লেখা:

এটি এমন দুজন মানুষের গল্প, যাঁরা অনশনের মাধ্যমে সরকারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন। দুটি ঘটনার মধ্যে প্রায় ১৫ বছরের ব্যবধান। তবে এই দুই অনশনের পার্থক্য বেশ নজর কাড়ার মতো। এই পার্থক্য চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়— ভারত ও তার রাজনীতির কতটা বদল ঘটেছে। সমাজকে যারা নৈতিকতার পথ দেখাতেন, সেই প্রহরীদের রূপও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে গেছে।
প্রথমে আন্না হাজারের কথা বলা যাক। নব্বইয়ের দশক থেকেই তিনি মহারাষ্ট্রের নানা আন্দোলনের পরিচিত মুখ। ২০১১ সালের ৫ এপ্রিল দিল্লিতে অনশনে বসে তিনি সবার নজর কাড়েন। মাত্র ৯৬ ঘণ্টার মাথায় সরকার তার দাবি মেনে নেয়। তারা 'জন লোকপাল বিল'-এর খসড়া তৈরির জন্য একটি কমিটি গঠন করে। এরপর ১৬ আগস্ট রামলীলা ময়দানে তিনি ফের অনশনে বসেন। ১২ দিন পর সংসদ তার মূল দাবিগুলোর পক্ষে প্রস্তাব পাস করলে সেই অনশন ভাঙে।
আন্না হাজারের দাবিটি ছিল বেশ সহজ-সরল। তিনি দুর্নীতি রুখতে একটি স্বাধীন 'লোকপাল' গঠন করতে চেয়েছিলেন। ভারতে দুর্নীতি এমন একটা বিষয়, যা নিয়ে সাধারণ মানুষের তীব্র ক্ষোভ থাকে। তাই দুর্নীতির বিরুদ্ধে কোনো আন্দোলন শুরু হলেই তা দ্রুত জনপ্রিয়তা পায়। তৎকালীন মনমোহন সিং সরকারের বিরুদ্ধে তখন দুর্নীতির একের পর এক অভিযোগ। ফলে আন্নার আন্দোলন সাধারণ মানুষের মনে দারুণভাবে নাড়া দেয়। টেলিভিশন চ্যানেলগুলো এর সরাসরি সম্প্রচার শুরু করায় আন্দোলনের প্রভাব কয়েক গুণ বেড়ে যায়। কিরণ বেদীর মতো সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা বা বাবা রামদেবের মতো যোগগুরুরা এতে যোগ দেন। সেসময় সবাই নিজেকে দুর্নীতিবিরোধী প্রমাণের জন্য উঠেপড়ে লেগেছিলেন।
মজার বিষয় হলো, আন্নার আন্দোলনের পেছনের মূল কারিগররা আড়ালেই থেকে যায়। অনেকেই মনে করেন, আরএসএস তাদের বিশাল নেটওয়ার্ক ও কর্মীদের গোপনে কাজে লাগিয়ে এই আন্দোলনের জন্য জনসমর্থন জুটিয়েছিল। মেধা পাটেকর, যোগেন্দ্র যাদব ও প্রশান্ত ভূষণের মতো বামপন্থী ও সমাজতান্ত্রিক নেতারাও তাঁকে পুরোপুরি সমর্থন করেছিলেন। তবে এই আন্দোলনের সবচেয়ে বেশি রাজনৈতিক ফায়দা লুটেছিল বিজেপি, যার সবচেয়ে বড় প্রমাণ হলো ২০১৪ সালের নির্বাচন।
তৎকালীন মনমোহন সিং সরকার শুরুতে এই আন্দোলনের গভীরতা বুঝতে পারেনি। যখন বুঝতে পারল, তখন তারা প্রণব মুখার্জি ও এ কে অ্যান্টনির পাশাপাশি আরও দুজনকে আন্নার অনশন ভাঙানোর দায়িত্ব দেয়। তাঁরা হলেন মহারাষ্ট্রের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বিলাসরাও দেশমুখ এবং আইএএস কর্মকর্তা উমেশচন্দ্র সারঙ্গী। প্রণব বা অ্যান্টনির চেয়ে আন্না হাজারেকে সামলাতে এই দুজন বেশি পারদর্শী ছিলেন। তাঁরা তাঁদের কাজে সফলও হন। কিন্তু ততদিনে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল, সরকারের যেটুকু ক্ষতি হওয়ার তা হয়েই গিয়েছিল।
এবার সোনম ওয়াংচুকের চলমান অনশনের কথায় আসা যাক। তার অনশন আন্না হাজারের চেয়ে অন্তত দুটি জায়গায় একেবারেই আলাদা।
প্রথমত, ওয়াংচুকের দাবিগুলো অনেক বেশি বাস্তবসম্মত। আন্নার দাবিগুলো ছিল অনেকটাই ধারণানির্ভর। আর ওয়াংচুক সরাসরি মোদি সরকারের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ চাইছেন। দাবির এই পার্থক্য থেকে দুজনের রাজনৈতিক দূরদর্শিতার তফাতটাও পরিষ্কার বোঝা যায়। আন্না হাজারেকে খুব সহজেই রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা যেত। কিন্তু ওয়াংচুক অনেক বেশি জেদি এবং নিজের আদর্শে অনড়। আন্নার সেই সাধারণ ও শেষমেশ অকেজো—দাবিটি মেনে নেওয়া সরকারের জন্য সহজ ছিল। কিন্তু ওয়াংচুক যা চাইছেন, তা মেনে নেওয়া মোটেও সোজা নয়।
দ্বিতীয়ত, ওয়াংচুক বিরোধী দলগুলোর কাছ থেকে কোনো সহযোগিতাই পাচ্ছেন না। আন্না হাজারের সময় প্রধান বিরোধী দল বিজেপি মনমোহন সিংয়ের দুর্বল সরকারকে বিপদে ফেলার দারুণ সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু এখনকার বিরোধী দলগুলোর মধ্যে কোনো উৎসাহই দেখা যাচ্ছে না। এর কারণ হতে পারে, বিরোধীরা এখন নানা ভাগে বিভক্ত এবং মোদি সরকারকে টেক্কা দেওয়ার মতো তাদের কোনো শক্ত কৌশল নেই। ওয়াংচুকের সাফল্যে তারা কোনো রাজনৈতিক ফায়দাও দেখতে পাচ্ছে না। অথচ আন্নার জয়ের সরাসরি রাজনৈতিক সুবিধা পেয়েছিল বিজেপি।
সত্যি বলতে, আন্না ছিলেন বিজেপির হাতের পুতুল। আর ওয়াংচুক হলেন একাই লড়ে যাওয়া এক যোদ্ধা, যাঁর সম্বল শুধুই নিজের মনোবল। আন্নার সময় মানুষের সরকারবিরোধী ক্ষোভকে কাজে লাগানোর মতো শক্ত অবস্থানে ছিল বিজেপি। কারণ তখন বিরোধী শিবিরে তারাই ছিল প্রধান শক্তি।
রাজনীতির এই অন্ধকার দিকটি একটি বড় প্রশ্নের জন্ম দেয়। আমাদের সমাজ এখন আসলে কী ভাবছে? আমরা কি এমন মানুষে পরিণত হয়েছি, যাঁরা শুধু ভোটের জয়-পরাজয় দিয়েই সবকিছু বিচার করি? আমরা কি এখন নিজেদের সুবিধামতো নীতি ও আদর্শ বদলাই? আন্না হাজারের সময় মনে হয়েছিল, পুরো দেশ যেন একটি দাবিতে একজোট হয়েছে। ছোট-বড় অভিনেতা-তারকারাও তখন সরকারের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন। আজ সেই প্রতিবাদী কণ্ঠগুলো কোথায়?
আন্নার সময় মিডিয়া যতটা সরব ছিল, আজ তারা ততটাই নীরব। সেসময় অনেক বড় বড় শিল্পপতি এগিয়ে এসে আন্নাকে সমর্থন করেছিলেন। কিন্তু বর্তমান সরকারের আমলে তারা যেন নীরবতার সাধনায় মগ্ন। ভাবলে অবাক লাগে, মাত্র ১৫ বছরের ব্যবধানে ভারতবর্ষের প্রাণবন্ত ও সোচ্চার গণতন্ত্র আজ কতটা নিস্তব্ধ হয়ে গেছে!
এই নীরবতা ভাঙতে আমরা আদৌ প্রস্তুত কি না, তা এখন ভেবে দেখা দরকার। সোনম ওয়াংচুকের অনশনের পরিণতিই হয়তো ঠিক করে দেবে, আমাদের গণতন্ত্র তার হারানো কণ্ঠস্বর ফিরে পাবে, নাকি চিরতরে এই নিস্তব্ধতায় তলিয়ে যাবে। খুব দেরি হওয়ার আগেই আমাদের এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজা প্রয়োজন। তা না হলে এই নীরবতা আমাদের সবাইকে গ্রাস করবে।
(লেখাটি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস থেকে অনূদিত)

এটি এমন দুজন মানুষের গল্প, যাঁরা অনশনের মাধ্যমে সরকারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন। দুটি ঘটনার মধ্যে প্রায় ১৫ বছরের ব্যবধান। তবে এই দুই অনশনের পার্থক্য বেশ নজর কাড়ার মতো। এই পার্থক্য চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়— ভারত ও তার রাজনীতির কতটা বদল ঘটেছে। সমাজকে যারা নৈতিকতার পথ দেখাতেন, সেই প্রহরীদের রূপও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে গেছে।
প্রথমে আন্না হাজারের কথা বলা যাক। নব্বইয়ের দশক থেকেই তিনি মহারাষ্ট্রের নানা আন্দোলনের পরিচিত মুখ। ২০১১ সালের ৫ এপ্রিল দিল্লিতে অনশনে বসে তিনি সবার নজর কাড়েন। মাত্র ৯৬ ঘণ্টার মাথায় সরকার তার দাবি মেনে নেয়। তারা 'জন লোকপাল বিল'-এর খসড়া তৈরির জন্য একটি কমিটি গঠন করে। এরপর ১৬ আগস্ট রামলীলা ময়দানে তিনি ফের অনশনে বসেন। ১২ দিন পর সংসদ তার মূল দাবিগুলোর পক্ষে প্রস্তাব পাস করলে সেই অনশন ভাঙে।
আন্না হাজারের দাবিটি ছিল বেশ সহজ-সরল। তিনি দুর্নীতি রুখতে একটি স্বাধীন 'লোকপাল' গঠন করতে চেয়েছিলেন। ভারতে দুর্নীতি এমন একটা বিষয়, যা নিয়ে সাধারণ মানুষের তীব্র ক্ষোভ থাকে। তাই দুর্নীতির বিরুদ্ধে কোনো আন্দোলন শুরু হলেই তা দ্রুত জনপ্রিয়তা পায়। তৎকালীন মনমোহন সিং সরকারের বিরুদ্ধে তখন দুর্নীতির একের পর এক অভিযোগ। ফলে আন্নার আন্দোলন সাধারণ মানুষের মনে দারুণভাবে নাড়া দেয়। টেলিভিশন চ্যানেলগুলো এর সরাসরি সম্প্রচার শুরু করায় আন্দোলনের প্রভাব কয়েক গুণ বেড়ে যায়। কিরণ বেদীর মতো সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা বা বাবা রামদেবের মতো যোগগুরুরা এতে যোগ দেন। সেসময় সবাই নিজেকে দুর্নীতিবিরোধী প্রমাণের জন্য উঠেপড়ে লেগেছিলেন।
মজার বিষয় হলো, আন্নার আন্দোলনের পেছনের মূল কারিগররা আড়ালেই থেকে যায়। অনেকেই মনে করেন, আরএসএস তাদের বিশাল নেটওয়ার্ক ও কর্মীদের গোপনে কাজে লাগিয়ে এই আন্দোলনের জন্য জনসমর্থন জুটিয়েছিল। মেধা পাটেকর, যোগেন্দ্র যাদব ও প্রশান্ত ভূষণের মতো বামপন্থী ও সমাজতান্ত্রিক নেতারাও তাঁকে পুরোপুরি সমর্থন করেছিলেন। তবে এই আন্দোলনের সবচেয়ে বেশি রাজনৈতিক ফায়দা লুটেছিল বিজেপি, যার সবচেয়ে বড় প্রমাণ হলো ২০১৪ সালের নির্বাচন।
