ইরানপ্রবাসী মুত্তাকিনের সাক্ষাৎকার
ইরানের গুলেস্থান প্রদেশে সাত বছরের বেশি আছেন মো. মুত্তাকিন। নেত্রকোনার এই বাসিন্দা আল-মুস্তফা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে অধ্যয়ন করছেন। ইরানের যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি, নাগরিকদের জীবনযাপন ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্বেগ নিয়ে স্ট্রিমের সঙ্গে খোলামেলা আলাপ করেছেন মুত্তাকিন।
হাসিবুর রহমান

স্ট্রিম: ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি কেমন দেখছেন?
মো. মুত্তাকিন: ইরানের অবস্থা এখন অনেকটা স্থিতিশীল। যুদ্ধের শুরুতে সরকার পতনের গুঞ্জন ছিল। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় যখন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি শহীদ এবং মিনাবে বিদ্যালয়ের দেড় শতাধিক শিশুর মৃত্যু হলো, তখন সরকার বিরোধীদেরও অনেকে নিজের অবস্থান বদল করেন। তারা দেশের পক্ষে অবস্থান নেন। আমার কাছে মনে হয়েছে, এই হামলা ইরানিদের মধ্যকার জাতীয় ঐক্য আরও দৃঢ় করেছে। পুরো জাতি ‘সিসাঢালা প্রাচীর’– এর মতো লড়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের হরমুজগান প্রদেশের মিনাব শহরের ‘শাহজারেহ তাইয়েবেহ’ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যৌথভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বিমান হামলা চালায়। এতে ১২০ শিশু শিক্ষার্থীসহ ১৫৬ বেসামরিক নাগরিক নিহত হন।
স্ট্রিম: মিনাবের ঘটনা কতটা প্রভাব ফেলেছে?
মো. মুত্তাকিন: মিনাব স্কুলের ঘটনা মানুষের মনে গভীর আবেগ তৈরি করেছে। আগে মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক সংকটে জর্জরিত অনেকেই সরকারের বিরুদ্ধে ছিলেন। কিন্তু এই ঘটনার পর তারাও সরকারের অবস্থানে সমর্থন দিয়েছেন। দেশের একটি অংশ বাইরের শক্তির ইন্ধনে কাজ করছে– ধারণা থেকে মতপার্থক্য ভুলে তারা একত্রিত হয়েছেন।
স্ট্রিম: ইরানের অর্থনৈতিক ভিত কি ভেঙে পড়েছে বলে মনে করেন?
মো. মুত্তাকিন: যুদ্ধের আগে থেকেই ইরানে চড়া মূল্যস্ফীতি ছিল। যুদ্ধের পর নিত্যপণ্যের দাম আরও বেড়েছে। এক লিটার সয়াবিন তেল আগে ৮০ তোমানে (ইরানি ভাষায় রিয়াল) পাওয়া যেত। এখন তা কিনতে লাগছে ৩৫০ তোমান। সাধারণ চাকরিজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষেরা সবচেয়ে বেশি কষ্টে আছেন। তবে অর্থনৈতিক চাপের মধ্যেও সবার মধ্যে জাতীয় ঐক্য বেশ স্পষ্ট।
স্ট্রিম: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ অবসানের চুক্তি নিয়ে জনগণের মনোভাব কেমন?
মো. মুত্তাকিন: ইরানের অধিকাংশ মানুষ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সব ধরনের সমঝোতা বা চুক্তির বিপক্ষে। চুক্তি ঠেকাতে তারা বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভও করেছে। এসব মানুষের চাওয়া– ইরানকে নিজ মর্যাদা রক্ষায় অটল থাকতে হবে এবং দেশের স্বার্থে কোনো ছাড় দেওয়া যাবে না। তাঁরা রক্তের বদলে রক্ত চান, হরমুজের নিয়ন্ত্রণ এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের পক্ষে।

স্ট্রিম: আপনার অবস্থান গুলেস্থানে যুদ্ধের প্রভাব কেমন ছিল?
মো. মুত্তাকিন: এখানে সরাসরি হামলা হয়নি। অন্যান্য যেসব শহরে হামলা হয়েছে, সেখান থেকে অনেকে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য এখানে এসেছেন। তেহরান, ইসফাহান, তাবরিজ ও হরমুজ প্রণালি সংলগ্ন এলাকা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে আমরা জেনেছি।
স্ট্রিম: ইরানের অন্যান্য বাংলাদেশি শিক্ষার্থী কীভাবে দিন কাটাচ্ছেন?
মো. মুত্তাকিন: আমরা স্কলারশিপে পড়াশোনা করি। তাই থাকা-খাওয়ার তেমন সমস্যা হয়নি। তবে যুদ্ধপরিস্থিতিতে চরম অনিশ্চয়তা ছিল। সাধারণ ইরানিদের তুলনায় বিদেশি শিক্ষার্থীরা কিছুটা নিরাপদ ও ভালো জীবন কাটিয়েছেন। এখনো অবস্থান তেমন হেরফের হচ্ছে না।
স্ট্রিম: বাংলাদেশ দূতাবাস কী ধরনের সহায়তা করেছে?
মো. মুত্তাকিন: দূতাবাস নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছে। দেশে ফিরতে ইচ্ছুকদের জন্য বিশেষ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করেছে। প্রথম দফায় দুই শতাধিক ও দ্বিতীয় দফায় ৮০ জনের বেশি বাংলাদেশি দেশে ফিরে গেছেন। আমার এলাকায় সরাসরি যুদ্ধের প্রভাব না থাকায় দেশে ফিরিনি।

স্ট্রিম: যোগাযোগব্যবস্থা ও ইন্টারনেট কী ঠিকমতো পেয়েছেন?
মো. মুত্তাকিন: যুদ্ধের পর প্রথম তিন দিন ইন্টারনেট পুরোপুরি বন্ধ ছিল। পরেও বন্ধ ছিল। তবে কিছু অভ্যন্তরীণ অ্যাপের মাধ্যমে যোগাযোগ করা যেত। ইন্টারনেট ফিরলে অনেকেই ভিপিএন ব্যবহার করে বাইরের বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন, আমরাও করেছি।
স্ট্রিম: অব্যাহত হামলার সময় আপনার প্রদেশের বাসিন্দা কি করতেন?
মো. মুত্তাকিন: মিনাবের ঘটনার পর বিভিন্ন শহরে নিয়মিত জনসমাবেশ হয়েছে। এখনো মানুষ নিয়মিত জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করছেন। সন্ধ্যার পর অনেকে একত্রিত হন, কোরআন তেলাওয়াত করেন। বক্তব্য দেন। মাইকে দেশাত্মবোধক গান বাজানো হয়। এসব আয়োজনে নারী-শিশুদের অংশগ্রহণ সব সময় চোখে পড়ার মতো।
স্ট্রিম: দীর্ঘদিন ইরানে থাকার অভিজ্ঞতা থেকে পুরো পরিস্থিতিকে কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?
মো. মুত্তাকিন: আমি সাত বছর এখানে আছি। এই সময়ে অর্থনৈতিক সংকট, নিষেধাজ্ঞা ও রাজনৈতিক চাপ দেখেছি। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে আমার মনে হয়েছে– যুদ্ধের ঘটনাগুলো ইরানের সামাজিক কাঠামোতে নতুন ধরনের ঐক্য তৈরি করেছে।

ইরানের গুলেস্থান প্রদেশে সাত বছরের বেশি আছেন মো. মুত্তাকিন। নেত্রকোনার এই বাসিন্দা আল-মুস্তফা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে অধ্যয়ন করছেন। ইরানের যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি, নাগরিকদের জীবনযাপন ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্বেগ নিয়ে স্ট্রিমের সঙ্গে খোলামেলা আলাপ করেছেন মুত্তাকিন।
স্ট্রিম: ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি কেমন দেখছেন?
মো. মুত্তাকিন: ইরানের অবস্থা এখন অনেকটা স্থিতিশীল। যুদ্ধের শুরুতে সরকার পতনের গুঞ্জন ছিল। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় যখন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি শহীদ এবং মিনাবে বিদ্যালয়ের দেড় শতাধিক শিশুর মৃত্যু হলো, তখন সরকার বিরোধীদেরও অনেকে নিজের অবস্থান বদল করেন। তারা দেশের পক্ষে অবস্থান নেন। আমার কাছে মনে হয়েছে, এই হামলা ইরানিদের মধ্যকার জাতীয় ঐক্য আরও দৃঢ় করেছে। পুরো জাতি ‘সিসাঢালা প্রাচীর’– এর মতো লড়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের হরমুজগান প্রদেশের মিনাব শহরের ‘শাহজারেহ তাইয়েবেহ’ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যৌথভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বিমান হামলা চালায়। এতে ১২০ শিশু শিক্ষার্থীসহ ১৫৬ বেসামরিক নাগরিক নিহত হন।
স্ট্রিম: মিনাবের ঘটনা কতটা প্রভাব ফেলেছে?
মো. মুত্তাকিন: মিনাব স্কুলের ঘটনা মানুষের মনে গভীর আবেগ তৈরি করেছে। আগে মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক সংকটে জর্জরিত অনেকেই সরকারের বিরুদ্ধে ছিলেন। কিন্তু এই ঘটনার পর তারাও সরকারের অবস্থানে সমর্থন দিয়েছেন। দেশের একটি অংশ বাইরের শক্তির ইন্ধনে কাজ করছে– ধারণা থেকে মতপার্থক্য ভুলে তারা একত্রিত হয়েছেন।
স্ট্রিম: ইরানের অর্থনৈতিক ভিত কি ভেঙে পড়েছে বলে মনে করেন?
মো. মুত্তাকিন: যুদ্ধের আগে থেকেই ইরানে চড়া মূল্যস্ফীতি ছিল। যুদ্ধের পর নিত্যপণ্যের দাম আরও বেড়েছে। এক লিটার সয়াবিন তেল আগে ৮০ তোমানে (ইরানি ভাষায় রিয়াল) পাওয়া যেত। এখন তা কিনতে লাগছে ৩৫০ তোমান। সাধারণ চাকরিজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষেরা সবচেয়ে বেশি কষ্টে আছেন। তবে অর্থনৈতিক চাপের মধ্যেও সবার মধ্যে জাতীয় ঐক্য বেশ স্পষ্ট।
স্ট্রিম: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ অবসানের চুক্তি নিয়ে জনগণের মনোভাব কেমন?
মো. মুত্তাকিন: ইরানের অধিকাংশ মানুষ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সব ধরনের সমঝোতা বা চুক্তির বিপক্ষে। চুক্তি ঠেকাতে তারা বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভও করেছে। এসব মানুষের চাওয়া– ইরানকে নিজ মর্যাদা রক্ষায় অটল থাকতে হবে এবং দেশের স্বার্থে কোনো ছাড় দেওয়া যাবে না। তাঁরা রক্তের বদলে রক্ত চান, হরমুজের নিয়ন্ত্রণ এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের পক্ষে।

স্ট্রিম: আপনার অবস্থান গুলেস্থানে যুদ্ধের প্রভাব কেমন ছিল?
মো. মুত্তাকিন: এখানে সরাসরি হামলা হয়নি। অন্যান্য যেসব শহরে হামলা হয়েছে, সেখান থেকে অনেকে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য এখানে এসেছেন। তেহরান, ইসফাহান, তাবরিজ ও হরমুজ প্রণালি সংলগ্ন এলাকা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে আমরা জেনেছি।
স্ট্রিম: ইরানের অন্যান্য বাংলাদেশি শিক্ষার্থী কীভাবে দিন কাটাচ্ছেন?
মো. মুত্তাকিন: আমরা স্কলারশিপে পড়াশোনা করি। তাই থাকা-খাওয়ার তেমন সমস্যা হয়নি। তবে যুদ্ধপরিস্থিতিতে চরম অনিশ্চয়তা ছিল। সাধারণ ইরানিদের তুলনায় বিদেশি শিক্ষার্থীরা কিছুটা নিরাপদ ও ভালো জীবন কাটিয়েছেন। এখনো অবস্থান তেমন হেরফের হচ্ছে না।
স্ট্রিম: বাংলাদেশ দূতাবাস কী ধরনের সহায়তা করেছে?
মো. মুত্তাকিন: দূতাবাস নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছে। দেশে ফিরতে ইচ্ছুকদের জন্য বিশেষ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করেছে। প্রথম দফায় দুই শতাধিক ও দ্বিতীয় দফায় ৮০ জনের বেশি বাংলাদেশি দেশে ফিরে গেছেন। আমার এলাকায় সরাসরি যুদ্ধের প্রভাব না থাকায় দেশে ফিরিনি।

স্ট্রিম: যোগাযোগব্যবস্থা ও ইন্টারনেট কী ঠিকমতো পেয়েছেন?
মো. মুত্তাকিন: যুদ্ধের পর প্রথম তিন দিন ইন্টারনেট পুরোপুরি বন্ধ ছিল। পরেও বন্ধ ছিল। তবে কিছু অভ্যন্তরীণ অ্যাপের মাধ্যমে যোগাযোগ করা যেত। ইন্টারনেট ফিরলে অনেকেই ভিপিএন ব্যবহার করে বাইরের বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন, আমরাও করেছি।
স্ট্রিম: অব্যাহত হামলার সময় আপনার প্রদেশের বাসিন্দা কি করতেন?
মো. মুত্তাকিন: মিনাবের ঘটনার পর বিভিন্ন শহরে নিয়মিত জনসমাবেশ হয়েছে। এখনো মানুষ নিয়মিত জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করছেন। সন্ধ্যার পর অনেকে একত্রিত হন, কোরআন তেলাওয়াত করেন। বক্তব্য দেন। মাইকে দেশাত্মবোধক গান বাজানো হয়। এসব আয়োজনে নারী-শিশুদের অংশগ্রহণ সব সময় চোখে পড়ার মতো।
স্ট্রিম: দীর্ঘদিন ইরানে থাকার অভিজ্ঞতা থেকে পুরো পরিস্থিতিকে কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?
মো. মুত্তাকিন: আমি সাত বছর এখানে আছি। এই সময়ে অর্থনৈতিক সংকট, নিষেধাজ্ঞা ও রাজনৈতিক চাপ দেখেছি। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে আমার মনে হয়েছে– যুদ্ধের ঘটনাগুলো ইরানের সামাজিক কাঠামোতে নতুন ধরনের ঐক্য তৈরি করেছে।

বাংলাদেশে রাজনৈতিক সংস্কৃতির অন্যতম বৈশিষ্ট হলো প্রতিহিংসার রাজনীতি। ক্ষমতার পালাবদলে প্রতিপক্ষকে দমন, নিগ্রহ এবং প্রতিশোধ গ্রহণের চক্র আমাদের রাজনীতিকে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরেছে। আমরা এতে অভ্যস্ত হয়ে গেছি।
৪ ঘণ্টা আগে
এটা এখন অনেকেরই জানা, পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান নিয়োগ ঘিরে দেশের বেসরকারি খাতের সবচেয়ে বড় ও সফল ব্যাংকটিতে চলমান সংকট নিরসনে পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
৫ ঘণ্টা আগে
একসময় মানুষ বিশ্বাস করত, ঈশ্বর সব দেখেন। এখন মানুষ জানে, গুগলও দেখে। পার্থক্য হলো, ঈশ্বর অন্তত আমাদের সার্চ হিস্ট্রি দিয়ে বিজ্ঞাপন বানাতেন না। স্কট গ্যালওয়ের ‘গুগল ইজ গড’ মন্তব্যটি তাই নিছক প্রযুক্তিপ্রেমী রসিকতা নয়। এটি আমাদের সময়ের এক গভীর রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সত্য।
৬ ঘণ্টা আগে
আমরা এমন এক সময়ের মধ্যে বাস করছি, যখন মানহানি আলোর গতিতে ছড়িয়ে পড়ে। একসময় কারও সুনাম নষ্ট করতে হলে সংবাদপত্র, সম্পাদক, যাচাই-বাছাই এবং সময়ের প্রয়োজন হতো। আজ একটি টুইট, একটি বিকৃত স্ক্রিনশট, একটি বিভ্রান্তিকর ভিডিও ক্লিপ কিংবা একটি বেপরোয়া অভিযোগই যথেষ্ট।
৯ ঘণ্টা আগে