স্ট্রিম প্রতিবেদক

টানা ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। ইতিমধ্যে নেত্রকোনা ও মৌলভীবাজারে নদ-নদীর পানি প্রাক-মৌসুমি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে এবং এই দুই জেলার নিম্নাঞ্চলে আকস্মিক বন্যা (ফ্ল্যাশ ফ্লাড) শুরু হয়েছে। আগামী তিন দিন এই বৃষ্টি অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস থাকায় সিলেট ও হবিগঞ্জেও বন্যা পরিস্থিতির শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
রোববার (২৮ এপ্রিল) বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের চার জেলায় আকস্মিক বন্যার এই সতর্কতা জারি করেছে।
সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী মনজুর রহমান স্ট্রিমকে জানান, সিলেট অঞ্চলে বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢল অব্যাহত রয়েছে। ইতিমধ্যে নেত্রকোনা ও মৌলভীবাজারে নদ-নদীর পানি প্রাক-মৌসুমি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় সেখানে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জের কিছু স্থানে পানি জমার বিষয়ে এই প্রকৌশলী বলেন, ‘বৃষ্টির কারণে অনেক জায়গায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়, আর নদীর পানি উপচে হওয়া বন্যা আলাদা বিষয়। বৃষ্টির জমাট বাঁধা পানি সুনামগঞ্জসহ সব জেলাতেই আছে। তবে নদীর পানি যে হারে বাড়ছে, তাতে আগামীকালের (সোমবার) মধ্যেই হবিগঞ্জের খোয়াই ও সুতাং নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে এবং সেখানেও বন্যা দেখা দিতে পারে।’
পাউবোর সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ও নেত্রকোনা অঞ্চলের প্রধান নদীগুলোর পানি দ্রুত বাড়লেও তা এখনো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে শঙ্কার বিষয় হলো, আগামী তিন দিন সিলেট ও সুনামগঞ্জের সুরমা-কুশিয়ারা; মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের মনু-খোয়াই এবং নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জের ধনু-বাউলাই ও ভুগাই-কংস নদীর পানি অতি দ্রুত বাড়তে পারে।
আগামী ২ থেকে ৩ দিনের মধ্যে এসব নদী এবং এদের প্রধান উপ-নদীগুলোর (যেমন- সারিগোয়াইন, যাদুকাটা, সোমেশ্বরী) পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এর ফলে পাহাড়ি ঢল নেমে নদীতীরবর্তী নিচু এলাকাগুলো হঠাৎ প্লাবিত হয়ে সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও নেত্রকোনা জেলায় আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।
পাউবো জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের হাওর এলাকা এবং ভারতের উজানে (মেঘালয় ও ত্রিপুরা) প্রচুর বৃষ্টি হয়েছে। ভারতের এই বৃষ্টির পানি সরাসরি ঢল হয়ে বাংলাদেশের নদ-নদীতে নেমে আসে।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে মৌলভীবাজারে—১৯০ মিলিমিটার। এছাড়া মৌলভীবাজারের শেরপুর-সিলেটে ১৮০, শ্রীমঙ্গলে ১৭৭, সুনামগঞ্জে ১৩৭, লরেরগড়ে ১৩৩ এবং হবিগঞ্জে ১০৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। সিলেটে ৯৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ভারতের উজানেও ভারী বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ত্রিপুরার কৈলাশহরে ১১৮ মিলিমিটার, মেঘালয়ের মওসিনরামে ৬৯ মিলিমিটার ও চেরাপুঞ্জিতে ৬৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। উজান ও দেশের অভ্যন্তরের এই যৌথ বৃষ্টিপাতের কারণেই মূলত দ্রুত বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে।

