জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

টাকা বিলিসহ ঘর নির্মাণের আশ্বাস, জামায়াতের রেজাউলকে প্রার্থিতা বাতিলের হুঁশিয়ারি

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
লক্ষ্মীপুর

প্রকাশ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৮: ৩৬
লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী রেজাউল করিম। সংগৃহীত ছবি

লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে ভোটারকে টাকা দানসহ ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার আশ্বাসের অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পুনরায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে তাঁর প্রার্থিতা বাতিল হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

গতকাল শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে চিঠির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। এর আগে শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ওই প্রার্থীকে ইসি সচিবালয়ের উপসচিব (আইন-১) মোহাম্মদ দিদার হোসাইন স্বাক্ষরিত চিঠি দেওয়া হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী রেজাউল করিম দলীয় দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তিনি ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের সেক্রেটারি ও লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার উত্তর জয়পুর ইউনিয়নের বাসিন্দা।

গত ৬ ফেব্রুয়ারি দেওয়া চিঠি থেকে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ের আগে নির্বাচনী প্রচার চালানো, ভোটারকে নগদ অর্থ প্রদানসহ ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার আশ্বাসে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাওয়ার সত্যতা পাওয়ায় রেজাউলকে কঠোরভাবে সতর্কবার্তা দেয় ইসি। কমিশন জানায়, রেজাউলের এই কর্মকাণ্ড ‘সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’ এর ৪(১) ও ১৮ বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি লক্ষ্মীপুর-৩ সংসদীয় আসনের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের একাডেমি রোড এলাকায় এক নারী ভোটারকে টাকা দান এবং ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট চান জামায়াতের প্রার্থী রেজাউল। এই ঘটনায় ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটির কাছে একটি লিখিত অভিযোগ করেন একই আসনের বিএনপি প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী সমন্বয়ক ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি। পরে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনে প্রতিবেদন জমা দেয় তদন্ত কমিটি।

সতর্কবার্তায় ইসি স্পষ্ট জানিয়েছে, ভবিষ্যতে পুনরায় আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর ৯১ক (৬গ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রার্থীর ওপর জরিমানা আরোপ, এমনকি তার প্রার্থিতা বাতিল করা হতে পারে।

প্রার্থীকে চিঠি দেওয়ার বিষয়ে লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা এস এম মেহেদী হাসান এবং সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ক্যাথোয়াইপ্রু মারমাকে শনিবার ও আজ রোববার বিকেলে একাধিকবার কল করেও সাড়া পাওয়া যায়নি।

Ad 300x250
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত