স্ট্রিম প্রতিবেদক

ভারী বৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা ও পাহাড়ধসে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় সাম্প্রতিক প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
আজ শুক্রবার (১০ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, গত কয়েক দিনে এসব জেলায় অন্তত ৩০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এই মর্মান্তিক ঘটনায় নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে তিনি মহান আল্লাহর কাছে তাদের জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা প্রার্থনা করেন। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।
পোস্টে নাহিদ ইসলাম উল্লেখ করেন, বন্যায় চট্টগ্রামের কয়েকটি উপজেলা, পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজারের কয়েক লাখ মানুষ এখনো পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধারকাজ ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ দৃশ্যমান নয়। অবিলম্বে জরুরি ভিত্তিতে দুর্গত এলাকা ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি পাহাড়ের পাদদেশ, ভূমিধসপ্রবণ এলাকা এবং পাহাড়ি ঢলের ঝুঁকিতে থাকা মানুষদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে লেখেন, কোনো ধরনের ঝুঁকি না নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে দ্রুত নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়া উচিত। পাশাপাশি প্রতিবেশী, শিশু, বয়স্ক ও অসহায় মানুষের খোঁজ নেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।
চট্টগ্রাম মহানগরীর জলাবদ্ধতা প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন নাহিদ ইসলাম। তিনি উল্লেখ করেন, টানা ভারী বৃষ্টিতে নগরীর অধিকাংশ এলাকা তলিয়ে যাওয়ায় কয়েক লাখ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। জলাবদ্ধতা নিরসন ও পূর্বপ্রস্তুতি গ্রহণে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
চট্টগ্রামবাসীকে স্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দিতে দেশি-বিদেশি কারিগরি সহায়তা নিয়ে কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান নাহিদ ইসলাম।

ভারী বৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা ও পাহাড়ধসে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় সাম্প্রতিক প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
আজ শুক্রবার (১০ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, গত কয়েক দিনে এসব জেলায় অন্তত ৩০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এই মর্মান্তিক ঘটনায় নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে তিনি মহান আল্লাহর কাছে তাদের জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা প্রার্থনা করেন। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।
পোস্টে নাহিদ ইসলাম উল্লেখ করেন, বন্যায় চট্টগ্রামের কয়েকটি উপজেলা, পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজারের কয়েক লাখ মানুষ এখনো পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধারকাজ ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ দৃশ্যমান নয়। অবিলম্বে জরুরি ভিত্তিতে দুর্গত এলাকা ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি পাহাড়ের পাদদেশ, ভূমিধসপ্রবণ এলাকা এবং পাহাড়ি ঢলের ঝুঁকিতে থাকা মানুষদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে লেখেন, কোনো ধরনের ঝুঁকি না নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে দ্রুত নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়া উচিত। পাশাপাশি প্রতিবেশী, শিশু, বয়স্ক ও অসহায় মানুষের খোঁজ নেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।
চট্টগ্রাম মহানগরীর জলাবদ্ধতা প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন নাহিদ ইসলাম। তিনি উল্লেখ করেন, টানা ভারী বৃষ্টিতে নগরীর অধিকাংশ এলাকা তলিয়ে যাওয়ায় কয়েক লাখ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। জলাবদ্ধতা নিরসন ও পূর্বপ্রস্তুতি গ্রহণে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
চট্টগ্রামবাসীকে স্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দিতে দেশি-বিদেশি কারিগরি সহায়তা নিয়ে কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান নাহিদ ইসলাম।

জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হওয়াই দেশের রাজনীতির প্রধান সংকট এবং এর ফলে সংঘাত তৈরি হতে পারে।
০৭ জুলাই ২০২৬
নাহিদ ইসলাম বলেন, স্পষ্টভাবে আজকের এই বোমা বিস্ফোরণ প্রশাসনের সহায়তায় হয়েছে। কেন বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল? আমাদের খুন করার পরিকল্পনায় এখানে বোমা বিস্ফোরণ করা হয়েছে।
০৬ জুলাই ২০২৬
ঢাকার সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা পরবর্তী সমাবেশে বোমার বিস্ফোরণ হয়েছে। সোমবার (৬ জুলাই) রাত পৌনে ১০টার দিকে সাভার থানা স্ট্যান্ড-সংলগ্ন ঈদগাহ মাঠের এই ঘটনায় চারজন আহত হয়েছেন।
০৬ জুলাই ২০২৬
বিএনপি, এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন ঢেলে সাজানো হচ্ছে। সরকার গঠনের প্রায় পাঁচ মাস পরে চেয়ারম্যান তারেক রহমান দল গোছানোর কাজে মনোযোগ দিয়েছেন। তিনি সাংগঠনিক স্থবিরতা কাটিয়ে দলকে সক্রিয় করতে নেতাদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করছেন।
০৬ জুলাই ২০২৬