স্ট্রিম সংবাদদাতা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) হল সমাপনী অনুষ্ঠান ঘিরে মেয়েদের আবাসিক হলের সামনে উচ্চস্বরে গান-বাজনা, নাচানাচি ও হইচই করার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা।
শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আবাসিক হলের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের (৬৭তম ব্যাচ) শিক্ষার্থীরা মে মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে হল সমাপনী অনুষ্ঠান করছেন। ক্যাম্পাসজুড়ে আনন্দমিছিল, গান-বাজনা ও বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে এটি উদযাপন করছেন তারা।
তবে এই উদযাপনের সুযোগে ছাত্ররা মেয়েদের হলের সামনে গিয়ে উচ্চশব্দে গান বাজানো, স্লোগান দেওয়া এবং উচ্ছৃঙ্খলভাবে নাচানাচি ও হইচই করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে নারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে অস্বস্তি ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকে এই কর্মকাণ্ডকে ‘বিরক্তিকর’ ও ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশের সঙ্গে বেমানান’ বলে মন্তব্য করেছেন।
সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী শৈলী মুক্তাদি বলেন, ‘এগুলো বিরক্তিকর এবং দৃষ্টিকটু। বিশ্ববিদ্যালয় হলো শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, ব্যক্তিত্ব গঠন ও পারস্পরিক সম্মানবোধ শেখার জায়গা। সেখানে এ ধরনের আচরণ কোনোভাবেই মানানসই নয়।’
প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী তাকিয়া ইসলাম বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে আনন্দ-উৎসব অবশ্যই থাকবে, কিন্তু সেই আনন্দ যদি অন্যদের অসুবিধার কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে সেটি আর সুস্থ বিনোদনের মধ্যে পড়ে না।’
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী সাদিয়া আক্তার বলেন, ‘বাড়াবাড়ি আচরণ অপরিপক্ব মানসিকতার পরিচয় দেয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হয়ে অন্তত এটুকু বোঝা উচিত যে, কোথায় কীভাবে আচরণ করতে হয়।’
রাকসুর সহকারী পরিবেশ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মাসুমা ইসরাত মুমু বলেন, ‘বুঝলাম না সিনিয়র ভাইরা এমন করছেন কেন? মজা করবেন, ঠিক আছে। ক্যাম্পাসে তো অনেক জায়গা আছে ভাই, সেখানে গিয়ে নাচলে আর মজা করলে কি বিষয়টা বেশি ভালো হতো না? সেখানে যত ইচ্ছে মজা করেন, কেউ কিছু বলবে না তো আপনাদের। তা না করে ছাত্রী হল এরিয়াতে রাত ১১টা আবার দিন ১২টায় এসে নাচতেছেন। জিয়া হল, মতিহার হল ইত্যাদি হল আসছে আর রোকেয়া হল কাঁপছে, স্লোগান দিচ্ছেন—এসব কী।’
এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘আনন্দ সবাই করবে, তবে অন্যকে কষ্ট দিয়ে আনন্দ করাটাও ঠিক না। হল সমাপনীর নামে যেটা চলছে, সেটা আমাদের কাছেও সম্মানজনক মনে হয় না। আর এসব বিষয়ে মেয়েরা আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ দেয়নি। তারা হয়তো ভার্চুয়ালি এটা-সেটা বলছে। তবে আমাদের কাছে অভিযোগ আসলে সেটা অবশ্যই সিরিয়াসলি নেব।’
এ ঘটনায় সমালোচনা করে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে এক শিক্ষার্থীকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর বিছানাপত্র হল কক্ষের বাইরে ফেলে দেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে।
অভিযোগকারী ইবাইদুর রহমান খান বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র এবং শহীদ হবিবুর রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী।
