স্ট্রিম প্রতিবেদক

জ্বালানি ও সারের দাম বৃদ্ধিতে উৎপাদন ব্যয় বাড়লেও ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন কৃষক। গণসংহতি আন্দোলন আয়োজিত এক প্রাক-বাজেট আলোচনায় এই সংকট কাটাতে আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কৃষি খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি কৃষকের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে রূপরেখার দাবিও জানিয়েছেন বিশ্লেষক ও আলোচকেরা।
শনিবার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত ‘জনবান্ধব বাজেট: ভাবনা ও প্রত্যাশা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় এই তাগিদ দেওয়া হয়। এই প্রাক-বাজেট আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন আব্দুর রশিদ নিলু।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোরশেদা সুলতানা বাজেট প্রণয়নে সুস্পষ্ট উন্নয়ন দর্শনের তাগিদ দিয়ে বলেন, দেশের বর্তমান বাস্তবতায় মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষের জীবনমান রক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত। কিন্তু আসন্ন বাজেটে সেই দিকটি স্পষ্ট নয়।
জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের ভর্তুকি নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘চলতি বাজেটে পেট্রোবাংলা ২৭ হাজার কোটি টাকা এবং বিদ্যুৎ বিভাগ ক্যাপাসিটি চার্জ বাবদ প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি চেয়েছে। প্রায় এক লাখ কোটি টাকার এই ভর্তুকি প্রকৃতপক্ষে সাধারণ গ্রাহকদের কল্যাণে ব্যয় হচ্ছে, নাকি বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে চলে যাচ্ছে—তা ভেবে দেখা দরকার।
উন্নয়নকর্মী বরকত উল্লাহ মারুফ বলেন, কৃষক যে খরচ করে ফসল উৎপাদন করেন, সেই অনুযায়ী দাম পান না। প্রকৃত অর্থে কৃষকরাই ভর্তুকি দিয়ে দেশের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করছেন। কিন্তু কোনো সরকারই কৃষকের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে পারেনি।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা ফেলো শামীম আহমেদ শিবলী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটের কারণে জ্বালানি ও সারের দাম আরও বাড়তে পারে। এতে ভর্তুকির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হবে। তবে এই চাপ যেন কৃষকের ওপর না পড়ে, সে বিষয়ে সরকারকে সতর্ক থাকতে হবে।
বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে সারের দামের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, সারের দাম বাড়ানো বা ভর্তুকি কমানো হলে কৃষকের উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাবে। এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির মাধ্যমে ভোক্তাদের ওপর পড়বে। এ পরিস্থিতিতে ভর্তুকির চাপ কমাতে জি-টু-জি ভিত্তিতে রাশিয়া থেকে সার আমদানির উদ্যোগ বিবেচনা করা হচ্ছে।
গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা আবু হাসান রুবেল বলেন, নতুন সরকারের প্রতি জনগণের প্রত্যাশা অনেক, কিন্তু টেকসই অর্থনৈতিক সংস্কার ছাড়া সেই প্রত্যাশা পূরণ সম্ভব নয়। বাজেটে সংস্কারের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা থাকা প্রয়োজন।

জ্বালানি ও সারের দাম বৃদ্ধিতে উৎপাদন ব্যয় বাড়লেও ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন কৃষক। গণসংহতি আন্দোলন আয়োজিত এক প্রাক-বাজেট আলোচনায় এই সংকট কাটাতে আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কৃষি খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি কৃষকের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে রূপরেখার দাবিও জানিয়েছেন বিশ্লেষক ও আলোচকেরা।
শনিবার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত ‘জনবান্ধব বাজেট: ভাবনা ও প্রত্যাশা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় এই তাগিদ দেওয়া হয়। এই প্রাক-বাজেট আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন আব্দুর রশিদ নিলু।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোরশেদা সুলতানা বাজেট প্রণয়নে সুস্পষ্ট উন্নয়ন দর্শনের তাগিদ দিয়ে বলেন, দেশের বর্তমান বাস্তবতায় মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষের জীবনমান রক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত। কিন্তু আসন্ন বাজেটে সেই দিকটি স্পষ্ট নয়।
জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের ভর্তুকি নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘চলতি বাজেটে পেট্রোবাংলা ২৭ হাজার কোটি টাকা এবং বিদ্যুৎ বিভাগ ক্যাপাসিটি চার্জ বাবদ প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি চেয়েছে। প্রায় এক লাখ কোটি টাকার এই ভর্তুকি প্রকৃতপক্ষে সাধারণ গ্রাহকদের কল্যাণে ব্যয় হচ্ছে, নাকি বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে চলে যাচ্ছে—তা ভেবে দেখা দরকার।
উন্নয়নকর্মী বরকত উল্লাহ মারুফ বলেন, কৃষক যে খরচ করে ফসল উৎপাদন করেন, সেই অনুযায়ী দাম পান না। প্রকৃত অর্থে কৃষকরাই ভর্তুকি দিয়ে দেশের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করছেন। কিন্তু কোনো সরকারই কৃষকের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে পারেনি।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা ফেলো শামীম আহমেদ শিবলী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটের কারণে জ্বালানি ও সারের দাম আরও বাড়তে পারে। এতে ভর্তুকির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হবে। তবে এই চাপ যেন কৃষকের ওপর না পড়ে, সে বিষয়ে সরকারকে সতর্ক থাকতে হবে।
বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে সারের দামের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, সারের দাম বাড়ানো বা ভর্তুকি কমানো হলে কৃষকের উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাবে। এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির মাধ্যমে ভোক্তাদের ওপর পড়বে। এ পরিস্থিতিতে ভর্তুকির চাপ কমাতে জি-টু-জি ভিত্তিতে রাশিয়া থেকে সার আমদানির উদ্যোগ বিবেচনা করা হচ্ছে।
গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা আবু হাসান রুবেল বলেন, নতুন সরকারের প্রতি জনগণের প্রত্যাশা অনেক, কিন্তু টেকসই অর্থনৈতিক সংস্কার ছাড়া সেই প্রত্যাশা পূরণ সম্ভব নয়। বাজেটে সংস্কারের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা থাকা প্রয়োজন।

ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে মিত্র রাজনৈতিক দল ও জোটকে নিয়েই ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার (২০ জুলাই) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় শরিক দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে এই প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
১৫ ঘণ্টা আগে
ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে মিত্র রাজনৈতিক দল ও জোটের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টা ২৭ মিনিটে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে আমন্ত্রিত নেতাদের জন্য রাখা উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে নির্দিষ্ট স্থানে আসেন তিনি।
১৭ ঘণ্টা আগে
সরকার গঠনের প্রায় পাঁচ মাস পর যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর সঙ্গে বসছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই বৈঠক হবে।
১৯ জুলাই ২০২৬
কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলের নেতাকর্মীর নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার বিধান সংযোজনের দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিধিমালা সংশোধনে দলটির পক্ষ থেকে মতামত জানিয়ে এটিসহ ৯ দফা দাবির চিঠি নির্বাচন কমিশনে (ইসি) দেওয়া হয়েছে।
১৯ জুলাই ২০২৬