স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিএনপি, এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন ঢেলে সাজানো হচ্ছে। সরকার গঠনের প্রায় পাঁচ মাস পরে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দল গোছানোর কাজে মনোযোগ দিয়েছেন। তিনি সাংগঠনিক স্থবিরতা কাটিয়ে দলকে সক্রিয় করতে নেতাদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করছেন।
বিএনপি নেতারা বলছেন, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন, অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিরসন, সাংগঠনিক পুনর্গঠন এবং আগামী বছরে জাতীয় কাউন্সিল আয়োজনের লক্ষ্যে অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরই অংশ হিসেবে গত ৪ জুলাই রাতে গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে পৃথকভাবে ঢাকা জেলা ও মহানগর দক্ষিণ বিএনপি এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। শিগগির ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি এবং বাকি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন তারেক রহমান। এরপর পর্যায়ক্রমে অন্যান্য মহানগর ও জেলা বিএনপির নেতাদের সঙ্গে বসবেন।
সূত্র জানায়, বিএনপি চেয়ারম্যান সাংগঠনিক স্থবিরতা কাটিয়ে দলকে স্থানীয় নির্বাচনের আগেই সক্রিয় করতে চাইছেন। এজন্য তিনি মেয়াদোত্তীর্ণ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কমিটি গঠন এবং কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনে মনোযোগ দিয়েছেন। ধারাবাহিক বৈঠক ও পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত বিএনপিতে গতি আসবে বলে মনে করছেন নেতারা।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির দুই সদস্য জানিয়েছেন, সরকার পরিচালনার ব্যস্ততার কারণে তারেক রহমানসহ সিনিয়র নেতারা দলকে সময় দিতে পারেননি। এতে দলীয় কর্মকাণ্ডে স্থবিরতা নেমে এসেছে। নেতাকর্মীরা নিজ নিজ ব্যবসা কিংবা কাজে মনোযোগী হয়েছেন। এই অবস্থা চলতে থাকলে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীরা বিপাকে পড়বেন। এজন্যই সারা দেশে বিএনপিকে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত করতে চাইছেন তারেক রহমান। একইসঙ্গে তিনি দল ও সংগঠনের অভ্যন্তরীণ বিরোধ মিটিয়ে কার্যকর সাংগঠনিক কাঠামো গড়তে চান।
গুলশান কার্যালয়ের সূত্র জানায়, তারেক রহমান প্রথমে ঢাকা জেলা বিএনপির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। জেলার সাধারণ সম্পাদক নিপুর রায় চৌধুরীর নেতৃত্বে নেতারা অংশ নেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের কথা নিপুণ রায় জানালেও, আলোচনার বিষয়বস্তু বলতে রাজি হননি।
ঢাকা জেলার পরে স্বেচ্ছাসেবক দলের শীর্ষস্থানীয় তিন নেতার সঙ্গে বৈঠক করেন তারেক রহমান। বৈঠকে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহমদ, সিনিয়র সহসভাপতি ইয়াসিন আলী ও সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসানের কাছে সাংগঠনিক অবস্থা এবং সারা দেশে কমিটির বিষয়ে জানতে চান তারেক রহমান। এ সময় তিনি মেয়াদোত্তীর্ণ কেন্দ্রীয় কমিটি ভেঙে নতুন কমিটি দেওয়ার নির্দেশনা দেন।
নাম প্রকাশ না করে বৈঠকে অংশ নেওয়া স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতা বলেন, লুকোচুরির কিছু নেই। আমাদের কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ বহু আগেই শেষ। সভাপতি এস এম জিলানী বর্তমানে সংসদ সদস্য; সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে থাকায় অনেক জেলায় কাউন্সিল হয়নি। এখন অনুকূল পরিবেশ, নতুন কমিটি হবে, এটিই স্বাভাবিক।