ইবাইদুর রহমান জানান, হল সমাপনী উপলক্ষে শহীদ হবিবুর রহমান হলের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের কয়েকজন শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের পশ্চিমপাড়ায় অবস্থিত নারী শিক্ষার্থীদের আবাসিক হল এলাকায় যান। সেখানে তাপসী রাবেয়া হলের গেটের সামনে গান বাজিয়ে নাচানাচি করেন তারা।
ঘটনার একটি ভিডিও শুক্রবার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেন ইবাইদুর। সেখানে ক্যাপশন নিয়ে কয়েকজন সিনিয়র আপত্তি জানান। পরে তিনি ক্যাপশনটি পরিবর্তন করেন। তবে এরপর থেকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও চাপ দেওয়া শুরু হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ইবাইদুর বলেন, ‘এক বড় ভাই আমাকে ফোন করে বলেন, তুই এত সাহস কোথায় পেলি। এরপর রাত ১২টার পর থেকে বিভিন্ন নম্বর থেকে ফোন আসতে থাকে। আমাকে বলা হয়, এখনই হলে আসো না হলে কাল দেখে নেব।’
তিনি আরও বলেন, ‘‘একপর্যায়ে গালাগাল শুরু হয়। পরে ‘তোরে মাইরা ফেলমু’ বলেও হুমকি দেওয়া হয়। বিষয়টি আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর স্যারকে জানাই। তিনি আমাকে ফোন বন্ধ করে বিশ্রাম নিতে বলেন এবং পরদিন বিষয়টি দেখবেন বলে আশ্বস্ত করেন।’’
ইবাইদুরের অভিযোগ, রাতে তাকে কক্ষে না পেয়ে কয়েকজন শিক্ষার্থী তার বিছানাপত্র রুম থেকে বের করে বারান্দায় ফেলে রাখেন।
পোস্ট দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশ করেছি। সেখানে কোনো উস্কানিমূলক বক্তব্য ছিল না। এরপরও আমাকে জোর করে ‘স্যরি’ বলানোর চেষ্টা করা হয়েছে।’
তবে অভিযুক্ত সিনিয়র শিক্ষার্থীদের কেউ কেউ এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। শহীদ হবিবুর রহমান হলের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মনজুর বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের ব্যাচের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। হল প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা হবে। এরপর বিস্তারিত বলা যাবে।’
এদিকে শিক্ষার্থীর বিছানাপত্র কক্ষের বাইরে ফেলে দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হল সংসদের সহসভাপতি (ভিপি) আহমাদ আহসানউল্লাহ ফারহান এবং ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক ও হলের আবাসিক শিক্ষার্থী নাফিউল ইসলাম জীবন।
ফারহান বলেন, ‘তার রুমমেট ও আশপাশের কয়েকজন শিক্ষার্থী মিলে বিছানাপত্র বারান্দায় রেখে দেয়। বিষয়টি নিয়ে প্রাধ্যক্ষের সঙ্গে বসেছি। আবারও সবাইকে নিয়ে আলোচনা হবে।’
নাফিউল ইসলাম জীবন বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা তার জন্য অপেক্ষা করছিল। সে না আসায় তারা বিরক্ত হয় এবং তাকে হলে না রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। পরে বিছানাপত্র বাইরে রাখা হয়।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে মার্কেটিং বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থী এসেছিল, তবে লিখিত অভিযোগ দেয়নি। যেহেতু এটি হলকেন্দ্রিক বিষয়, তাই হল প্রশাসনকেই বিষয়টি সমাধান করতে বলা হয়েছে।’
শহীদ হবিবুর রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মোতাহার হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বসেছি, আবারও বসব। অভিযোগকারী শিক্ষার্থীকেও নিয়ে আলোচনা করা হবে।’

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) হল সমাপনী অনুষ্ঠান ঘিরে মেয়েদের আবাসিক হলের সামনে উচ্চস্বরে গান-বাজনা, নাচানাচি ও হইচই করার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা।
শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আবাসিক হলের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের (৬৭তম ব্যাচ) শিক্ষার্থীরা মে মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে হল সমাপনী অনুষ্ঠান করছেন। ক্যাম্পাসজুড়ে আনন্দমিছিল, গান-বাজনা ও বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে এটি উদযাপন করছেন তারা।
