অধ্যাপক ড. এম তামিমেম কলাম
দেশে অকটেন, পেট্রল এবং কেরোসিনের দাম লিটারে ৫ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। এর আগে গত এপ্রিলেও সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়েছিল সরকার। স্বাভাবিকভাবেই জনমনে প্রশ্ন জাগে, এই ধারাবাহিক মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের ওপর কতটা পড়ছে? জ্বালানিতে সরকারের দেওয়া তথাকথিত ‘ভর্তুকি’র পেছনের আসল সমীকরণটিই বা কী?—বিষয়টি নিয়ে বলেছেন জ্বালানি বিশ্লেষক ও ইনডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম তামিম।
অধ্যাপক ড. এম তামিম

এবারের মূল্যবৃদ্ধিকে মূলত একটি ‘প্রাইস অ্যাডজাস্টমেন্ট’ বা মূল্য সমন্বয় হিসেবে দেখা যেতে পারে। লক্ষ্যণীয় বিষয় হলো, সরকার এবার বুদ্ধিমত্তার সাথে ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত রেখে পেট্রোল ও অকটেনের দাম বাড়িয়েছে।
ডিজেলের সাথে দেশের কৃষি, পণ্য পরিবহন এবং গণপরিবহন সরাসরি যুক্ত। তাই ডিজেলে দাম বাড়লে বাজারে জিনিসপত্রের দাম লাফিয়ে বাড়ে। অন্যদিকে পেট্রোল ও অকটেন মূলত ব্যক্তিগত গাড়ির মালিকরা ব্যবহার করেন, ফলে এর প্রভাব সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন বাজারে খুব একটা পড়ে না। গত এপ্রিলে সরকার সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটার প্রতি ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়েছিল। স্বাভাবিকভাবেই জ্বালানির দাম বাড়লে দ্রব্যমূল্যে তার প্রভাব পড়বেই। তবে এবারের মূল্যবৃদ্ধির পর বাজারে মূল্যস্ফীতির নেতিবাচক প্রভাব বা গণমাধ্যমে এ নিয়ে হইচই আগের তুলনায় অনেকটাই কম দেখা গেছে।
অতীতে আমরা দেখেছি, জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ৫ টাকা বাড়লে পরিবহন মালিকরা অযৌক্তিকভাবে ভাড়া ১০ টাকা বাড়িয়ে দিতেন। এপ্রিলের দাম বৃদ্ধির পরেও শুরুতে ৬৪% পর্যন্ত ভাড়া বৃদ্ধির প্রস্তাব এসেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সরকার এবং মালিকপক্ষ মিলে ভাড়ায় লিটারপ্রতি মাত্র ১০-১২ পয়সার একটি যৌক্তিক সমন্বয় করেছে।
এর পেছনে একটি বড় অর্থনৈতিক কারণ রয়েছে, যাকে বলা যায় ‘ইকোনমিক রেন্ট’ বা মানুষের ক্রয়ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা। পরিবহন মালিকরাও এখন বুঝতে পেরেছেন যে, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে গেছে। অতিরিক্ত মুনাফার আশায় কোনো পণ্যের দাম আকাশছোঁয়া করলে তা অবিক্রীত থেকে যায়— যেমন আলু ২০০ টাকা কেজি হলে তা পচে যাবে, কিন্তু ৪০ টাকা হলে মানুষ কিনবে। ঠিক তেমনি, ভাড়া অতিরিক্ত বাড়ালে সাধারণ মানুষ যাতায়াত কমিয়ে দেবে, যা পরিবহন ব্যবসায়ীদেরই ক্ষতির মুখে ফেলবে। মানুষের পকেটের এই করুণ অবস্থার কথা বিবেচনা করেই এবার বড় কোনো ভাড়াবৃদ্ধি হয়নি।
জ্বালানি তেলে সরকার যে ভর্তুকি দেওয়ার কথা বলে, তার পেছনের হিসাবটি বেশ চমকপ্রদ। বর্তমানে ১৪০ বা ১৪৫ টাকা লিটার দরে যে তেল বিক্রি হচ্ছে, তার মধ্যে প্রায় ৩০ শতাংশই হলো সরকারি ট্যাক্স বা কর। সরকার যদি এই ট্যাক্স পুরোপুরি তুলে নিত, তবে লিটারপ্রতি তেলের দাম নেমে আসত ৯০ থেকে ১০০ টাকায়।
তার মানে হলো, সরকার এক হাত দিয়ে ট্যাক্স নিচ্ছে, অন্য হাত দিয়ে সেটার কিছুটা ছাড় দিয়ে বলছে ‘ভর্তুকি’ দিচ্ছি। এর অবশ্য একটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক কারণ আছে। আমাদের দেশে ব্যক্তিশ্রেণির আয়কর দেওয়ার হার অত্যন্ত নৈরাশ্যজনক; মাত্র ৭ শতাংশ মানুষ কর দেন। ফলে সরকারকে তার রাজস্ব আয়ের জন্য পরোক্ষ কর, যেমন—ভ্যাট, সাপ্লিমেন্টারি ডিউটি (এসডি) ও জ্বালানি খাতের ওপর নির্ভর করতে হয়। এই রাজস্ব আয় বন্ধ হলে সরকারও চলবে না, তাই ট্যাক্স কমানো সরকারের পক্ষে কঠিন।
দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটানোর জন্য আমাদের বর্তমান রিফাইনারি বা শোধনাগার সক্ষমতা পর্যাপ্ত নয়। শুধু ডিজেলের সম্পূর্ণ চাহিদা নিজেদের মেটাতে হলে দেশে আরও অন্তত চারটি রিফাইনারি প্রয়োজন। তবে এটি নিয়ে খুব বেশি চিন্তিত হওয়ার কারণ নেই, কারণ প্রয়োজনে বিশ্ববাজারের রিফাইনারি সক্ষমতা ব্যবহার করেই আমরা চাহিদা মেটাতে পারি। সরকার অবশ্য নতুন রিফাইনারি তৈরির উদ্যোগ নিচ্ছে, যা ইতিবাচক।
যদি আমরা ভারত, পাকিস্তান বা শ্রীলঙ্কার সাথে তুলনা করি, তবে দেখব আমাদের দেশে জ্বালানি তেলের দাম (লিটারপ্রতি প্রায় ১.১ বা ১.২ ডলার) তাদের কাছাকাছিই। তিন দেশের ক্রয়ক্ষমতাও কমবেশি কাছাকাছি। কিন্তু সামগ্রিকভাবে আমাদের মানুষের আয়ের তুলনায় বিদ্যুৎ, গ্যাস ও তেলের সম্মিলিত মূল্য ক্রয়ক্ষমতার সীমাকে ছাড়িয়ে গেছে।
বিশ্ববাজারে বর্তমানে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের নিচে নেমে এসেছে (যদিও পরিশোধিত পেট্রোল-ডিজেলের দাম কিছুটা ভিন্ন হতে পারে)। বর্তমানে তেলে সরকার খুব বেশি ভর্তুকি দিচ্ছে বলে মনে হয় না। তাই সরকারের কাছে প্রধান আহ্বান থাকবে স্বচ্ছতার। তেল আমদানিতে প্রকৃত খরচ কত হচ্ছে, তা জনগণের সামনে পরিষ্কার করা উচিত।
সবচেয়ে বড় কথা হলো— বিশ্ববাজারে দাম বাড়লে দেশে যেমন তেলের দাম বাড়ানো বা ‘সমন্বয়’ করা হয়, বিশ্ববাজারে দাম কমলে ঠিক একইভাবে দেশের বাজারেও তেলের দাম কমিয়ে সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দিতে হবে। একমুখী সমন্বয় কখনো টেকসই অর্থনীতির জন্য কল্যাণকর হতে পারে না।
লেখক: জ্বালানি বিশ্লেষক ও ইনডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য

এবারের মূল্যবৃদ্ধিকে মূলত একটি ‘প্রাইস অ্যাডজাস্টমেন্ট’ বা মূল্য সমন্বয় হিসেবে দেখা যেতে পারে। লক্ষ্যণীয় বিষয় হলো, সরকার এবার বুদ্ধিমত্তার সাথে ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত রেখে পেট্রোল ও অকটেনের দাম বাড়িয়েছে।
