বাসস

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জুজুর ভয় দেখিয়ে বাংলাদেশের মানুষকে পিছিয়ে রাখা যাবে না। দেশের মানুষকে দাবিয়ে রাখা যাবে না। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে যশোর জেলা ঈদগাহ প্রাঙ্গণে জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
বিএনপি চেয়ারম্যান হুঁশিয়ারি দেন, জনগণের শান্তি নষ্ট করার সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না। আসুন আমরা নিজেদের সতর্ক রাখব, যাতে আর কেউ দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে না পারে। জনগণের শান্তি নষ্ট করে ১৭৩ দিন হরতাল পালন করবে, সেই সুযোগ আমরা আর কাউকে দেব না।
বাসস জানায়, সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বিগত আন্দোলনে নেতাকর্মীদের আত্মত্যাগ, নির্যাতন-নিপীড়ন, মিথ্যা মামলা দায়েরের পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে সরকার দেশের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে পারবে জানিয়ে তিনি বলেন, বিএনপির সব ক্ষমতার উৎস হচ্ছে দেশের জনগণ এবং সেজন্য বিএনপি শহীদ জিয়ার রেখে যাওয়া যে কাজ, অসমাপ্ত যে কাজ, সেই কাজ সম্পন্ন করতে চায় মানুষের স্বার্থে।
তারেক রহমান বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার রেখে যাওয়া যে অসমাপ্ত কাজ, বিগত ২০ বছর ধরে যারা স্বৈরাচারী ছিল, যারা ছিল ক্ষমতায়, তারা সে কাজগুলো জনগণের জন্য করেনি। তাই যে কাজটি খালেদা জিয়া শুরু করেছিলেন, আবার ২০ বছর পরে তাঁর দল বিএনপি সেই কাজটি জনগণের জন্য শুরু করেছে।
তিনি বলেন, আমরা কোনো টিকিট বিক্রি করতে চাই না। বরং আমরা বাস্তব কাজ করতে চাই। সেজন্য আমরা বলি– করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।

এ সময় মঞ্চের সামনে নেতাকর্মীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন করেন, কে কে আছেন আমার সঙ্গে দেশ গড়ার জন্য? উত্তরে সবাই হাত তুললে তারেক রহমান বলেন, লাখো মানুষ দেশ গড়ার জন্য আছেন। আসুন আজকে আমাদের প্রতিশ্রুতি হবে– এদেশ আপনার, এদেশ আমার, এদেশ আমাদের সবার, সব বাংলাদেশির। সবাই মিলে একে গড়ে তুলব।
তিনি বলেন, দেশের মানুষের আস্থা আছে বিএনপির ওপর, তারা বিএনপিকে বিশ্বাস করে। সেজন্যই তারা বিএনপিকে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ম্যান্ডেট দিয়েছে। যে প্রতিশ্রুতি বিএনপি জনগণের কাছে দিয়েছে, সেই প্রতিশ্রুতি যাতে বিএনপি পালন করতে পারে, বাস্তবায়ন করতে পারে, তার ম্যান্ডেট জনগণ বিএনপিকে দিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, একদল লোকের এই ম্যান্ডেট পছন্দ নয় এবং সেজন্য দেখেছেন বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে তারা বক্তৃতা দিচ্ছেন। তারা বলে বেড়াচ্ছেন, বিএনপি বলে ফ্যাসিবাদের দোসর হয়ে গিয়েছে। আসুন আমরা দেখি, কারা ফ্যাসিবাদের দোসর হয়ে গেছে?
তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরে বিএনপি পরিষ্কার বলেছে– জুলাই-আগস্টে যারা মানুষ হত্যা করেছে, তাদের বিচার হতে হবে। কিন্তু আমরা দেখেছি ৫ আগস্টের পরে কেউ কেউ বলেছিল– আমরা সবাইকে মাফ করে দিলাম। বলেছিল না? বলেছিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা কয়েকদিন আগে দেখেছি– যারা বক্তৃতায় জোরে জোরে কথা বলে। তাদেরই গিয়ে দেখেছি ফ্যাসিবাদের দোসরদের সঙ্গে ঢাকা থেকে অনেক দূরে মিটিং করতে। বিএনপির কাছে এখন অগ্রাধিকার হচ্ছে, মা-বোনদের শিক্ষার ব্যবস্থা করা, হামের টিকার ব্যবস্থা করা। মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা। আমাদের কাছে অগ্রাধিকার দেশের মানুষের সন্তানদের কাছে শিক্ষার আলো পৌঁছে দেওয়া।
মা-বোনেরা পাবেন ‘এলপিজি কার্ড’
সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের মা-বোনদের প্রতিদিন একটি কষ্টের সম্মুখীন হতে হয়। প্রতিদিন একটি যুদ্ধ করে তাদের পরিবারের সবার আহারের ব্যবস্থা করতে হয়। এই রান্নার ব্যবস্থা করার সময় যে চুলা জ্বালাতে হয়, তার জন্য গ্যাস বা খড়ি যেটাই ব্যবহার করুক এটি একটি সমস্যার কারণ।
তিনি বলেন, আমরা দুদিন আগে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি– মায়েদের হাতে আমরা যেমন ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিয়েছি, ঠিক একইভাবে সারা দেশে যাদের ফ্যামিলি কার্ড দেব, ঠিক সেই মায়েদের কাছে আমরা আরেকটি কার্ড দিব, সেটি হচ্ছে ‘এলপিজি কার্ড’। তাদের আর রান্নার কষ্ট পোহাতে হবে না।
গণভোট ও জুলাই সনদ নিয়ে বিভ্রান্তকারীদের প্রশ্রয় দেবেন না
রাজনৈতিক স্বার্থে গণভোট ও জুলাই সনদকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে– এমন ব্যক্তিদের প্রশ্রয় না দিতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, কিছু ব্যক্তি ও রাজনৈতিক দল এখন গণভোটকে ভিন্ন পথে পরিচালিত এবং দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।
আজ দুপুরে যশোরের শার্শা উপজেলার ঐতিহাসিক উলসী খালের পাড়ে পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, আমি পরিষ্কারভাবে বলতে চাই– বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক দল মিলে আমরা সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই সনদ সই করেছি। বাংলাদেশের মানুষ ভোটের মাধ্যমে রায় দিয়েছে– ‘যেই জুলাই সনদ জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সই করা হয়েছে, সেই জুলাই সনদ পাস করতে হবে’। সেই জুলাই সনদের প্রত্যেকটি শর্ত প্রত্যেকটি লাইন ইনশাআল্লাহ বিএনপি সংসদে পাস করবে।

সবাইকে সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, আমাদের আজ সতর্ক হতে হবে সেই সব লোকেদের বিরুদ্ধে, যারা বিভ্রান্তি ছড়াতে চায়। একটি বিশেষ দলের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, যারা দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মানুষকে বিভ্রান্তির চেষ্টা করেছিল, যারা ’৮৬ সালে বিভ্রান্তি করেছিল, যারা ’৭১ সালে বিভ্রান্তি তৈরি করেছিল, যারা ২০০৯ সালে বিভ্রান্তি করেছিল, ঠিক এসব ব্যক্তি আজ ২০২৬ সালে বিভ্রান্তির চেষ্টা করছে। কাজেই আমাদের আজ দেশ গড়তে হবে। আমাদের দেশকে সামনে নিয়ে যেতে হবে, আমাদের দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে হবে।
যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুর সভাপতিত্বে জনসভায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপিকা নার্গিস বেগম, যুগ্ম মহাসচিব পানি সম্পদমন্ত্রী শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
এর আগে শার্শায় উলশী খাল পুনঃখনন, হরিনারবিলে ৫০০ শয্যার যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর ফলক উন্মোচন এবং দড়াটানায় যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
৫০ বছর আগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচি সারা দেশে আলোড়ন তুলেছিল। আর সেই যাত্রা শুরু হয়েছিল যশোর থেকে। শার্শার উলশী-যদুনাথপুর খাল ছিল প্রথম প্রকল্প। একে কেন্দ্র করে নতুন স্বপ্নে জেগেছিল এলাকার মানুষ। ব্যস্ততা আর সম্ভাবনার আলো ছড়িয়ে পড়েছিল গোটা দেশে। এত বছর পর আবার সেই খাল পুনঃখনন করলেন জিয়াউর রহমানের ছেলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এখন বাবা ও ছেলের দুটি নামফলক পাশপাশি অবস্থান করছে।