তবে এই উদযাপনের সুযোগে ছাত্ররা মেয়েদের হলের সামনে গিয়ে উচ্চশব্দে গান বাজানো, স্লোগান দেওয়া এবং উচ্ছৃঙ্খলভাবে নাচানাচি ও হইচই করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে নারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে অস্বস্তি ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকে এই কর্মকাণ্ডকে ‘বিরক্তিকর’ ও ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশের সঙ্গে বেমানান’ বলে মন্তব্য করেছেন।
সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী শৈলী মুক্তাদি বলেন, ‘এগুলো বিরক্তিকর এবং দৃষ্টিকটু। বিশ্ববিদ্যালয় হলো শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, ব্যক্তিত্ব গঠন ও পারস্পরিক সম্মানবোধ শেখার জায়গা। সেখানে এ ধরনের আচরণ কোনোভাবেই মানানসই নয়।’
প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী তাকিয়া ইসলাম বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে আনন্দ-উৎসব অবশ্যই থাকবে, কিন্তু সেই আনন্দ যদি অন্যদের অসুবিধার কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে সেটি আর সুস্থ বিনোদনের মধ্যে পড়ে না।’
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী সাদিয়া আক্তার বলেন, ‘বাড়াবাড়ি আচরণ অপরিপক্ব মানসিকতার পরিচয় দেয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হয়ে অন্তত এটুকু বোঝা উচিত যে, কোথায় কীভাবে আচরণ করতে হয়।’
রাকসুর সহকারী পরিবেশ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মাসুমা ইসরাত মুমু বলেন, ‘বুঝলাম না সিনিয়র ভাইরা এমন করছেন কেন? মজা করবেন, ঠিক আছে। ক্যাম্পাসে তো অনেক জায়গা আছে ভাই, সেখানে গিয়ে নাচলে আর মজা করলে কি বিষয়টা বেশি ভালো হতো না? সেখানে যত ইচ্ছে মজা করেন, কেউ কিছু বলবে না তো আপনাদের। তা না করে ছাত্রী হল এরিয়াতে রাত ১১টা আবার দিন ১২টায় এসে নাচতেছেন। জিয়া হল, মতিহার হল ইত্যাদি হল আসছে আর রোকেয়া হল কাঁপছে, স্লোগান দিচ্ছেন—এসব কী।’
এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘আনন্দ সবাই করবে, তবে অন্যকে কষ্ট দিয়ে আনন্দ করাটাও ঠিক না। হল সমাপনীর নামে যেটা চলছে, সেটা আমাদের কাছেও সম্মানজনক মনে হয় না। আর এসব বিষয়ে মেয়েরা আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ দেয়নি। তারা হয়তো ভার্চুয়ালি এটা-সেটা বলছে। তবে আমাদের কাছে অভিযোগ আসলে সেটা অবশ্যই সিরিয়াসলি নেব।’
এ ঘটনায় সমালোচনা করে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে এক শিক্ষার্থীকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর বিছানাপত্র হল কক্ষের বাইরে ফেলে দেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে।
অভিযোগকারী ইবাইদুর রহমান খান বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র এবং শহীদ হবিবুর রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী।
ইবাইদুর রহমান জানান, হল সমাপনী উপলক্ষে শহীদ হবিবুর রহমান হলের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের কয়েকজন শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের পশ্চিমপাড়ায় অবস্থিত নারী শিক্ষার্থীদের আবাসিক হল এলাকায় যান। সেখানে তাপসী রাবেয়া হলের গেটের সামনে গান বাজিয়ে নাচানাচি করেন তারা।
ঘটনার একটি ভিডিও শুক্রবার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেন ইবাইদুর। সেখানে ক্যাপশন নিয়ে কয়েকজন সিনিয়র আপত্তি জানান। পরে তিনি ক্যাপশনটি পরিবর্তন করেন। তবে এরপর থেকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও চাপ দেওয়া শুরু হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ইবাইদুর বলেন, ‘এক বড় ভাই আমাকে ফোন করে বলেন, তুই এত সাহস কোথায় পেলি। এরপর রাত ১২টার পর থেকে বিভিন্ন নম্বর থেকে ফোন আসতে থাকে। আমাকে বলা হয়, এখনই হলে আসো না হলে কাল দেখে নেব।’
তিনি আরও বলেন, ‘‘একপর্যায়ে গালাগাল শুরু হয়। পরে ‘তোরে মাইরা ফেলমু’ বলেও হুমকি দেওয়া হয়। বিষয়টি আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর স্যারকে জানাই। তিনি আমাকে ফোন বন্ধ করে বিশ্রাম নিতে বলেন এবং পরদিন বিষয়টি দেখবেন বলে আশ্বস্ত করেন।’’
ইবাইদুরের অভিযোগ, রাতে তাকে কক্ষে না পেয়ে কয়েকজন শিক্ষার্থী তার বিছানাপত্র রুম থেকে বের করে বারান্দায় ফেলে রাখেন।
পোস্ট দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশ করেছি। সেখানে কোনো উস্কানিমূলক বক্তব্য ছিল না। এরপরও আমাকে জোর করে ‘স্যরি’ বলানোর চেষ্টা করা হয়েছে।’
তবে অভিযুক্ত সিনিয়র শিক্ষার্থীদের কেউ কেউ এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। শহীদ হবিবুর রহমান হলের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মনজুর বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের ব্যাচের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। হল প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা হবে। এরপর বিস্তারিত বলা যাবে।’
এদিকে শিক্ষার্থীর বিছানাপত্র কক্ষের বাইরে ফেলে দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হল সংসদের সহসভাপতি (ভিপি) আহমাদ আহসানউল্লাহ ফারহান এবং ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক ও হলের আবাসিক শিক্ষার্থী নাফিউল ইসলাম জীবন।
ফারহান বলেন, ‘তার রুমমেট ও আশপাশের কয়েকজন শিক্ষার্থী মিলে বিছানাপত্র বারান্দায় রেখে দেয়। বিষয়টি নিয়ে প্রাধ্যক্ষের সঙ্গে বসেছি। আবারও সবাইকে নিয়ে আলোচনা হবে।’
নাফিউল ইসলাম জীবন বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা তার জন্য অপেক্ষা করছিল। সে না আসায় তারা বিরক্ত হয় এবং তাকে হলে না রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। পরে বিছানাপত্র বাইরে রাখা হয়।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে মার্কেটিং বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থী এসেছিল, তবে লিখিত অভিযোগ দেয়নি। যেহেতু এটি হলকেন্দ্রিক বিষয়, তাই হল প্রশাসনকেই বিষয়টি সমাধান করতে বলা হয়েছে।’
শহীদ হবিবুর রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মোতাহার হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বসেছি, আবারও বসব। অভিযোগকারী শিক্ষার্থীকেও নিয়ে আলোচনা করা হবে।’

দেশে আর কোনো ফ্যাসিবাদ-স্বৈরাচার যেন জনগণের বিরুদ্ধে পুলিশ সদস্যদের ব্যবহার করতে না পারে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার ( ১০ মে) সকালে ‘পুলিশ সপ্তাহ’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন।
১ ঘণ্টা আগে
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের নারী ও শিশুসহ পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন। রোববার (১০ মে) সকাল ৭টার দিকে সদর উপজেলার উত্তর ভূঁইগড়ের গিরিধারা এলাকায় শাহজাহান মিয়ার ৮ তলা ভবনের নিচতলার ফ্ল্যাটে এ ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
নিম্নমানের ভারতীয় বীজ থেকে উৎপাদিত পেঁয়াজ দ্রুত পচে যাওয়ায় শত শত কৃষক লোকসানে পড়েছেন। খুলনা বিভাগের সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদনকারী জেলা ঝিনাইদহে এই পরিস্থিতিতে পথে বসার আশঙ্কায় দিন কাটছে বহু প্রান্তিক চাষির।
২ ঘণ্টা আগে
‘অনিবার্য কারণবশত’ এবছরের পুলিশ সপ্তাহে মনোনীত সদস্যদের পদক প্রদান অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়েছে। বিপিএম, পিপিএম এবং আইজিপি ব্যাজের জন্য মনোনীত মোট ৪৪৮ সদস্যের এ সম্মাননা প্রাপ্তি আপাতত পিছিয়ে গেল।
৩ ঘণ্টা আগে