তিনি বলেন, নতুন কমিটি কবে, সুনির্দিষ্ট তারিখ দেননি প্রধানমন্ত্রী। ধারণা করা যায়, আগামী ৫ আগস্টের আগেই নতুন কমিটি দেওয়া হতে পারে। দলীয় চেয়ারম্যান মেয়াদোত্তীর্ণ সংগঠনের জেলা কমিটিগুলো দ্রুত গঠন এবং যেকোনো ধরনের বিতর্ক এড়াতে বলেছেন।
২০২২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর এস এম জিলানীকে সভাপতি ও রাজীব আহসানকে সাধারণ সম্পাদক করে স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটি হয়। তিন বছর মেয়াদি কমিটি দিয়েই চলছে কার্যক্রম।
এ ছাড়া সম্প্রতি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু ও সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রায় আধা ঘণ্টার এই বৈঠকে তিনি সংগঠনের বর্তমান অবস্থা, নেতাকর্মীর সক্রিয়তা, থানা-ওয়ার্ড কমিটির মেয়াদ এবং ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক পরিকল্পনা নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন।
বৈঠকে উপস্থিত নেতারা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তাদের এখন থেকে সংগঠনে নিয়মিত সময় দিতে বলেছেন। দলকে শক্তিশালী করে একটি কার্যকর অবস্থানে নিতে চান তিনি। বৈঠকে তারেক রহমান বলেন– দীর্ঘদিন ধরে অনেক কমিটির মেয়াদ নেই। আপনারা দ্রুত এসব কমিটি পুনর্গঠন করবেন। যেসব থানা-ওয়ার্ড কমিটি সাংগঠনিকভাবে দুর্বল, সেগুলোকে গতিশীলে উদ্যোগ নেবেন।
সূত্র জানায়, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কমিটি গঠন নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন। তিনি আগামীতে কাউন্সিলের মাধ্যমে দলের সব পর্যায়ে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, কাউন্সিলভিত্তিক নেতৃত্ব হলে সংগঠন আরও গণতান্ত্রিক এবং গ্রহণযোগ্য হবে।
বিএনপির সিনিয়র এক নেতা বলেন, সামনে ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন। এজন্য ঢাকা মহানগর দক্ষিণের থানা ও ওয়ার্ডের দুর্বল কমিটিকে সক্রিয় করতে বলেছে হাইকমান্ড। এ ব্যাপারে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু বলেন, প্রধানমন্ত্রী নেতাকর্মীদের খোঁজ-খবর নিয়েছেন। একইসঙ্গে দলীয় কার্যক্রমে অংশগ্রহণ বাড়িয়ে দলকে শক্তিশালী করার নির্দেশ দিয়েছেন।
আগস্ট থেকে পর্যায়ক্রমে মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটিগুলো পুনর্গঠনের কাজ শুরু হবে। আর আগামী বছরের শুরুতে কেন্দ্রীয় কাউন্সিল করা হবে বলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির একটি সূত্র জানিয়েছে। বিএনপির সর্বশেষ ষষ্ঠ কাউন্সিল হয় ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ। তিন বছর পরে কাউন্সিল না হলেও এই সময়ে দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটি একাধিকবার পুনর্গঠন করা হয়েছে। সর্বশেষ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান থেকে পূর্ণাঙ্গ চেয়ারম্যান হয়েছেন তারেক রহমান।
জানতে চাইলে স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘কাউন্সিল নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। আর দল পুনর্গঠন চলমান প্রক্রিয়া। এবার যা কিছু হবে, কাউন্সিলের মাধ্যমেই হবে।’

বিএনপি, এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন ঢেলে সাজানো হচ্ছে। সরকার গঠনের প্রায় পাঁচ মাস পরে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দল গোছানোর কাজে মনোযোগ দিয়েছেন। তিনি সাংগঠনিক স্থবিরতা কাটিয়ে দলকে সক্রিয় করতে নেতাদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করছেন।
বিএনপি নেতারা বলছেন, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন, অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিরসন, সাংগঠনিক পুনর্গঠন এবং আগামী বছরে জাতীয় কাউন্সিল আয়োজনের লক্ষ্যে অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরই অংশ হিসেবে গত ৪ জুলাই রাতে গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে পৃথকভাবে ঢাকা জেলা ও মহানগর দক্ষিণ বিএনপি এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। শিগগির ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি এবং বাকি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন তারেক রহমান। এরপর পর্যায়ক্রমে অন্যান্য মহানগর ও জেলা বিএনপির নেতাদের সঙ্গে বসবেন।
সূত্র জানায়, বিএনপি চেয়ারম্যান সাংগঠনিক স্থবিরতা কাটিয়ে দলকে স্থানীয় নির্বাচনের আগেই সক্রিয় করতে চাইছেন। এজন্য তিনি মেয়াদোত্তীর্ণ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কমিটি গঠন এবং কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনে মনোযোগ দিয়েছেন। ধারাবাহিক বৈঠক ও পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত বিএনপিতে গতি আসবে বলে মনে করছেন নেতারা।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির দুই সদস্য জানিয়েছেন, সরকার পরিচালনার ব্যস্ততার কারণে তারেক রহমানসহ সিনিয়র নেতারা দলকে সময় দিতে পারেননি। এতে দলীয় কর্মকাণ্ডে স্থবিরতা নেমে এসেছে। নেতাকর্মীরা নিজ নিজ ব্যবসা কিংবা কাজে মনোযোগী হয়েছেন। এই অবস্থা চলতে থাকলে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীরা বিপাকে পড়বেন। এজন্যই সারা দেশে বিএনপিকে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত করতে চাইছেন তারেক রহমান। একইসঙ্গে তিনি দল ও সংগঠনের অভ্যন্তরীণ বিরোধ মিটিয়ে কার্যকর সাংগঠনিক কাঠামো গড়তে চান।
গুলশান কার্যালয়ের সূত্র জানায়, তারেক রহমান প্রথমে ঢাকা জেলা বিএনপির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। জেলার সাধারণ সম্পাদক নিপুর রায় চৌধুরীর নেতৃত্বে নেতারা অংশ নেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের কথা নিপুণ রায় জানালেও, আলোচনার বিষয়বস্তু বলতে রাজি হননি।
ঢাকা জেলার পরে স্বেচ্ছাসেবক দলের শীর্ষস্থানীয় তিন নেতার সঙ্গে বৈঠক করেন তারেক রহমান। বৈঠকে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহমদ, সিনিয়র সহসভাপতি ইয়াসিন আলী ও সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসানের কাছে সাংগঠনিক অবস্থা এবং সারা দেশে কমিটির বিষয়ে জানতে চান তারেক রহমান। এ সময় তিনি মেয়াদোত্তীর্ণ কেন্দ্রীয় কমিটি ভেঙে নতুন কমিটি দেওয়ার নির্দেশনা দেন।
নাম প্রকাশ না করে বৈঠকে অংশ নেওয়া স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতা বলেন, লুকোচুরির কিছু নেই। আমাদের কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ বহু আগেই শেষ। সভাপতি এস এম জিলানী বর্তমানে সংসদ সদস্য; সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে থাকায় অনেক জেলায় কাউন্সিল হয়নি। এখন অনুকূল পরিবেশ, নতুন কমিটি হবে, এটিই স্বাভাবিক।
তিনি বলেন, নতুন কমিটি কবে, সুনির্দিষ্ট তারিখ দেননি প্রধানমন্ত্রী। ধারণা করা যায়, আগামী ৫ আগস্টের আগেই নতুন কমিটি দেওয়া হতে পারে। দলীয় চেয়ারম্যান মেয়াদোত্তীর্ণ সংগঠনের জেলা কমিটিগুলো দ্রুত গঠন এবং যেকোনো ধরনের বিতর্ক এড়াতে বলেছেন।
২০২২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর এস এম জিলানীকে সভাপতি ও রাজীব আহসানকে সাধারণ সম্পাদক করে স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটি হয়। তিন বছর মেয়াদি কমিটি দিয়েই চলছে কার্যক্রম।
