মাহমুদ নেওয়াজ জয়

সাদেক হেদায়াত (১৯০৩–১৯৫১) প্রথমে দন্তচিকিৎসায় পড়তে শুরু করেছিলেন। পরে ফ্রান্স ও বেলজিয়ামে প্রকৌশলবিদ্যাও পড়েন। কিন্তু এসব কিছু ছেড়ে তিনি ঝুঁকে পড়েন প্রাচীন পারসিক ভাষা ও পারস্য পুরাণ নিয়ে পড়াশোনায়। পরবর্তী সময়ে তিনি ইরানের প্রথম আধুনিকতাবাদী কথাসাহিত্যিকদের একজন হয়ে ওঠেন। গল্প, প্রবন্ধ ও নাটক লিখলেও রহস্যময় উপন্যাস ‘ব্লাইন্ড আউল’ তাঁর শ্রেষ্ঠ কাজ হিসেবে বিবেচিত হয়।
হেদায়াত ছিলেন জাতীয়তাবাদী লেখক। তিনি ইরানের ইতিহাসের এক অস্থির সময়ে বেঁচে ছিলেন। তাঁর জীবদ্দশায় ঘটে যায় ১৯০৫-১৯১১ সালের সাংবিধানিক বিপ্লব। এর লক্ষ্য ছিল রাজশক্তিকে সীমিত করা এবং রাষ্ট্রকে আধুনিক করা। পরে ক্ষমতায় আসেন আধুনিকতাবাদী কিন্তু কঠোর শাসক রেজা শাহ (১৯২৫–১৯৪১)। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় (১৯৪১–১৯৪৫) ব্রিটিশ ও সোভিয়েত বাহিনী ইরান দখল করে।
ইরানের গৌরবময় অতীতের পতন ও সামাজিক বৈষম্য ও রাজনৈতিক দমন হেদায়াতকে ব্যথিত করেছিল। একদিকে আধুনিকতার প্রভাব, অন্যদিকে ধর্মীয় রীতি ও কুসংস্কারের দ্বন্দ্ব তাঁকে তাড়িয়ে বেড়াত। হেদায়াতের লেখায় যে অস্তিত্ববাদী হতাশা ও নিরাশা দেখা যায়, তার পেছনে এই সামাজিক-রাজনৈতিক বাস্তবতা বড় ভূমিকা রেখেছে।
যেমন ‘ব্লাইন্ড আউল’ উপন্যাসের শুরুর সেই বিখ্যাত লাইন—‘জীবনে এমন কিছু ক্ষত আছে, যা কুষ্ঠরোগের মতো একাকীত্বে আত্মাকে কুরে কুরে খায়।’

উপন্যাসের কাহিনী একজন শয্যাশায়ী মানুষের হ্যালুসিনেশন ও ভয়কে অনুসরণ করে। সে মৃত্যু ভয়ে কাঁপে। শেষে গল্প গিয়ে দাঁড়ায় হত্যাকাণ্ডে, বা বলা যায়, হত্যার কামনামিশ্রিত স্বপ্নে। নামহীন এই বর্ণনাকারী মানুষকে ঘৃণা করে। সে তাদের ‘অপদার্থ’ বলে ডাকে। সে কেবল নিজের ছায়ার জন্য লেখে, কারণ সে মরার আগে নিজেকে চিনতে চায়।
এই উপন্যাসের একক ব্যাখ্যা নেই। তবে মৃত্যু, লজ্জা ও আত্ম-উপলব্ধি—এই তিনটি বিষয় গল্পের কেন্দ্রে রয়েছে। বর্ণনাকারীর ছায়ার সঙ্গে কথোপকথন মনে করিয়ে দেয় মনোবিশ্লেষক কার্ল জাং-এর ‘ছায়া’র ধারণা।
বর্ণনাকারী নিজের ছায়ার সঙ্গে কথা বলে নিজেকে জানার জন্য। নিজেকে সম্পূর্ণভাবে মেনে নেওয়ার জন্য। কার্ল জাং বলেছিলেন, নিজেকে পুরোপুরি মেনে নেওয়া সবচেয়ে ভয়ের কাজ।
উপন্যাসের শেষে দেয়ালে থাকা ছায়া একটি পেঁচায় রূপ নেয়। বিভিন্ন সংস্কৃতিতে পেঁচা কখনও অশুভ লক্ষণ, কখনও প্রজ্ঞার প্রতীক। হেদায়াতের পেঁচা দুই অর্থই বহন করে। এখানে বোঝানো হয়, নিজের অন্ধকার দিককে না বুঝলে প্রকৃত জ্ঞান সম্ভব নয়। বর্ণনাকারী বলে, ‘মৃত্যুই একমাত্র সত্য, যা কখনও মিথ্যা বলে না।’ তবে পেঁচাটি অন্ধ। তাহলে কি নিজের ছায়াকে গ্রহণ করলে সে দৃষ্টি পাবে?
