স্ট্রিম সংবাদদাতা

টানা বৃষ্টি এবং উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় ধলাই নদীর বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নে বেশ কিছু গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
বুধবার (৮ জুলাই) রাত ১০টার দিকে উপজেলার মখাবিল এলাকায় বাঁধের প্রায় ১০০ মিটার অংশ ভেঙে যায়। এতে মখাবিল, শ্রীপুর, ভান্ডারীগাঁওসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, রাতে হঠাৎ বাঁধের বড় একটি অংশ ধসে পড়ে। অল্প সময়ের মধ্যেই প্রবল স্রোতে পানি আশপাশের গ্রামে প্রবেশ করে। ঘরবাড়ি রক্ষায় অনেক পরিবার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে শুরু করেছে। নিচু এলাকার বসতবাড়ি, আঙিনা ও গ্রামীণ সড়কে পানি উঠে যাওয়ায় জনদুর্ভোগ বাড়ছে।
কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ধলাই নদীর বাঁধ ধসের তথ্য পেয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মূল্যায়নের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বন্যাকবলিতদের সহায়তাও দেওয়া হবে।
এদিকে অব্যাহত বৃষ্টি ও উজানের ঢলে মৌলভীবাজারের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, মনু ও ধলাই নদীর পানি ইতোমধ্যে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই সঙ্গে কুশিয়ারা ও জুড়ী নদীর পানিও দ্রুত বাড়ছে। এতে নিম্নাঞ্চলে নতুন করে বন্যার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খালেদ বিন ওয়ালিদ বলেন, মখাবিল এলাকায় ধলাই নদীর বাঁধের ক্ষতিগ্রস্ত অংশে আগেই সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় কাজ করার সময় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) আপত্তির কারণে নির্ধারিত পরিসরে কাজ করা সম্ভব হয়নি। ফলে যতটুকু এলাকায় কাজ করা গেছে, কেবল সেই অংশেই অবস্থা ভালো আছে।

টানা বৃষ্টি এবং উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় ধলাই নদীর বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নে বেশ কিছু গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
বুধবার (৮ জুলাই) রাত ১০টার দিকে উপজেলার মখাবিল এলাকায় বাঁধের প্রায় ১০০ মিটার অংশ ভেঙে যায়। এতে মখাবিল, শ্রীপুর, ভান্ডারীগাঁওসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, রাতে হঠাৎ বাঁধের বড় একটি অংশ ধসে পড়ে। অল্প সময়ের মধ্যেই প্রবল স্রোতে পানি আশপাশের গ্রামে প্রবেশ করে। ঘরবাড়ি রক্ষায় অনেক পরিবার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে শুরু করেছে। নিচু এলাকার বসতবাড়ি, আঙিনা ও গ্রামীণ সড়কে পানি উঠে যাওয়ায় জনদুর্ভোগ বাড়ছে।
কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ধলাই নদীর বাঁধ ধসের তথ্য পেয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মূল্যায়নের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বন্যাকবলিতদের সহায়তাও দেওয়া হবে।
এদিকে অব্যাহত বৃষ্টি ও উজানের ঢলে মৌলভীবাজারের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, মনু ও ধলাই নদীর পানি ইতোমধ্যে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই সঙ্গে কুশিয়ারা ও জুড়ী নদীর পানিও দ্রুত বাড়ছে। এতে নিম্নাঞ্চলে নতুন করে বন্যার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খালেদ বিন ওয়ালিদ বলেন, মখাবিল এলাকায় ধলাই নদীর বাঁধের ক্ষতিগ্রস্ত অংশে আগেই সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় কাজ করার সময় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) আপত্তির কারণে নির্ধারিত পরিসরে কাজ করা সম্ভব হয়নি। ফলে যতটুকু এলাকায় কাজ করা গেছে, কেবল সেই অংশেই অবস্থা ভালো আছে।
.png)

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশকে আরও সবুজ করে গড়ে তুলতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি শিশুদের প্রতি বছর অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর অনুরোধ করেছেন।
৮ মিনিট আগে
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, বান্দরবানে পাহাড়ের কোনো মানুষ ত্রাণ থেকে বঞ্চিত হবে না। একসঙ্গে বন্যায় যেসব ঘর বসবাসের অনুপযোগী হয়ে গেছে, সেগুলো সরকারি উদ্যোগে পুনর্নির্মাণ করা হবে।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে মওলানা ভাসানী সেতুর সংযোগ সড়কের একাংশে গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতেই ধস দেখা দিয়েছে। যান চলাচল শুরুর বছর না গড়াতেই ৯০০ কোটি টাকার সেতুর সড়কে গর্ত তৈরি হওয়ায় নির্মাণকাজ ও মেয়াদ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপের সৃষ্টি হয়েছে। যার প্রভাবে সমুদ্র বিক্ষুব্ধ থাকায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।
৩ ঘণ্টা আগে