স্ট্রিম প্রতিবেদক

সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে বিচার বিভাগীয় সচিবালয় স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়ায় আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিবকে আদালত অবমাননার নোটিশ পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মে) সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শিশির মনিরের পক্ষে এই আইনি নোটিশ পাঠানো হয়।
নোটিশ পাওয়া দুজন হলেন- আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সচিব ড. হাফিজ আহমেদ চৌধুরী এবং আইন ও বিচার বিভাগের সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা।
নোটিশে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের অবকাঠামো ও নথিপত্র স্থানান্তরের কার্যক্রম থেকে বিরত না থাকলে হাইকোর্টে তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদন করা হবে।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী, তিন মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টে স্বাধীন ও পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার কথা ছিল। সে অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ জারি হয় এবং ১১ ডিসেম্বর সচিবালয়টি উদ্বোধন করে জনবল নিয়োগের মাধ্যমে পুরোদমে কাজ শুরু হয়। কিন্তু ২০২৬ সালের ১০ এপ্রিল ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় রহিতকরণ আইন’ পাস হয় এবং এরপর সচিবালয়ের অবকাঠামো ও নথিপত্র স্থানান্তরের পদক্ষেপ নেওয়া হয়, যা আদালতের রায়ের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন।
বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে আইনজীবী শিশির মনির বলেন, ‘মাসদার হোসেন মামলার রায়ে এটি প্রথম নির্দেশনা হিসেবে আসে। পরবর্তীতে হাইকোর্ট রায় দেন, ৯০ দিন বা তিন মাসের ভেতর পৃথক বিচার বিভাগীয় সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’
অধ্যাদেশ বাতিল হলেও হাইকোর্টের রায় বহাল রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এরপরও সচিবালয় স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সরকারের নির্বাহী বিভাগের এমন পদক্ষেপকে ‘আদালতের রায়ের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শনের শামিল’ জানিয়ে শিশির মনির বলেন, ‘হাইকোর্টের নির্দেশনা এখনও বহাল আছে। সুপ্রিম কোর্টে তা স্থগিত হয়নি। এই আদেশ থাকা সত্ত্বেও তারা বিচার বিভাগীয় সচিবালয় স্থানান্তর করছেন এবং সবকিছুকে আইন মন্ত্রণালয়ের ওপর ন্যস্ত করার আদেশ দিচ্ছেন।’
সরাসরি মামলা না করে আগে নোটিশ কেন দেওয়া হলো এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আইনের বিধান হলো কারও বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার চার্জ আনতে গেলে আগে নোটিশ দিয়ে সতর্ক করতে হয়। এটি হলো আমাদের সতর্ক বার্তা। তারা যদি এই কাজ থেকে বিরত না হন, তবে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে আমরা হাইকোর্টের উপযুক্ত বেঞ্চে কনটেম্পট পিটিশন করব।’

সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে বিচার বিভাগীয় সচিবালয় স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়ায় আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিবকে আদালত অবমাননার নোটিশ পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মে) সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শিশির মনিরের পক্ষে এই আইনি নোটিশ পাঠানো হয়।
নোটিশ পাওয়া দুজন হলেন- আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সচিব ড. হাফিজ আহমেদ চৌধুরী এবং আইন ও বিচার বিভাগের সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা।
নোটিশে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের অবকাঠামো ও নথিপত্র স্থানান্তরের কার্যক্রম থেকে বিরত না থাকলে হাইকোর্টে তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদন করা হবে।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী, তিন মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টে স্বাধীন ও পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার কথা ছিল। সে অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ জারি হয় এবং ১১ ডিসেম্বর সচিবালয়টি উদ্বোধন করে জনবল নিয়োগের মাধ্যমে পুরোদমে কাজ শুরু হয়। কিন্তু ২০২৬ সালের ১০ এপ্রিল ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় রহিতকরণ আইন’ পাস হয় এবং এরপর সচিবালয়ের অবকাঠামো ও নথিপত্র স্থানান্তরের পদক্ষেপ নেওয়া হয়, যা আদালতের রায়ের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন।
বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে আইনজীবী শিশির মনির বলেন, ‘মাসদার হোসেন মামলার রায়ে এটি প্রথম নির্দেশনা হিসেবে আসে। পরবর্তীতে হাইকোর্ট রায় দেন, ৯০ দিন বা তিন মাসের ভেতর পৃথক বিচার বিভাগীয় সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’
অধ্যাদেশ বাতিল হলেও হাইকোর্টের রায় বহাল রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এরপরও সচিবালয় স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সরকারের নির্বাহী বিভাগের এমন পদক্ষেপকে ‘আদালতের রায়ের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শনের শামিল’ জানিয়ে শিশির মনির বলেন, ‘হাইকোর্টের নির্দেশনা এখনও বহাল আছে। সুপ্রিম কোর্টে তা স্থগিত হয়নি। এই আদেশ থাকা সত্ত্বেও তারা বিচার বিভাগীয় সচিবালয় স্থানান্তর করছেন এবং সবকিছুকে আইন মন্ত্রণালয়ের ওপর ন্যস্ত করার আদেশ দিচ্ছেন।’
সরাসরি মামলা না করে আগে নোটিশ কেন দেওয়া হলো এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আইনের বিধান হলো কারও বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার চার্জ আনতে গেলে আগে নোটিশ দিয়ে সতর্ক করতে হয়। এটি হলো আমাদের সতর্ক বার্তা। তারা যদি এই কাজ থেকে বিরত না হন, তবে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে আমরা হাইকোর্টের উপযুক্ত বেঞ্চে কনটেম্পট পিটিশন করব।’

নাজরান ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাগ্রো প্রজেক্টের নামে গ্রাহকের প্রায় ৪০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ চক্রের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গ্রেপ্তার মো. ওবায়েদুল্লাহ (৩৩) ভোলার জাহানপুর গ্রামের প্রয়াত আবু নাইমের ছেলে।
১ ঘণ্টা আগে
আধুনিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে জাতীয় নিরাপত্তা, সুশাসন এবং সামরিক-বেসামরিক প্রশাসনের কার্যকর সমন্বয়কে অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামছুল ইসলাম।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার তদন্ত প্রায় ৯০ শতাংশ শেষ। আগামী ৭ জুনের মধ্যে এই মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হতে পারে। মামলায় প্রধান আসামি হচ্ছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
২ ঘণ্টা আগে
দেশের বাজারে ইলেকট্রিক (ইভি) ও হাইব্রিড গাড়ির ব্যবহার উৎসাহিত করতে ঋণের সীমা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পাশাপাশি ব্যক্তিগত ঋণের সীমা ২০ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪০ লাখ টাকা করা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে