স্ট্রিম প্রতিবেদক

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১০০টি উপজেলায় কৃষক কার্ড বিতরণ করবে সরকার। নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে আগামী এক বছরে কৃষি মন্ত্রণালয়ের কর্মপরিকল্পনার নথিতে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
নথিতে বলা হয়েছে, আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১০০টি উপজেলায় কৃষকের তথ্য সংগ্রহ, কৃষক কার্ড বিতরণ এবং ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের কৃষি উপকরণ সহায়তা অনুদান দেওয়া হবে। এই খাতে ১ হাজার ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দের কথাও কর্মপরিকল্পনার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
জানা যায়, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকেরা ন্যায্যমূল্যে সার, বীজ, কীটনাশক, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা, স্বল্পমূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি এবং সাশ্রয়ী সেচ সুবিধা পাবেন। এ ছাড়া সহজ শর্তে কৃষিঋণ, কৃষিবিমা সুবিধা, ন্যায্যমূল্যে কৃষিপণ্য বিক্রয় এবং কৃষিবিষয়ক প্রশিক্ষণ সুবিধা পাওয়া যাবে। এই কার্ড দিয়ে মোবাইল ফোনে আবহাওয়া ও বাজারের খবরের পাশাপাশি ফসলের চিকিৎসাসুবিধাও পাওয়া যাবে।
কৃষকদের পাশাপাশি মৎস্যচাষি, প্রাণিসম্পদ খামারি এবং কৃষি খাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও কৃষক কার্ডের সুবিধা পাবেন বলে নথিতে উল্লেখ আছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কার্ডের সুফল পেতে হলে এর সঠিক বণ্টন নিশ্চিত করা প্রয়োজন। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. এ এইচ এম সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘প্রকৃত কৃষকের কাছে যদি এই কার্ড পৌঁছায়, তবে এর সুফল অবশ্যই পাওয়া যাবে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, যার পাওয়ার কথা সে এটি পাবে কি না। এটি শুধু বাংলাদেশ নয়, সব উন্নয়নশীল দেশেই এই ধরনের বিতরণে সমস্যা দেখা যায়। কার্ড বিতরণে সঠিক কৃষকের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা জরুরি। এ জন্য একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি করা যেতে পারে, যারা প্রকৃত কৃষকদের খুঁজে বের করে তাঁদের প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তা দেবে।’

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১০০টি উপজেলায় কৃষক কার্ড বিতরণ করবে সরকার। নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে আগামী এক বছরে কৃষি মন্ত্রণালয়ের কর্মপরিকল্পনার নথিতে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
নথিতে বলা হয়েছে, আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১০০টি উপজেলায় কৃষকের তথ্য সংগ্রহ, কৃষক কার্ড বিতরণ এবং ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের কৃষি উপকরণ সহায়তা অনুদান দেওয়া হবে। এই খাতে ১ হাজার ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দের কথাও কর্মপরিকল্পনার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
জানা যায়, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকেরা ন্যায্যমূল্যে সার, বীজ, কীটনাশক, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা, স্বল্পমূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি এবং সাশ্রয়ী সেচ সুবিধা পাবেন। এ ছাড়া সহজ শর্তে কৃষিঋণ, কৃষিবিমা সুবিধা, ন্যায্যমূল্যে কৃষিপণ্য বিক্রয় এবং কৃষিবিষয়ক প্রশিক্ষণ সুবিধা পাওয়া যাবে। এই কার্ড দিয়ে মোবাইল ফোনে আবহাওয়া ও বাজারের খবরের পাশাপাশি ফসলের চিকিৎসাসুবিধাও পাওয়া যাবে।
কৃষকদের পাশাপাশি মৎস্যচাষি, প্রাণিসম্পদ খামারি এবং কৃষি খাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও কৃষক কার্ডের সুবিধা পাবেন বলে নথিতে উল্লেখ আছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কার্ডের সুফল পেতে হলে এর সঠিক বণ্টন নিশ্চিত করা প্রয়োজন। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. এ এইচ এম সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘প্রকৃত কৃষকের কাছে যদি এই কার্ড পৌঁছায়, তবে এর সুফল অবশ্যই পাওয়া যাবে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, যার পাওয়ার কথা সে এটি পাবে কি না। এটি শুধু বাংলাদেশ নয়, সব উন্নয়নশীল দেশেই এই ধরনের বিতরণে সমস্যা দেখা যায়। কার্ড বিতরণে সঠিক কৃষকের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা জরুরি। এ জন্য একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি করা যেতে পারে, যারা প্রকৃত কৃষকদের খুঁজে বের করে তাঁদের প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তা দেবে।’

শ্রমিকের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও কল্যাণ নিশ্চিত হলেই সমৃদ্ধ স্বনির্ভর গণতান্ত্রিক মানবিক বাংলাদেশ গড়া সম্ভব বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) মহান মে দিবস ও আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে এ কথা বলেন তিনি।
১০ মিনিট আগে
সরকারি চাকরি ছাড়ার তিন বছর পূর্ণ না হওয়ার কারণ দেখিয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন।
২৬ মিনিট আগে
এখন থেকে নির্ধারিত স্থান ও সময়ে ব্যবসা করতে হবে হকারদের। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) গুলিস্তানের ১০০ হকারকে ডিজিটাল কার্ড প্রদানের মাধ্যমে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
বিরোধীদলের উদ্দেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, নতুন বন্দোবস্তের কথা বলে তারা পুরোনো বন্দোবস্তের রাজনীতিই করছেন। বন্দোবস্ত নতুন হলে রীতিনীতি-আদলও নতুন হতে হবে।
১ ঘণ্টা আগে