মিরহাজুল শিবলী

রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে প্রতিনিধির মাধ্যমে তিনি স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ায় সংবিধান অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
সংবিধানের ১২৩ (২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। সংবিধানের ৪৮ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ আলোচনার মধ্যেই বিএনপি প্রস্তুতি সেরে রেখেছে। পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দলটির হাইকমান্ড সিনিয়র চার নেতাকে বিবেচনা করছে। তাঁরা হলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান ও নজরুল ইসলাম খান।
নেতারা বলছেন, শুধু জ্যেষ্ঠতা নয়, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক ভারসাম্য, দলীয় নেতৃত্বের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, সংসদীয় সমীকরণ, প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা এবং আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতার মতো বিষয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আন্দোলনের মুখ মির্জা ফখরুল
গত দেড় দশকের বেশি সময় ধরে বিএনপির সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রধান মুখ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আন্দোলন-সংগ্রাম, নির্বাচন, সংলাপ কিংবা আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক– সবক্ষেত্রে তিনি দলের মুখপাত্রের ভূমিকা পালন করছেন।
তৃণমূল রাজনীতি থেকে উঠে আসা মির্জা ফখরুল দীর্ঘদিন সরকারি কলেজে অর্থনীতির শিক্ষক ছিলেন। ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে সরকারি চাকরি এবং জিয়াউর রহমানের আমলে উপপ্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
২০০১ সালে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে প্রথমে কৃষি প্রতিমন্ত্রী এবং পরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
দলীয় নেতাকর্মীর একটি বড় অংশ মনে করেন, দীর্ঘ আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া এবং দলীয় গ্রহণযোগ্যতার কারণে রাষ্ট্রপতি পদের জন্য তিনি অন্যতম যোগ্য। রাজনীতির বাইরেও সুশীল সমাজ ও তরুণদের একটি অংশের মধ্যেও তাঁর গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। রাষ্ট্রপতি হলে মির্জা ফখরুলকে সক্রিয় দলীয় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াতে হবে। ফলে তাঁর সম্ভাবনা নিয়ে দলে ভিন্নমতও রয়েছে।
প্রশাসনিক অভিজ্ঞতায় এগিয়ে মোশাররফ
ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন শিক্ষাবিদ ও অভিজ্ঞ রাজনীতিক। তিনি লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি এবং ইম্পেরিয়াল কলেজ থেকে ডিআইসি ডিগ্রি অর্জন করেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রবাসে বাংলাদেশের পক্ষে জনমত গঠনে ভূমিকা রাখেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৯৪ সাল থেকে খন্দকার মোশাররফ বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য। কুমিল্লা-২ আসন থেকে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ, স্বরাষ্ট্র এবং স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন।
আন্তর্জাতিক যোগাযোগে মঈন খান
ড. আবদুল মঈন খান বিএনপির উদারপন্থী ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পরিচিত মুখ। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষালাভ করা এই রাজনীতিক দীর্ঘদিন বিদেশি কূটনীতিক ও আন্তর্জাতিক মহলের সঙ্গে বিএনপির যোগাযোগ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের সাবেক অধ্যাপক মঈন খান ১৯৯১ সালে প্রথম নরসিংদী-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী, তথ্যমন্ত্রী এবং বিজ্ঞান ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর বাবা আবদুল মোমেন খান মন্ত্রিপরিষদ সচিব ছিলেন এবং পরে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভায় খাদ্যমন্ত্রী ছিলেন।
শ্রমিক নেতা থেকে শীর্ষ নেতৃত্বে নজরুল ইসলাম
ছাত্র, শ্রমিক ও জাতীয় রাজনীতিতে পাঁচ দশকের অভিজ্ঞতা রয়েছে নজরুল ইসলাম খানের। বর্তমানে তিনি প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে জয়দেবপুর সর্বদলীয় মুক্তিসংগ্রাম পরিষদের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন নজরুল ইসলাম খান। পরে শ্রমিক রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন তিনি।
২০০১-২০০৬ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের সময়ে কুয়েতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। ২০১৮ এবং ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন।
দলীয় নেতাদের ভাষ্যে, বর্তমানে ড. খন্দকার মোশাররফ ও মঈন খান শুধু সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অভিজ্ঞতা ও বয়স অনুযায়ী তাদের গুরুত্বপূর্ণ কোনো দায়িত্বে না রাখাকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিবেচনার ইঙ্গিত দেয়।
বিএনপির এক কেন্দ্রীয় নেতা নাম প্রকাশ না করে বলেন, রাষ্ট্রপতির দৌড়ে সাবেক সচিবের নাম আলোচনায় রয়েছে। তবে আমার ধারণা, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় দল একজন অভিজ্ঞ নেতাকেই রাষ্ট্রপতি পদে বসাবে। কারণ, এই পদে দায়িত্ব পালনের মতো যোগ্য মানুষের অভাব বিএনপিতে নেই।

রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে প্রতিনিধির মাধ্যমে তিনি স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ায় সংবিধান অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
সংবিধানের ১২৩ (২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। সংবিধানের ৪৮ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ আলোচনার মধ্যেই বিএনপি প্রস্তুতি সেরে রেখেছে। পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দলটির হাইকমান্ড সিনিয়র চার নেতাকে বিবেচনা করছে। তাঁরা হলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান ও নজরুল ইসলাম খান।
নেতারা বলছেন, শুধু জ্যেষ্ঠতা নয়, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক ভারসাম্য, দলীয় নেতৃত্বের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, সংসদীয় সমীকরণ, প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা এবং আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতার মতো বিষয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আন্দোলনের মুখ মির্জা ফখরুল
গত দেড় দশকের বেশি সময় ধরে বিএনপির সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রধান মুখ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আন্দোলন-সংগ্রাম, নির্বাচন, সংলাপ কিংবা আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক– সবক্ষেত্রে তিনি দলের মুখপাত্রের ভূমিকা পালন করছেন।
তৃণমূল রাজনীতি থেকে উঠে আসা মির্জা ফখরুল দীর্ঘদিন সরকারি কলেজে অর্থনীতির শিক্ষক ছিলেন। ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে সরকারি চাকরি এবং জিয়াউর রহমানের আমলে উপপ্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
২০০১ সালে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে প্রথমে কৃষি প্রতিমন্ত্রী এবং পরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
দলীয় নেতাকর্মীর একটি বড় অংশ মনে করেন, দীর্ঘ আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া এবং দলীয় গ্রহণযোগ্যতার কারণে রাষ্ট্রপতি পদের জন্য তিনি অন্যতম যোগ্য। রাজনীতির বাইরেও সুশীল সমাজ ও তরুণদের একটি অংশের মধ্যেও তাঁর গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। রাষ্ট্রপতি হলে মির্জা ফখরুলকে সক্রিয় দলীয় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াতে হবে। ফলে তাঁর সম্ভাবনা নিয়ে দলে ভিন্নমতও রয়েছে।
প্রশাসনিক অভিজ্ঞতায় এগিয়ে মোশাররফ
ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন শিক্ষাবিদ ও অভিজ্ঞ রাজনীতিক। তিনি লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি এবং ইম্পেরিয়াল কলেজ থেকে ডিআইসি ডিগ্রি অর্জন করেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রবাসে বাংলাদেশের পক্ষে জনমত গঠনে ভূমিকা রাখেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৯৪ সাল থেকে খন্দকার মোশাররফ বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য। কুমিল্লা-২ আসন থেকে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ, স্বরাষ্ট্র এবং স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন।
আন্তর্জাতিক যোগাযোগে মঈন খান
ড. আবদুল মঈন খান বিএনপির উদারপন্থী ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পরিচিত মুখ। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষালাভ করা এই রাজনীতিক দীর্ঘদিন বিদেশি কূটনীতিক ও আন্তর্জাতিক মহলের সঙ্গে বিএনপির যোগাযোগ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের সাবেক অধ্যাপক মঈন খান ১৯৯১ সালে প্রথম নরসিংদী-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী, তথ্যমন্ত্রী এবং বিজ্ঞান ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর বাবা আবদুল মোমেন খান মন্ত্রিপরিষদ সচিব ছিলেন এবং পরে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভায় খাদ্যমন্ত্রী ছিলেন।
শ্রমিক নেতা থেকে শীর্ষ নেতৃত্বে নজরুল ইসলাম
ছাত্র, শ্রমিক ও জাতীয় রাজনীতিতে পাঁচ দশকের অভিজ্ঞতা রয়েছে নজরুল ইসলাম খানের। বর্তমানে তিনি প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে জয়দেবপুর সর্বদলীয় মুক্তিসংগ্রাম পরিষদের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন নজরুল ইসলাম খান। পরে শ্রমিক রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন তিনি।
২০০১-২০০৬ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের সময়ে কুয়েতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। ২০১৮ এবং ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন।
দলীয় নেতাদের ভাষ্যে, বর্তমানে ড. খন্দকার মোশাররফ ও মঈন খান শুধু সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অভিজ্ঞতা ও বয়স অনুযায়ী তাদের গুরুত্বপূর্ণ কোনো দায়িত্বে না রাখাকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিবেচনার ইঙ্গিত দেয়।
বিএনপির এক কেন্দ্রীয় নেতা নাম প্রকাশ না করে বলেন, রাষ্ট্রপতির দৌড়ে সাবেক সচিবের নাম আলোচনায় রয়েছে। তবে আমার ধারণা, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় দল একজন অভিজ্ঞ নেতাকেই রাষ্ট্রপতি পদে বসাবে। কারণ, এই পদে দায়িত্ব পালনের মতো যোগ্য মানুষের অভাব বিএনপিতে নেই।

পৃথকভাবে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) । শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পরে এই সংবাদ সম্মেলন করতে যাচ্ছে সংসদের বিরোধী দুই দল।
১ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর পুত্র ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেনের ইমামতিতে জুমার নামাজ আদায়কে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে|
২ ঘণ্টা আগে
জনগণ জুলাই-পরবর্তী সময়ে যাদের হাতে দেশের ক্ষমতা দিয়েছে, তারা দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করেছে। এখন তাদের প্রধান কাজ অর্থনৈতিক অবস্থা সুশৃঙ্খল করা এবং রাজনৈতিক কাঠামো পুনর্গঠন করা।
৬ ঘণ্টা আগে