ডিজেলের সাথে দেশের কৃষি, পণ্য পরিবহন এবং গণপরিবহন সরাসরি যুক্ত। তাই ডিজেলে দাম বাড়লে বাজারে জিনিসপত্রের দাম লাফিয়ে বাড়ে। অন্যদিকে পেট্রোল ও অকটেন মূলত ব্যক্তিগত গাড়ির মালিকরা ব্যবহার করেন, ফলে এর প্রভাব সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন বাজারে খুব একটা পড়ে না। গত এপ্রিলে সরকার সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটার প্রতি ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়েছিল। স্বাভাবিকভাবেই জ্বালানির দাম বাড়লে দ্রব্যমূল্যে তার প্রভাব পড়বেই। তবে এবারের মূল্যবৃদ্ধির পর বাজারে মূল্যস্ফীতির নেতিবাচক প্রভাব বা গণমাধ্যমে এ নিয়ে হইচই আগের তুলনায় অনেকটাই কম দেখা গেছে।
অতীতে আমরা দেখেছি, জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ৫ টাকা বাড়লে পরিবহন মালিকরা অযৌক্তিকভাবে ভাড়া ১০ টাকা বাড়িয়ে দিতেন। এপ্রিলের দাম বৃদ্ধির পরেও শুরুতে ৬৪% পর্যন্ত ভাড়া বৃদ্ধির প্রস্তাব এসেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সরকার এবং মালিকপক্ষ মিলে ভাড়ায় লিটারপ্রতি মাত্র ১০-১২ পয়সার একটি যৌক্তিক সমন্বয় করেছে।
এর পেছনে একটি বড় অর্থনৈতিক কারণ রয়েছে, যাকে বলা যায় ‘ইকোনমিক রেন্ট’ বা মানুষের ক্রয়ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা। পরিবহন মালিকরাও এখন বুঝতে পেরেছেন যে, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে গেছে। অতিরিক্ত মুনাফার আশায় কোনো পণ্যের দাম আকাশছোঁয়া করলে তা অবিক্রীত থেকে যায়— যেমন আলু ২০০ টাকা কেজি হলে তা পচে যাবে, কিন্তু ৪০ টাকা হলে মানুষ কিনবে। ঠিক তেমনি, ভাড়া অতিরিক্ত বাড়ালে সাধারণ মানুষ যাতায়াত কমিয়ে দেবে, যা পরিবহন ব্যবসায়ীদেরই ক্ষতির মুখে ফেলবে। মানুষের পকেটের এই করুণ অবস্থার কথা বিবেচনা করেই এবার বড় কোনো ভাড়াবৃদ্ধি হয়নি।
জ্বালানি তেলে সরকার যে ভর্তুকি দেওয়ার কথা বলে, তার পেছনের হিসাবটি বেশ চমকপ্রদ। বর্তমানে ১৪০ বা ১৪৫ টাকা লিটার দরে যে তেল বিক্রি হচ্ছে, তার মধ্যে প্রায় ৩০ শতাংশই হলো সরকারি ট্যাক্স বা কর। সরকার যদি এই ট্যাক্স পুরোপুরি তুলে নিত, তবে লিটারপ্রতি তেলের দাম নেমে আসত ৯০ থেকে ১০০ টাকায়।
তার মানে হলো, সরকার এক হাত দিয়ে ট্যাক্স নিচ্ছে, অন্য হাত দিয়ে সেটার কিছুটা ছাড় দিয়ে বলছে ‘ভর্তুকি’ দিচ্ছি। এর অবশ্য একটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক কারণ আছে। আমাদের দেশে ব্যক্তিশ্রেণির আয়কর দেওয়ার হার অত্যন্ত নৈরাশ্যজনক; মাত্র ৭ শতাংশ মানুষ কর দেন। ফলে সরকারকে তার রাজস্ব আয়ের জন্য পরোক্ষ কর, যেমন—ভ্যাট, সাপ্লিমেন্টারি ডিউটি (এসডি) ও জ্বালানি খাতের ওপর নির্ভর করতে হয়। এই রাজস্ব আয় বন্ধ হলে সরকারও চলবে না, তাই ট্যাক্স কমানো সরকারের পক্ষে কঠিন।
দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটানোর জন্য আমাদের বর্তমান রিফাইনারি বা শোধনাগার সক্ষমতা পর্যাপ্ত নয়। শুধু ডিজেলের সম্পূর্ণ চাহিদা নিজেদের মেটাতে হলে দেশে আরও অন্তত চারটি রিফাইনারি প্রয়োজন। তবে এটি নিয়ে খুব বেশি চিন্তিত হওয়ার কারণ নেই, কারণ প্রয়োজনে বিশ্ববাজারের রিফাইনারি সক্ষমতা ব্যবহার করেই আমরা চাহিদা মেটাতে পারি। সরকার অবশ্য নতুন রিফাইনারি তৈরির উদ্যোগ নিচ্ছে, যা ইতিবাচক।