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জুজুর ভয় দেখিয়ে বাংলাদেশের মানুষকে পিছিয়ে রাখা যাবে না। দেশের মানুষকে দাবিয়ে রাখা যাবে না। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে যশোর জেলা ঈদগাহ প্রাঙ্গণে জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
বিএনপি চেয়ারম্যান হুঁশিয়ারি দেন, জনগণের শান্তি নষ্ট করার সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না। আসুন আমরা নিজেদের সতর্ক রাখব, যাতে আর কেউ দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে না পারে। জনগণের শান্তি নষ্ট করে ১৭৩ দিন হরতাল পালন করবে, সেই সুযোগ আমরা আর কাউকে দেব না।
বাসস জানায়, সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বিগত আন্দোলনে নেতাকর্মীদের আত্মত্যাগ, নির্যাতন-নিপীড়ন, মিথ্যা মামলা দায়েরের পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে সরকার দেশের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে পারবে জানিয়ে তিনি বলেন, বিএনপির সব ক্ষমতার উৎস হচ্ছে দেশের জনগণ এবং সেজন্য বিএনপি শহীদ জিয়ার রেখে যাওয়া যে কাজ, অসমাপ্ত যে কাজ, সেই কাজ সম্পন্ন করতে চায় মানুষের স্বার্থে।
তারেক রহমান বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার রেখে যাওয়া যে অসমাপ্ত কাজ, বিগত ২০ বছর ধরে যারা স্বৈরাচারী ছিল, যারা ছিল ক্ষমতায়, তারা সে কাজগুলো জনগণের জন্য করেনি। তাই যে কাজটি খালেদা জিয়া শুরু করেছিলেন, আবার ২০ বছর পরে তাঁর দল বিএনপি সেই কাজটি জনগণের জন্য শুরু করেছে।
তিনি বলেন, আমরা কোনো টিকিট বিক্রি করতে চাই না। বরং আমরা বাস্তব কাজ করতে চাই। সেজন্য আমরা বলি– করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।

এ সময় মঞ্চের সামনে নেতাকর্মীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন করেন, কে কে আছেন আমার সঙ্গে দেশ গড়ার জন্য? উত্তরে সবাই হাত তুললে তারেক রহমান বলেন, লাখো মানুষ দেশ গড়ার জন্য আছেন। আসুন আজকে আমাদের প্রতিশ্রুতি হবে– এদেশ আপনার, এদেশ আমার, এদেশ আমাদের সবার, সব বাংলাদেশির। সবাই মিলে একে গড়ে তুলব।
তিনি বলেন, দেশের মানুষের আস্থা আছে বিএনপির ওপর, তারা বিএনপিকে বিশ্বাস করে। সেজন্যই তারা বিএনপিকে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ম্যান্ডেট দিয়েছে। যে প্রতিশ্রুতি বিএনপি জনগণের কাছে দিয়েছে, সেই প্রতিশ্রুতি যাতে বিএনপি পালন করতে পারে, বাস্তবায়ন করতে পারে, তার ম্যান্ডেট জনগণ বিএনপিকে দিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, একদল লোকের এই ম্যান্ডেট পছন্দ নয় এবং সেজন্য দেখেছেন বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে তারা বক্তৃতা দিচ্ছেন। তারা বলে বেড়াচ্ছেন, বিএনপি বলে ফ্যাসিবাদের দোসর হয়ে গিয়েছে। আসুন আমরা দেখি, কারা ফ্যাসিবাদের দোসর হয়ে গেছে?
তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরে বিএনপি পরিষ্কার বলেছে– জুলাই-আগস্টে যারা মানুষ হত্যা করেছে, তাদের বিচার হতে হবে। কিন্তু আমরা দেখেছি ৫ আগস্টের পরে কেউ কেউ বলেছিল– আমরা সবাইকে মাফ করে দিলাম। বলেছিল না? বলেছিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা কয়েকদিন আগে দেখেছি– যারা বক্তৃতায় জোরে জোরে কথা বলে। তাদেরই গিয়ে দেখেছি ফ্যাসিবাদের দোসরদের সঙ্গে ঢাকা থেকে অনেক দূরে মিটিং করতে। বিএনপির কাছে এখন অগ্রাধিকার হচ্ছে, মা-বোনদের শিক্ষার ব্যবস্থা করা, হামের টিকার ব্যবস্থা করা। মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা। আমাদের কাছে অগ্রাধিকার দেশের মানুষের সন্তানদের কাছে শিক্ষার আলো পৌঁছে দেওয়া।
মা-বোনেরা পাবেন ‘এলপিজি কার্ড’
সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের মা-বোনদের প্রতিদিন একটি কষ্টের সম্মুখীন হতে হয়। প্রতিদিন একটি যুদ্ধ করে তাদের পরিবারের সবার আহারের ব্যবস্থা করতে হয়। এই রান্নার ব্যবস্থা করার সময় যে চুলা জ্বালাতে হয়, তার জন্য গ্যাস বা খড়ি যেটাই ব্যবহার করুক এটি একটি সমস্যার কারণ।
তিনি বলেন, আমরা দুদিন আগে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি– মায়েদের হাতে আমরা যেমন ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিয়েছি, ঠিক একইভাবে সারা দেশে যাদের ফ্যামিলি কার্ড দেব, ঠিক সেই মায়েদের কাছে আমরা আরেকটি কার্ড দিব, সেটি হচ্ছে ‘এলপিজি কার্ড’। তাদের আর রান্নার কষ্ট পোহাতে হবে না।
গণভোট ও জুলাই সনদ নিয়ে বিভ্রান্তকারীদের প্রশ্রয় দেবেন না
রাজনৈতিক স্বার্থে গণভোট ও জুলাই সনদকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে– এমন ব্যক্তিদের প্রশ্রয় না দিতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, কিছু ব্যক্তি ও রাজনৈতিক দল এখন গণভোটকে ভিন্ন পথে পরিচালিত এবং দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।
আজ দুপুরে যশোরের শার্শা উপজেলার ঐতিহাসিক উলসী খালের পাড়ে পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, আমি পরিষ্কারভাবে বলতে চাই– বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক দল মিলে আমরা সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই সনদ সই করেছি। বাংলাদেশের মানুষ ভোটের মাধ্যমে রায় দিয়েছে– ‘যেই জুলাই সনদ জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সই করা হয়েছে, সেই জুলাই সনদ পাস করতে হবে’। সেই জুলাই সনদের প্রত্যেকটি শর্ত প্রত্যেকটি লাইন ইনশাআল্লাহ বিএনপি সংসদে পাস করবে।

