leadT1ad

নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনের বিষয়ে জানতে সমাবেশে চট্টগ্রামবাসী

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
চট্টগ্রাম

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১৯: ৪০
চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ডে তারেক রহমানের সমাবেশ। সংগৃহীত ছবি

চট্টগ্রামে দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতার সমস্যায় ভুগছেন নগরবাসী। আকাশে মেঘ জমলেই তাঁদের মনে জেগে ওঠে শহর ডোবার ভয়। তাই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কেন্দ্র করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নেতার দিকে তাকিয়ে আছেন ভোটারেরা। নির্বাচনী সমাবেশে তারেক রহমানের কাছে জলাবদ্ধতা নিরসনে সুস্পষ্ট প্রস্তাবনা ও কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশিত তাঁদের।

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সমাবেশকে ঘিরে আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকাল থেকেই চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ডে নেমে আসে জনস্রোত। নেতাকর্মীর সঙ্গে জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানের কথা শুনতেই সমাবেশে এসেছিলেন সাধারণ মানুষ।

নগরীর মুরাদপুর এলাকার বাসিন্দা রেজাউল করিম রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি জড়িত না হলেও তারেক রহমানের বক্তব্য শুনতে পলোগ্রাউন্ড এলাকায় এসেছিলেন। তারেক রহমানের কাছে প্রত্যাশার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বর্ষা এলেই শহরের চারপাশ ডুবে যায়। সামান্য বৃষ্টিতেই কোমর সমান পানি উঠে যায় রাস্তায় মধ্যে। এ বছর কিছুটা কমলেও স্থায়ী সমাধান হয়নি। আমরা জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান চাই।’

চট্টগ্রাম নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) দুটি, সিটি করপোরেশন (চসিক) একটি, পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এসব প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৪ হাজার ৩৮৯ কোটি টাকা। চারটি মেগা প্রকল্পের কাজ চলছে কয়েক বছর ধরে চললেও এই সমস্যা থেকে মুক্তি মিলছে না নগরবাসীর।

এদিকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) তথ্য অনুযায়ী, রাজনৈতিক বিরোধে চট্টগ্রামে গত ১৩ মাসে খুন হয়েছেন ১৫ জন। এর মধ্যে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলেই ১০ জন খুন হয়েছেন। এছাড়া গত সোমবার (১৯ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সালিমপুর এলাকায় অভিযানের সময় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) এক কর্মকর্তাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। এসব ঘটনায় সন্ত্রাসমুক্ত নগরীতে চাইছেন ভোটারেরা।

জেলার রাঙ্গুনিয়া থেকে সমাবেশে আসা বিএনপি কর্মী গোলাম মাওলা মুরাদ বলেন, ‘আমার চাওয়া সন্ত্রাসমুক্ত চট্টগ্রাম। কৃষক, খেটে খাওয়া মানুষের জন্য বিশেষ কিছু।’

রাঙামাটি থেকে বিভাগীয় নগরীতে সমাবেশে এসেছিলেন ধীপেন দেওয়ান। তিনি বলেন, ‘আমরা রাঙামাটিতে নিরাপত্তা চাই। শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান।’

নগর সরকার চান সিটি মেয়র

নগর সেবা ব্যবস্থায় সমন্বয়হীনতার কথা তুলে ধরে ‘নগর সরকার’ চান চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। স্ট্রিমকে তিনি বলেন, একেক সংস্থা একেকভাবে কাজ করে। কোনো সমন্বয় নেই। এতে শেষ পর্যন্ত নাগরিকরাই ভোগেন। সমন্বয় হবে তখনই, যখন নির্বাচিত ব্যবস্থার মধ্যে আইনগত কর্তৃত্ব দেওয়া হবে।’

মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘সিটি করপোরেশনের মেয়র জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন। সুতরাং সিটি করপোরেশনের মাধ্যমে নগর সরকার গঠনের কোনো বিকল্প নেই। আমি চেয়ারম্যান মহোদয়কে বলেছি, বিএনপি ক্ষমতায় এলে অবশ্যই যেন নগর সরকার গঠনের উদ্যোগ নিয়ে সেটা বাস্তবায়ন করা হয়।’

Ad 300x250
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত