কলকাতায় হোটেলে আগুন

৯ জনের মৃত্যুর পর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন, বাড়ছে ক্ষোভ

সঙ্গীতা ঘড়োই
সঙ্গীতা ঘড়োই
কলকাতা

প্রকাশ : ১৯ আগস্ট ২০২৬, ২৩: ৫৮
স্ট্রিম গ্রাফিক
স্ট্রিম গ্রাফিক

তখন রাত প্রায় দুইটা। কলকাতা শহর তখন ঘুমাচ্ছিল। ঘুমিয়ে ছিলেন শিখা ইন হোটেলের অতিথিরাও। কেউ চিকিৎসা করাতে, কেউ আবার ভ্রমণের উদ্দেশ্যে ঠাঁই নিয়েছিলেন কলকাতার নিউ মার্কেটের ১৫ নম্বর মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেলে। হঠাৎই চিৎকার-চেঁচামেচিতে ঘুম ভাঙে তাদের। বুধবার (১৯ আগস্ট) ভোরে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই পুরো শহরজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। একই ভবনে একাধিক হোটেল, অত্যন্ত সংকীর্ণ রাস্তা, পর্যাপ্ত জরুরি নির্গমন পথের অভাব এবং অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন উঠছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও হোটেলে থাকা ব্যক্তিদের বক্তব্যেও উঠে এসেছে চরম দুর্ভোগ এবং উদ্ধারকাজের সময়কার আতঙ্কের ছবি।

ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কলকাতা পুলিশ। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) গভীর রাতে শিখা ইন হোটেলে আগুন লাগার পর বুধবার ভোরে একের পর এক লাশ উদ্ধার করা হয়। মৃতদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ, ২ জন নারী এবং ১ জন শিশু রয়েছে। ঘটনায় নিউ মার্কেট থানায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস) এবং দমকল আইনের ধারায় মামলা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ) কুনাল আগরওয়াল জানিয়েছেন, আগুন লাগার আগে শিখা হোটেলে মোট ১০ জন আবাসিক ছিলেন। তাদের মধ্যে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং একজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। হোটেলে মোট ৯টি ঘর ছিল। ৪টি ঘর থেকে ৯টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মৃতদের মধ্যে ভারতের বিহারের বাসিন্দা সন্দীপ পাসোয়ান এবং শিলিগুড়ির বাসিন্দা যোগনারায়ণ আগরওয়াল রয়েছেন। বাকি মৃতরা বাংলাদেশের নাগরিক বলে জানা গেছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন আকরাম আলি, দেবাশিস দত্ত, আফসানা শিম্মিন, স্বর্ণাশিস দত্ত এবং বাবু আহমেদ। পাঁচজনের লাশ পাসপোর্ট দেখে শনাক্ত করা হয়েছে। আরও দুজনের লাশ শনাক্তকরণের প্রক্রিয়া চলছে।

প্রাথমিক তদন্তে শর্টসার্কিট থেকেই আগুন লেগে থাকতে পারে বলে মনে করছে পুলিশ। ঘটনাস্থলে ফরেনসিক পরীক্ষা করা হয়েছে। তবে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এবং অগ্নিকাণ্ডের ক্ষেত্রে অন্য কোনো অবহেলা বা গাফিলতি ছিল কি না, তা তদন্তের পরেই স্পষ্ট হবে।

ঘটনার পর থেকেই অগ্নিকাণ্ডকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বাদানুবাদ। বর্তমান সরকার এই ঘটনার জন্য সাবেক সরকারের আমলের অব্যবস্থা এবং অগ্নিসুরক্ষা বিধি না মানার অভিযোগ তুলেছে। পাল্টা দাবি সাবেক পুরমন্ত্রী ও সাবেক মেয়র ফিরহাদ হাকিমের। তিনি জানান, দায় চাপিয়ে সমস্যার সমাধান হবে না। অগ্নিসুরক্ষা সংক্রান্ত নিয়ম মানা হয়েছিল কি না এবং প্রয়োজনীয় অডিট হয়েছিল কি না, তা দেখার দায়িত্ব দমকল দপ্তরের বলেও দাবি করেছেন তিনি।

ওই একই ভবনে একাধিক হোটেল চলছিল বলে জানা গেছে। আগুনের সঙ্গে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ঘন ধোঁয়া। রাতের সময় অধিকাংশ মানুষ ঘুমিয়ে থাকায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। দমকলের পক্ষ থেকে উদ্ধারকাজ শুরু হয় দ্রুত। জানালা ভেঙে মইয়ের সাহায্যে বহু মানুষকে উদ্ধার করা হয়। কিন্তু আগুনের ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন এবং তাদের চিকিৎসা চলছে।

দমকলমন্ত্রী কৌশিক চৌধুরীর বক্তব্য অনুযায়ী, ভবনটির বিভিন্ন তলায় চার থেকে পাঁচটি করে হোটেল ছিল। অধিকাংশ ঘরেই জানালা ছিল না বলেও তিনি জানিয়েছেন। তার দাবি, একটি ঘর থেকে জানালার মাধ্যমে দমকলকর্মীরা দুজনকে উদ্ধার করেন।

অগ্নিকাণ্ডের পর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে ভবনটির অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে। প্রত্যক্ষদর্শী এবং হোটেলে থাকা ব্যক্তিদের বক্তব্য অনুযায়ী, কোনো নির্দিষ্ট ইমার্জেন্সি এক্সিট ছিল না। সরু গলি এবং সংকীর্ণ বেরোনোর পথের কারণে আগুন লাগার পর দ্রুত বাইরে বেরিয়ে আসা কঠিন হয়ে পড়ে।

বাংলাদেশ থেকে ব্যবসার কাজে কলকাতায় আসা এমডি উজ্জ্বল নামে এক ব্যক্তি ওই ভবনেই শিখা ইন হোটেলের পাশের অদ্রিজা গেস্ট হাউসে ছিলেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, আগুন লাগার পর ধোঁয়া এবং প্রচণ্ড উত্তাপের কারণে তিনি ঘর থেকে বেরোতে পারেননি। বাধ্য হয়ে ঘরে ফিরে গিয়ে এসি বন্ধ করেন। এসির জালি এবং বাথরুমের ভেন্টিলেশন খুলে দিয়ে কিছুটা বাতাস পাওয়ার চেষ্টা করেন। পাশাপাশি ঘরে পানিও প্রস্তুত করে রাখেন।

পরে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ির শব্দ শুনে কিছুটা আশ্বস্ত হন তারা। প্রায় আধা ঘণ্টা পর দমকলকর্মীরা তাদের ঘর থেকে উদ্ধার করে বাইরে নিয়ে আসেন। তার দাবি, হোটেলে কোনো ইমার্জেন্সি এক্সিট ছিল না। আতঙ্কের পর তিনি বর্তমানে অন্য একটি হোটেলে রয়েছেন। শুক্রবার দেশে ফেরার কথা থাকলেও ঘটনার পর পরিবারের চিন্তার কারণে সেই পরিকল্পনা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে বলে জানান তিনি।

ঘটনার সময় ওই ভবনের একটি আইনজীবী চেম্বারে থাকা শুভঙ্কর বাগ জানান, রাত প্রায় ২টা ১৫ মিনিট নাগাদ তার ঘুম ভাঙে। তখন অফিসের ভেতরে ধোঁয়ায় ভরে গিয়েছিল এবং বাইরে চিৎকার শোনা যাচ্ছিল। বারান্দায় এসে তিনি নিচে দমকলের গাড়ি দেখতে পান। এরপর সহকর্মীকে নিয়ে গেট খুলে নিচে নেমে আসেন।

তার বক্তব্য অনুযায়ী, পরে জানতে পারেন ওই ভবনে আট থেকে নয়টি হোটেল ছিল। উদ্ধারকাজের সময় তিনি জানালা এবং ছাদ থেকে বহু মানুষকে সাহায্যের জন্য চিৎকার করতে দেখেছেন। দমকলকর্মীরা তাদের উদ্ধার করে নিচে নামান। শুভঙ্করের দাবি, প্রায় ৭৫ থেকে ৮০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছিল।

ঘটনাস্থলে থাকা নীলাদ্রি ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না। তার দুজন কর্মী সেখানে ছিলেন। রাত পৌনে ২টা নাগাদ তিনি আগুনের খবর পান। ভিডিও কলে তিনি দেখতে পান দ্বিতীয় তলা থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ছে।

তার বক্তব্য অনুযায়ী, দমকল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে এবং মই দিয়ে বহু মানুষকে উদ্ধার করা হয়। দমকলের কাজের প্রশংসা করলেও একই সঙ্গে তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলেছেন। তার দাবি, দমকলের সদর দপ্তর থেকে মাত্র কয়েক মিনিটের দূরত্বে এই ধরনের হোটেলগুলো কীভাবে এত বছর ধরে অগ্নিনিরাপত্তার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা ছাড়াই চলছিল।

নীলাদ্রির বক্তব্য, শুধু দুর্ঘটনার পরে দমকলের ভালো কাজের প্রশংসা করলেই হবে না। দুর্ঘটনার আগে এই ভবনগুলোতে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা ঠিকঠাক ছিল কি না, সেটিও নিয়মিত খতিয়ে দেখা প্রয়োজন ছিল।

একই সঙ্গে সাবেক সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও বর্তমান সরকারের দায় নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তার বক্তব্য, সাবেক সরকারের অবশ্যই দায় থাকতে পারে। কিন্তু বর্তমান সরকারও কয়েক মাস ধরে ক্ষমতায় রয়েছে। তাই এখন প্রশ্ন হলো, এতদিন কেন এই ধরনের বেআইনি বা অনিরাপদ হোটেলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

ঘটনার পর রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল সরাসরি সাবেক পুর প্রশাসনের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন। তার প্রশ্ন, ট্রেড লাইসেন্স কে দিয়েছিল এবং হোটেল চালানোর অনুমতি কীভাবে দেওয়া হয়েছিল।

মন্ত্রী আরও অভিযোগ করেছেন, একটি এসির অনুমতি নিয়ে সেখানে প্রায় ১০টি এসি চালানো হতো। এই পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ সংযোগ কীভাবে দেওয়া হয়েছিল, তা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। ফায়ার লাইসেন্স এবং ট্রেড লাইসেন্স ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

দমকলমন্ত্রী কৌশিক চৌধুরীও সাবেক সরকারের আমলের পুর প্রশাসনের দিকে অভিযোগ তুলেছেন। তার বক্তব্য, কীভাবে এই ভবনে ট্রেড লাইসেন্স এবং হোটেল চালানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, তা তদন্ত করে দেখা হবে। ঘটনায় কারও গাফিলতি বা অবহেলা প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

অগ্নিকাণ্ড নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও সাবেক সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। তার অভিযোগ, বছরের পর বছর কলকাতা তথা রাজ্যজুড়ে যথাযথ নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই পরিকাঠামো গড়ে উঠেছে। অগ্নিসুরক্ষা সংক্রান্ত নিয়ম উপেক্ষা করে বিভিন্ন ভবনে হোটেল ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, সাবেক সরকারের অবহেলার ফলেই এই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বর্তমান সরকার সেই ক্ষত মেরামতের চেষ্টা করছে এবং অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

বর্তমান সরকারের অভিযোগের জবাব দিয়েছেন সাবেক পুরমন্ত্রী ও সাবেক মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তার বক্তব্য, একজন মেয়রের পক্ষে প্রতিটি ভবনের অগ্নিসুরক্ষা সংক্রান্ত বিষয় নিজে যাচাই করা সম্ভব নয়।

ফিরহাদের দাবি, কোনো ভবনে ফায়ার লাইসেন্স ছিল কি না, অগ্নিসুরক্ষা অডিট হয়েছিল কি না, তা দেখার দায়িত্ব দমকল দপ্তরের। ট্রেড লাইসেন্স সংক্রান্ত বিষয়ও আলাদাভাবে যাচাই করা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন তিনি।

দায় ঠেলাঠেলি না করে সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা দরকার বলেও মন্তব্য করেছেন সাবেক মেয়র। তার মতে, এই ধরনের ঘটনা নতুন নয়। স্টিফেন কোর্ট থেকে আমরি হাসপাতাল এবং দেশের অন্যান্য স্থানের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে স্থায়ী ব্যবস্থা তৈরি করা প্রয়োজন।

ফিরহাদের প্রস্তাব, দমকল দপ্তরের উচিত প্রতি বছর তৃতীয় পক্ষকে দিয়ে অগ্নিসুরক্ষা অডিট করানো। সরকারি দপ্তরের সীমিত লোকবলের কারণে প্রতিটি ভবন নিয়মিত পরীক্ষা করা কঠিন। তাই স্বাধীন সংস্থার মাধ্যমে নিয়মিত অডিট করানো হলে সমস্যা অনেকটাই চিহ্নিত করা সম্ভব বলে তার দাবি।

এই অগ্নিকাণ্ডে মৃতদের মধ্যে বাংলাদেশের নাগরিক রয়েছেন বলে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। প্রথম আলোর প্রতিবেদনে কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার মোহাম্মদ খালেদের বক্তব্য উদ্ধৃত করে জানানো হয়েছে, মৃতদের মধ্যে পাঁচজন বাংলাদেশের নাগরিক। তাদের মধ্যে চারজন কুষ্টিয়ার বাসিন্দা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মৃতদের মধ্যে সাংবাদিক দেবাশীস দত্ত, তার স্ত্রী আফসানা শিম্মিন এবং তাদের তিন বছরের সন্তান স্বর্ণাশিস দত্ত রয়েছেন বলে জানা গেছে। চিকিৎসার উদ্দেশ্যে বেঙ্গালুরু যাওয়ার পর মঙ্গলবার কলকাতায় এসেছিলেন তারা।

কলকাতার এই মর্মান্তিক ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করার পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন দুর্গতদের সহায়তা করছে বলেও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

এই অগ্নিকাণ্ডের পর প্রশ্ন শুধু একটি হোটেলের নিরাপত্তা নিয়ে নয়। একই ভবনে একাধিক হোটেল চালানোর অনুমতি কীভাবে দেওয়া হয়েছিল, অগ্নিনিরাপত্তার নিয়ম মানা হয়েছিল কি না, নিয়মিত অডিট হয়েছিল কি না, জরুরি নির্গমন পথ কেন ছিল না এবং পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা কেন দেখা গেল না, সেসব নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

দমকলের সদর দপ্তরের এত কাছে থাকা একটি ভবনে যদি অগ্নিসুরক্ষার এত ঘাটতি থেকে থাকে, তাহলে কলকাতার অন্যান্য ঘিঞ্জি এলাকায় থাকা হোটেল ও বাণিজ্যিক ভবনগুলোর নিরাপত্তা নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত

৯ জনের মৃত্যুর পর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন, বাড়ছে ক্ষোভ