তৎকালীন মনমোহন সিং সরকার শুরুতে এই আন্দোলনের গভীরতা বুঝতে পারেনি। যখন বুঝতে পারল, তখন তারা প্রণব মুখার্জি ও এ কে অ্যান্টনির পাশাপাশি আরও দুজনকে আন্নার অনশন ভাঙানোর দায়িত্ব দেয়। তাঁরা হলেন মহারাষ্ট্রের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বিলাসরাও দেশমুখ এবং আইএএস কর্মকর্তা উমেশচন্দ্র সারঙ্গী। প্রণব বা অ্যান্টনির চেয়ে আন্না হাজারেকে সামলাতে এই দুজন বেশি পারদর্শী ছিলেন। তাঁরা তাঁদের কাজে সফলও হন। কিন্তু ততদিনে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল, সরকারের যেটুকু ক্ষতি হওয়ার তা হয়েই গিয়েছিল।
এবার সোনম ওয়াংচুকের চলমান অনশনের কথায় আসা যাক। তার অনশন আন্না হাজারের চেয়ে অন্তত দুটি জায়গায় একেবারেই আলাদা।
প্রথমত, ওয়াংচুকের দাবিগুলো অনেক বেশি বাস্তবসম্মত। আন্নার দাবিগুলো ছিল অনেকটাই ধারণানির্ভর। আর ওয়াংচুক সরাসরি মোদি সরকারের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ চাইছেন। দাবির এই পার্থক্য থেকে দুজনের রাজনৈতিক দূরদর্শিতার তফাতটাও পরিষ্কার বোঝা যায়। আন্না হাজারেকে খুব সহজেই রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা যেত। কিন্তু ওয়াংচুক অনেক বেশি জেদি এবং নিজের আদর্শে অনড়। আন্নার সেই সাধারণ ও শেষমেশ অকেজো—দাবিটি মেনে নেওয়া সরকারের জন্য সহজ ছিল। কিন্তু ওয়াংচুক যা চাইছেন, তা মেনে নেওয়া মোটেও সোজা নয়।
দ্বিতীয়ত, ওয়াংচুক বিরোধী দলগুলোর কাছ থেকে কোনো সহযোগিতাই পাচ্ছেন না। আন্না হাজারের সময় প্রধান বিরোধী দল বিজেপি মনমোহন সিংয়ের দুর্বল সরকারকে বিপদে ফেলার দারুণ সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু এখনকার বিরোধী দলগুলোর মধ্যে কোনো উৎসাহই দেখা যাচ্ছে না। এর কারণ হতে পারে, বিরোধীরা এখন নানা ভাগে বিভক্ত এবং মোদি সরকারকে টেক্কা দেওয়ার মতো তাদের কোনো শক্ত কৌশল নেই। ওয়াংচুকের সাফল্যে তারা কোনো রাজনৈতিক ফায়দাও দেখতে পাচ্ছে না। অথচ আন্নার জয়ের সরাসরি রাজনৈতিক সুবিধা পেয়েছিল বিজেপি।
সত্যি বলতে, আন্না ছিলেন বিজেপির হাতের পুতুল। আর ওয়াংচুক হলেন একাই লড়ে যাওয়া এক যোদ্ধা, যাঁর সম্বল শুধুই নিজের মনোবল। আন্নার সময় মানুষের সরকারবিরোধী ক্ষোভকে কাজে লাগানোর মতো শক্ত অবস্থানে ছিল বিজেপি। কারণ তখন বিরোধী শিবিরে তারাই ছিল প্রধান শক্তি।
রাজনীতির এই অন্ধকার দিকটি একটি বড় প্রশ্নের জন্ম দেয়। আমাদের সমাজ এখন আসলে কী ভাবছে? আমরা কি এমন মানুষে পরিণত হয়েছি, যাঁরা শুধু ভোটের জয়-পরাজয় দিয়েই সবকিছু বিচার করি? আমরা কি এখন নিজেদের সুবিধামতো নীতি ও আদর্শ বদলাই? আন্না হাজারের সময় মনে হয়েছিল, পুরো দেশ যেন একটি দাবিতে একজোট হয়েছে। ছোট-বড় অভিনেতা-তারকারাও তখন সরকারের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন। আজ সেই প্রতিবাদী কণ্ঠগুলো কোথায়?
