সংবাদ সম্মেলনে শিশির মনির
স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাত তিনটায় আদালত বসিয়ে যাকে ইচ্ছা তাকে সাজা দিতে চাওয়ার ইচ্ছা থেকেই বিচার বিভাগ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা থাকে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিচার বিভাগীয় সচিবালয় বাতিল ইস্যুতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘রাতে তিনটার সময় কিংবা বিকালে কিংবা সন্ধ্যার সময় আদালত বসিয়ে যাকে ইচ্ছা তাকে সাজা দেওয়ার যদি অভিপ্রায় থাকে, তবেই আইন মন্ত্রণালয় বিচার বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করতে চাইবে। আর যদি এই অভিপ্রায় কারও না থাকে, তাহলে সুপ্রিম কোর্ট বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ করবে। এখানে তো আইন মন্ত্রণালয়ের কোন ভূমিকা থাকার কথা নয়। যদি সরকারের বিরুদ্ধে আদেশ হয়, তাহলে সরকার আপিল করবে। কিন্ত বিচারককে পদোন্নতি দিবে না কেন?’
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের এই সদস্য বলেন, বদলি, ছুটি, পদোন্নতি ও শৃঙ্খলা- এই চারটি বিষয় সম্পূর্ণভাবে সুপ্রিম কোর্টের নিয়ন্ত্রণে থাকা উচিত। আইন মন্ত্রণালয়ের হাতে এসব ক্ষমতা থাকলে অধস্তন আদালত স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবে না।
বিচার বিভাগের স্বাধীনতার পথ রুদ্ধ করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিচার বিভাগীয় সচিবালয় বাতিলের মাধ্যমে জনগণের আস্থার জায়গাটি ধ্বংস করা হয়েছে। এর ফলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার পথ রুদ্ধ করা হয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকে বিচার বিভাগকে স্বাধীন করার নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও বাকশাল ও সামরিক শাসনের কারণে তা বাস্তবায়িত হয়নি।
শিশির মনির বলেন, নিম্ন আদালতের বিচারকদের নিয়োগ এখন স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় হলেও তাদের বদলি, ছুটি, পদোন্নতি ও শৃঙ্খলাবিষয়ক ক্ষমতা আইন মন্ত্রণালয়ের হাতে থাকায় স্বাধীনভাবে কাজ করা সম্ভব হয় না। বিচারকদের ওপর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ থাকলে তারা স্বাধীনভাবে রায় দিতে পারেন না। এ সমস্যা সমাধানে প্রধান বিচারপতির অধীনে স্বাধীন বিচার বিভাগীয় সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল, যেখানে ১৫ জন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাও নিয়োগ পেয়েছিলেন।
তিনি বলেন, জুলাই জাতীয় সনদের ৩৬ নম্বর অনুচ্ছেদে বিএনপিসহ প্রায় সব রাজনৈতিক দল স্বাধীন বিচার বিভাগীয় সচিবালয়ের পক্ষে মত দিয়েছিল। এমনকি তৎকালীন অ্যাটর্নি জেনারেল, বর্তমান আইনমন্ত্রীও আদালতে হলফনামা দিয়ে সচিবালয় প্রতিষ্ঠায় সরকারের আপত্তি নেই বলে জানিয়েছিলেন। কিন্তু এখন সেই সচিবালয়ই বাতিল করা হয়েছে।
শিশির মনির বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সর্বদা স্বাধীন বিচার বিভাগের পক্ষে। আমরা মনে করি বিচারকদের বদলি, ছুটি, পদোন্নতি আইন মন্ত্রণালয় হাতে থাকা উচিত নয়। এটা সম্পূর্ণভাবে সুপ্রিম কোর্টের কাছে থাকা উচিত।’
তিনি বলেন, বাতিল হওয়া আইনে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন কমিটির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং ৫০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদনের ক্ষমতাও ছিল। এ ছাড়া বিচারকের সংখ্যা বাড়ানোর ক্ষমতাও সুপ্রিম কোর্টকে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এসব ক্ষমতাও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে দেশে প্রায় ২ হাজার বিচারক বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ, এহসানুল মাহবুব জোবায়ের, নির্বাহী পরিষদের সদস্য মোবারক হোসাইন, মহানগর উত্তরের প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক আতাউর রহমান সরকার।

রাত তিনটায় আদালত বসিয়ে যাকে ইচ্ছা তাকে সাজা দিতে চাওয়ার ইচ্ছা থেকেই বিচার বিভাগ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা থাকে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিচার বিভাগীয় সচিবালয় বাতিল ইস্যুতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘রাতে তিনটার সময় কিংবা বিকালে কিংবা সন্ধ্যার সময় আদালত বসিয়ে যাকে ইচ্ছা তাকে সাজা দেওয়ার যদি অভিপ্রায় থাকে, তবেই আইন মন্ত্রণালয় বিচার বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করতে চাইবে। আর যদি এই অভিপ্রায় কারও না থাকে, তাহলে সুপ্রিম কোর্ট বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ করবে। এখানে তো আইন মন্ত্রণালয়ের কোন ভূমিকা থাকার কথা নয়। যদি সরকারের বিরুদ্ধে আদেশ হয়, তাহলে সরকার আপিল করবে। কিন্ত বিচারককে পদোন্নতি দিবে না কেন?’
