ওয়াশিংটনের কাছে বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলে দেশের ভূমিকার জন্য একটি মোড় ঘোরানো মুহূর্ত হতে পারে। মার্কিন কর্মকর্তারা স্পষ্ট করেছেন, ঢাকায় একটি স্থিতিশীল সরকার গঠিত হলে দুই দেশ একসাথে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে পারবে।
স্ট্রিম সংবাদদাতা

যুক্তরাষ্ট্র তার ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলে (আইপিএস) বাংলাদেশকে ক্রমবর্ধমান গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে দেখছে। গত বছরের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক রূপান্তরও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ওয়াশিংটন। মঙ্গলবার নিউইয়র্কে দেওয়া এক ব্রিফিংয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
এক জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা আগামী বছরের শুরুতে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন দেখতে চাই।’ তিনি উল্লেখ করেন, সম্প্রতি মার্কিন প্রতিনিধিরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেখানে নির্বাচন প্রস্তুতি ও আঞ্চলিক সহযোগিতাসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘নতুন বছরে যখন সরকার গঠিত হবে, তখন আমাদের সম্পর্ক কীভাবে এগিয়ে নেওয়া যায় তা বুঝতে সহজ হবে।’
ওয়াশিংটনের মতে, বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক অগ্রগতি সরাসরি বৃহত্তর আঞ্চলিক নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত। এর মধ্যে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় সহযোগিতাও অন্তর্ভুক্ত। ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে কীভাবে একসাথে কাজ করব তা নিয়ে আলোচনা করেছি। যুক্তরাষ্ট্র এই সংকটে সবচেয়ে বড় দাতা। আমি মনে করি, আমাদের দুই দেশের একসাথে করার মতো অনেক কিছু আছে।’
এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট যে বাংলাদেশের রাজনৈতিক বন্দোবস্ত ও ভবিষ্যৎ সরকারই নির্ধারণ করবে যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে ঢাকার সঙ্গে আইপিএস-এর আওতায় কাজ করবে। আইপিএস কৌশলের লক্ষ্য হলো আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদার করা, অর্থনৈতিক সংযোগ বাড়ানো এবং গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।
দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে তরুণদের নেতৃত্বাধীন আন্দোলন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ওই জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকে সমর্থন করে তবে রাজনৈতিক সহিংসতার বিরোধী। তিনি বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকে সমর্থন করি। আমি দেখেছি, কিছু তরুণ নেপালে গ্রাফিতি পরিষ্কার করছে। আমরা তরুণদের প্রতিবাদে সমর্থন দেই — যতক্ষণ তা শান্তিপূর্ণ থাকে।’
অন্য এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জোর দিয়ে বলেন, তরুণদের সম্পৃক্ততা মার্কিন কূটনীতির একটি ধারাবাহিক অগ্রাধিকার। তিনি বলেন, ‘বিদেশে তরুণদের সঙ্গে যুক্ত হওয়াই আমাদের নীতি। যেখানে আমাদের কূটনৈতিক উপস্থিতি আছে, সেখানে আমরা তরুণদের সঙ্গে কথা বলতে চাই, শিক্ষা সহযোগিতা করতে চাই এবং যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে চাই। আমরা তাদেরকে শক্তিশালী ও বহুমাত্রিক সম্পর্ক গঠনের কেন্দ্রীয় শক্তি হিসেবে দেখি।’
ওয়াশিংটনের কাছে বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলে দেশের ভূমিকার জন্য একটি মোড় ঘোরানো মুহূর্ত হতে পারে। মার্কিন কর্মকর্তারা স্পষ্ট করেছেন, ঢাকায় একটি স্থিতিশীল সরকার গঠিত হলে দুই দেশ একসাথে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে পারবে। এতে শরণার্থী সংকট থেকে শুরু করে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পর্যন্ত নানা আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সহজ হবে।

যুক্তরাষ্ট্র তার ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলে (আইপিএস) বাংলাদেশকে ক্রমবর্ধমান গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে দেখছে। গত বছরের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক রূপান্তরও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ওয়াশিংটন। মঙ্গলবার নিউইয়র্কে দেওয়া এক ব্রিফিংয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
এক জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা আগামী বছরের শুরুতে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন দেখতে চাই।’ তিনি উল্লেখ করেন, সম্প্রতি মার্কিন প্রতিনিধিরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেখানে নির্বাচন প্রস্তুতি ও আঞ্চলিক সহযোগিতাসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘নতুন বছরে যখন সরকার গঠিত হবে, তখন আমাদের সম্পর্ক কীভাবে এগিয়ে নেওয়া যায় তা বুঝতে সহজ হবে।’
ওয়াশিংটনের মতে, বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক অগ্রগতি সরাসরি বৃহত্তর আঞ্চলিক নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত। এর মধ্যে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় সহযোগিতাও অন্তর্ভুক্ত। ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে কীভাবে একসাথে কাজ করব তা নিয়ে আলোচনা করেছি। যুক্তরাষ্ট্র এই সংকটে সবচেয়ে বড় দাতা। আমি মনে করি, আমাদের দুই দেশের একসাথে করার মতো অনেক কিছু আছে।’
এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট যে বাংলাদেশের রাজনৈতিক বন্দোবস্ত ও ভবিষ্যৎ সরকারই নির্ধারণ করবে যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে ঢাকার সঙ্গে আইপিএস-এর আওতায় কাজ করবে। আইপিএস কৌশলের লক্ষ্য হলো আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদার করা, অর্থনৈতিক সংযোগ বাড়ানো এবং গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।
দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে তরুণদের নেতৃত্বাধীন আন্দোলন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ওই জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকে সমর্থন করে তবে রাজনৈতিক সহিংসতার বিরোধী। তিনি বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকে সমর্থন করি। আমি দেখেছি, কিছু তরুণ নেপালে গ্রাফিতি পরিষ্কার করছে। আমরা তরুণদের প্রতিবাদে সমর্থন দেই — যতক্ষণ তা শান্তিপূর্ণ থাকে।’
অন্য এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জোর দিয়ে বলেন, তরুণদের সম্পৃক্ততা মার্কিন কূটনীতির একটি ধারাবাহিক অগ্রাধিকার। তিনি বলেন, ‘বিদেশে তরুণদের সঙ্গে যুক্ত হওয়াই আমাদের নীতি। যেখানে আমাদের কূটনৈতিক উপস্থিতি আছে, সেখানে আমরা তরুণদের সঙ্গে কথা বলতে চাই, শিক্ষা সহযোগিতা করতে চাই এবং যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে চাই। আমরা তাদেরকে শক্তিশালী ও বহুমাত্রিক সম্পর্ক গঠনের কেন্দ্রীয় শক্তি হিসেবে দেখি।’
ওয়াশিংটনের কাছে বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলে দেশের ভূমিকার জন্য একটি মোড় ঘোরানো মুহূর্ত হতে পারে। মার্কিন কর্মকর্তারা স্পষ্ট করেছেন, ঢাকায় একটি স্থিতিশীল সরকার গঠিত হলে দুই দেশ একসাথে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে পারবে। এতে শরণার্থী সংকট থেকে শুরু করে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পর্যন্ত নানা আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সহজ হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি (বুধ ও বৃহস্পতিবার) সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
১ মিনিট আগে
মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী ও রোহিঙ্গা সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলির ঘটনায় এবার কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে দুই বাংলাদেশি কিশোর গুরুতর আহত হয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।
১ ঘণ্টা আগে
ওমানে কর্মরত অনিয়মিত বাংলাদেশি কর্মীদের বৈধকরণের সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি দেশটি বাংলাদেশের জন্য আবারও নতুন ওয়ার্ক ভিসা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সৌদি আরবের রিয়াদে গ্লোবাল লেবার মার্কেট সম্মেলনের সাইডলাইনে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে এই আলোচনা হয়।
১ ঘণ্টা আগে