আন্নার সময় মিডিয়া যতটা সরব ছিল, আজ তারা ততটাই নীরব। সেসময় অনেক বড় বড় শিল্পপতি এগিয়ে এসে আন্নাকে সমর্থন করেছিলেন। কিন্তু বর্তমান সরকারের আমলে তারা যেন নীরবতার সাধনায় মগ্ন। ভাবলে অবাক লাগে, মাত্র ১৫ বছরের ব্যবধানে ভারতবর্ষের প্রাণবন্ত ও সোচ্চার গণতন্ত্র আজ কতটা নিস্তব্ধ হয়ে গেছে!
এই নীরবতা ভাঙতে আমরা আদৌ প্রস্তুত কি না, তা এখন ভেবে দেখা দরকার। সোনম ওয়াংচুকের অনশনের পরিণতিই হয়তো ঠিক করে দেবে, আমাদের গণতন্ত্র তার হারানো কণ্ঠস্বর ফিরে পাবে, নাকি চিরতরে এই নিস্তব্ধতায় তলিয়ে যাবে। খুব দেরি হওয়ার আগেই আমাদের এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজা প্রয়োজন। তা না হলে এই নীরবতা আমাদের সবাইকে গ্রাস করবে।
(লেখাটি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস থেকে অনূদিত)
.png)

২০২৬ সালের ১ জুলাই বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি)-এর প্রতিষ্ঠার ৫০ বছর পূর্ণ হলো। এটি একটি স্বায়ত্তশাসিত জাতীয় কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান। গত পাঁচ দশকে বারি এক যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করেছে। একসময় বাংলাদেশ ছিল খাদ্য ঘাটতির দেশ। বারি-এর প্রচেষ্টায় আজ আমরা খাদ্যে অনেকাংশেই স্বয়ংসম্পূর্ণ।
৩ ঘণ্টা আগে
রাজধানী ঢাকার উত্তরার দিয়াবাড়িতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ ও অংশগ্রহণকারী নারীদের স্মরণে নির্মিত ‘জুলাই শহীদ নারী মঞ্চে’র নারী ভাস্কর্যগুলো কালো কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। কিন্তু কেন, তার কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
৪ ঘণ্টা আগে
আপাতদৃষ্টিতে মনে হচ্ছে, রাজনৈতিক বিভিন্ন ইস্যু—বিশেষ করে সংস্কার প্রশ্নে বিরোধী শিবিরের সম্ভাব্য চাপ সামলাতে সরকার আগেভাগেই নিজেদের ঘর গুছিয়ে নিতে চাইছে।
৮ ঘণ্টা আগে
দেশে দ্রুত বাড়ছে চিকিৎসাভিত্তিক এসথেটিক সেবা। বোটক্স, ফিলার, লেজার থেরাপি, পিআরপি ও থ্রেড লিফটের মতো সেবার বাজার এখন প্রায় ১৫০ মিলিয়ন ডলার, যা মোট বাজারের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। একটি ক্লিনিকে বোটক্সের একেকটি সেশনের খরচ ৮ থেকে ২০ হাজার টাকা।
৮ ঘণ্টা আগে