নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা

নড়াইলে দুর্বৃত্তের দেওয়া আগুনে সদর উপজেলার হবখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হুমায়ুন মোল্যার ঘর পুড়ে গেছে। এতে তাঁর ঘরে থাকা আসবাব, রবি শস্য ও ৩০-৩৫ মণ ধান পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছে তাঁর পরিবার। গতকাল সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নির্বাচনের বিএনপি প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বীর পক্ষে কাজ করা হুমায়ুন মোল্যার বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তাঁর পরিবার। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত বিএনপি নেতা।
পরিবারের অভিযোগ, হুমায়ুন মোল্যা স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক বিএনপি নেতা মনিরুল ইসলামের সমর্থক ছিলেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন পরিকল্পিতভাবে আগুন দিয়েছে। এর আগে ধানের শীষের সমর্থকদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি তাদের।
এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নড়াইল-১ (সদর) আসনে বিএনপি থেকে বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম ধানের শীষ প্রতীকে এবং জেলা বিএনপির সদ্য বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম স্বতন্ত্র প্রার্থীকে হিসেবে কলস প্রতীকে নির্বাচন করেন। নির্বাচনে হুমায়ুন মোল্যা স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচন করেন। তবে বিএনপির প্রার্থী ৯৯ হাজার ৯৭৫ ভোটে জয়ী হন।
এদিকে সোমবার সন্ধ্যার পর হবখালী এলাকায় ধানের শীষ ও কলস প্রতীকের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ৬ জন আহত হন। এর কয়েক ঘণ্টা পরই হুমায়ুন মোল্যার বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। ঘটনাগুলোকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

হুমায়ুন মোল্যার ভাই মো. রমজান মোল্যা বলেন, ‘আমরা জেলা বিএনপির সদ্য বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলামের সঙ্গে রাজনীতি করি। তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় আমরা কলস প্রতীকে কাজ করেছি। এ কারণে টিংকু ও তাঁর লোকজন আমাদের বিভিন্ন সময় হুমকি দিয়েছে। আমাদের ধারণা, তারাই এ আগুন দিয়েছে।’
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে রিয়াজুল ইসলাম টিংকু বলেন, ‘কে বা কারা হুমায়ুন মোল্যার ঘরে আগুন দিয়েছে, পুলিশ তদন্ত করলে তা বেরিয়ে আসবে। আমরা সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি।’
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সোমবার গভীর রাতে আগুনের শিখা দেখে তারা ছুটে যান। পরে নিজেদের উদ্যোগে পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
স্থানীয় বাসিন্দা নবু মোল্যা বলেন, ‘রাত আনুমানিক ১টার দিকে একটা শব্দ পাই। দৌড়ে এসে দেখি ঘরের সব পুড়ে গেছে। ভেতরে ৩০-৩৫ মণ ধান, আসবাবসহ সবকিছু ছিল। ঘরের এক পাশে হুমায়ুন মোল্যা থাকেন।’
নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওলি মিয়া বলেন, বিএনপি নেতার বাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নড়াইলে দুর্বৃত্তের দেওয়া আগুনে সদর উপজেলার হবখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হুমায়ুন মোল্যার ঘর পুড়ে গেছে। এতে তাঁর ঘরে থাকা আসবাব, রবি শস্য ও ৩০-৩৫ মণ ধান পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছে তাঁর পরিবার। গতকাল সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নির্বাচনের বিএনপি প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বীর পক্ষে কাজ করা হুমায়ুন মোল্যার বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তাঁর পরিবার। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত বিএনপি নেতা।
পরিবারের অভিযোগ, হুমায়ুন মোল্যা স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক বিএনপি নেতা মনিরুল ইসলামের সমর্থক ছিলেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন পরিকল্পিতভাবে আগুন দিয়েছে। এর আগে ধানের শীষের সমর্থকদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি তাদের।
এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নড়াইল-১ (সদর) আসনে বিএনপি থেকে বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম ধানের শীষ প্রতীকে এবং জেলা বিএনপির সদ্য বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম স্বতন্ত্র প্রার্থীকে হিসেবে কলস প্রতীকে নির্বাচন করেন। নির্বাচনে হুমায়ুন মোল্যা স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচন করেন। তবে বিএনপির প্রার্থী ৯৯ হাজার ৯৭৫ ভোটে জয়ী হন।
এদিকে সোমবার সন্ধ্যার পর হবখালী এলাকায় ধানের শীষ ও কলস প্রতীকের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ৬ জন আহত হন। এর কয়েক ঘণ্টা পরই হুমায়ুন মোল্যার বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। ঘটনাগুলোকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

হুমায়ুন মোল্যার ভাই মো. রমজান মোল্যা বলেন, ‘আমরা জেলা বিএনপির সদ্য বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলামের সঙ্গে রাজনীতি করি। তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় আমরা কলস প্রতীকে কাজ করেছি। এ কারণে টিংকু ও তাঁর লোকজন আমাদের বিভিন্ন সময় হুমকি দিয়েছে। আমাদের ধারণা, তারাই এ আগুন দিয়েছে।’
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে রিয়াজুল ইসলাম টিংকু বলেন, ‘কে বা কারা হুমায়ুন মোল্যার ঘরে আগুন দিয়েছে, পুলিশ তদন্ত করলে তা বেরিয়ে আসবে। আমরা সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি।’
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সোমবার গভীর রাতে আগুনের শিখা দেখে তারা ছুটে যান। পরে নিজেদের উদ্যোগে পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
স্থানীয় বাসিন্দা নবু মোল্যা বলেন, ‘রাত আনুমানিক ১টার দিকে একটা শব্দ পাই। দৌড়ে এসে দেখি ঘরের সব পুড়ে গেছে। ভেতরে ৩০-৩৫ মণ ধান, আসবাবসহ সবকিছু ছিল। ঘরের এক পাশে হুমায়ুন মোল্যা থাকেন।’
নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওলি মিয়া বলেন, বিএনপি নেতার বাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নোয়াখালীর সেনবাগে প্রকাশ্য স্থানে গাঁজা সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে আরাফাত হোসেন ফাহিম (২২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মৌচাকে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বিল্লাল হোসেনকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় আরও দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। বুধবার (১০ জুন) রাতে লক্ষ্মীপুরে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
৩ ঘণ্টা আগেঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর খাইয়ারা রাস্তার মাথা এলাকায় থেমে থাকা ট্রাকের পেছনে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় দুজন নিহত হয়েছে। স্থানীয়সহ আহত হয়েছেন আরও আটজন। তাদের মধ্যে পাঁচজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে যুবদল নেতা মনির খানের (৩৮) মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্মীদের সঙ্গে স্বজনের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয়পক্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
১২ ঘণ্টা আগে