আজ চৈত্র সংক্রান্তি বা চৈত্র মাসের শেষদিন। বিদায় হবে ১৪৩২ বঙ্গাব্দ। আগামীকাল সূর্যোদয়ের মধ্য দিয়ে শুরু হবে নতুন বাংলা বছর ১৪৩৩।
স্ট্রিম ডেস্ক

আজ চৈত্র সংক্রান্তি বা চৈত্র মাসের শেষদিন। বিদায় হবে ১৪৩২ বঙ্গাব্দ। আগামীকাল সূর্যোদয়ের মধ্য দিয়ে শুরু হবে নতুন বাংলা বছর ১৪৩৩।
আমাদের আবহমান বাংলার ঐতিহ্য চৈত্র সংক্রান্তি। কৃষির সঙ্গে দিনটির রয়েছে গভীর সম্পর্ক। আদিকাল থেকেই গ্রামবাংলার মানুষ দিনটিকে বিভিন্ন রীতিনীতি এবং প্রথার মাধ্যমে পালন করে আসছে।
বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চৈত্র সংক্রান্তির অন্যতম রীতি ১৪ রকম শাক খাওয়া। এ দিন গ্রামের নারীরা দল বেঁধে শাক কুড়াতে বের হন। বাড়ির আশেপাশে বা পুকুর পাড় ঘুরে ঘুরে নানা রকম শাক সংগ্রহ করেন তাঁরা। শাকগুলো কোনো জমিতে চাষ করলে হবে না—এমনটাই রীতি। এগুলো হতে হবে অনাবাদি। এসব শাকের মধ্যে থাকে হেলেঞ্চা, নেটাপেটা শাক, কচু শাক, তেলাকুচা শাক, থানকুনি, গিমা শাক, কলমি শাক, ঢেঁকি শাক, খেতা শাক, মোরগ শাক, নুনিয়া শাক ইত্যাদি।
এর সঙ্গে অনেক সময় মিষ্টি কুমড়া পাতা, লাউ শাক বা পাট শাকও খাওয়া হয়। এসব শাক জমিতে চাষ করা হলেও এগুলোকে কুড়িয়ে পাওয়া শাক হিসেবেই ধরা হয়। কারণ এর পাতা যে কেউ জমি থেকে তুলে নিতে পারেন। জমির মালিক এতে কোনো আপত্তি করেন না। শাক, লতাপাতা খাওয়ার এই উৎসবটিকে অনেকে বলেন ‘শাকান্ন’ উৎসব।
১৪ পদের শাক তোলার এই কাজ প্রধানত করেন বাড়ির নারীরাই। গ্রামের নারীদের সঙ্গে প্রকৃতির সম্পর্ক এতটাই ঘনিষ্ঠ যে তাঁরা খুব ভালো করে জানেন, কোন শাক কোথায় পাওয়া যায়। কোন শাকের কী গুণ সেটিও তাঁরা জানেন। কোনো বইপুস্তক পড়ে তাঁরা এই জ্ঞান অর্জন করেন নি। গ্রামের মেয়েরা অল্প বয়স থেকেই মায়ের সঙ্গে গিয়ে শাক তুলতে শিখে যায়। এভাবেই হয়ত মায়েরা শিখেছিলেন নানীর কাছ থেকে।
বিভিন্ন অঞ্চলে নারীরা দল বেঁধে শাক তোলার সময় নানা রকম লোকজ গান গাইতেন। এখন অবশ্য এসব দেখা যায় না। টাঙ্গাইলের গ্রামে নারীদের এমন একটি জনপ্রিয় গান প্রচলিত ছিল।
‘শাক তুলবার গেছিলাম
উবুত হইয়া পড়ছিলাম
দেখলি ছেরি ধরলি না
ফালদা উঠলাম ডুলিতে
ডুলি করে কটমট
নওশা মিয়ার কোন ঘর
উচা-নিচা টিনের ঘর
হাত-পা ধুইবার খড়ম দেও
বদনা খানি পানি দেও
হাতে একটা রুমাল দেও।’
গ্রামীণ নারীদের বিশ্বাস এই গান গাইলে অনেক শাক তোলা যায়।