যদি আমরা ভারত, পাকিস্তান বা শ্রীলঙ্কার সাথে তুলনা করি, তবে দেখব আমাদের দেশে জ্বালানি তেলের দাম (লিটারপ্রতি প্রায় ১.১ বা ১.২ ডলার) তাদের কাছাকাছিই। তিন দেশের ক্রয়ক্ষমতাও কমবেশি কাছাকাছি। কিন্তু সামগ্রিকভাবে আমাদের মানুষের আয়ের তুলনায় বিদ্যুৎ, গ্যাস ও তেলের সম্মিলিত মূল্য ক্রয়ক্ষমতার সীমাকে ছাড়িয়ে গেছে।
বিশ্ববাজারে বর্তমানে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের নিচে নেমে এসেছে (যদিও পরিশোধিত পেট্রোল-ডিজেলের দাম কিছুটা ভিন্ন হতে পারে)। বর্তমানে তেলে সরকার খুব বেশি ভর্তুকি দিচ্ছে বলে মনে হয় না। তাই সরকারের কাছে প্রধান আহ্বান থাকবে স্বচ্ছতার। তেল আমদানিতে প্রকৃত খরচ কত হচ্ছে, তা জনগণের সামনে পরিষ্কার করা উচিত।
সবচেয়ে বড় কথা হলো— বিশ্ববাজারে দাম বাড়লে দেশে যেমন তেলের দাম বাড়ানো বা ‘সমন্বয়’ করা হয়, বিশ্ববাজারে দাম কমলে ঠিক একইভাবে দেশের বাজারেও তেলের দাম কমিয়ে সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দিতে হবে। একমুখী সমন্বয় কখনো টেকসই অর্থনীতির জন্য কল্যাণকর হতে পারে না।
লেখক: জ্বালানি বিশ্লেষক ও ইনডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য

বিকেএমইএ-এর সাবেক সভাপতি মো. ফজলুল হকের এই সাক্ষাৎকারে দেশের বর্তমান সামষ্টিক অর্থনীতি, ব্যবসার পরিবেশ ও আসন্ন বাজেটের চ্যালেঞ্জগুলো উঠে এসেছে। সংকটকালীন সময়ে দায়িত্ব নেওয়া নতুন সরকারের প্রথম ১০০ দিনের পদক্ষেপে তিনি আশাবাদী। তবে অবাস্তব রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ও করের বোঝা নিয়ে তিনি শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
১ ঘণ্টা আগে
মানুষের মৃত্যু অবধারিত, কিন্তু মানুষের মুক্তির লড়াইয়ের স্বার্থেই তাঁর কাজ ও আদর্শকে বাঁচিয়ে রাখা আমাদের দায়িত্ব। তাঁর দুটি ক্যাসেট আছে, এবং ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা গানগুলো সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। তাঁর জীবন নিয়ে আরও লেখা প্রকাশ করা জরুরি। এগুলো করতে হবে যাতে বর্তমান প্রজন্ম এই আপসহীন গণশিল্পীর জীবন থেকে...
১৫ ঘণ্টা আগে
পশু কোরবানি এবার কিছুটা কম হলেও দেশজুড়ে কম চামড়া উৎপন্ন হয়নি। তবে শেষতক কী পরিমাণ চামড়া হাতে আসবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েই গেল।
১৮ ঘণ্টা আগে
‘অ্যানিমেল’ সিনেমায় রণবীর কাপুরের হাতে থাকা বন্দুক এবার সরাসরি ‘মালিক’-এর আরিফিন শুভর হাতে উড়ে এসেছে! এর আগে ‘তুফান’-এ ছিল, ‘তাণ্ডব’-এ ছিল, গেল ঈদে ‘রাক্ষস’-এও ছিল। সিনেমা পাল্টায়, নায়ক পাল্টায়, কিন্তু বন্দুক সেই একই। এই বন্দুক এখন একটা ব্র্যান্ড। কিন্তু এই ব্র্যান্ড দর্শককে কি বার্তা দিচ্ছে?
২০ ঘণ্টা আগে