রাবিতে শিক্ষার্থী হেনস্তার ঘটনায় প্রভোস্টের পদত্যাগের দাবি শিবিরের
স্ট্রিম সংবাদদাতারাজশাহী

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শহীদ শামসুজ্জোহা হলে এক শিক্ষার্থীকে হেনস্তা ও মারধরের অভিযোগে হলের প্রভোস্টের পদত্যাগসহ চার দফা দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কনফারেন্স কক্ষে এ দাবি জানান বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল। একই সঙ্গে হলে অবৈধভাবে অবস্থানকারীদের শনাক্ত করে মেধা ও সিনিয়রিটির ভিত্তিতে সিট বরাদ্দের নীতিমালা বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়।
চার দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে হল থেকে বের করে দেওয়া, তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া, আহত শিক্ষার্থীর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা, এবং শহীদ শামসুজ্জোহা হলের প্রভোস্টের পদত্যাগ।
মুজাহিদ ফয়সাল বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী মেধা ও সিনিয়রিটির ভিত্তিতে হলে সিট বরাদ্দ দেওয়ার কথা। কিন্তু ওই হলে এ নীতিমালা প্রয়োগ করা হচ্ছে না। এখনো অনেকে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার মাধ্যমে রুমে অবস্থান করছেন।
তিনি বলেন, অন্যদিকে শহীদ জিয়াউর রহমান হলে ৩৭টি সিট দেওয়া হয়েছে। নতুন প্রভোস্টের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও প্রক্টর বডির সমন্বয়ে কারা অবৈধভাবে হলে অবস্থান করছে; তাদের তালিকা করতে হবে। এরপর শূন্য আসন সাপেক্ষে আবার সার্কুলার দিয়ে ভাইভা নিতে হবে এবং মেধাতালিকার ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের সিট বরাদ্দ দিতে হবে।
হলগুলোতে সিট বরাদ্দের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পরিচয় বা সংশ্লিষ্টতার পরিবর্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণের দাবি জানান শিবির সভাপতি। পাশাপাশি অবৈধভাবে হলে অবস্থানকারী শিক্ষার্থীদের শনাক্ত করে নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সিট বরাদ্দের কথাও বলেন তিনি।
উল্লেখ্য, শিবিরের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার সন্দেহে শহীদ শামসুজ্জোহা হলের গণিত বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে রাতভর জিজ্ঞাসাবাদ, হেনস্তা ও মারধরের অভিযোগ ওঠে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, তাঁর মোবাইল ফোন তল্লাশি করে শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগের তথ্য খোঁজা হয়, এবং ‘শিবিরের স্পাই’ আখ্যা দিয়ে মারধর করা হয়। তবে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জোহা হল ছাত্রদলের সভাপতি মেহেদী হাসান ফুয়াদ।
.png)





-2bf04c-256x144.webp)