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের এই সদস্য বলেন, বদলি, ছুটি, পদোন্নতি ও শৃঙ্খলা- এই চারটি বিষয় সম্পূর্ণভাবে সুপ্রিম কোর্টের নিয়ন্ত্রণে থাকা উচিত। আইন মন্ত্রণালয়ের হাতে এসব ক্ষমতা থাকলে অধস্তন আদালত স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবে না।
বিচার বিভাগের স্বাধীনতার পথ রুদ্ধ করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিচার বিভাগীয় সচিবালয় বাতিলের মাধ্যমে জনগণের আস্থার জায়গাটি ধ্বংস করা হয়েছে। এর ফলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার পথ রুদ্ধ করা হয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকে বিচার বিভাগকে স্বাধীন করার নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও বাকশাল ও সামরিক শাসনের কারণে তা বাস্তবায়িত হয়নি।
শিশির মনির বলেন, নিম্ন আদালতের বিচারকদের নিয়োগ এখন স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় হলেও তাদের বদলি, ছুটি, পদোন্নতি ও শৃঙ্খলাবিষয়ক ক্ষমতা আইন মন্ত্রণালয়ের হাতে থাকায় স্বাধীনভাবে কাজ করা সম্ভব হয় না। বিচারকদের ওপর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ থাকলে তারা স্বাধীনভাবে রায় দিতে পারেন না। এ সমস্যা সমাধানে প্রধান বিচারপতির অধীনে স্বাধীন বিচার বিভাগীয় সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল, যেখানে ১৫ জন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাও নিয়োগ পেয়েছিলেন।
তিনি বলেন, জুলাই জাতীয় সনদের ৩৬ নম্বর অনুচ্ছেদে বিএনপিসহ প্রায় সব রাজনৈতিক দল স্বাধীন বিচার বিভাগীয় সচিবালয়ের পক্ষে মত দিয়েছিল। এমনকি তৎকালীন অ্যাটর্নি জেনারেল, বর্তমান আইনমন্ত্রীও আদালতে হলফনামা দিয়ে সচিবালয় প্রতিষ্ঠায় সরকারের আপত্তি নেই বলে জানিয়েছিলেন। কিন্তু এখন সেই সচিবালয়ই বাতিল করা হয়েছে।
শিশির মনির বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সর্বদা স্বাধীন বিচার বিভাগের পক্ষে। আমরা মনে করি বিচারকদের বদলি, ছুটি, পদোন্নতি আইন মন্ত্রণালয় হাতে থাকা উচিত নয়। এটা সম্পূর্ণভাবে সুপ্রিম কোর্টের কাছে থাকা উচিত।’
তিনি বলেন, বাতিল হওয়া আইনে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন কমিটির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং ৫০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদনের ক্ষমতাও ছিল। এ ছাড়া বিচারকের সংখ্যা বাড়ানোর ক্ষমতাও সুপ্রিম কোর্টকে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এসব ক্ষমতাও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে দেশে প্রায় ২ হাজার বিচারক বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ, এহসানুল মাহবুব জোবায়ের, নির্বাহী পরিষদের সদস্য মোবারক হোসাইন, মহানগর উত্তরের প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক আতাউর রহমান সরকার।

বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যকে দায়িত্বজ্ঞানহীন, অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আখ্যা দিয়ে এর প্রতিবাদ জানিয়েছে বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
২১ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় রহিত করা এবং সেখানে পদায়িত বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের প্রত্যাহার করার সরকারি সিদ্ধান্তকে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে অভিহিত করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
১ দিন আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) অনেকেই নাম লেখাচ্ছেন। যোগদানের হিড়িক পড়েছে বলা চলে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন থেকে গণহারে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ছাত্র নেতৃত্বে আসায় আলোচনা-সমালোচনার জন্ম হয়েছে। আগতদের বিশদ জানতে বাছাই কমিটিও করেছে এনসিপি।
২ দিন আগে
বর্তমান সরকার দঙ্গলবাজি দমাতে ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন। সোমবার (১৮ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্য এলাকায় এক বিক্ষোভ সমাবেশে সংগঠনটির নেতারা এমন মন্তব্য করেন।
৩ দিন আগে