বর্ণনাকারী লেখে, ‘আমরা মৃত্যুর সন্তান।’ আমাদের শিল্প সৃষ্টি, জ্ঞান অর্জন, সম্পদ সঞ্চয় সবকিছুর পেছনে আছে মৃত্যুভয়। তার মন এতটাই মৃত্যুভয়ে আচ্ছন্ন যে খোলা দরজাও তার কাছে ‘মৃতের মুখ’ মনে হয়। তার বিছানা কবরের মতো ঠান্ডা ও অন্ধকার।
তবু মৃত্যুকে সে ভয় পায় আবার ডাকে, ‘মৃত্যু… তুমি কোথায়?’ মৃত্যু তার কাছে তিক্ত সত্য, কিন্তু শান্তির প্রতিশ্রুতিও বটে।
মনোবিজ্ঞানী ফ্রয়েডের ‘মৃত্যু তাড়না’ ধারণাটি এখানে প্রাসঙ্গিক। এই তাড়নাকে তিনি নাম দেন ‘থানাটোস’। বর্ণনাকারীর ‘অস্তিত্ব বিলোপ’-এর আকাঙ্ক্ষা এই ধারণার সঙ্গে মিলে যায়। সে বলে, ‘মৃত্যুর পর বিলীন হয়ে যাওয়ার চিন্তাই আমাকে শান্তি দেয়।’
ফ্রয়েডের মতে, জীবনে ধ্বংসের তাড়না ও জীবনের তাড়নার মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে। জীবন-তাড়নাকে তিনি বলেন ‘ইরোস’।
হেদায়াতের নায়কের ক্ষেত্রে মৃত্যু তাড়নাই প্রধান শক্তি। তার মাদকাসক্তি, আত্মবিধ্বংসী আচরণ—সবই তার প্রকাশ। তার প্রেমও অস্বাভাবিক, কামনাও লজ্জায় ঢাকা। স্ত্রীকে ছুরি মেরে হত্যা করা, এ যেন জীবনের টান ও ধ্বংসের তাড়নার চূড়ান্ত সংঘর্ষ।
উপন্যাসে অলৌকিক সেই নারী যেন স্বপ্নের প্রতীক। সে মনে করে আগের জীবনে তারা একই আত্মা ছিল। কিন্তু সেই নারীকে সে বিষমিশ্রিত মদ খাইয়ে হত্যা করে। এমনকি মৃতদেহের সঙ্গেও শয়ন করে। সে আদর্শকেও মারে, বাস্তবকেও মারে। তার মন ভেঙে পড়ে। সব চরিত্র যেন তার নিজের ছায়ার অংশ।
স্ত্রী ও অলৌকিক নারী—দু’জনকেই হত্যা করা মানে নিজের নারীত্বসত্তাকে ধ্বংস করা। জুং যাকে ‘অ্যানিমা’ বলেছিলেন।
হেদায়াত তাঁদের প্রাচীন গৌরবকে শ্রদ্ধা করতেন। তিনি সমকালীন সমাজকে মনে করতেন ভণ্ডামি ও নৈতিক পতনে নিমজ্জিত। তাঁর ব্যঙ্গাত্মক রচনা ‘হাজী আগা’-তে তিনি রাজনীতিবিদদের লোভী ও নীতিহীন হিসেবে দেখান।
এই দৃষ্টিতে ব্লাইন্ড আউল পড়লে নতুন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। দুঃস্বপ্নের মতো স্থবির এই পৃথিবী কি তাঁর দেখা সমাজের প্রতিচ্ছবি? অলৌকিক নারী কি তাঁর কল্পিত আদর্শ ইরান? স্ত্রী কি বাস্তব, দুর্নীতিগ্রস্ত ইরান? অলৌকিক নারীকে হত্যা করে সে তাকে প্রাচীন নগরী রেই-তে কবর দেয়। যেন গৌরবময় অতীতকেও মাটিচাপা দেওয়া।
