স্ট্রিম ডেস্ক

ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো থেকে উদ্ধার করা ইউরেনিয়াম ধাপে ধাপে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসা হবে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তেহরান স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, তারা কোনো অবস্থাতেই তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে স্থানান্তর করবে না।
এর বার্তা সংস্থা রয়টার্স-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সমন্বয়ের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পারমাণবিক স্থাপনাগুলো থেকে ইউরেনিয়াম সংগ্রহে কাজ করবে। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে এসব স্থাপনায় কাজ চালিয়ে পরে তা যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এর আগে ট্রাম্প ইউরেনিয়ামকে ‘পারমাণবিক ধুলা’ বলে অভিহিত করে দাবি করেন, ইরানের সব ইউরেনিয়াম শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে আসবে।
তবে ইরান ট্রাম্পের এই দাবিকে সরাসরি নাকচ করেছে। দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির মুখপাত্র এব্রাহিম রেজায়ি বলেছেন, তেহরান দেশের বাইরে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পাঠানোর কোনো প্রস্তাব মেনে নেবে না এবং এ বিষয়ে কোনো প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়নি। আল জাজিরা মুবারশার সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করা বা শূন্যে নামিয়ে আনার যেকোনো প্রস্তাব তাদের জন্য ‘কৌশলগত লাল রেখা’।
একই সুরে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাঘায়ি ট্রাম্পের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে বলেন, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ইরানের কাছে নিজস্ব ভূখণ্ডের মতোই গুরুত্বপূর্ণ এবং কোনো অবস্থাতেই তা অন্য দেশে স্থানান্তর করা হবে না। তিনি তাসনিম নিউজ এজেন্সি-কে বলেন, ‘সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম আমাদের কাছে ইরানের মাটির মতোই পবিত্র।’
এদিকে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা-এর তথ্য অনুযায়ী, ইরানের কাছে বর্তমানে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ ৪০০ কেজির বেশি ইউরেনিয়াম মজুত রয়েছে। সাধারণত পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির জন্য প্রায় ৯০ শতাংশ মাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম প্রয়োজন হয়।
সব মিলিয়ে, ইউরেনিয়াম হস্তান্তর ও পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের অবস্থান সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী হওয়ায় নতুন করে উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো থেকে উদ্ধার করা ইউরেনিয়াম ধাপে ধাপে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসা হবে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তেহরান স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, তারা কোনো অবস্থাতেই তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে স্থানান্তর করবে না।
এর বার্তা সংস্থা রয়টার্স-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সমন্বয়ের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পারমাণবিক স্থাপনাগুলো থেকে ইউরেনিয়াম সংগ্রহে কাজ করবে। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে এসব স্থাপনায় কাজ চালিয়ে পরে তা যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এর আগে ট্রাম্প ইউরেনিয়ামকে ‘পারমাণবিক ধুলা’ বলে অভিহিত করে দাবি করেন, ইরানের সব ইউরেনিয়াম শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে আসবে।
তবে ইরান ট্রাম্পের এই দাবিকে সরাসরি নাকচ করেছে। দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির মুখপাত্র এব্রাহিম রেজায়ি বলেছেন, তেহরান দেশের বাইরে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পাঠানোর কোনো প্রস্তাব মেনে নেবে না এবং এ বিষয়ে কোনো প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়নি। আল জাজিরা মুবারশার সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করা বা শূন্যে নামিয়ে আনার যেকোনো প্রস্তাব তাদের জন্য ‘কৌশলগত লাল রেখা’।
একই সুরে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাঘায়ি ট্রাম্পের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে বলেন, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ইরানের কাছে নিজস্ব ভূখণ্ডের মতোই গুরুত্বপূর্ণ এবং কোনো অবস্থাতেই তা অন্য দেশে স্থানান্তর করা হবে না। তিনি তাসনিম নিউজ এজেন্সি-কে বলেন, ‘সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম আমাদের কাছে ইরানের মাটির মতোই পবিত্র।’
এদিকে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা-এর তথ্য অনুযায়ী, ইরানের কাছে বর্তমানে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ ৪০০ কেজির বেশি ইউরেনিয়াম মজুত রয়েছে। সাধারণত পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির জন্য প্রায় ৯০ শতাংশ মাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম প্রয়োজন হয়।
সব মিলিয়ে, ইউরেনিয়াম হস্তান্তর ও পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের অবস্থান সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী হওয়ায় নতুন করে উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
.png)

চলমান গ্যাস সংকটের প্রভাব পড়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদনেও, যার ফলে গেল সপ্তাহের তুলনায় লোডশেডিং বেড়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে শিগগিরই সমাধানের আভাস না পাওয়ায় এ সংকটের নেতিবাচক প্রভাব আরও সপ্তাহখানেক চলতে পারে।
২৩ মিনিট আগে
নিরাপত্তা চেয়ে মডেল ও আইনজীবী জান্নাতুল ফেরদৌস পিয়ার করা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২৭ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীনের আদালত বনানী থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
৪৩ মিনিট আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রী হলের নিরাপত্তার মান উন্নয়নে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এ এম ওবায়দুল ইসলামের কাছে ছয় দফা দাবি জানানো হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) সন্ধ্যায় উপাচার্যের কার্যালয়ে বৈঠকে নারী শিক্ষার্থীদের মতামতের ভিত্তিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) এই দাবিগুলো তুলে ধরে।
১ ঘণ্টা আগে
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের চারটি সিএনজি ফিলিং স্টেশনের মধ্যে তিনটিই গ্যাস সংকটে প্রায় বন্ধের উপক্রম। একটি স্টেশন চালু আছে সীমিত পরিসরে। সেখানে পর্যাপ্ত গ্যাস না থাকায় একটি গাড়িতে ৫০ টাকার বেশি গ্যাস নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলছেন চালকেরা। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন সিএনজিচালিত যানবাহনের চালক ও যাত্রীরা।
১ ঘণ্টা আগে