জামশেদ আনোয়ার তপনের প্রতিক্রিয়া
জামশেদ আনোয়ার তপন

কামরুদ্দীন আবসার ভাই কেবল একজন সাধারণ সংস্কৃতিকর্মী ছিলেন না; তিনি ছিলেন এদেশের গণসাংস্কৃতিক আন্দোলনের একজন নিবেদিতপ্রাণ মহীরুহ।
একাধারে তিনি ছিলেন গণসংগীতের অসাধারণ এক কণ্ঠশিল্পী, তীক্ষ্ণ লেখনীর অধিকারী, গুণী সুরকার এবং সর্বোপরি গণসংগীতের একজন প্রকৃত ওস্তাদ। তার কণ্ঠ সবসময় সোচ্চার ছিল খেটে খাওয়া, শ্রমজীবী মানুষের পক্ষে। তিনি কখনোই আরামদায়ক জীবনের মোহান্ধ ছিলেন না; বরং মাঠে-ঘাটে, পথে-প্রান্তরে, সারা বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে ঘুরে ঘুরে মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ের গান গেয়েছেন।
তার সঙ্গে আমাদের অত্যন্ত চমৎকার ও গর্বের একটি স্মৃতি জড়িয়ে আছে, যা আজও আমার স্মৃতিতে অম্লান। সময়টা খুব সম্ভবত ২০১০ কি ২০১১ সাল। আমরা উদীচীর উদ্যোগে ঢাকায় ‘জাতীয় গণসংগীত উৎসব’-এর আয়োজন করেছিলাম। সারা বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শিল্পীরা সেদিন ঢাকায় সমবেত হয়েছিলেন। আমরা সবাই মিলে সেই বিশাল ও তাৎপর্যপূর্ণ উৎসবের উদ্বোধক হিসেবে কামরুদ্দীন আবসার ভাইকেই মনোনীত করেছিলাম। গণমানুষের প্রতি, গণসংগীতের প্রতি তার যে আজীবনের অকৃত্রিম নিবেদন ও আত্মত্যাগ—মূলত তার প্রতি সম্মান জানাতেই আমাদের এই সিদ্ধান্ত ছিল।
আবসার ভাই জীবনের শেষ দিনগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। কিন্তু যতদিন তিনি শারীরিকভাবে সক্ষম ও কর্মক্ষম ছিলেন, ততদিন তিনি তার সাম্য ও মানবতার আদর্শের পক্ষে পাহাড়ের মতো অটল ছিলেন।
শনিবার ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবসার ভাই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গন আজ তার অন্যতম এক অভিভাবককে হারাল।
আমি তার বর্ণাঢ্য জীবনের প্রতি বিনম্র ও গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি এবং তার বিদেহী আত্মার চিরশান্তি কামনা করছি। আবসার ভাই সশরীরে বিদায় নিলেও, তার রেখে যাওয়া গান যুগ যুগ ধরে এদেশের মেহনতি মানুষকে লড়াইয়ের প্রেরণা জোগাবে।

কামরুদ্দীন আবসার ভাই কেবল একজন সাধারণ সংস্কৃতিকর্মী ছিলেন না; তিনি ছিলেন এদেশের গণসাংস্কৃতিক আন্দোলনের একজন নিবেদিতপ্রাণ মহীরুহ।
একাধারে তিনি ছিলেন গণসংগীতের অসাধারণ এক কণ্ঠশিল্পী, তীক্ষ্ণ লেখনীর অধিকারী, গুণী সুরকার এবং সর্বোপরি গণসংগীতের একজন প্রকৃত ওস্তাদ। তার কণ্ঠ সবসময় সোচ্চার ছিল খেটে খাওয়া, শ্রমজীবী মানুষের পক্ষে। তিনি কখনোই আরামদায়ক জীবনের মোহান্ধ ছিলেন না; বরং মাঠে-ঘাটে, পথে-প্রান্তরে, সারা বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে ঘুরে ঘুরে মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ের গান গেয়েছেন।
তার সঙ্গে আমাদের অত্যন্ত চমৎকার ও গর্বের একটি স্মৃতি জড়িয়ে আছে, যা আজও আমার স্মৃতিতে অম্লান। সময়টা খুব সম্ভবত ২০১০ কি ২০১১ সাল। আমরা উদীচীর উদ্যোগে ঢাকায় ‘জাতীয় গণসংগীত উৎসব’-এর আয়োজন করেছিলাম। সারা বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শিল্পীরা সেদিন ঢাকায় সমবেত হয়েছিলেন। আমরা সবাই মিলে সেই বিশাল ও তাৎপর্যপূর্ণ উৎসবের উদ্বোধক হিসেবে কামরুদ্দীন আবসার ভাইকেই মনোনীত করেছিলাম। গণমানুষের প্রতি, গণসংগীতের প্রতি তার যে আজীবনের অকৃত্রিম নিবেদন ও আত্মত্যাগ—মূলত তার প্রতি সম্মান জানাতেই আমাদের এই সিদ্ধান্ত ছিল।
আবসার ভাই জীবনের শেষ দিনগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। কিন্তু যতদিন তিনি শারীরিকভাবে সক্ষম ও কর্মক্ষম ছিলেন, ততদিন তিনি তার সাম্য ও মানবতার আদর্শের পক্ষে পাহাড়ের মতো অটল ছিলেন।
শনিবার ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবসার ভাই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গন আজ তার অন্যতম এক অভিভাবককে হারাল।
আমি তার বর্ণাঢ্য জীবনের প্রতি বিনম্র ও গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি এবং তার বিদেহী আত্মার চিরশান্তি কামনা করছি। আবসার ভাই সশরীরে বিদায় নিলেও, তার রেখে যাওয়া গান যুগ যুগ ধরে এদেশের মেহনতি মানুষকে লড়াইয়ের প্রেরণা জোগাবে।

বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হাজার হাজার শিক্ষার্থী ডিগ্রি নিয়ে বের হচ্ছেন। কিন্তু তাদের বড় একটি অংশই চাকরির বাজারের বাস্তব চাহিদার সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছেন না। ফলে উচ্চশিক্ষা কেবল একটি 'সার্টিফিকেট-নির্ভর' ব্যবস্থায় পরিণত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
পদ্মা ব্যারেজ হয়তো আঞ্চলিক পানি সংকট মেটানোর সুযোগের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। বরং, এটি উপমহাদেশে একতরফা আধিপত্য বিস্তার বা অপরিকল্পিত বাঁধ বানানোর অশুভ প্রতিযোগিতাকে আরও উসকে দিতে পারে। সঠিক কোনো চুক্তির অভাব থাকায় দক্ষিণ এশিয়া এখন বাঁধ নির্মাণের এক বিপজ্জনক যুগে ঢুকছে।
৪ ঘণ্টা আগে
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এখানে বিবেচনা করতে হবে। সন্ত্রাসীদের হাতে এমন অনেক আধুনিক অস্ত্র রয়েছে, যা আমাদের পুলিশের কাছে নেই। অপরদিকে সেনাবাহিনীর আছে লিথাল উইপেন। তাছাড়াও অত্যাধুনিক মেশিনগান আছে, যা দিয়ে অতি অল্প সময়ে অধিকসংখ্যক গুলি করা যায়।
৬ ঘণ্টা আগে
কত গরু-ছাগল কোরবানির জন্য প্রস্তুত রয়েছে এবং কী পরিমাণ কোরবানি হতে পারে, সে বিষয়ে একটা ধারণা দেওয়া হয়েছিল– এবারও। কোরবানিযোগ্য পশুর সংখ্যা বাড়িয়ে দেখানো হয়েছিল কিনা, তা নিয়ে অবশ্য প্রশ্ন রয়েছে। কোরবানির চাহিদা অত বেশি কিনা, সেটাও প্রশ্নের ঊর্ধ্বে নয়। চাহিদা বলতে ‘কার্যকর চাহিদা’ই বুঝতে হবে।
৮ ঘণ্টা আগে