অনেকে মনে করেন, ১৪ পদের শাক খাওয়ার নিয়ম বুঝি শুধু সনাতন ধর্মের মানুষেরাই পালন করেন। কিন্তু গ্রামীণ সমাজে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলেই এই প্রথা মানতেন। ফরিদা আখতারের একটি প্রবন্ধে তিনি লিখেছেন, কোনো চৈত্র সংক্রান্তি যদি রমজান মাসে পড়ে, মুসলিম কৃষক পরিবারগুলো তখন ইফতার বা রাতের খাবারে ঠিকই শাক রাখেন। পরিস্থিতি যেমনই হোক গ্রামের মানুষ তাদের হাজার বছরের এই ঐতিহ্য সহজে ভুলতে চান না।
চৈত্র সংক্রান্তিকে শুধু উৎসব ভাবলে ভুল হবে। এই দিনটিতে প্রকৃতির সঙ্গে হিসাবনিকাশ করেন আমাদের নারীরা। কৃষিতে চৈত্র সংক্রান্তিকে ‘প্রকৃতির অডিট’ বা’ কৃষি ব্যবস্থার হিসাবনিকাশ’ হিসেবে ধরা হয়। কোন ধরনের গাছ বা প্রজাতির অভাব ঘটছে তা নারীরা খুব সহজেই বুঝতে পারেন। প্রাবন্ধিক ফরিদা আখতার চৈত্র সংক্রান্তিকে ‘কৃষির ভুল সংশোধনের দিন’ বলছেন।
কালের বিবর্তনে বাংলার এই সংস্কৃতি ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে এই ১৪ রকম শাক খুঁজে পাওয়া বেশ কঠিন হয়ে গেছে। যেখানে সেখানে ঘরবাড়ি-রাস্তাঘাট তৈরি হওয়ায় অনাবাদি জায়গা কমে যাচ্ছে। এ ছাড়া, কৃষিতে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার করা হচ্ছে প্রচুর পরিমাণে। এর ফলে প্রাকৃতিক এই শাক বা লতাপাতা আর আগের মতো জন্মায় না। আধুনিক কৃষির ক্ষতিকর দিকগুলো এই দিনে খুব স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
সনাতন ধর্মালম্বীদের মধ্যে কোথাও কোথাও চৈত্র সংক্রান্তির দিনে নিরামিষ খাওয়ারও প্রথা রয়েছে। এই দিনে ঘরে আমিষ আনা নিষেধ। চৈত্র সংক্রান্তিতে তিতা খাবারের প্রচলন ছিল একসময়। এখনও দেশের কিছু কিছু অঞ্চলে এই প্রথা মানা হয়। এসব তিতা খাবারের মধ্যে নিমপাতাভাজা, শুক্ত প্রধান। ঘিয়ে ভাজা নিমপাতা দিয়ে গরম ভাত, সঙ্গে আলু, কুমড়া, পটোল, বেগুন, করলাভাজা—পাঁচ রকমের ভাজা, ডালের বড়া মেশানো শুক্ত, পুঁটি মাছ ভাজা এগুলোও খাওয়া হয় দেশের অনেক অঞ্চলে।

অনেক জায়গায় চৈত্র সংক্রান্তিতে তালতলার ফিরনি তৈরি করার চলও আছে। এই দিন প্রতিটি বাড়ি থেকে চাল, তালের গুড় ও দুধ সংগ্রহ করা হয়। যে বাড়িতে এগুলো থাকে না তারা টাকা দিয়ে দেয়। এরপর গ্রামের কোনো তালগাছ বা বটগাছের নিচে গ্রামের সবাই মিলে তৈরি করে ফিরনি। এটাই তালতলার ফিরনি নামে পরিচিত। এরপর খাবারটি সবার মধ্যে বিতরণ করে দেওয়া হয়।
বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে চৈত্র সংক্রান্তির খাওয়া-দাওয়ায় দারুণ বৈচিত্র্য দেখা যায়। সেখানে শাকসবজির পাশাপাশি সকালবেলাতেই চাল, বুট, গম ও তিল ভাজা খাওয়ার চল রয়েছে। চৈত্র মাসের গরমে শরীরকে একটু স্বস্তি দিতে তাঁরা খাবারের পাতে রাখেন টকজাতীয় খাবার। অন্যদিকে নোয়াখালী অঞ্চলে সংক্রান্তির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো ‘পাঁচন’ বা ‘পাজন’ নামের বিশেষ তরকারি। জানলে অবাক হবেন, একসময় ১০৮টি উপাদান দিয়ে ঐতিহ্যবাহী এই পদ রান্না করা হতো! তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এখন তা কমে ২০ থেকে ২৫টি উপকরণে এসে ঠেকেছে।
নানা ধরনের লতাপাতার সাথে গ্রীষ্মের সবজি মিলিয়ে এই পাজন তৈরি করা হয়। করলা, কাঁকরোল, পটোল, বেগুন, পেঁপে, কাঁচকলা, ঢেঁড়স, শিম, বরবটি, ঝিঙে, চিচিঙ্গা আর মিষ্টি কুমড়াও থাকে এই আয়োজনে। নিরামিষ রান্নার একদম শেষ পর্যায়ে এসে স্বাদ বাড়াতে মেশানো হয় আখের গুড়, ভাজা শিমের বিচি আর মচমচে ভাজা নারকেল কোরা।

আজ চৈত্র সংক্রান্তি বা চৈত্র মাসের শেষদিন। বিদায় হবে ১৪৩২ বঙ্গাব্দ। আগামীকাল সূর্যোদয়ের মধ্য দিয়ে শুরু হবে নতুন বাংলা বছর ১৪৩৩।
আমাদের আবহমান বাংলার ঐতিহ্য চৈত্র সংক্রান্তি। কৃষির সঙ্গে দিনটির রয়েছে গভীর সম্পর্ক। আদিকাল থেকেই গ্রামবাংলার মানুষ দিনটিকে বিভিন্ন রীতিনীতি এবং প্রথার মাধ্যমে পালন করে আসছে।
বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চৈত্র সংক্রান্তির অন্যতম রীতি ১৪ রকম শাক খাওয়া। এ দিন গ্রামের নারীরা দল বেঁধে শাক কুড়াতে বের হন। বাড়ির আশেপাশে বা পুকুর পাড় ঘুরে ঘুরে নানা রকম শাক সংগ্রহ করেন তাঁরা। শাকগুলো কোনো জমিতে চাষ করলে হবে না—এমনটাই রীতি। এগুলো হতে হবে অনাবাদি। এসব শাকের মধ্যে থাকে হেলেঞ্চা, নেটাপেটা শাক, কচু শাক, তেলাকুচা শাক, থানকুনি, গিমা শাক, কলমি শাক, ঢেঁকি শাক, খেতা শাক, মোরগ শাক, নুনিয়া শাক ইত্যাদি।
এর সঙ্গে অনেক সময় মিষ্টি কুমড়া পাতা, লাউ শাক বা পাট শাকও খাওয়া হয়। এসব শাক জমিতে চাষ করা হলেও এগুলোকে কুড়িয়ে পাওয়া শাক হিসেবেই ধরা হয়। কারণ এর পাতা যে কেউ জমি থেকে তুলে নিতে পারেন। জমির মালিক এতে কোনো আপত্তি করেন না। শাক, লতাপাতা খাওয়ার এই উৎসবটিকে অনেকে বলেন ‘শাকান্ন’ উৎসব।
১৪ পদের শাক তোলার এই কাজ প্রধানত করেন বাড়ির নারীরাই। গ্রামের নারীদের সঙ্গে প্রকৃতির সম্পর্ক এতটাই ঘনিষ্ঠ যে তাঁরা খুব ভালো করে জানেন, কোন শাক কোথায় পাওয়া যায়। কোন শাকের কী গুণ সেটিও তাঁরা জানেন। কোনো বইপুস্তক পড়ে তাঁরা এই জ্ঞান অর্জন করেন নি। গ্রামের মেয়েরা অল্প বয়স থেকেই মায়ের সঙ্গে গিয়ে শাক তুলতে শিখে যায়। এভাবেই হয়ত মায়েরা শিখেছিলেন নানীর কাছ থেকে।
