স্ট্রিম প্রতিবেদক

নিম্ন আয়ের ও প্রান্তিক গ্রাহকদের জন্য বিদ্যুতের বর্ধিত দাম প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। গতকাল মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সংশোধিত আদেশে এই পরিবর্তনের কথা জানায় কমিশন।
আদেশে বলা হয়েছে, আবাসিকে ০-৫০ ইউনিট (লাইফলাইন) ব্যবহারকারী প্রান্তিক গ্রাহকদের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৫ টাকা ৩২ পয়সার পরিবর্তে আগের মূল্য ৪ টাকা ৬৩ পয়সাই বহাল থাকবে। অর্থাৎ প্রতি ইউনিটে বাড়ানো ৬৯ পয়সা বাতিল করা হয়েছে।
একইভাবে ০-৭৫ ইউনিট ব্যবহারকারী প্রথম ধাপের গ্রাহকদের জন্য ইউনিটপ্রতি আগের মূল্য ৫ টাকা ২৬ পয়সা বহাল রাখা হয়েছে। অর্থাৎ প্রতি ইউনিটে বাড়ানো ৯২ পয়সা বাতিল করা হয়েছে।
সাধারণত এই দুই শ্রেণির গ্রাহকেরা বাসায় একটি বা দুটি বাতি ও ফ্যান ব্যবহার করে থাকেন। দেশের মোট বিদ্যুৎ গ্রাহকের প্রায় ৬৫ শতাংশই এই দুই শ্রেণির।
বিইআরসি জানায়, এই দুই শ্রেণির ক্ষেত্রে দাম আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনায় বিদ্যুতের খুচরা মূল্যের ভারিত গড় কিছুটা কমেছে। গত ৩ জুনের দাম বাড়ানোর আদেশে খুচরা পর্যায়ে প্রতি ইউনিটের গড় দাম ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা করা হয়েছিল। তবে সংশোধিত আদেশে তা ২৩ পয়সা কমে ১০ টাকা ৪০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। দাম আগের অবস্থানে রাখার ফলে বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলোর রাজস্ব ঘাটতি সরকার অতিরিক্ত ভর্তুকি প্রদানের মাধ্যমে সমন্বয় করবে।
এর আগে বুধবার (৩ জুন) তাড়াহুড়ো করে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ায় বিইআরসি। আজ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিইআরসির এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানায়।
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রান্তিক গ্রাহকদের জন্য পুনর্নির্ধারিত ট্যারিফ সরকারের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং এটি নিম্নবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জীবনযাত্রার ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলবে। একই সঙ্গে সব বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানির পক্ষ হয়ে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডও (পিডিবি) এই দুই শ্রেণির দাম প্রত্যাহারের আনুষ্ঠানিক আবেদন করার পর সংশোধিত আদেশ জারি করে বিইআরসি।

নিম্ন আয়ের ও প্রান্তিক গ্রাহকদের জন্য বিদ্যুতের বর্ধিত দাম প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। গতকাল মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সংশোধিত আদেশে এই পরিবর্তনের কথা জানায় কমিশন।
আদেশে বলা হয়েছে, আবাসিকে ০-৫০ ইউনিট (লাইফলাইন) ব্যবহারকারী প্রান্তিক গ্রাহকদের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৫ টাকা ৩২ পয়সার পরিবর্তে আগের মূল্য ৪ টাকা ৬৩ পয়সাই বহাল থাকবে। অর্থাৎ প্রতি ইউনিটে বাড়ানো ৬৯ পয়সা বাতিল করা হয়েছে।
একইভাবে ০-৭৫ ইউনিট ব্যবহারকারী প্রথম ধাপের গ্রাহকদের জন্য ইউনিটপ্রতি আগের মূল্য ৫ টাকা ২৬ পয়সা বহাল রাখা হয়েছে। অর্থাৎ প্রতি ইউনিটে বাড়ানো ৯২ পয়সা বাতিল করা হয়েছে।
সাধারণত এই দুই শ্রেণির গ্রাহকেরা বাসায় একটি বা দুটি বাতি ও ফ্যান ব্যবহার করে থাকেন। দেশের মোট বিদ্যুৎ গ্রাহকের প্রায় ৬৫ শতাংশই এই দুই শ্রেণির।
বিইআরসি জানায়, এই দুই শ্রেণির ক্ষেত্রে দাম আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনায় বিদ্যুতের খুচরা মূল্যের ভারিত গড় কিছুটা কমেছে। গত ৩ জুনের দাম বাড়ানোর আদেশে খুচরা পর্যায়ে প্রতি ইউনিটের গড় দাম ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা করা হয়েছিল। তবে সংশোধিত আদেশে তা ২৩ পয়সা কমে ১০ টাকা ৪০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। দাম আগের অবস্থানে রাখার ফলে বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলোর রাজস্ব ঘাটতি সরকার অতিরিক্ত ভর্তুকি প্রদানের মাধ্যমে সমন্বয় করবে।
এর আগে বুধবার (৩ জুন) তাড়াহুড়ো করে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ায় বিইআরসি। আজ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিইআরসির এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানায়।
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রান্তিক গ্রাহকদের জন্য পুনর্নির্ধারিত ট্যারিফ সরকারের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং এটি নিম্নবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জীবনযাত্রার ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলবে। একই সঙ্গে সব বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানির পক্ষ হয়ে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডও (পিডিবি) এই দুই শ্রেণির দাম প্রত্যাহারের আনুষ্ঠানিক আবেদন করার পর সংশোধিত আদেশ জারি করে বিইআরসি।

আসন্ন বাজেটে কোনো প্রশ্ন ছাড়াই কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের প্রেক্ষিতে গভীর ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
৮ মিনিট আগে
বাগেরহাটের খানজাহান আলী (রহ.) মাজারের দিঘি থেকে সরিয়ে নেওয়া কুমির 'ধলা পাহাড়' ফেরানোর দাবিতে আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছেন মাজারের খাদেমরা। এদিকে দিঘিতে কুমির না থাকলেও ভক্তরা এখনও নিয়ে আসছেন মানতের মুরগি-ছাগল।
১ ঘণ্টা আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও ময়মনসিংহে পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় এক কলেজ শিক্ষকসহ সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বৃষ্টির সময় জেলা দুটির পাঁচ উপজেলায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা উপকূলে ভেসে আসা মৃত বেলিন প্রজাতির তিমিটি বালু চাপা দিয়েছে প্রশাসন। গতকাল বুধবার রাত সৈকতের ঝাউবন এলাকায় ভেকু দিয়ে খুঁড়ে তিমিটি চাপা দেওয়া হয়। মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে তিমির শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায় বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে