মিজানুর রহমান

কয়েক বছর ধরে উৎসবের কেনাকাটার ধরনে এসেছে পরিবর্তন। এখন শপিং সেন্টারগুলোর পাশাপাশি ক্রেতারা অনলাইনেও পণ্য কিনছেন। এতে সময় যেমন বাঁচছে, তেমনি সহজেই অনেক পণ্য যাচাই করে কেনাকাটা করা যাচ্ছে।
প্রযুক্তির সহজ ব্যবহার ,ইন্টারনেটের সহজলভ্যতার কারণে শহরের পাশাপাশি এখন প্রতন্ত গ্রামের মানুষেও অনলাইনে কেনাকাটা করছেন।
দেশের বাজারে অনলাইন কেনাকাটার পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় নামীদামি ব্র্যান্ডগুলো আউটলেটের পাশাপাশি অনলাইন অনলাইন সেবা চালু করেছে। এতে ক্রেতারা যেমন তাদের পছন্দের ব্র্যান্ডের পোশাক ঘরে বসে কিনতে পারছেন, তেমনি ওই পোশাকের রিভিউ দেখতে পারছেন।
উৎসবের সময় অনেকের চাহিদা থাকে নিজেদের পছন্দমতো ডিজাইন ও কালারের পোশাক পরিবারের সবাই মিলে পরার। এক্ষেত্রে সরাসরি কিনতে গিয়ে পছন্দমতো ডিজাইন, কালার পরিবারের সবার সাইজের পোশাক পাওয়া কঠিন। এ ক্ষেত্রে ক্রেতারা খুব সহজেই অনলাইন প্লাটফর্ম ব্যবহার করে উদ্যোক্তা নিজেদের পছন্দমতো পোশাক বানিয়ে নিতে পারছেন।
গত কয়েক বছর থেকেই উৎসবকেন্দ্রিক বিক্রি বেড়েছে জানিয়ে অনলাইন পেজ শাড়ি ঘরের স্বত্বাধিকারী সাজিদ হেদায়েত স্ট্রিমকে বলেন, ‘ঈদ, পূজা, ফাল্গুন, বৈশাখ উপলক্ষে আমাদের বিক্রি বেশি হয়। এই উৎসবগুলোতে আমরা ওয়েদার, ক্রেতাদের পছন্দ ও চাহিদা অনুযায়ী পণ্য সরবরাহ করে থাকি।’
একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকুরে মনিকা ইয়াসমিন বলেন ‘অনলাইন কেনাকাটা এখন আর শুধু সুবিধা না; এটা অনেকের জন্য প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছে, বিশেষ করে কর্মজীবী মানুষের জন্য।’
তিনি আরও বলেন, যানজটে সরাসরি মার্কেটে গিয়ে কেনাকাটা করা সত্যিই ক্লান্তিকর। তার ওপর ছুটির দিনগুলোতে সবাই একসঙ্গে মার্কেটে যায়, ফলে প্রচণ্ড ভিড় হয়। অনলাইন শপিং সময় ও শক্তি—দুটোই বাঁচায়। মার্কেটের মতো দরদাম করার ঝামেলা নেই ; ফিক্সড প্রাইস থাকায় মনে হয় সবাই একই দামে কিনছে, একা ঠকে যাওয়ার ভয়টাও কম থাকে। আবার অনেক সময় দোকানদাররা ঠিকমতো প্রোডাক্ট দেখাতে চায় না।’
মিরপুরের ইশরাত হক বলেন, ‘আমি নিজের এবং পরিবারের বেশিরভাগ কেনাকাটাই অনলাইন থেকে করি। ছোট বাচ্চা নিয়ে বাইরে কেনাকাটা করতে যাওয়া অনেক ঝামেলার।’
অনলাইন পেজ শখের ডিব্বার স্বত্বধিকারী হুমায়রা সুলতানা স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমাদের নিজস্ব ডিজাইনের আর তাঁতের শাড়ি এমন ভাবে বানানো যাতে হয়েছে যা বৈশাখ এবং অনান্য সময়েও ব্যবহার করা যায় । দেড় হাজার টাকার মধ্যে যে শাড়িগুলো, সেই শাড়িগুলোই আমাদের ক্রেতারা অনেক বেশি পছন্দ করেন এবং অনেক বেশি এটা আমাদের কাছ থেকে নেন। এবার ভালো সাড়া পেয়েছি গামছা শাড়িতে।’