বিভিন্ন অঞ্চলে নারীরা দল বেঁধে শাক তোলার সময় নানা রকম লোকজ গান গাইতেন। এখন অবশ্য এসব দেখা যায় না। টাঙ্গাইলের গ্রামে নারীদের এমন একটি জনপ্রিয় গান প্রচলিত ছিল।
‘শাক তুলবার গেছিলাম
উবুত হইয়া পড়ছিলাম
দেখলি ছেরি ধরলি না
ফালদা উঠলাম ডুলিতে
ডুলি করে কটমট
নওশা মিয়ার কোন ঘর
উচা-নিচা টিনের ঘর
হাত-পা ধুইবার খড়ম দেও
বদনা খানি পানি দেও
হাতে একটা রুমাল দেও।’
গ্রামীণ নারীদের বিশ্বাস এই গান গাইলে অনেক শাক তোলা যায়।
অনেকে মনে করেন, ১৪ পদের শাক খাওয়ার নিয়ম বুঝি শুধু সনাতন ধর্মের মানুষেরাই পালন করেন। কিন্তু গ্রামীণ সমাজে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলেই এই প্রথা মানতেন। ফরিদা আখতারের একটি প্রবন্ধে তিনি লিখেছেন, কোনো চৈত্র সংক্রান্তি যদি রমজান মাসে পড়ে, মুসলিম কৃষক পরিবারগুলো তখন ইফতার বা রাতের খাবারে ঠিকই শাক রাখেন। পরিস্থিতি যেমনই হোক গ্রামের মানুষ তাদের হাজার বছরের এই ঐতিহ্য সহজে ভুলতে চান না।
চৈত্র সংক্রান্তিকে শুধু উৎসব ভাবলে ভুল হবে। এই দিনটিতে প্রকৃতির সঙ্গে হিসাবনিকাশ করেন আমাদের নারীরা। কৃষিতে চৈত্র সংক্রান্তিকে ‘প্রকৃতির অডিট’ বা’ কৃষি ব্যবস্থার হিসাবনিকাশ’ হিসেবে ধরা হয়। কোন ধরনের গাছ বা প্রজাতির অভাব ঘটছে তা নারীরা খুব সহজেই বুঝতে পারেন। প্রাবন্ধিক ফরিদা আখতার চৈত্র সংক্রান্তিকে ‘কৃষির ভুল সংশোধনের দিন’ বলছেন।
কালের বিবর্তনে বাংলার এই সংস্কৃতি ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে এই ১৪ রকম শাক খুঁজে পাওয়া বেশ কঠিন হয়ে গেছে। যেখানে সেখানে ঘরবাড়ি-রাস্তাঘাট তৈরি হওয়ায় অনাবাদি জায়গা কমে যাচ্ছে। এ ছাড়া, কৃষিতে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার করা হচ্ছে প্রচুর পরিমাণে। এর ফলে প্রাকৃতিক এই শাক বা লতাপাতা আর আগের মতো জন্মায় না। আধুনিক কৃষির ক্ষতিকর দিকগুলো এই দিনে খুব স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
সনাতন ধর্মালম্বীদের মধ্যে কোথাও কোথাও চৈত্র সংক্রান্তির দিনে নিরামিষ খাওয়ারও প্রথা রয়েছে। এই দিনে ঘরে আমিষ আনা নিষেধ। চৈত্র সংক্রান্তিতে তিতা খাবারের প্রচলন ছিল একসময়। এখনও দেশের কিছু কিছু অঞ্চলে এই প্রথা মানা হয়। এসব তিতা খাবারের মধ্যে নিমপাতাভাজা, শুক্ত প্রধান। ঘিয়ে ভাজা নিমপাতা দিয়ে গরম ভাত, সঙ্গে আলু, কুমড়া, পটোল, বেগুন, করলাভাজা—পাঁচ রকমের ভাজা, ডালের বড়া মেশানো শুক্ত, পুঁটি মাছ ভাজা এগুলোও খাওয়া হয় দেশের অনেক অঞ্চলে।

