স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থানের কড়া সমালোচনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেন, আমরা যে জাতীয়তাবাদী শক্তি হিসেবে বিএনপিকে চিনতাম, সেই বিএনপিকে এখন চিনতে পারছি না। ক্ষমতায় আছে একজন। কিন্তু দেশ কে চালাচ্ছে, তা বোঝা যাচ্ছে না।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এনসিপির বিশেষ আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন আসিফ মাহমুদ। তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে এক অদ্ভুত পরিস্থিতি বিরাজ করছে। যারা অতীতে জিয়াউর রহমানকে ‘রাজাকার’ বলেছেন কিংবা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন, তাদের সঙ্গেই এখন বিএনপির জোট। এই দৃশ্যপট আমাদের কাছে অত্যন্ত অস্বাভাবিক মনে হচ্ছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক এই উপদেষ্টা বলেন, আমাদের বারবার বলা হয়েছিল– নির্বাচিত সরকার আসলে সব সমস্যার সমাধান হবে। কিন্তু ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে এখন পর্যন্ত তারা কোনো সাফল্য দেখাতে পারেনি। ইশতেহার বাস্তবায়নের নামে যা হচ্ছে, তা কেবল লোক দেখানো ‘পাইলট প্রজেক্ট’ ছাড়া আর কিছুই নয়।
জনদুর্ভোগের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ঈদের সময় আমরা ভয়াবহ অব্যবস্থাপনা দেখেছি। গণপরিবহনে দুই থেকে তিন গুণ অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হয়েছে। অথচ সরকার তা পুরোপুরি অস্বীকার করে জনগণকে মিথ্যাবাদী বলেছে।
আসিফ মাহমুদ বলেন, বর্তমানে জ্বালানি তেলের যে সংকট, তা কৃত্রিম। দুই মাসের তেল মজুদ থাকার কথা থাকলেও সরকার সিন্ডিকেটকে সুবিধা দিতে অভিযান চালাচ্ছে না। এর পেছনে মন্ত্রী ও অসাধু ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগসাজশ রয়েছে।
স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় প্রশাসক নিয়োগের প্রতিবাদ তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিরা পালিয়ে যাওয়ার পর যে অধ্যাদেশ হয়েছিল, তাকে অপব্যবহার করে এখন নিজেদের ক্যাডারদের প্রশাসক হিসেবে বসানো হচ্ছে। মেয়রের চেয়ারে বসে কেউ যদি ইলেকশন করে, সেখানে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ থাকার প্রশ্নই ওঠে না। এটি গণতন্ত্রকে কবর দেওয়ার শামিল।
সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, যাদের গণতন্ত্রের আইকন বলা হয়, তারাই আজ প্রশাসক নিয়োগের মাধ্যমে গণতন্ত্রকে ভূলুণ্ঠিত করছেন। মনে হচ্ছে, তাদের এই লড়াই কেবল ক্ষমতার জন্য ছিল, গণতন্ত্রের জন্য নয়। ক্ষমতা যাঁর হাতে থাকে, তাঁর কাছে গণতন্ত্রের আর প্রয়োজন থাকে না।
আলোচনা সভায় এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা সারোয়ার তুষার, যুবশক্তির আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থানের কড়া সমালোচনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেন, আমরা যে জাতীয়তাবাদী শক্তি হিসেবে বিএনপিকে চিনতাম, সেই বিএনপিকে এখন চিনতে পারছি না। ক্ষমতায় আছে একজন। কিন্তু দেশ কে চালাচ্ছে, তা বোঝা যাচ্ছে না।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এনসিপির বিশেষ আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন আসিফ মাহমুদ। তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে এক অদ্ভুত পরিস্থিতি বিরাজ করছে। যারা অতীতে জিয়াউর রহমানকে ‘রাজাকার’ বলেছেন কিংবা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন, তাদের সঙ্গেই এখন বিএনপির জোট। এই দৃশ্যপট আমাদের কাছে অত্যন্ত অস্বাভাবিক মনে হচ্ছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক এই উপদেষ্টা বলেন, আমাদের বারবার বলা হয়েছিল– নির্বাচিত সরকার আসলে সব সমস্যার সমাধান হবে। কিন্তু ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে এখন পর্যন্ত তারা কোনো সাফল্য দেখাতে পারেনি। ইশতেহার বাস্তবায়নের নামে যা হচ্ছে, তা কেবল লোক দেখানো ‘পাইলট প্রজেক্ট’ ছাড়া আর কিছুই নয়।
জনদুর্ভোগের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ঈদের সময় আমরা ভয়াবহ অব্যবস্থাপনা দেখেছি। গণপরিবহনে দুই থেকে তিন গুণ অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হয়েছে। অথচ সরকার তা পুরোপুরি অস্বীকার করে জনগণকে মিথ্যাবাদী বলেছে।
আসিফ মাহমুদ বলেন, বর্তমানে জ্বালানি তেলের যে সংকট, তা কৃত্রিম। দুই মাসের তেল মজুদ থাকার কথা থাকলেও সরকার সিন্ডিকেটকে সুবিধা দিতে অভিযান চালাচ্ছে না। এর পেছনে মন্ত্রী ও অসাধু ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগসাজশ রয়েছে।
স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় প্রশাসক নিয়োগের প্রতিবাদ তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিরা পালিয়ে যাওয়ার পর যে অধ্যাদেশ হয়েছিল, তাকে অপব্যবহার করে এখন নিজেদের ক্যাডারদের প্রশাসক হিসেবে বসানো হচ্ছে। মেয়রের চেয়ারে বসে কেউ যদি ইলেকশন করে, সেখানে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ থাকার প্রশ্নই ওঠে না। এটি গণতন্ত্রকে কবর দেওয়ার শামিল।
সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, যাদের গণতন্ত্রের আইকন বলা হয়, তারাই আজ প্রশাসক নিয়োগের মাধ্যমে গণতন্ত্রকে ভূলুণ্ঠিত করছেন। মনে হচ্ছে, তাদের এই লড়াই কেবল ক্ষমতার জন্য ছিল, গণতন্ত্রের জন্য নয়। ক্ষমতা যাঁর হাতে থাকে, তাঁর কাছে গণতন্ত্রের আর প্রয়োজন থাকে না।
আলোচনা সভায় এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা সারোয়ার তুষার, যুবশক্তির আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সরকার আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছে বলে দাবি করেছেন জাতীয় নারী শক্তির সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতু। তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী লীগ দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। এখন সেই জায়গা বিএনপি দখল করেছে।
৫ ঘণ্টা আগে
দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, মুক্তির মঞ্জিলের আন্দোলন গন্তব্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমরা থামব না।
২৫ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সৈকত আরিফ। আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ফারহানা মানিক মুনা। শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুই দিনব্যাপী সম্মেলন শেষে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির তথ্য জানানো হয়েছে।
২৫ জুলাই ২০২৬
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ছেড়েছে খেলাফত মজলিস। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
২৫ জুলাই ২০২৬