স্ট্রিম সম্পাদকীয়

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ ও তাকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দ্রুততার সঙ্গে গ্রেপ্তার, তদন্ত ও রায় হওয়ার পর্বটি স্মরণীয় হয়ে থাকবে। নিকট অতীতে মাগুরায় সংঘটিত অনুরূপ ঘটনায়ও দ্রুত বিচারকাজ সম্পন্ন হয়েছিল। উভয় ক্ষেত্রেই ঘটনার ভয়াবহতা দেশজুড়ে আলোড়ন তোলায় সরকার বিশেষভাবে উদ্যোগী হয়। দ্রুত রায় হওয়ার সঙ্গে এর সম্পর্ক অনস্বীকার্য।
দ্রুত বিচার সম্পন্নের সঙ্গে অনেক ক্ষেত্রে ন্যায়বিচারের দাবি পূরণ না হওয়ার সম্পর্ক থাকে। তবে সব মামলার ক্ষেত্রেই আপিল বা রায় পর্যালোচনার সুযোগ রয়েছে। আশা করা যায়, ঘটনা যত গুরুতরই হোক– বহুল আলোচিত ওইসব মামলার ক্ষেত্রেও কোনো ত্রুটি বা সংশয় রাখা হবে না।
সরকারের সক্রিয় ভূমিকা না থাকলে শিশু ও নারী নির্যাতনের ঘটনায় তদন্ত ও বিচারে দীর্ঘসূত্রতার কথা কারও অজানা নয়। সরকার নির্বিশেষে এসব ঘটনা প্রতিকারহীনভাবে ঘটেও চলেছে। রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বদলে যাওয়ার পরও এর ব্যত্যয় দেখা যাচ্ছে না। সামাজিক অপরাধ বলে অভিহিত এ ধারার কিছু ঘটনায় রাজনৈতিক উপাদানও থাকে। তবে অপরাধ যে চরিত্রসম্পন্নই হোক, তার আইনগত প্রতিকার স্বাভাবিকভাবে হওয়া প্রয়োজন। তাতে আইনের শাসনের ধারণাটিও জোরদার হওয়ার সম্ভাবনা।
ঘৃণ্য অপরাধের ক্ষেত্রে দৃষ্টান্তমূলক কিংবা নতুন ধারার শাস্তির দাবিও উঠতে দেখা যায়। প্রচলিত বিচারব্যবস্থা স্বাভাবিকভাবে কাজ না করায় সৃষ্ট হতাশা থেকেও অনেকে তেমন দাবি উত্থাপন করেন। প্রতিটি অপরাধমূলক ঘটনার বিচারে দ্রুত ও ন্যায়সঙ্গত নিষ্পত্তি এ পরিস্থিতির অবসানে ভূমিকা রাখতে পারে। এ অবস্থায় খতিয়ে দেখা চাই, একই ধরনের অপরাধে হওয়া অপরাপর মামলায় প্রত্যাশামাফিক নিষ্পত্তি হচ্ছে না কেন?
পল্লবীর ঘটনায় রায় হওয়ার সময় সরকারিভাবে জানানো হলো, নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার দ্রুত নিষ্পত্তিতে হাইকোর্টে পৃথক বেঞ্চ রাখার বিষয়ে প্রধান বিচারপতি সম্মত হয়েছেন। মামলার স্তূপ জমে ওঠার আগেই অবশ্য এমন পদক্ষেপ ছিল প্রত্যাশিত। তা সত্ত্বেও এ খবরে সংশ্লিষ্ট সবাই কিছুটা হলেও আশ্বস্ত হবে। নিম্ন আদালত, এমনকি তদন্ত পর্যায়ে শিশু ও নারী নির্যাতনের অনেক ঘটনায় দীর্ঘদিনেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি না হওয়ার বেদনাদায়ক খবর রয়েছে। সেসব ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীদের পরিস্থিতি মনে রাখাটাও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। স্থানীয় পর্যায়ে কোনোরকম সহায়তা না পেয়ে, উল্টো তিরস্কৃত হয়ে এক নির্যাতিত শিশুর পিতা তাকে নিয়ে আত্মাহুতি দেওয়ার ঘটনাও আমাদের পীড়িত করেছিল।
