স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাজধানীর বিমানবন্দর থেকে তুলে নিয়ে টানা ৬ মাস গোপন বন্দিশালায় আটকে রেখে অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করেছেন বরগুনা যুবদলের সাবেক নেতা মশিউর রহমান মামুন। এই গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের দায়ী করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার (৬ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি গাড়িতে করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আসেন মশিউর রহমান মামুন।
অভিযোগ জানাতে এসে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের সঙ্গে প্রায় এক ঘণ্টা রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন মশিউর রহমান মামুন। দুপুর সাড়ে ১২টায় বৈঠক শেষে বেরিয়ে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। এর আগে গত ১ ফেব্রুয়ারিও একইভাবে ডিবির গাড়িতে করে প্রসিকিউশন কার্যালয়ে এসে চিফ প্রসিকিউটরের সঙ্গে দুই ঘণ্টার একটি বৈঠক করেছিলেন সাবেক এই যুবদল নেতা।
নিজের রাজনৈতিক পরিচয় তুলে ধরে মশিউর রহমান মামুন বলেন, ‘আমি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। আমি ছাত্রদলের রাজনীতি শুরু করি সেই ১৯৮৫ সাল থেকে। তারপরে আমি যুবদলের রাজনীতি করেছি, আমি আব্বাস ভাই, গয়েশ্বর দার কমিটির কেন্দ্রীয় কমিটিতে ছিলাম। আমি মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ভাই, ভুনু ভাই তাদের কমিটিতে ছিলাম। আমি ২০০১-এর বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন মনিটরিং সেলের মেম্বার ছিলাম। আমি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলাম। আমরা নিয়মতান্ত্রিক, শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনে আমরা মাঠে ছিলাম। তো এই ফ্যাসিস্ট সরকার আন্দোলনকে দমন করার জন্য আমরা যারা সক্রিয়ভাবে রাস্তায় নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন করেছি, তাদের ধ্বংস করে দেওয়ার জন্যই আমাদের গুম করেছিল, হয়তো ক্রসফায়ার দেওয়ার জন্যও নিয়ে গিয়েছিল, কেন দেয়নি জানি না।’
সাংবাদিকদের কাছে নিজের গুম হওয়ার ভয়ংকর অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন মশিউর রহমান। তিনি জানান, ২০১৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ব্যাংকক যাওয়ার পথে সাদা পোশাকধারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাকে তুলে নিয়ে যায়। এরপর টানা ছয় মাস তাকে চোখ বেঁধে, হাতকড়া পরিয়ে একটি গোপন স্থানে আটকে রাখা হয়।
মশিউর বলেন, ‘গুম অবস্থায় আমাকে টানা ছয় মাস অমানুষিক নির্যাতন করা হয়েছে। আমি আগে প্রতিদিন পাঁচ মাইল দৌড়াতাম, খেলাধুলা করতাম। আর এখন আমি ঠিকমতো হাঁটতেও পারি না, অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে গেছি।’
টানা ৬ মাস গুম রাখার পর ২০১৫ সালের ২৩ আগস্ট তাকে ডিবি হেফাজতে হস্তান্তর করা হয় বলে জানান মশিউর। এরপর তাকে আদালতে উপস্থাপন করে রিমান্ড আবেদন করা হয়। দুই দফা রিমান্ড শেষে তাকে প্রায় দুই বছর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি থাকতে হয়। পরবর্তী সময়ে উচ্চ আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পান তিনি।
রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণেই তাঁকে গুম করা হয়েছিল দাবি করে মশিউর রহমান বলেন, ছাত্রদল থেকে শুরু করে তিনি দীর্ঘদিন বিএনপি ও যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়েরের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যাদের নির্দেশে অন্যান্য গুম ও খুন হয়েছে, আমাকেও সেই নির্দেশেই গুম করা হয়েছে।’
তবে তদন্তের স্বার্থে এখনই তিনি অভিযুক্ত অন্যান্য কর্মকর্তাদের নাম প্রকাশ করতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘অনেকে ইতোমধ্যে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে, নাম প্রকাশ করলে অন্যরাও পালিয়ে যেতে পারে।’