হেদায়াত তরুণ বয়সে প্যারিসে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। সাইন নদীতে ঝাঁপ দিয়েছিলেন, কিন্তু বেঁচে যান। মৃত্যুর প্রলোভন তাঁকে ছাড়েনি। শেষ পর্যন্ত ৪৮ বছর বয়সে প্যারিসে আত্মহত্যা করেন।

সাদেক হেদায়াত (১৯০৩–১৯৫১) প্রথমে দন্তচিকিৎসায় পড়তে শুরু করেছিলেন। পরে ফ্রান্স ও বেলজিয়ামে প্রকৌশলবিদ্যাও পড়েন। কিন্তু এসব কিছু ছেড়ে তিনি ঝুঁকে পড়েন প্রাচীন পারসিক ভাষা ও পারস্য পুরাণ নিয়ে পড়াশোনায়। পরবর্তী সময়ে তিনি ইরানের প্রথম আধুনিকতাবাদী কথাসাহিত্যিকদের একজন হয়ে ওঠেন। গল্প, প্রবন্ধ ও নাটক লিখলেও রহস্যময় উপন্যাস ‘ব্লাইন্ড আউল’ তাঁর শ্রেষ্ঠ কাজ হিসেবে বিবেচিত হয়।
হেদায়াত ছিলেন জাতীয়তাবাদী লেখক। তিনি ইরানের ইতিহাসের এক অস্থির সময়ে বেঁচে ছিলেন। তাঁর জীবদ্দশায় ঘটে যায় ১৯০৫-১৯১১ সালের সাংবিধানিক বিপ্লব। এর লক্ষ্য ছিল রাজশক্তিকে সীমিত করা এবং রাষ্ট্রকে আধুনিক করা। পরে ক্ষমতায় আসেন আধুনিকতাবাদী কিন্তু কঠোর শাসক রেজা শাহ (১৯২৫–১৯৪১)। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় (১৯৪১–১৯৪৫) ব্রিটিশ ও সোভিয়েত বাহিনী ইরান দখল করে।
ইরানের গৌরবময় অতীতের পতন ও সামাজিক বৈষম্য ও রাজনৈতিক দমন হেদায়াতকে ব্যথিত করেছিল। একদিকে আধুনিকতার প্রভাব, অন্যদিকে ধর্মীয় রীতি ও কুসংস্কারের দ্বন্দ্ব তাঁকে তাড়িয়ে বেড়াত। হেদায়াতের লেখায় যে অস্তিত্ববাদী হতাশা ও নিরাশা দেখা যায়, তার পেছনে এই সামাজিক-রাজনৈতিক বাস্তবতা বড় ভূমিকা রেখেছে।
যেমন ‘ব্লাইন্ড আউল’ উপন্যাসের শুরুর সেই বিখ্যাত লাইন—‘জীবনে এমন কিছু ক্ষত আছে, যা কুষ্ঠরোগের মতো একাকীত্বে আত্মাকে কুরে কুরে খায়।’

উপন্যাসের কাহিনী একজন শয্যাশায়ী মানুষের হ্যালুসিনেশন ও ভয়কে অনুসরণ করে। সে মৃত্যু ভয়ে কাঁপে। শেষে গল্প গিয়ে দাঁড়ায় হত্যাকাণ্ডে, বা বলা যায়, হত্যার কামনামিশ্রিত স্বপ্নে। নামহীন এই বর্ণনাকারী মানুষকে ঘৃণা করে। সে তাদের ‘অপদার্থ’ বলে ডাকে। সে কেবল নিজের ছায়ার জন্য লেখে, কারণ সে মরার আগে নিজেকে চিনতে চায়।
এই উপন্যাসের একক ব্যাখ্যা নেই। তবে মৃত্যু, লজ্জা ও আত্ম-উপলব্ধি—এই তিনটি বিষয় গল্পের কেন্দ্রে রয়েছে। বর্ণনাকারীর ছায়ার সঙ্গে কথোপকথন মনে করিয়ে দেয় মনোবিশ্লেষক কার্ল জাং-এর ‘ছায়া’র ধারণা।
বর্ণনাকারী নিজের ছায়ার সঙ্গে কথা বলে নিজেকে জানার জন্য। নিজেকে সম্পূর্ণভাবে মেনে নেওয়ার জন্য। কার্ল জাং বলেছিলেন, নিজেকে পুরোপুরি মেনে নেওয়া সবচেয়ে ভয়ের কাজ।
