স্ট্রিম প্রতিবেদক

ইরান ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকারের দেওয়া বিবৃতিতে তেহরান সন্তুষ্ট নয় বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহানাবাদি। তিনি বলেন, ‘ইরান আশা করে বন্ধুপ্রতীম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ অস্পষ্ট বিবৃতি না দিয়ে সরাসরি আগ্রাসী শক্তির ভূমিকার নিন্দা জানাবে।’
বুধবার (১ এপ্রিল) ঢাকায় ইরান দূতাবাসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি ও ইরানের অবস্থান তুলে ধরতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
রাষ্ট্রদূত জাহানাবাদি বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকার আমাদের এই যুদ্ধের ব্যাপারে যেসব বিবৃতি দিয়েছে, সে ব্যাপারে আমাদের কিছু কষ্টের জায়গা আছে। স্পেনসহ অনেক ইউরোপীয় দেশ এমনকি খোদ আমেরিকার ভেতরেও সাধারণ মানুষ ও কর্মকর্তারা এই যুদ্ধের নিন্দা জানাচ্ছেন। আমরা বাংলাদেশকে ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও ভাই মনে করি। তাই আমরা আশা করি, বাংলাদেশ অস্পষ্ট বিবৃতি না দিয়ে একটি সুস্পষ্ট অবস্থান গ্রহণ করবে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘প্রকাশিত বিবৃতিগুলোতে কেবল যুদ্ধের ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু যেখানে আমেরিকা সরাসরি আগ্রাসীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে, সেখানে সেই আগ্রাসনের নিন্দা জানানোই ইরানের প্রত্যাশা।’
সংবাদ সম্মেলনে রাষ্ট্রদূত আবেগপ্রবণ হয়ে প্রশ্ন করেন, ‘মুসলমান হওয়া কি কোনো অপরাধ? ইরান কখনোই যুদ্ধ চায় না। কিন্তু ইরান এমনভাবে যুদ্ধের সমাপ্তি চায় যাতে এই অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ইরানের জনগণের অধিকার নিশ্চিত হয়।’
আঞ্চলিক পরিস্থিতির বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, পাকিস্তান, তুরস্ক ও মিশরসহ অনেক মুসলিম দেশ সরাসরি এই হামলার নিন্দা জানিয়েছে এবং আলোচনার পরিবেশ তৈরিতে কাজ করছে। বাংলাদেশকেও ইরান একই ভূমিকায় দেখতে চায়।
ইরানে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের বিষয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘ইরানে কতজন বাংলাদেশি আছে, তার সঠিক পরিসংখ্যান আমাদের কাছে নেই। তবে তেহরানে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাস যদি কোনো তালিকা পাঠায়, তবে আমরা তাদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনার সব ধরনের সহযোগিতা করব।’
এছাড়া হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া বাংলাদেশের ছয়টি জাহাজের বিষয়ে তিনি জানান, বাংলাদেশ সরকার এই জাহাজগুলোর নিরাপদ চলাচলের জন্য ইরানের সহায়তা চেয়েছে। তেহরান এ ব্যাপারে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘আমরা যতদিন আছি, এই অঞ্চলের মুসলিম ভাইদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না।’
সংবাদ সম্মেলনে রাষ্ট্রদূত আরও উল্লেখ করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ১৫টি শর্তসহ একটি প্রস্তাব পাঠালেও ইরান সে বিষয়ে কোনো উত্তর দেয়নি। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, যুদ্ধের মাধ্যমে যা অর্জন করা সম্ভব হয়নি, আমেরিকা এখন আলোচনার মাধ্যমে তা হাসিল করতে চাইছে।
সবশেষে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ আমাদের ভাই। দুর্দিনে এক ভাই অন্য ভাইয়ের পাশে থাকবে—এটাই স্বাভাবিক এবং এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’