অনেক জায়গায় চৈত্র সংক্রান্তিতে তালতলার ফিরনি তৈরি করার চলও আছে। এই দিন প্রতিটি বাড়ি থেকে চাল, তালের গুড় ও দুধ সংগ্রহ করা হয়। যে বাড়িতে এগুলো থাকে না তারা টাকা দিয়ে দেয়। এরপর গ্রামের কোনো তালগাছ বা বটগাছের নিচে গ্রামের সবাই মিলে তৈরি করে ফিরনি। এটাই তালতলার ফিরনি নামে পরিচিত। এরপর খাবারটি সবার মধ্যে বিতরণ করে দেওয়া হয়।
বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে চৈত্র সংক্রান্তির খাওয়া-দাওয়ায় দারুণ বৈচিত্র্য দেখা যায়। সেখানে শাকসবজির পাশাপাশি সকালবেলাতেই চাল, বুট, গম ও তিল ভাজা খাওয়ার চল রয়েছে। চৈত্র মাসের গরমে শরীরকে একটু স্বস্তি দিতে তাঁরা খাবারের পাতে রাখেন টকজাতীয় খাবার। অন্যদিকে নোয়াখালী অঞ্চলে সংক্রান্তির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো ‘পাঁচন’ বা ‘পাজন’ নামের বিশেষ তরকারি। জানলে অবাক হবেন, একসময় ১০৮টি উপাদান দিয়ে ঐতিহ্যবাহী এই পদ রান্না করা হতো! তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এখন তা কমে ২০ থেকে ২৫টি উপকরণে এসে ঠেকেছে।
নানা ধরনের লতাপাতার সাথে গ্রীষ্মের সবজি মিলিয়ে এই পাজন তৈরি করা হয়। করলা, কাঁকরোল, পটোল, বেগুন, পেঁপে, কাঁচকলা, ঢেঁড়স, শিম, বরবটি, ঝিঙে, চিচিঙ্গা আর মিষ্টি কুমড়াও থাকে এই আয়োজনে। নিরামিষ রান্নার একদম শেষ পর্যায়ে এসে স্বাদ বাড়াতে মেশানো হয় আখের গুড়, ভাজা শিমের বিচি আর মচমচে ভাজা নারকেল কোরা।

আজ চৈত্র সংক্রান্তি বা চৈত্র মাসের শেষদিন। বিদায় হবে ১৪৩২ বঙ্গাব্দ। আগামীকাল সূর্যোদয়ের মধ্য দিয়ে শুরু হবে নতুন বাংলা বছর ১৪৩৩।
১ ঘণ্টা আগে
চালতার চিকেন স্যুপ পাহাড়ি রান্নার এক কম পরিচিত নাম। এই স্যুপের বিশেষত্ব হলো এর প্রাকৃতিক টক স্বাদ। এতে কোনো কৃত্রিম উপাদান নেই। মুরগির নরোম মাংস, হালকা মসলা এবং চালতার টক—এই তিনের সমন্বয়ে তৈরি হয় এমন এক স্বাদ, যা একই সঙ্গে আরামদায়ক ও রুচিবর্ধক।
১ ঘণ্টা আগে
এখন আর সেই দিন, সেই খানা, সেই পরিবেশ নেই। তার পরিবর্তে অন্য পরিবেশ—শহুরে বলি আর গ্রামের বলি—সব পরিবেশ একাকার। দোকানে পাওয়া যাচ্ছে পাজন বা বিঝুর জন্য যা যা লাগবে তা।
২ ঘণ্টা আগে
বছরের শেষ দিন হিসেবে পুরোনোকে বিদায় ও নতুন বছরকে বরণ করার জন্য প্রতিবছর চৈত্র সংক্রান্তিকে ঘিরে থাকে বিভিন্ন অনুষ্ঠান-উৎসবের আয়োজন। চৈত্রসংক্রান্তি একসময় ছিল গ্রামীণ জীবনের গভীরে প্রোথিত এক অনাড়ম্বর কিন্তু প্রাণবন্ত উৎসব। সময়ের পরিবর্তনে এর রূপ বদলেছে, বদলেছে উদযাপনের ধরনও। তবুও ঐতিহ্যের শিকড় এখনো ম
৪ ঘণ্টা আগে