের দাবি, ওপেকের কোটা পদ্ধতি তাদের তেল রপ্তানি কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করছে।
আমিরাতের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ‘ওয়াম’ প্রকাশিত বিবৃতিতে জানানো হয়, সরকারের ‘দীর্ঘমেয়াদী কৌশল ও অর্থনৈতিক লক্ষ্য’ অর্জনের জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নিজস্ব জ্বালানি উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো এবং আন্তর্জাতিক বাজারে সেই তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে আমিরাত এখন বিনিয়োগ বাড়াতে চায়। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার এই সময়ে জ্বালানি বাজারে চাহিদার জোগান দিতে আমিরাত বদ্ধপরিকর।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার অস্থিতিশীল। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ প্রথম হামলার পর থেকে তেলের দাম প্রায় ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে হরমুজ প্রণালি নিয়ে অনিশ্চিত অবস্থা। এমন পরিস্থিতিতে ওপেকের বেঁধে দেওয়া উৎপাদন সীমা মেনে চলা আমিরাতের জন্য অর্থনৈতিকভাবে লোকসানজনক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় আমিরাতের জ্বালানি মন্ত্রী সুহাইল আল-মাজরুই জানান, বাজার পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ওপেক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত। তিনি বিগত কয়েক দশকের সহযোগিতার জন্য ওপেক সদস্য দেশগুলোকে ধন্যবাদও জানান। আন্তর্জাতিক বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ওপেক ছাড়ার পর আমিরাত এখন তেল উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়াতে পারবে।
আমিরাত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা হুট করে বাজারে ভারসাম্য নষ্ট করবে না, বরং চাহিদার সাথে তাল মিলিয়ে ধাপে ধাপে তেলের সরবরাহ বৃদ্ধি করবে।
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) তথ্যমতে, ওপেকের মোট উৎপাদনের প্রায় ১২ শতাংশ আরব আমিরাতের। দৈনিক প্রায় ৩৬ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদনকারী দেশ ওপেক থেকে বেরিয়ে গেলে এই জোটের বৈশ্বিক ক্ষমতা ও প্রভাব বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। বিশেষ করে জোটের অঘোষিত নেতা সৌদি আরবের সঙ্গে আমিরাতের ক্রমবর্ধমান নীতিগত অমিল এই বিচ্ছেদকে আরও নিশ্চিত করেছে। এক সময়ের ঘনিষ্ঠ মিত্র এই দুই দেশের মধ্যে আঞ্চলিক রাজনীতি, ইয়েমেন যুদ্ধ এবং ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তীব্র মতভেদ তৈরি হয়েছে।
এছাড়া ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে আঞ্চলিক জোট জিসিসি ও আরব লীগের ভূমিকায় আমিরাত অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। আমিরাত মনে করছে, আঞ্চলিক সংস্থাগুলো ইরানের বিরুদ্ধে যথেষ্ট কঠোর অবস্থান নিতে ব্যর্থ।
.png)

ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস অঞ্চলে ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৮ জনে। শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে ভূমিকম্পের পর বেশ কয়েকটি আফটারশক অনুভূত হয়। বিভিন্ন এলাকায় এক মিটারের কম উচ্চতার সুনামি ঢেউ রেকর্ড করা হয়। খবর রয়টার্স
৪ ঘণ্টা আগে-ba9dc7.jpg)
আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতায় ফেরার পাঁচ বছরে বদলে গেছে নারী ও মেয়েদের জীবন। শিক্ষা, চাকরি, স্বাস্থ্যসেবা ও চলাফেরাসহ নানা ক্ষেত্রে তাঁদের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। ইউনেস্কোর হিসাবে, বর্তমানে দেশটির প্রায় ২৪ লাখ মেয়ে মাধ্যমিক শিক্ষার বাইরে রয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
ইরান যুদ্ধ শেষে হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ভূখণ্ড’ হিসেবে ঘোষণার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) নিউইয়র্কে মধ্যবর্তী নির্বাচনে দলীয় প্রচার সভায় এ কথা বলেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, ‘যুদ্ধে ইরান শোচনীয়ভাবে পরাজিত হচ্ছে। যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর আমরা আনুষ্ঠানিকভাব
৮ ঘণ্টা আগে
চৌর্যবৃত্তির অভিযোগে পদত্যাগের এক সপ্তাহের মাথায় কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞানের সাবেক অধ্যাপক জেসন আরডের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে দক্ষিণ লন্ডনের ব্যাটারসি এলাকার নিজ বাসা থেকে ৪১ বছর বয়সী জেসনের মরদেহ উদ্ধার করে লন্ডনের অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস। মেট্রোপলিটন
১০ ঘণ্টা আগে