টানা ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। ইতিমধ্যে নেত্রকোনা ও মৌলভীবাজারে নদ-নদীর পানি প্রাক-মৌসুমি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে এবং এই দুই জেলার নিম্নাঞ্চলে আকস্মিক বন্যা (ফ্ল্যাশ ফ্লাড) শুরু হয়েছে। আগামী তিন দিন এই বৃষ্টি অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস থাকায় সিলেট ও হবিগঞ্জেও বন্যা পরিস্থিতির শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
রোববার (২৮ এপ্রিল) বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের চার জেলায় আকস্মিক বন্যার এই সতর্কতা জারি করেছে।
সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী মনজুর রহমান স্ট্রিমকে জানান, সিলেট অঞ্চলে বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢল অব্যাহত রয়েছে। ইতিমধ্যে নেত্রকোনা ও মৌলভীবাজারে নদ-নদীর পানি প্রাক-মৌসুমি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় সেখানে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জের কিছু স্থানে পানি জমার বিষয়ে এই প্রকৌশলী বলেন, ‘বৃষ্টির কারণে অনেক জায়গায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়, আর নদীর পানি উপচে হওয়া বন্যা আলাদা বিষয়। বৃষ্টির জমাট বাঁধা পানি সুনামগঞ্জসহ সব জেলাতেই আছে। তবে নদীর পানি যে হারে বাড়ছে, তাতে আগামীকালের (সোমবার) মধ্যেই হবিগঞ্জের খোয়াই ও সুতাং নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে এবং সেখানেও বন্যা দেখা দিতে পারে।’
পাউবোর সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ও নেত্রকোনা অঞ্চলের প্রধান নদীগুলোর পানি দ্রুত বাড়লেও তা এখনো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে শঙ্কার বিষয় হলো, আগামী তিন দিন সিলেট ও সুনামগঞ্জের সুরমা-কুশিয়ারা; মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের মনু-খোয়াই এবং নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জের ধনু-বাউলাই ও ভুগাই-কংস নদীর পানি অতি দ্রুত বাড়তে পারে।
আগামী ২ থেকে ৩ দিনের মধ্যে এসব নদী এবং এদের প্রধান উপ-নদীগুলোর (যেমন- সারিগোয়াইন, যাদুকাটা, সোমেশ্বরী) পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এর ফলে পাহাড়ি ঢল নেমে নদীতীরবর্তী নিচু এলাকাগুলো হঠাৎ প্লাবিত হয়ে সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও নেত্রকোনা জেলায় আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।
পাউবো জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের হাওর এলাকা এবং ভারতের উজানে (মেঘালয় ও ত্রিপুরা) প্রচুর বৃষ্টি হয়েছে। ভারতের এই বৃষ্টির পানি সরাসরি ঢল হয়ে বাংলাদেশের নদ-নদীতে নেমে আসে।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে মৌলভীবাজারে—১৯০ মিলিমিটার। এছাড়া মৌলভীবাজারের শেরপুর-সিলেটে ১৮০, শ্রীমঙ্গলে ১৭৭, সুনামগঞ্জে ১৩৭, লরেরগড়ে ১৩৩ এবং হবিগঞ্জে ১০৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। সিলেটে ৯৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ভারতের উজানেও ভারী বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ত্রিপুরার কৈলাশহরে ১১৮ মিলিমিটার, মেঘালয়ের মওসিনরামে ৬৯ মিলিমিটার ও চেরাপুঞ্জিতে ৬৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। উজান ও দেশের অভ্যন্তরের এই যৌথ বৃষ্টিপাতের কারণেই মূলত দ্রুত বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে।

ভারী বৃষ্টিতে হাওরাঞ্চলে ক্ষতিগ্রস্ত সব কৃষককে খুঁজে বের করে আগামী তিন মাস সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে সুনামগঞ্জ-৫ আসনের এমপি কলিম উদ্দিন আহমেদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।
৮ মিনিট আগে
ভারী বৃষ্টিতে গত দুই দিন ধরে চট্টগ্রাম শহরে জলাবদ্ধতা ও দুর্ভোগের জন্য নগরবাসীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে চট্টগ্রাম-১০ আসনের এমপি সাঈদ আল নোমানের প্রশ্নের জবাবে এই সমস্যা সমাধানে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী।
২৯ মিনিট আগে
নরসিংদীর পলাশে ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে ঢোকার চেষ্টা করেছে একদল সশস্ত্র ডাকাত। এ সময় বাধা দেওয়ায় ডাকাত দলের হামলায় এক আনসার সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাত ২টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচিতে সরকারের ব্যয়ের ধরন ও অর্থনীতিতে এর প্রভাব নিয়ে জাতীয় সংসদে উদ্বেগ জানিয়েছেন তরুণ সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ। জবাবে কর্মসূচিটিকে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, এটি গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে।
১ ঘণ্টা আগে