এ ছাড়া সম্প্রতি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু ও সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রায় আধা ঘণ্টার এই বৈঠকে তিনি সংগঠনের বর্তমান অবস্থা, নেতাকর্মীর সক্রিয়তা, থানা-ওয়ার্ড কমিটির মেয়াদ এবং ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক পরিকল্পনা নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন।
বৈঠকে উপস্থিত নেতারা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তাদের এখন থেকে সংগঠনে নিয়মিত সময় দিতে বলেছেন। দলকে শক্তিশালী করে একটি কার্যকর অবস্থানে নিতে চান তিনি। বৈঠকে তারেক রহমান বলেন– দীর্ঘদিন ধরে অনেক কমিটির মেয়াদ নেই। আপনারা দ্রুত এসব কমিটি পুনর্গঠন করবেন। যেসব থানা-ওয়ার্ড কমিটি সাংগঠনিকভাবে দুর্বল, সেগুলোকে গতিশীলে উদ্যোগ নেবেন।
সূত্র জানায়, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কমিটি গঠন নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন। তিনি আগামীতে কাউন্সিলের মাধ্যমে দলের সব পর্যায়ে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, কাউন্সিলভিত্তিক নেতৃত্ব হলে সংগঠন আরও গণতান্ত্রিক এবং গ্রহণযোগ্য হবে।
বিএনপির সিনিয়র এক নেতা বলেন, সামনে ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন। এজন্য ঢাকা মহানগর দক্ষিণের থানা ও ওয়ার্ডের দুর্বল কমিটিকে সক্রিয় করতে বলেছে হাইকমান্ড। এ ব্যাপারে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু বলেন, প্রধানমন্ত্রী নেতাকর্মীদের খোঁজ-খবর নিয়েছেন। একইসঙ্গে দলীয় কার্যক্রমে অংশগ্রহণ বাড়িয়ে দলকে শক্তিশালী করার নির্দেশ দিয়েছেন।
আগস্ট থেকে পর্যায়ক্রমে মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটিগুলো পুনর্গঠনের কাজ শুরু হবে। আর আগামী বছরের শুরুতে কেন্দ্রীয় কাউন্সিল করা হবে বলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির একটি সূত্র জানিয়েছে। বিএনপির সর্বশেষ ষষ্ঠ কাউন্সিল হয় ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ। তিন বছর পরে কাউন্সিল না হলেও এই সময়ে দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটি একাধিকবার পুনর্গঠন করা হয়েছে। সর্বশেষ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান থেকে পূর্ণাঙ্গ চেয়ারম্যান হয়েছেন তারেক রহমান।
জানতে চাইলে স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘কাউন্সিল নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। আর দল পুনর্গঠন চলমান প্রক্রিয়া। এবার যা কিছু হবে, কাউন্সিলের মাধ্যমেই হবে।’

ঢাকার সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা পরবর্তী সমাবেশে বোমার বিস্ফোরণ হয়েছে। সোমবার (৬ জুলাই) রাত পৌনে ১০টার দিকে সাভার থানা স্ট্যান্ড-সংলগ্ন ঈদগাহ মাঠের এই ঘটনায় দুজন আহত হয়েছেন।
৩২ মিনিট আগে
জুলাই অভ্যুত্থান ব্যর্থ হয়নি বলে দাবি করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন। তিনি বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকার–দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন জিনিস। জুলাই ব্যর্থ হয়নি, বরং এটি সফল একটি গণঅভ্যুত্থান। কিন্তু জুলাইয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে মোটামুটি ব্যর্থই বলতে হবে।
০৪ জুলাই ২০২৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে ‘দেশ গড়তে জুলাই জাগরণ’ শীর্ষক মাসব্যাপী কর্মসূচি দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, কর্মসংস্থান এবং সীমান্ত সুরক্ষার দাবিতে আগামী ৬ জুলাই ৬৪ জেলার ১০০টি উপজেলা ও পৌরসভায় পদযাত্রা করবে দলটি।
০৪ জুলাই ২০২৬
ভারতে মুসলিমরা সব সময় জানমাল, ইজ্জত ও নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে মুসলিমরা সব সময় লড়াই করে যাচ্ছেন এবং তাদের রক্ত দিতে হচ্ছে।
০৪ জুলাই ২০২৬