সবাইকে সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, আমাদের আজ সতর্ক হতে হবে সেই সব লোকেদের বিরুদ্ধে, যারা বিভ্রান্তি ছড়াতে চায়। একটি বিশেষ দলের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, যারা দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মানুষকে বিভ্রান্তির চেষ্টা করেছিল, যারা ’৮৬ সালে বিভ্রান্তি করেছিল, যারা ’৭১ সালে বিভ্রান্তি তৈরি করেছিল, যারা ২০০৯ সালে বিভ্রান্তি করেছিল, ঠিক এসব ব্যক্তি আজ ২০২৬ সালে বিভ্রান্তির চেষ্টা করছে। কাজেই আমাদের আজ দেশ গড়তে হবে। আমাদের দেশকে সামনে নিয়ে যেতে হবে, আমাদের দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে হবে।
যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুর সভাপতিত্বে জনসভায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপিকা নার্গিস বেগম, যুগ্ম মহাসচিব পানি সম্পদমন্ত্রী শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
এর আগে শার্শায় উলশী খাল পুনঃখনন, হরিনারবিলে ৫০০ শয্যার যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর ফলক উন্মোচন এবং দড়াটানায় যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
৫০ বছর আগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচি সারা দেশে আলোড়ন তুলেছিল। আর সেই যাত্রা শুরু হয়েছিল যশোর থেকে। শার্শার উলশী-যদুনাথপুর খাল ছিল প্রথম প্রকল্প। একে কেন্দ্র করে নতুন স্বপ্নে জেগেছিল এলাকার মানুষ। ব্যস্ততা আর সম্ভাবনার আলো ছড়িয়ে পড়েছিল গোটা দেশে। এত বছর পর আবার সেই খাল পুনঃখনন করলেন জিয়াউর রহমানের ছেলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এখন বাবা ও ছেলের দুটি নামফলক পাশপাশি অবস্থান করছে।

অতিরিক্ত কর্মঘণ্টা ও কর্মক্ষেত্রে মানসিক চাপের কারণে প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে ৮ লাখ ৪০ হাজার মানুষের মৃত্যু হচ্ছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)। সংস্থাটির সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদন মতে, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে।
৩৫ মিনিট আগে
আইনি জটিলতা ও আসামিপক্ষের সারসংক্ষেপ জমা দিতে বিলম্বের কারণে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে মামলাটি এখনো ঝুলে আছে। ২০১৮ সালের রায়ের পর দণ্ডিতরা সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল ও লিভ টু আপিল দায়ের করলে ২০১৯ সাল থেকে মামলাটি সেখানে চূড়ান্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
৪২ মিনিট আগে
কারিগরি ত্রুটি মেরামতের পর ভারতের আদানি গ্রুপের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বন্ধ থাকা ইউনিট চালু হয়েছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাত পৌনে ৮টার দিকে কেন্দ্রটির বন্ধ ইউনিটটি জাতীয় গ্রিডে পুনরায় যুক্ত হয়। বর্তমানে দুটি ইউনিট থেকেই বিদ্যুৎ মিলছে।
১ ঘণ্টা আগে
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে অবশেষে জ্বালানি লোডিং হচ্ছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বেলা ৩টা ৩৫ মিনিটে ঈশ্বরদীর এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে ইউরেনিয়াম লোডিং হবে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।
১ ঘণ্টা আগে