ইরান ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকারের দেওয়া বিবৃতিতে তেহরান সন্তুষ্ট নয় বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহানাবাদি। তিনি বলেন, ‘ইরান আশা করে বন্ধুপ্রতীম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ অস্পষ্ট বিবৃতি না দিয়ে সরাসরি আগ্রাসী শক্তির ভূমিকার নিন্দা জানাবে।’
বুধবার (১ এপ্রিল) ঢাকায় ইরান দূতাবাসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি ও ইরানের অবস্থান তুলে ধরতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
রাষ্ট্রদূত জাহানাবাদি বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকার আমাদের এই যুদ্ধের ব্যাপারে যেসব বিবৃতি দিয়েছে, সে ব্যাপারে আমাদের কিছু কষ্টের জায়গা আছে। স্পেনসহ অনেক ইউরোপীয় দেশ এমনকি খোদ আমেরিকার ভেতরেও সাধারণ মানুষ ও কর্মকর্তারা এই যুদ্ধের নিন্দা জানাচ্ছেন। আমরা বাংলাদেশকে ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও ভাই মনে করি। তাই আমরা আশা করি, বাংলাদেশ অস্পষ্ট বিবৃতি না দিয়ে একটি সুস্পষ্ট অবস্থান গ্রহণ করবে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘প্রকাশিত বিবৃতিগুলোতে কেবল যুদ্ধের ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু যেখানে আমেরিকা সরাসরি আগ্রাসীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে, সেখানে সেই আগ্রাসনের নিন্দা জানানোই ইরানের প্রত্যাশা।’
সংবাদ সম্মেলনে রাষ্ট্রদূত আবেগপ্রবণ হয়ে প্রশ্ন করেন, ‘মুসলমান হওয়া কি কোনো অপরাধ? ইরান কখনোই যুদ্ধ চায় না। কিন্তু ইরান এমনভাবে যুদ্ধের সমাপ্তি চায় যাতে এই অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ইরানের জনগণের অধিকার নিশ্চিত হয়।’
আঞ্চলিক পরিস্থিতির বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, পাকিস্তান, তুরস্ক ও মিশরসহ অনেক মুসলিম দেশ সরাসরি এই হামলার নিন্দা জানিয়েছে এবং আলোচনার পরিবেশ তৈরিতে কাজ করছে। বাংলাদেশকেও ইরান একই ভূমিকায় দেখতে চায়।
ইরানে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের বিষয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘ইরানে কতজন বাংলাদেশি আছে, তার সঠিক পরিসংখ্যান আমাদের কাছে নেই। তবে তেহরানে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাস যদি কোনো তালিকা পাঠায়, তবে আমরা তাদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনার সব ধরনের সহযোগিতা করব।’
এছাড়া হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া বাংলাদেশের ছয়টি জাহাজের বিষয়ে তিনি জানান, বাংলাদেশ সরকার এই জাহাজগুলোর নিরাপদ চলাচলের জন্য ইরানের সহায়তা চেয়েছে। তেহরান এ ব্যাপারে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘আমরা যতদিন আছি, এই অঞ্চলের মুসলিম ভাইদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না।’
সংবাদ সম্মেলনে রাষ্ট্রদূত আরও উল্লেখ করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ১৫টি শর্তসহ একটি প্রস্তাব পাঠালেও ইরান সে বিষয়ে কোনো উত্তর দেয়নি। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, যুদ্ধের মাধ্যমে যা অর্জন করা সম্ভব হয়নি, আমেরিকা এখন আলোচনার মাধ্যমে তা হাসিল করতে চাইছে।
সবশেষে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ আমাদের ভাই। দুর্দিনে এক ভাই অন্য ভাইয়ের পাশে থাকবে—এটাই স্বাভাবিক এবং এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’

শিশু রামিসা হত্যা ও ধর্ষণের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে তার সহপাঠী ও এলাকাবাসী। শুক্রবার (২২ মে) জুমার নামাজের পর রাজধানীর পল্লবীতে রামিসার বাসার সামনে কর্মসূচিতে তারা অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায়।
৯ ঘণ্টা আগে
বান্দরবানের আলীকদমের করুকপাতার ইউনিয়নে হামের প্রাদুর্ভাবে জুমচাষ ব্যাহত হওয়ায় পাহাড়ি পরিবারগুলোতে খাদ্যসংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অসুস্থদের নিয়ে হাসপাতালে ব্যস্ত থাকায় জমিতে যেতে পারছেন না চাষিরা।
৯ ঘণ্টা আগে
সংসদ থেকে খুনিদের পক্ষ নেওয়ার কারণেই ত্বকী হত্যার বিচার বন্ধ হয়েছিল। বিচারহীনতার সেই চক্র এখনো ভাঙেনি বলে অভিযোগ অর্থনীতিবিদ আনু মুহাম্মদের।
৯ ঘণ্টা আগে
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) সংঘর্ষ, হামলা ও ভাঙচুরে জড়িত থাকায় ৩১ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়।
১০ ঘণ্টা আগে