জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

বাংলাদেশে নতুন করে রোহিঙ্গা এসেছে আরও ১ লাখ ৪৪ হাজার

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
কক্সবাজার

প্রকাশ : ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৯: ৪০
রোহিঙ্গা সংকট। ফাইল ছবি

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে চলমান সহিংসতা ও নির্যাতনের কারণে ২০২৪ সালের শেষ দিক থেকে নতুন করে বাংলাদেশে আশ্রয় নিচ্ছে রোহিঙ্গারা। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউনাইটেড ন্যাশনস হাই কমিশনার ফর রিফিউজিস (ইউএনএইচসিআর) জানিয়েছে, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে নতুন করে নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৪৫৬ জন।

সংস্থাটির সোমবার (১৬ মার্চ) প্রকাশিত মাসিক প্রতিবেদনে বলা হয়, জানুয়ারি মাসে নতুন আগত রোহিঙ্গার সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩২৭ জন। অর্থাৎ মাত্র এক মাসের ব্যবধানে আরও ১ হাজার ১২৯ জন রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।

বর্তমানে কক্সবাজারের বিভিন্ন আশ্রয়শিবিরে মোট ১১ লাখ ৮৪ হাজার ৮৬৪ জন রোহিঙ্গা অবস্থান করছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইউএনএইচসিআর জানায়, ২০২৪ সাল থেকে মিয়ানমারের রাখাইন স্টেটে লক্ষ্যভিত্তিক সহিংসতা ও নির্যাতনের কারণে বহু মানুষ নিহত হয়েছে এবং নিরাপত্তাহীনতার মুখে পড়েছে। ফলে জীবন বাঁচাতে হাজার হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হচ্ছে।

২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইউএনএইচসিআর মোট ১০ লাখ ৪০ হাজার ৪০৮ জন রোহিঙ্গার নিবন্ধন সম্পন্ন করেছে, যারা বিভিন্ন সময়ে মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে এসেছে। এর মধ্যে ৩৯ হাজার ৫০২ জন ১৯৯০ সালের পর এবং ১০ লাখ ৯০৬ জন ২০১৭ সালের পর বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, রাখাইন রাজ্যে ক্রমবর্ধমান সংঘাতের কারণে ২০২৪ সাল থেকে নতুন শরণার্থীদের বাংলাদেশে প্রবেশ অব্যাহত রয়েছে। ২০২৪ সালের শেষ দিকে আশ্রয়শিবিরগুলোতে নতুন করে আগতদের একটি ঢেউ দেখা যায় এবং বর্তমানে তাদের বায়োমেট্রিক নিবন্ধন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মধ্যে প্রায় ৭৮ শতাংশ নারী ও শিশু। এছাড়া প্রায় ১২ শতাংশ বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তি, যার মধ্যে প্রতিবন্ধী, একক অভিভাবক, গুরুতর অসুস্থ রোগী, সঙ্গীহীন অপ্রাপ্তবয়স্ক এবং ঝুঁকিতে থাকা বয়স্করা রয়েছে। এসব মানুষের জন্য বিশেষ আইনি ও শারীরিক সুরক্ষা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেছে ইউএনএইচসিআর।

সম্পর্কিত