মামলা দায়ের, তদন্ত ও ন্যায়বিচারের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া সব ক্ষেত্রে সচল থাকাটাই যে কোনো গণতান্ত্রিক সমাজের দাবি। বাস্তবে তার কতখানি ব্যত্যয় সহনীয়, সে বিষয়েও সবার ধারণা রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে এ সংক্রান্ত পরিস্থিতি অসহনীয় বলেই বিবেচিত হচ্ছে। এদিকে নতুন সরকারের ১০০ দিনেও শিশু ও নারী নির্যাতনের ঘটনা অনিয়ন্ত্রিতভাবে ঘটে চলেছে, এটা টিআইবির প্রতিবেদনে স্পষ্ট। দ্রুত ও ন্যায়সঙ্গত বিচারিক নিষ্পত্তির পাশাপাশি এ ধরনের ঘটনা যাতে লক্ষণীয়ভাবে কমে আসে এবং জনমনে ফিরে আসে স্বস্তি, সে লক্ষ্যেও নিতে হবে পরীক্ষিত পদক্ষেপ। এ ক্ষেত্রে বরং নির্বাহী বিভাগ তথা সরকারের বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে। রাজনৈতিক নেতৃত্ব, নাগরিক সমাজ ও মিডিয়ার দৃঢ় আর দায়িত্বপূর্ণ ভূমিকারও বিকল্প নেই।

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ ও তাকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দ্রুততার সঙ্গে গ্রেপ্তার, তদন্ত ও রায় হওয়ার পর্বটি স্মরণীয় হয়ে থাকবে। নিকট অতীতে মাগুরায় সংঘটিত অনুরূপ ঘটনায়ও দ্রুত বিচারকাজ সম্পন্ন হয়েছিল। উভয় ক্ষেত্রেই ঘটনার ভয়াবহতা দেশজুড়ে আলোড়ন তোলায় সরকার বিশেষভাবে উদ্যোগী হয়। দ্রুত রায় হওয়ার সঙ্গে এর সম্পর্ক অনস্বীকার্য।
দ্রুত বিচার সম্পন্নের সঙ্গে অনেক ক্ষেত্রে ন্যায়বিচারের দাবি পূরণ না হওয়ার সম্পর্ক থাকে। তবে সব মামলার ক্ষেত্রেই আপিল বা রায় পর্যালোচনার সুযোগ রয়েছে। আশা করা যায়, ঘটনা যত গুরুতরই হোক– বহুল আলোচিত ওইসব মামলার ক্ষেত্রেও কোনো ত্রুটি বা সংশয় রাখা হবে না।
সরকারের সক্রিয় ভূমিকা না থাকলে শিশু ও নারী নির্যাতনের ঘটনায় তদন্ত ও বিচারে দীর্ঘসূত্রতার কথা কারও অজানা নয়। সরকার নির্বিশেষে এসব ঘটনা প্রতিকারহীনভাবে ঘটেও চলেছে। রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বদলে যাওয়ার পরও এর ব্যত্যয় দেখা যাচ্ছে না। সামাজিক অপরাধ বলে অভিহিত এ ধারার কিছু ঘটনায় রাজনৈতিক উপাদানও থাকে। তবে অপরাধ যে চরিত্রসম্পন্নই হোক, তার আইনগত প্রতিকার স্বাভাবিকভাবে হওয়া প্রয়োজন। তাতে আইনের শাসনের ধারণাটিও জোরদার হওয়ার সম্ভাবনা।
ঘৃণ্য অপরাধের ক্ষেত্রে দৃষ্টান্তমূলক কিংবা নতুন ধারার শাস্তির দাবিও উঠতে দেখা যায়। প্রচলিত বিচারব্যবস্থা স্বাভাবিকভাবে কাজ না করায় সৃষ্ট হতাশা থেকেও অনেকে তেমন দাবি উত্থাপন করেন। প্রতিটি অপরাধমূলক ঘটনার বিচারে দ্রুত ও ন্যায়সঙ্গত নিষ্পত্তি এ পরিস্থিতির অবসানে ভূমিকা রাখতে পারে। এ অবস্থায় খতিয়ে দেখা চাই, একই ধরনের অপরাধে হওয়া অপরাপর মামলায় প্রত্যাশামাফিক নিষ্পত্তি হচ্ছে না কেন?
পল্লবীর ঘটনায় রায় হওয়ার সময় সরকারিভাবে জানানো হলো, নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার দ্রুত নিষ্পত্তিতে হাইকোর্টে পৃথক বেঞ্চ রাখার বিষয়ে প্রধান বিচারপতি সম্মত হয়েছেন। মামলার স্তূপ জমে ওঠার আগেই অবশ্য এমন পদক্ষেপ ছিল প্রত্যাশিত। তা সত্ত্বেও এ খবরে সংশ্লিষ্ট সবাই কিছুটা হলেও আশ্বস্ত হবে। নিম্ন আদালত, এমনকি তদন্ত পর্যায়ে শিশু ও নারী নির্যাতনের অনেক ঘটনায় দীর্ঘদিনেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি না হওয়ার বেদনাদায়ক খবর রয়েছে। সেসব ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীদের পরিস্থিতি মনে রাখাটাও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। স্থানীয় পর্যায়ে কোনোরকম সহায়তা না পেয়ে, উল্টো তিরস্কৃত হয়ে এক নির্যাতিত শিশুর পিতা তাকে নিয়ে আত্মাহুতি দেওয়ার ঘটনাও আমাদের পীড়িত করেছিল।
মামলা দায়ের, তদন্ত ও ন্যায়বিচারের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া সব ক্ষেত্রে সচল থাকাটাই যে কোনো গণতান্ত্রিক সমাজের দাবি। বাস্তবে তার কতখানি ব্যত্যয় সহনীয়, সে বিষয়েও সবার ধারণা রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে এ সংক্রান্ত পরিস্থিতি অসহনীয় বলেই বিবেচিত হচ্ছে। এদিকে নতুন সরকারের ১০০ দিনেও শিশু ও নারী নির্যাতনের ঘটনা অনিয়ন্ত্রিতভাবে ঘটে চলেছে, এটা টিআইবির প্রতিবেদনে স্পষ্ট। দ্রুত ও ন্যায়সঙ্গত বিচারিক নিষ্পত্তির পাশাপাশি এ ধরনের ঘটনা যাতে লক্ষণীয়ভাবে কমে আসে এবং জনমনে ফিরে আসে স্বস্তি, সে লক্ষ্যেও নিতে হবে পরীক্ষিত পদক্ষেপ। এ ক্ষেত্রে বরং নির্বাহী বিভাগ তথা সরকারের বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে। রাজনৈতিক নেতৃত্ব, নাগরিক সমাজ ও মিডিয়ার দৃঢ় আর দায়িত্বপূর্ণ ভূমিকারও বিকল্প নেই।
.png)

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা চলছে। অনেকের মনে প্রশ্ন-বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি কীভাবে নির্বাচিত হন? রাষ্ট্রপতি হতে কী যোগ্যতা প্রয়োজন? নির্বাচন কি জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে, নাকি সংসদ সদস্যদের মাধ্যমে হয়? সংসদ সদস্যরা কি গোপন নাকি প্রকাশ্য ভোট দেন?
২ ঘণ্টা আগে
দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিকে বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী। এখানে বড় শঙ্কার জন্ম দেয়। প্রতিযোগিতামূলক এলপিজি বাজারেই যেখানে সরকার দাম নিয়ন্ত্রণ করতে অক্ষম, সেখানে বিদ্যুতের মতো একচেটিয়া বাজারে নিয়ন্ত্রণ কীভাবে সম্ভব?
৩ ঘণ্টা আগে
একটি বেফাঁস মন্তব্য। তারপর কয়েকটা মিম। এরপর ইনস্টাগ্রাম পেজ। দেখতে দেখতে সেই পেজই হয়ে গেল রাজপথের আন্দোলন। আড়াই মাস বয়স হওয়ার আগেই ভারতের রাজধানী কাঁপিয়ে দিল ককরোচ জনতা পার্টি—সিজেপি। ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের একটি বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় গত ১৬ মে এটি একটি ব্যঙ্গাত্মক অনলাইন প্ল্য
১৭ ঘণ্টা আগে
একটি টার্মিনাল বিকল হলেই কেন গোটা দেশকে এমন পঙ্গু দশায় পড়তে হবে? এর পেছনে আমাদের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অভাব এবং জ্বালানি নিরাপত্তার ভঙ্গুর চিত্রটিই স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
১৯ ঘণ্টা আগে