স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ সদস্য শপথ নিয়েছেন। রোববার (৩ মে) রাত ৯টার দিকে সংসদ ভবনে তাদের শপথবাক্য পাঠ করান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। এ সময় স্পিকারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গত ৩০ এপ্রিল সংরক্ষিত আসনে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৪৯ সংসদের নামে গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রকাশিত গেজেট বিএনপি জোট থেকে ৩৬, জামায়াতে ইসলামীর জোট থেকে ১২ এবং স্বতন্ত্র জোট থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে এক নারীর নাম রয়েছে।
তবে মনোনয়নপত্র বৈধ হলেও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুমের নামে গেজেট হয়নি। একই দলের আরেক যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন তাঁর মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণার বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে রিট করেছেন। এরপর তিনি আজ ইসিতে চিঠি দিয়ে এই রিটের নিষ্পত্তি পর্যন্ত নুসরাতের নামে গেজেট প্রকাশ না করার দাবি জানিয়েছেন।

বিএনপি জোট থেকে শপথ নিয়েছেন– সেলিমা রহমান, শিরীন সুলতানা, রাশেদা বেগম হীরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আরলী, ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, সাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলোফার চৌধুরী মনি, নিপুণ রায় চৌধুরী, জিবা আমিনা খান, মাহমুদা হাবীবা, মোসা. সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিনজ, সুবর্ণা সিকদার, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, মোসাম্মৎ শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বীথিকা বিনতে হোসাইন, সুরাইয়া জেরিন, মানসুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলো, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, সানজিদা ইয়াসমিন, নাদিয়া পাঠান পাপন, শওকত আরা আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা ও রেজেকা সুলতানা।
জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য থেকে শপথ নিয়েছেন– নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, মারজিয়া বেগম, সাবিকুন্নাহার, নাজমুন নাহার, মাহফুজা হান্নান, সাজেদা সামাদ, শামছুন্নাহার বেগম, মারদিয়া মমতাজ, রোকেয়া বেগম, ডা. মাহমুদা আলম মিতু, তাসমিয়া প্রধান ও মাহবুবা হাকিম। এ ছাড়া স্বতন্ত্র থেকে শপথ নিয়েছেন সুলতানা জেসমিন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ সদস্য শপথ নিয়েছেন। রোববার (৩ মে) রাত ৯টার দিকে সংসদ ভবনে তাদের শপথবাক্য পাঠ করান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। এ সময় স্পিকারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গত ৩০ এপ্রিল সংরক্ষিত আসনে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৪৯ সংসদের নামে গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রকাশিত গেজেট বিএনপি জোট থেকে ৩৬, জামায়াতে ইসলামীর জোট থেকে ১২ এবং স্বতন্ত্র জোট থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে এক নারীর নাম রয়েছে।
তবে মনোনয়নপত্র বৈধ হলেও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুমের নামে গেজেট হয়নি। একই দলের আরেক যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন তাঁর মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণার বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে রিট করেছেন। এরপর তিনি আজ ইসিতে চিঠি দিয়ে এই রিটের নিষ্পত্তি পর্যন্ত নুসরাতের নামে গেজেট প্রকাশ না করার দাবি জানিয়েছেন।

বিএনপি জোট থেকে শপথ নিয়েছেন– সেলিমা রহমান, শিরীন সুলতানা, রাশেদা বেগম হীরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আরলী, ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, সাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলোফার চৌধুরী মনি, নিপুণ রায় চৌধুরী, জিবা আমিনা খান, মাহমুদা হাবীবা, মোসা. সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিনজ, সুবর্ণা সিকদার, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, মোসাম্মৎ শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বীথিকা বিনতে হোসাইন, সুরাইয়া জেরিন, মানসুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলো, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, সানজিদা ইয়াসমিন, নাদিয়া পাঠান পাপন, শওকত আরা আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা ও রেজেকা সুলতানা।
জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য থেকে শপথ নিয়েছেন– নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, মারজিয়া বেগম, সাবিকুন্নাহার, নাজমুন নাহার, মাহফুজা হান্নান, সাজেদা সামাদ, শামছুন্নাহার বেগম, মারদিয়া মমতাজ, রোকেয়া বেগম, ডা. মাহমুদা আলম মিতু, তাসমিয়া প্রধান ও মাহবুবা হাকিম। এ ছাড়া স্বতন্ত্র থেকে শপথ নিয়েছেন সুলতানা জেসমিন।

মানবাধিকার কোনো বিশেষ দলের জন্য নয়, বরং এটি সবার জন্য সমান ও সর্বজনীন। যাঁরা ভিন্ন মতাদর্শ পোষণ করেন, তাঁদেরও মানবাধিকার পাওয়ার পূর্ণ অধিকার রয়েছে।
২২ মিনিট আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিগত ১৬ বছরের অভিজ্ঞতা আমাদের শিখিয়েছে যে গণমাধ্যমের ব্যর্থতা কীভাবে রাষ্ট্রে ফ্যাসিবাদের বিকাশের পথ প্রশস্ত করে। গুটিকয়েক সংবাদকর্মীর নির্লজ্জ তোষামোদি ও আপসের জন্য জাতিকে চরম মূল্য দিতে হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
সংরক্ষিত আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের নুসরাত তাবাসসুমের গেজেট প্রকাশ না করার অনুরোধ করেছেন জোটের আরেক প্রার্থী মনিরা শারমিন। রোববার (৩ মে) রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদনে এই অনুরোধ জানান তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে
সংস্কার ও জুলাই সনদ নিয়ে নির্বাচনের আগে বিএনপি জনগণের কাছে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তারা সেখান থেকে সরে গেছে। এভাবে চললে সরকার কর্তৃত্ববাদী হয়ে উঠবে। এজন্য জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বিএনপিকে বাধ্য করতে হবে।
৮ ঘণ্টা আগে