ইনবক্সের বাইরে-৪
মারুফ ইসলাম

আজমলের এই যুক্তিতে আমি অ্যান্থনি ডাউনসের ইকোনমিক থিওরি অব ডেমোক্রেসির ছায়া দেখলাম। আজমল একজন ‘র্যাশনাল ভোটার’। তিনি আদর্শের চেয়ে জয়ী হওয়ার সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। একেই হয়তো বলে ‘কৌশলগত ভোট’।
অথচ এই নৈতিকতার আকাঙ্ক্ষার ঠিক বিপরীত দিকেই রয়েছে অন্য এক বাস্তবতা। মহামতি প্লেটো তাঁর রিপাবলিক-এ যেটাকে বলেছেন, ‘রাষ্ট্র শাসক পেয়েছে, কিন্তু আত্মার শাসন গেছে অ্যাপেটিটিভ অংশের হাতে।’ সেই অংশ কারা? তাঁরা হচ্ছেন, ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, রাজনীতিবিদ। তাঁরা নির্বাচনের আগে বলেন, ‘আমি মানুষের সেবা করতে এসেছি।’ কিন্তু ক্ষমতায় যাওয়ার পরই তার পা আটকে যায় টেন্ডার–বাণিজ্য, দলীয়করণ, সরকারি প্লট, গাড়ি ইত্যাদির মধুগাত্রে। ফলে, একটি রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানের পরেও রাষ্ট্র-সমাজের কিছুই বদলায় না।

আজমলের এই যুক্তিতে আমি অ্যান্থনি ডাউনসের ইকোনমিক থিওরি অব ডেমোক্রেসির ছায়া দেখলাম। আজমল একজন ‘র্যাশনাল ভোটার’। তিনি আদর্শের চেয়ে জয়ী হওয়ার সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। একেই হয়তো বলে ‘কৌশলগত ভোট’।
অথচ এই নৈতিকতার আকাঙ্ক্ষার ঠিক বিপরীত দিকেই রয়েছে অন্য এক বাস্তবতা। মহামতি প্লেটো তাঁর রিপাবলিক-এ যেটাকে বলেছেন, ‘রাষ্ট্র শাসক পেয়েছে, কিন্তু আত্মার শাসন গেছে অ্যাপেটিটিভ অংশের হাতে।’ সেই অংশ কারা? তাঁরা হচ্ছেন, ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, রাজনীতিবিদ। তাঁরা নির্বাচনের আগে বলেন, ‘আমি মানুষের সেবা করতে এসেছি।’ কিন্তু ক্ষমতায় যাওয়ার পরই তার পা আটকে যায় টেন্ডার–বাণিজ্য, দলীয়করণ, সরকারি প্লট, গাড়ি ইত্যাদির মধুগাত্রে। ফলে, একটি রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানের পরেও রাষ্ট্র-সমাজের কিছুই বদলায় না।

গণভোট হওয়ার কথা ছিল জাতীয় ঐকমত্যের উৎসব। ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনীতির বিজয়গাথা। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। গণভোট এখন নতুন বিভাজনের নাম। প্রশ্ন উঠেছে। কে কার পক্ষে? কে কার বিপক্ষে? আরেকটি প্রশ্ন আরও গভীর। পরাজিত ফ্যাসিবাদী শক্তি এবং যারা নতুন ফ্যাসিবাদী শক্তি হয়ে উঠতে চায়-তারা কি সত্যিই ‘না’ ভোটকে কেন্দ্র কর
১৭ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম যে আউন্স প্রতি ৫০০০ ডলার ছাড়িয়ে যাবে, এমন ভবিষ্যৎবাণী আগে থেকেই ছিল বিশ্লেষকদের। ধারণার চেয়ে অনেকটা আগেভাগে হলেও তা সত্য হয়েছে। স্বভাবতই এর প্রভাব পড়েছে দেশের স্বর্ণবাজারে। সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সর্বশেষ বৃদ্ধির পর দেশের বাজারে ভালো মানের (২২ ক্যারেট)
১৭ ঘণ্টা আগেস্বতঃস্ফূর্ত মব সহিংসতার পেছনে কি জাতীয় মানসিকতা কাজ করে? আমার মনে হয়, তিন ধরনের মানসিকতা। প্রথমটি হচ্ছে ক্ষোভের। যাপিত-জীবনের নানান দিকে বহু নানান বঞ্চনা, সমাজে ন্যায্যতার অভাব, অসাম্য ও বৈষম্য মানুষকে ক্ষুব্ধ করে তোলে।
১ দিন আগে
রাজধানীর বেইলি রোড, মিন্টো রোড ও হেয়ার রোড মন্ত্রিপাড়া হিসেবে পরিচিত। এসব এলাকার আবাসিক ভবনগুলোয় মন্ত্রীরা বসবাস করেন। বর্তমানে সেখানে আছেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাসহ প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা। বাড়িগুলো বনেদি। বিশাল জায়গাজুড়ে। খোলামেলা। কিন্তু তারপরও ভবিষ্যৎ সরকারের মন্ত
২ দিন আগে