উপন্যাসের শেষে দেয়ালে থাকা ছায়া একটি পেঁচায় রূপ নেয়। বিভিন্ন সংস্কৃতিতে পেঁচা কখনও অশুভ লক্ষণ, কখনও প্রজ্ঞার প্রতীক। হেদায়াতের পেঁচা দুই অর্থই বহন করে। এখানে বোঝানো হয়, নিজের অন্ধকার দিককে না বুঝলে প্রকৃত জ্ঞান সম্ভব নয়। বর্ণনাকারী বলে, ‘মৃত্যুই একমাত্র সত্য, যা কখনও মিথ্যা বলে না।’ তবে পেঁচাটি অন্ধ। তাহলে কি নিজের ছায়াকে গ্রহণ করলে সে দৃষ্টি পাবে?
বর্ণনাকারী লেখে, ‘আমরা মৃত্যুর সন্তান।’ আমাদের শিল্প সৃষ্টি, জ্ঞান অর্জন, সম্পদ সঞ্চয় সবকিছুর পেছনে আছে মৃত্যুভয়। তার মন এতটাই মৃত্যুভয়ে আচ্ছন্ন যে খোলা দরজাও তার কাছে ‘মৃতের মুখ’ মনে হয়। তার বিছানা কবরের মতো ঠান্ডা ও অন্ধকার।
তবু মৃত্যুকে সে ভয় পায় আবার ডাকে, ‘মৃত্যু… তুমি কোথায়?’ মৃত্যু তার কাছে তিক্ত সত্য, কিন্তু শান্তির প্রতিশ্রুতিও বটে।
মনোবিজ্ঞানী ফ্রয়েডের ‘মৃত্যু তাড়না’ ধারণাটি এখানে প্রাসঙ্গিক। এই তাড়নাকে তিনি নাম দেন ‘থানাটোস’। বর্ণনাকারীর ‘অস্তিত্ব বিলোপ’-এর আকাঙ্ক্ষা এই ধারণার সঙ্গে মিলে যায়। সে বলে, ‘মৃত্যুর পর বিলীন হয়ে যাওয়ার চিন্তাই আমাকে শান্তি দেয়।’
ফ্রয়েডের মতে, জীবনে ধ্বংসের তাড়না ও জীবনের তাড়নার মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে। জীবন-তাড়নাকে তিনি বলেন ‘ইরোস’।
হেদায়াতের নায়কের ক্ষেত্রে মৃত্যু তাড়নাই প্রধান শক্তি। তার মাদকাসক্তি, আত্মবিধ্বংসী আচরণ—সবই তার প্রকাশ। তার প্রেমও অস্বাভাবিক, কামনাও লজ্জায় ঢাকা। স্ত্রীকে ছুরি মেরে হত্যা করা, এ যেন জীবনের টান ও ধ্বংসের তাড়নার চূড়ান্ত সংঘর্ষ।
উপন্যাসে অলৌকিক সেই নারী যেন স্বপ্নের প্রতীক। সে মনে করে আগের জীবনে তারা একই আত্মা ছিল। কিন্তু সেই নারীকে সে বিষমিশ্রিত মদ খাইয়ে হত্যা করে। এমনকি মৃতদেহের সঙ্গেও শয়ন করে। সে আদর্শকেও মারে, বাস্তবকেও মারে। তার মন ভেঙে পড়ে। সব চরিত্র যেন তার নিজের ছায়ার অংশ।
স্ত্রী ও অলৌকিক নারী—দু’জনকেই হত্যা করা মানে নিজের নারীত্বসত্তাকে ধ্বংস করা। জুং যাকে ‘অ্যানিমা’ বলেছিলেন।
হেদায়াত তাঁদের প্রাচীন গৌরবকে শ্রদ্ধা করতেন। তিনি সমকালীন সমাজকে মনে করতেন ভণ্ডামি ও নৈতিক পতনে নিমজ্জিত। তাঁর ব্যঙ্গাত্মক রচনা ‘হাজী আগা’-তে তিনি রাজনীতিবিদদের লোভী ও নীতিহীন হিসেবে দেখান।
এই দৃষ্টিতে ব্লাইন্ড আউল পড়লে নতুন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। দুঃস্বপ্নের মতো স্থবির এই পৃথিবী কি তাঁর দেখা সমাজের প্রতিচ্ছবি? অলৌকিক নারী কি তাঁর কল্পিত আদর্শ ইরান? স্ত্রী কি বাস্তব, দুর্নীতিগ্রস্ত ইরান? অলৌকিক নারীকে হত্যা করে সে তাকে প্রাচীন নগরী রেই-তে কবর দেয়। যেন গৌরবময় অতীতকেও মাটিচাপা দেওয়া।
হেদায়াত তরুণ বয়সে প্যারিসে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। সাইন নদীতে ঝাঁপ দিয়েছিলেন, কিন্তু বেঁচে যান। মৃত্যুর প্রলোভন তাঁকে ছাড়েনি। শেষ পর্যন্ত ৪৮ বছর বয়সে প্যারিসে আত্মহত্যা করেন।
.png)

ইন্টারনেটের হাজারো নেতিবাচকতার ভিড়ে প্রাণীদের ‘কিউট’ ভিডিও ছিল এক চিলতে স্বস্তি। কিন্তু এআই-এর যুগে সেই নির্ভেজাল বিশ্বাসে এখন ফাটল ধরেছে। কোনো ভিডিও দেখে হাসার বদলে আমাদের মনে আগে প্রশ্ন জাগছে, এটি কি আসল নাকি এআই দিয়ে তৈরি? অবিশ্বাসের এই ডিজিটাল চোরাবালিতে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন উঠছে, আমাদের ছোট ছোট আনন্দ
১৯ ঘণ্টা আগে
সমকালীন বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক জগতে এক অসাধারণ ব্যক্তিত্ব আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। জনপ্রিয়তা ও মননশীলতার মেলবন্ধনের দুর্লভ উদাহরণ তিনি। সৃজনশীল ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি তিনি একজন কর্মবীর। আজ তিনি সাতাশি বছর পূর্ণ করলেন।
২০ ঘণ্টা আগে
এইতো কিছুদিন আগে কথা। অফিস থেকে বেরিয়ে বিশেষ একটি কাজে শাহবাগের উদ্দেশ্যে রিকশায় উঠেছিলাম। বিকেলের ব্যস্ত ঢাকার চিরচেনা যানজটে রিকশাটি একসময় থেমে গেল। চারপাশে শুধু হর্নের শব্দ, মানুষের কোলাহল আর অসংখ্য গাড়ির সারি। ঠিক সেই মুহূর্তেই কানে ভেসে এলো এক পরিচিত সুর ‘আলো আমার আলো ওগো, আলো ভুবনভরা’…!
১ দিন আগে
প্রাক-আধুনিক যুগের আদর্শবাদী তারুণ্য থেকে শুরু করে আধুনিক যুগের টেক-স্যাভি ‘জেন জি’ প্রজন্ম—প্রতিটি যুগের তারুণ্যের রক্তস্রোত প্রমাণ করেছে যে বন্দুকের নল বা রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন দিয়ে মানুষের মুক্তির স্পৃহাকে চিরতরে বন্দি করা যায় না। আর এই প্রতিটি রক্তঝরা লড়াইয়ে নারীর সক্রিয়, সমান্তরাল, আপসহীন ও বীরত্বপূ
১ দিন আগে