অনলাইন কেনাকাটার অনেক সুবিধা থাকলেও এখানে অনেক অসাধু ব্যাবসায়ী ক্রেতাদের ঠকাচ্ছে। পণ্যের প্রচারণায় যে মানের কথা বলা হয়, বাস্তবে তা পাওয়া যায় না । ছবিতে পণ্য যেমন দেখায়, বাস্তবে তার মান, রং বা উপাদান তেমন হয় না।
এসব প্রতারণা থেকে দূরে থাকার জন্য ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ বলছে অনলাইন থেকে অর্ডার করার সময় রিফান্ড এবং রির্টান পলিসি দেখে অর্ডার করতে হবে।
সংস্থাটির হেড অব সেক্রেটারিয়েট এস এম ইকরামুল বলেন, ‘আমাদের নিবন্ধিত প্রায় ৩ হাজার ই-কর্মাস প্রতিষ্ঠান আছে । আমরা এগুলো নজরদারিতে রাখি । নিবন্ধিত কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে কেউ প্রতারণার শিকার হলে আমাদের কাছে অভিযোগ দিলে আমরা সেটা সমাধান করি।’

কয়েক বছর ধরে উৎসবের কেনাকাটার ধরনে এসেছে পরিবর্তন। এখন শপিং সেন্টারগুলোর পাশাপাশি ক্রেতারা অনলাইনেও পণ্য কিনছেন। এতে সময় যেমন বাঁচছে, তেমনি সহজেই অনেক পণ্য যাচাই করে কেনাকাটা করা যাচ্ছে।
প্রযুক্তির সহজ ব্যবহার ,ইন্টারনেটের সহজলভ্যতার কারণে শহরের পাশাপাশি এখন প্রতন্ত গ্রামের মানুষেও অনলাইনে কেনাকাটা করছেন।
দেশের বাজারে অনলাইন কেনাকাটার পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় নামীদামি ব্র্যান্ডগুলো আউটলেটের পাশাপাশি অনলাইন অনলাইন সেবা চালু করেছে। এতে ক্রেতারা যেমন তাদের পছন্দের ব্র্যান্ডের পোশাক ঘরে বসে কিনতে পারছেন, তেমনি ওই পোশাকের রিভিউ দেখতে পারছেন।
উৎসবের সময় অনেকের চাহিদা থাকে নিজেদের পছন্দমতো ডিজাইন ও কালারের পোশাক পরিবারের সবাই মিলে পরার। এক্ষেত্রে সরাসরি কিনতে গিয়ে পছন্দমতো ডিজাইন, কালার পরিবারের সবার সাইজের পোশাক পাওয়া কঠিন। এ ক্ষেত্রে ক্রেতারা খুব সহজেই অনলাইন প্লাটফর্ম ব্যবহার করে উদ্যোক্তা নিজেদের পছন্দমতো পোশাক বানিয়ে নিতে পারছেন।
গত কয়েক বছর থেকেই উৎসবকেন্দ্রিক বিক্রি বেড়েছে জানিয়ে অনলাইন পেজ শাড়ি ঘরের স্বত্বাধিকারী সাজিদ হেদায়েত স্ট্রিমকে বলেন, ‘ঈদ, পূজা, ফাল্গুন, বৈশাখ উপলক্ষে আমাদের বিক্রি বেশি হয়। এই উৎসবগুলোতে আমরা ওয়েদার, ক্রেতাদের পছন্দ ও চাহিদা অনুযায়ী পণ্য সরবরাহ করে থাকি।’
একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকুরে মনিকা ইয়াসমিন বলেন ‘অনলাইন কেনাকাটা এখন আর শুধু সুবিধা না; এটা অনেকের জন্য প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছে, বিশেষ করে কর্মজীবী মানুষের জন্য।’
তিনি আরও বলেন, যানজটে সরাসরি মার্কেটে গিয়ে কেনাকাটা করা সত্যিই ক্লান্তিকর। তার ওপর ছুটির দিনগুলোতে সবাই একসঙ্গে মার্কেটে যায়, ফলে প্রচণ্ড ভিড় হয়। অনলাইন শপিং সময় ও শক্তি—দুটোই বাঁচায়। মার্কেটের মতো দরদাম করার ঝামেলা নেই ; ফিক্সড প্রাইস থাকায় মনে হয় সবাই একই দামে কিনছে, একা ঠকে যাওয়ার ভয়টাও কম থাকে। আবার অনেক সময় দোকানদাররা ঠিকমতো প্রোডাক্ট দেখাতে চায় না।’
