স্ট্রিম প্রতিবেদক

জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হওয়াই দেশের রাজনীতির প্রধান সংকট এবং এর ফলে সংঘাত তৈরি হতে পারে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বেলা ২টায় জাতীয় সংসদের ন্যাম ভবনের সামনের সড়কে মানববন্ধনে এ কথা বলেন তিনি। মানববন্ধনের আগে শহীদ জাবির ইবরাহিমের মা রোকেয়াসহ পাঁচ নারী সংসদ সদস্য এবং ১১ দলের নেতারা স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে স্মারকলিপি হস্তান্তর করেন। স্মারকলিপিতে অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন এবং সকল গণহত্যার বিচারের দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনে গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘স্পিকারকে আমরা বলেছি—প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা এবং বিরোধীদলীয় নেতাকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশের প্রায় ৭০ ভাগ জনগণের রায় বাস্তবায়নে আইনি পদক্ষেপ নেন। স্পিকার জানিয়েছেন, তিনি নিরপেক্ষ এবং এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করবেন।’
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতির প্রধান সংকট হলো গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হওয়া। এই সংকট দেশের রাজনীতিকে সংঘাতের দিকে নিয়ে যেতে পারে।
জোটের সমন্বয়ক ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান বলেন, ‘আশা করছি সরকার স্মারকলিপি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণ না করে ক্ষমতার অপব্যবহার করা যাবে না। গণভোটের রায় বাস্তবায়নে প্রয়োজনে আবার জুলাই বিপ্লব হবে, তবুও রাজপথ ছাড়ব না।’
গণহত্যার বিচারের দাবি জানিয়ে তিনি সরকারের উদ্দেশে বলেন, ‘আমরা আন্দোলন চাই না, সমাধান চাই। আপনারা শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে ক্ষমতায় বসে আছেন, তাই দ্রুত বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে, অন্যথায় জনগণ বাধ্য করবে।’
জামায়াত-এনসিপির নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, মো. সেলিম উদ্দিন, এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দীন আহমেদ, জাগপার মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধানসহ শরিক দলের বিভিন্ন স্তরের নেতারা।

জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হওয়াই দেশের রাজনীতির প্রধান সংকট এবং এর ফলে সংঘাত তৈরি হতে পারে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বেলা ২টায় জাতীয় সংসদের ন্যাম ভবনের সামনের সড়কে মানববন্ধনে এ কথা বলেন তিনি। মানববন্ধনের আগে শহীদ জাবির ইবরাহিমের মা রোকেয়াসহ পাঁচ নারী সংসদ সদস্য এবং ১১ দলের নেতারা স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে স্মারকলিপি হস্তান্তর করেন। স্মারকলিপিতে অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন এবং সকল গণহত্যার বিচারের দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনে গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘স্পিকারকে আমরা বলেছি—প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা এবং বিরোধীদলীয় নেতাকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশের প্রায় ৭০ ভাগ জনগণের রায় বাস্তবায়নে আইনি পদক্ষেপ নেন। স্পিকার জানিয়েছেন, তিনি নিরপেক্ষ এবং এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করবেন।’
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতির প্রধান সংকট হলো গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হওয়া। এই সংকট দেশের রাজনীতিকে সংঘাতের দিকে নিয়ে যেতে পারে।
জোটের সমন্বয়ক ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান বলেন, ‘আশা করছি সরকার স্মারকলিপি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণ না করে ক্ষমতার অপব্যবহার করা যাবে না। গণভোটের রায় বাস্তবায়নে প্রয়োজনে আবার জুলাই বিপ্লব হবে, তবুও রাজপথ ছাড়ব না।’
গণহত্যার বিচারের দাবি জানিয়ে তিনি সরকারের উদ্দেশে বলেন, ‘আমরা আন্দোলন চাই না, সমাধান চাই। আপনারা শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে ক্ষমতায় বসে আছেন, তাই দ্রুত বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে, অন্যথায় জনগণ বাধ্য করবে।’
জামায়াত-এনসিপির নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, মো. সেলিম উদ্দিন, এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দীন আহমেদ, জাগপার মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধানসহ শরিক দলের বিভিন্ন স্তরের নেতারা।

নাহিদ ইসলাম বলেন, স্পষ্টভাবে আজকের এই বোমা বিস্ফোরণ প্রশাসনের সহায়তায় হয়েছে। কেন বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল? আমাদের খুন করার পরিকল্পনায় এখানে বোমা বিস্ফোরণ করা হয়েছে।
১ দিন আগে
ঢাকার সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা পরবর্তী সমাবেশে বোমার বিস্ফোরণ হয়েছে। সোমবার (৬ জুলাই) রাত পৌনে ১০টার দিকে সাভার থানা স্ট্যান্ড-সংলগ্ন ঈদগাহ মাঠের এই ঘটনায় চারজন আহত হয়েছেন।
১ দিন আগে
বিএনপি, এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন ঢেলে সাজানো হচ্ছে। সরকার গঠনের প্রায় পাঁচ মাস পরে চেয়ারম্যান তারেক রহমান দল গোছানোর কাজে মনোযোগ দিয়েছেন। তিনি সাংগঠনিক স্থবিরতা কাটিয়ে দলকে সক্রিয় করতে নেতাদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করছেন।
০৬ জুলাই ২০২৬
জুলাই অভ্যুত্থান ব্যর্থ হয়নি বলে দাবি করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন। তিনি বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকার–দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন জিনিস। জুলাই ব্যর্থ হয়নি, বরং এটি সফল একটি গণঅভ্যুত্থান। কিন্তু জুলাইয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে মোটামুটি ব্যর্থই বলতে হবে।
০৪ জুলাই ২০২৬