গুম ও নির্যাতনের শিকার মশিউর রহমান মামুন বর্তমানে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বসবাস করছেন এবং দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজনেই তাকে সেখানে থাকতে হচ্ছে। তার ওপর চালানো এই নির্যাতনের লোমহর্ষক বিবরণ ২০২৪ সালের ৪ জানুয়ারি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনেও উঠে এসেছিল।

পূর্ব লন্ডনে বসবাসরত মশিউরের সাক্ষাৎকারভিত্তিক ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, গুম থাকা অবস্থায় তাকে কয়েকদিন চোখ বেঁধে রাখা হয়, হাত বেঁধে ছাদ থেকে ঝুলিয়ে রাখা হয়, বারবার মারধর করা হয় এবং হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। ছয় মাস ধরে কোনো কথা না বলে তার সারা শরীরে নির্মমভাবে মারধর করা হয়েছিল। ওই সময় তার কেবলই মনে হতো, তার ছেলে-মেয়ে বা স্ত্রী কখনও জানতেও পারবে না যে তাকে মেরে ফেলা হয়েছে।
শারীরিক ও মানসিক এই নির্মম নির্যাতনের কারণে ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ ছাড়তে পারেননি। পরবর্তী সময়ে তাঁর স্ত্রী যুক্তরাজ্যে আশ্রয় আবেদনে সফল হলে তিনি লন্ডনে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে মিলিত হন। মশিউরের ওপর চালানো নির্যাতনের মানসিক ও শারীরিক প্রভাবের বিবরণ যুক্তরাজ্যের স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবা ট্রাস্টের নথিতেও সংরক্ষিত আছে বলে বিবিসির ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল। দীর্ঘ এক দশক পর দেশে ফিরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কাছে সেই নির্মমতারই সুবিচার চেয়েছেন তিনি।

রাজধানীর বিমানবন্দর থেকে তুলে নিয়ে টানা ৬ মাস গোপন বন্দিশালায় আটকে রেখে অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করেছেন বরগুনা যুবদলের সাবেক নেতা মশিউর রহমান মামুন। এই গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের দায়ী করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার (৬ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি গাড়িতে করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আসেন মশিউর রহমান মামুন।
অভিযোগ জানাতে এসে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের সঙ্গে প্রায় এক ঘণ্টা রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন মশিউর রহমান মামুন। দুপুর সাড়ে ১২টায় বৈঠক শেষে বেরিয়ে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। এর আগে গত ১ ফেব্রুয়ারিও একইভাবে ডিবির গাড়িতে করে প্রসিকিউশন কার্যালয়ে এসে চিফ প্রসিকিউটরের সঙ্গে দুই ঘণ্টার একটি বৈঠক করেছিলেন সাবেক এই যুবদল নেতা।
নিজের রাজনৈতিক পরিচয় তুলে ধরে মশিউর রহমান মামুন বলেন, ‘আমি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। আমি ছাত্রদলের রাজনীতি শুরু করি সেই ১৯৮৫ সাল থেকে। তারপরে আমি যুবদলের রাজনীতি করেছি, আমি আব্বাস ভাই, গয়েশ্বর দার কমিটির কেন্দ্রীয় কমিটিতে ছিলাম। আমি মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ভাই, ভুনু ভাই তাদের কমিটিতে ছিলাম। আমি ২০০১-এর বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন মনিটরিং সেলের মেম্বার ছিলাম। আমি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলাম। আমরা নিয়মতান্ত্রিক, শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনে আমরা মাঠে ছিলাম। তো এই ফ্যাসিস্ট সরকার আন্দোলনকে দমন করার জন্য আমরা যারা সক্রিয়ভাবে রাস্তায় নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন করেছি, তাদের ধ্বংস করে দেওয়ার জন্যই আমাদের গুম করেছিল, হয়তো ক্রসফায়ার দেওয়ার জন্যও নিয়ে গিয়েছিল, কেন দেয়নি জানি না।’
সাংবাদিকদের কাছে নিজের গুম হওয়ার ভয়ংকর অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন মশিউর রহমান। তিনি জানান, ২০১৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ব্যাংকক যাওয়ার পথে সাদা পোশাকধারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাকে তুলে নিয়ে যায়। এরপর টানা ছয় মাস তাকে চোখ বেঁধে, হাতকড়া পরিয়ে একটি গোপন স্থানে আটকে রাখা হয়।
মশিউর বলেন, ‘গুম অবস্থায় আমাকে টানা ছয় মাস অমানুষিক নির্যাতন করা হয়েছে। আমি আগে প্রতিদিন পাঁচ মাইল দৌড়াতাম, খেলাধুলা করতাম। আর এখন আমি ঠিকমতো হাঁটতেও পারি না, অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে গেছি।’
টানা ৬ মাস গুম রাখার পর ২০১৫ সালের ২৩ আগস্ট তাকে ডিবি হেফাজতে হস্তান্তর করা হয় বলে জানান মশিউর। এরপর তাকে আদালতে উপস্থাপন করে রিমান্ড আবেদন করা হয়। দুই দফা রিমান্ড শেষে তাকে প্রায় দুই বছর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি থাকতে হয়। পরবর্তী সময়ে উচ্চ আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পান তিনি।
রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণেই তাঁকে গুম করা হয়েছিল দাবি করে মশিউর রহমান বলেন, ছাত্রদল থেকে শুরু করে তিনি দীর্ঘদিন বিএনপি ও যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়েরের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যাদের নির্দেশে অন্যান্য গুম ও খুন হয়েছে, আমাকেও সেই নির্দেশেই গুম করা হয়েছে।’
তবে তদন্তের স্বার্থে এখনই তিনি অভিযুক্ত অন্যান্য কর্মকর্তাদের নাম প্রকাশ করতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘অনেকে ইতোমধ্যে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে, নাম প্রকাশ করলে অন্যরাও পালিয়ে যেতে পারে।’
গুম ও নির্যাতনের শিকার মশিউর রহমান মামুন বর্তমানে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বসবাস করছেন এবং দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজনেই তাকে সেখানে থাকতে হচ্ছে। তার ওপর চালানো এই নির্যাতনের লোমহর্ষক বিবরণ ২০২৪ সালের ৪ জানুয়ারি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনেও উঠে এসেছিল।

পূর্ব লন্ডনে বসবাসরত মশিউরের সাক্ষাৎকারভিত্তিক ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, গুম থাকা অবস্থায় তাকে কয়েকদিন চোখ বেঁধে রাখা হয়, হাত বেঁধে ছাদ থেকে ঝুলিয়ে রাখা হয়, বারবার মারধর করা হয় এবং হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। ছয় মাস ধরে কোনো কথা না বলে তার সারা শরীরে নির্মমভাবে মারধর করা হয়েছিল। ওই সময় তার কেবলই মনে হতো, তার ছেলে-মেয়ে বা স্ত্রী কখনও জানতেও পারবে না যে তাকে মেরে ফেলা হয়েছে।
শারীরিক ও মানসিক এই নির্মম নির্যাতনের কারণে ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ ছাড়তে পারেননি। পরবর্তী সময়ে তাঁর স্ত্রী যুক্তরাজ্যে আশ্রয় আবেদনে সফল হলে তিনি লন্ডনে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে মিলিত হন। মশিউরের ওপর চালানো নির্যাতনের মানসিক ও শারীরিক প্রভাবের বিবরণ যুক্তরাজ্যের স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবা ট্রাস্টের নথিতেও সংরক্ষিত আছে বলে বিবিসির ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল। দীর্ঘ এক দশক পর দেশে ফিরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কাছে সেই নির্মমতারই সুবিচার চেয়েছেন তিনি।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রোকনপুর সীমান্ত দিয়ে দুই নারীকে ঠেলে পাঠিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে ভারত থেকে তাদের বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঠেলে দেওয়া হয়। পরে তাঁদের সীমান্তের জোড়া ব্রিজ এলাকা থেকে আটক করে গোমস্তাপুর থানায় হস্তান্তর করে বিজিবি।
১১ মিনিট আগে
দেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৫ লাখ ৪৫ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। আজ সোমবার (৬ এপ্রিল) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জাতীয় সংসদে এ তথ্য জানিয়েছেন।
১৪ মিনিট আগে
ধর্ম অবমাননার অভিযোগে করা এক মামলায় বাউলশিল্পী আবুল সরকারকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তাঁকে কেন স্থায়ী জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ঢাকায় আরেকটি মামলা থাকায় এখনই কারামুক্তি মিলছে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের তফসিল আগামী ৮ এপ্রিল (বুধবার) ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
২ ঘণ্টা আগে