মিরপুরের ইশরাত হক বলেন, ‘আমি নিজের এবং পরিবারের বেশিরভাগ কেনাকাটাই অনলাইন থেকে করি। ছোট বাচ্চা নিয়ে বাইরে কেনাকাটা করতে যাওয়া অনেক ঝামেলার।’
অনলাইন পেজ শখের ডিব্বার স্বত্বধিকারী হুমায়রা সুলতানা স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমাদের নিজস্ব ডিজাইনের আর তাঁতের শাড়ি এমন ভাবে বানানো যাতে হয়েছে যা বৈশাখ এবং অনান্য সময়েও ব্যবহার করা যায় । দেড় হাজার টাকার মধ্যে যে শাড়িগুলো, সেই শাড়িগুলোই আমাদের ক্রেতারা অনেক বেশি পছন্দ করেন এবং অনেক বেশি এটা আমাদের কাছ থেকে নেন। এবার ভালো সাড়া পেয়েছি গামছা শাড়িতে।’
অনলাইন কেনাকাটার অনেক সুবিধা থাকলেও এখানে অনেক অসাধু ব্যাবসায়ী ক্রেতাদের ঠকাচ্ছে। পণ্যের প্রচারণায় যে মানের কথা বলা হয়, বাস্তবে তা পাওয়া যায় না । ছবিতে পণ্য যেমন দেখায়, বাস্তবে তার মান, রং বা উপাদান তেমন হয় না।
এসব প্রতারণা থেকে দূরে থাকার জন্য ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ বলছে অনলাইন থেকে অর্ডার করার সময় রিফান্ড এবং রির্টান পলিসি দেখে অর্ডার করতে হবে।
সংস্থাটির হেড অব সেক্রেটারিয়েট এস এম ইকরামুল বলেন, ‘আমাদের নিবন্ধিত প্রায় ৩ হাজার ই-কর্মাস প্রতিষ্ঠান আছে । আমরা এগুলো নজরদারিতে রাখি । নিবন্ধিত কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে কেউ প্রতারণার শিকার হলে আমাদের কাছে অভিযোগ দিলে আমরা সেটা সমাধান করি।’

এবারের পয়লা বৈশাখের ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’র অন্যতম আকর্ষণ হতে যাচ্ছে ১০০ ফুট দীর্ঘ একটি পটচিত্র। যেখানে লোকজ সংস্কৃতির পাশাপাশি ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের রক্তিম ইতিহাস। পহেলা বৈশাখের আগের দিনেও চারুকলার প্রাঙ্গণে পটুয়া নাজির হোসেনের নেতৃত্বে এই পটচিত্র তৈরিতে ব্যস্ত ছিলেন শিল্পীরা।
৩ মিনিট আগে
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে বৈশাখী ভাতা চালুর এক দশক পেরিয়ে গেলেও বেসরকারি খাতের বেশির ভাগ কর্মীরা বঞ্চিত হচ্ছেন। অষ্টম জাতীয় বেতন স্কেলের অধীনে চালু এই ভাতা মূল বেতনের ২০ শতাংশের সমপরিমাণ, যা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা পাচ্ছেন।
১৮ মিনিট আগে
প্রকৃতির রুদ্রমূর্তি কিছুটা কমেছে। বাংলা বছরের শেষ সূর্যের তেজ হালকা হয়ে এসেছে। এ সময় একপশলা বৃষ্টির আশায় প্রাচীন লোক সংস্কৃতিকে বেছে নিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি)। বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন কলা ভবনের সামনে শুরু হলো পানচিনির আয়োজন।
২৩ মিনিট আগে
নতুন বছরকে বরণ করে নিতে উৎসবের রঙে রঙিন হয়ে উঠেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাস। বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ২০টিরও বেশি বিভাগে চলছে নানা আয়োজন ও শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।
৩২ মিনিট আগে