স্ট্রিম ডেস্ক

কলম্বিয়ার চোকো অঞ্চলে ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে অন্তত ২০ জন নিহত ও বহু মানুষ আহত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ (ইউএসজিএস) এবং কলম্বিয়ার ভূতাত্ত্বিক পরিষেবার তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (১০ আগস্ট) চোকো অঞ্চলের সান হোসে দেল পালমার পৌরসভার কাছে এই ভূমিকম্প আঘাত হানে।
ভূগর্ভের প্রায় ১০৭ কিলোমিটার গভীরে সৃষ্ট এই কম্পনের মাত্রা শুরুতে কলম্বিয়া ৬ দশমিক ৬ রেকর্ড করে। পরে ইউএসজিএস জানায় কম্পনের মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৪।
পেরেইরা শহরের মেয়রের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, সেখানে অন্তত ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে মানিজালেস শহরে আরও ২ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)। কুইবডো ও কালি শহর থেকেও ভবন ধসে পড়ার ভিডিওচিত্র ও হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।
মার্কিন সুনামি সতর্কীকরণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে, এ ঘটনায় সুনামির আশঙ্কা নেই। তবে কম্পনের ফলে প্রতিবেশী দেশ ইকুয়েডরসহ পুরো অঞ্চলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ভূমিকম্পের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে চোকো প্রদেশের গভর্নর নুবিয়া কর্ডোবা সামাজিক মাধ্যম এক্সে লেখেন, ‘ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল সান হোসে দেল পালমার হলেও রাজধানী কুইবডোসহ অন্যান্য এলাকাতেও উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। আমরা ইতোমধ্যে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করছি এবং শিগগিরই দাপ্তরিক প্রতিবেদন জারি করব।’
ভূমিকম্পের তীব্রতায় কলম্বিয়ার পর্যটন অঞ্চল এজে ক্যাফেতেরোর পেরেইরা এবং মানিজালেসসহ বেশ কয়েকটি শহরে ভবন ধসে পড়েছে।
গত জুনের শেষের দিকে প্রতিবেশী দেশ ভেনেজুয়েলায় ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রার দুটি ভূমিকম্পে ৬ হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারান এবং শত শত ভবন ধসে পড়ে।
তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা

কলম্বিয়ার চোকো অঞ্চলে ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে অন্তত ২০ জন নিহত ও বহু মানুষ আহত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ (ইউএসজিএস) এবং কলম্বিয়ার ভূতাত্ত্বিক পরিষেবার তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (১০ আগস্ট) চোকো অঞ্চলের সান হোসে দেল পালমার পৌরসভার কাছে এই ভূমিকম্প আঘাত হানে।
ভূগর্ভের প্রায় ১০৭ কিলোমিটার গভীরে সৃষ্ট এই কম্পনের মাত্রা শুরুতে কলম্বিয়া ৬ দশমিক ৬ রেকর্ড করে। পরে ইউএসজিএস জানায় কম্পনের মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৪।
পেরেইরা শহরের মেয়রের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, সেখানে অন্তত ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে মানিজালেস শহরে আরও ২ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)। কুইবডো ও কালি শহর থেকেও ভবন ধসে পড়ার ভিডিওচিত্র ও হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।
মার্কিন সুনামি সতর্কীকরণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে, এ ঘটনায় সুনামির আশঙ্কা নেই। তবে কম্পনের ফলে প্রতিবেশী দেশ ইকুয়েডরসহ পুরো অঞ্চলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ভূমিকম্পের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে চোকো প্রদেশের গভর্নর নুবিয়া কর্ডোবা সামাজিক মাধ্যম এক্সে লেখেন, ‘ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল সান হোসে দেল পালমার হলেও রাজধানী কুইবডোসহ অন্যান্য এলাকাতেও উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। আমরা ইতোমধ্যে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করছি এবং শিগগিরই দাপ্তরিক প্রতিবেদন জারি করব।’
ভূমিকম্পের তীব্রতায় কলম্বিয়ার পর্যটন অঞ্চল এজে ক্যাফেতেরোর পেরেইরা এবং মানিজালেসসহ বেশ কয়েকটি শহরে ভবন ধসে পড়েছে।
গত জুনের শেষের দিকে প্রতিবেশী দেশ ভেনেজুয়েলায় ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রার দুটি ভূমিকম্পে ৬ হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারান এবং শত শত ভবন ধসে পড়ে।
তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা
.png)

নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের প্রতিবাদে ভারতের ঝাড়খন্ডে হাজারো চাকরিপ্রার্থী রাজ্য বিধানসভা অভিমুখে মিছিল করেছেন। এ সময় পুলিশ বাধা দিলে তাঁদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। পুলিশের জলকামান ও লাঠিচার্জে কয়েকজন বিক্ষোভকারী আহত হয়েছেন।
২৮ মিনিট আগে
ইরানের পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার আলী নিকজাদ বলেছেন, শত্রুরা বুঝেছে সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে হরমুজ প্রণালি খোলা সম্ভব নয়। সোমবার (১০ আগস্ট) দেশটির ইসলামিক কনসালটেটিভ অ্যাসেম্বলিতে বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে
আস্থার অভাব, অস্ত্র সমর্পণের বাস্তবতা কিংবা সেনা প্রত্যাহারে সদিচ্ছা—এসব বিষয় যেমনই হোক না কেন, প্রশ্ন হলো: নেতানিয়াহু কেন ট্রাম্পকে চটানোর ঝুঁকি নিতে চাইছেন? নেতানিয়াহুর সমর্থকেরা তাঁকে ‘মাস্টার স্ট্র্যাটেজিস্ট’ ভাবেন। তিনি তো চাইলে ট্রাম্পের গাজা পরিকল্পনা নিয়ে আরও কৌশলে কাজ কিংবা কথা বলতে পারতেন
৪ ঘণ্টা আগে
চীনের পূর্ব উপকূলে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী টাইফুন ‘ডলফিন’। রোববার (৯ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ঝেজিয়াং প্রদেশের ইউহুয়ানের কাছাকাছি উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হানে বলে দেশটির আবহাওয়া অধিদপ্তর। এতে বন্যা ও ভূমিধসের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। খবর রয়টার্সের।
১২ ঘণ্টা আগে