স্ট্রিম প্রতিবেদক

আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ‘অন্য আয়োজন’ দিয়ে জামায়াতকে হারানোর চেষ্টা করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।
শুক্রবার রংপুর মডেল কলেজ মিলনায়তনে রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের উপজেলা ও থানা আমিরদের সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কী হবে, তা আল্লাহ ভালো জানেন। কিন্তু মনে রাখতে হবে, ভোট যুদ্ধ করে নির্বাচনে জয়লাভ করতে হবে। এটাও মনে রাখবেন, টাকা খরচ করে কেউ কিছু করতে পারবে না। অন্য আয়োজন দিয়ে আমাদের হারানোর চেষ্টা করবে। গরিবদের ভুল বুঝবেন না। গরিবরা তাদের ঈমান বিক্রি করে না।
জামায়াত আমির আরও বলেন, ‘আমাদের লেনদেন, আচার-আচরণে আগের চেয়ে অনেক সতর্ক হতে হবে। মনে রাখবেন, এর আগে কেউ মনে করত না যে আপনারা ক্ষমতার প্রতিদ্বন্দ্বী হবেন। মনে করত, একটা ইনঅ্যাকটিভ দল হিসেবে এরা বেঁচে থাকবে। এখন অনেকে মনে করে আপনারা হবেন ক্ষমতার প্রতিদ্বন্দ্বী। কাজেই আপনাদের প্রত্যেককেই সার্চলাইট দিয়ে দেখা হবে। আপনাদের শরীরের একটা লোমও ওই লাইটের বাইরে থাকবে না। দুটি সার্চলাইট এখন আপনাদের দিকে তাক করা আছে, একটা আল্লাহ তায়ালার, আরেকটি জনগণের। এই দুইটাকে সমন্বয় করতে হবে।’
স্থানীয় আমিরদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আমরা আল্লাহর আইন চাই, সৎ লোকের শাসন চাই। কুরআনের আইন চাই—এ দাবি কেউ চায় না। তবে কিছু ইসলামী দল এ দাবি করে। দৃশ্যমান প্রধান-প্রধান দল এ দাবি করে না। তাদের গায়ের জামায় দাগ লাগলেও কেউ ঘাঁটাঘাঁটি করে না। মানুষ মনে করে, তারা তো এমনই। জামায়াতের দায়িত্বশীলের গায়ে কোনো দাগ লাগলে কেউ ছেড়ে কথা বলবে না।’
দায়িত্বশীলদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা সংগঠনের নিয়মিত কাজ এবং দাওয়াতি কাজ করেন। আমি ব্যতিক্রম কিছু জিনিস আপনাদের কাছে আমানত হিসেবে রেখে যাচ্ছি। সামনে স্থানীয় নির্বাচন আসতেছে। আল্লাহ তায়ালা এমন কিছু মানুষকে বন্ধু-সঙ্গী বানিয়ে দিয়েছেন, জীবনে কোনো দিন তারা আমাদেরকে ভোট দেয়নি, আমাদের মিছিল-মিটিংয়েও যায়নি। বরং, ক্ষেত্রবিশেষে আমাদের পোস্টার ছিঁড়েছে, আমাদের ব্যানার কেটে দিয়েছে, আমাদের মিছিলে আক্রমণ করেছে। এরকম বহু মানুষ জাতীয় নির্বাচনে আমাদের সঙ্গী হয়েছে। তাদের মধ্যে এমন যোগ্যতা হয়েছে, আল্লাহ তায়ালা সামাজিক যোগ্যতা দিয়েছেন, সেটা আমার মধ্যে নেই।’
নির্বাচকে একটি সামাজিক লড়াই উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সামনের নির্বাচনে এই লোকগুলোকে ইউনিয়নের মেম্বার থেকে সিটি করপোরেশনের মেয়র পর্যন্ত—এদের মধ্যে কোনো উপযুক্ত লোক থাকে, প্রতিভা থাকে, আস্তে করে হাতে ধরে তাকে ওখানে নিয়ে যেতে হবে। শর্ত মাত্র দুটো। একটা হলো হারামের সঙ্গে যুক্ত না হওয়া। আরেকটি হলো তিনি বদমেজাজি না হওয়া।’

আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ‘অন্য আয়োজন’ দিয়ে জামায়াতকে হারানোর চেষ্টা করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।
শুক্রবার রংপুর মডেল কলেজ মিলনায়তনে রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের উপজেলা ও থানা আমিরদের সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কী হবে, তা আল্লাহ ভালো জানেন। কিন্তু মনে রাখতে হবে, ভোট যুদ্ধ করে নির্বাচনে জয়লাভ করতে হবে। এটাও মনে রাখবেন, টাকা খরচ করে কেউ কিছু করতে পারবে না। অন্য আয়োজন দিয়ে আমাদের হারানোর চেষ্টা করবে। গরিবদের ভুল বুঝবেন না। গরিবরা তাদের ঈমান বিক্রি করে না।
জামায়াত আমির আরও বলেন, ‘আমাদের লেনদেন, আচার-আচরণে আগের চেয়ে অনেক সতর্ক হতে হবে। মনে রাখবেন, এর আগে কেউ মনে করত না যে আপনারা ক্ষমতার প্রতিদ্বন্দ্বী হবেন। মনে করত, একটা ইনঅ্যাকটিভ দল হিসেবে এরা বেঁচে থাকবে। এখন অনেকে মনে করে আপনারা হবেন ক্ষমতার প্রতিদ্বন্দ্বী। কাজেই আপনাদের প্রত্যেককেই সার্চলাইট দিয়ে দেখা হবে। আপনাদের শরীরের একটা লোমও ওই লাইটের বাইরে থাকবে না। দুটি সার্চলাইট এখন আপনাদের দিকে তাক করা আছে, একটা আল্লাহ তায়ালার, আরেকটি জনগণের। এই দুইটাকে সমন্বয় করতে হবে।’
স্থানীয় আমিরদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আমরা আল্লাহর আইন চাই, সৎ লোকের শাসন চাই। কুরআনের আইন চাই—এ দাবি কেউ চায় না। তবে কিছু ইসলামী দল এ দাবি করে। দৃশ্যমান প্রধান-প্রধান দল এ দাবি করে না। তাদের গায়ের জামায় দাগ লাগলেও কেউ ঘাঁটাঘাঁটি করে না। মানুষ মনে করে, তারা তো এমনই। জামায়াতের দায়িত্বশীলের গায়ে কোনো দাগ লাগলে কেউ ছেড়ে কথা বলবে না।’
দায়িত্বশীলদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা সংগঠনের নিয়মিত কাজ এবং দাওয়াতি কাজ করেন। আমি ব্যতিক্রম কিছু জিনিস আপনাদের কাছে আমানত হিসেবে রেখে যাচ্ছি। সামনে স্থানীয় নির্বাচন আসতেছে। আল্লাহ তায়ালা এমন কিছু মানুষকে বন্ধু-সঙ্গী বানিয়ে দিয়েছেন, জীবনে কোনো দিন তারা আমাদেরকে ভোট দেয়নি, আমাদের মিছিল-মিটিংয়েও যায়নি। বরং, ক্ষেত্রবিশেষে আমাদের পোস্টার ছিঁড়েছে, আমাদের ব্যানার কেটে দিয়েছে, আমাদের মিছিলে আক্রমণ করেছে। এরকম বহু মানুষ জাতীয় নির্বাচনে আমাদের সঙ্গী হয়েছে। তাদের মধ্যে এমন যোগ্যতা হয়েছে, আল্লাহ তায়ালা সামাজিক যোগ্যতা দিয়েছেন, সেটা আমার মধ্যে নেই।’
নির্বাচকে একটি সামাজিক লড়াই উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সামনের নির্বাচনে এই লোকগুলোকে ইউনিয়নের মেম্বার থেকে সিটি করপোরেশনের মেয়র পর্যন্ত—এদের মধ্যে কোনো উপযুক্ত লোক থাকে, প্রতিভা থাকে, আস্তে করে হাতে ধরে তাকে ওখানে নিয়ে যেতে হবে। শর্ত মাত্র দুটো। একটা হলো হারামের সঙ্গে যুক্ত না হওয়া। আরেকটি হলো তিনি বদমেজাজি না হওয়া।’

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন হলে কেউ আর স্বৈরাচার হতে পারবে না বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির মুজিবুর রহমান। বিএনপির উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, জনগণের বিরুদ্ধে গিয়ে কোনো সরকারই টিকতে পারেনি, আগামীতেও পারবে না।
১ ঘণ্টা আগে
বিএনপি ও জামায়াতের দূরত্ব সংঘাতে রূপ নিলে আওয়ামী লীগ সুফল পাবে বলে জানিয়েছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। শুক্রবার (১৫ মে) বিকেলে চট্টগ্রামের একটি মিলনায়তনে দলের সংগঠক সমাবেশে একথা জানান তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
দেশে সাম্প্রতিক হামের প্রাদুর্ভাবে শিশুদের প্রাণহানির ঘটনায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন। দলটির পক্ষ থেকে এই মৃত্যুকে ‘কাঠামোগত হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে অভিহিত করে এর জন্য বিএনপি সরকারের দায়ী করা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চট্টগ্রাম মহানগর শাখার ১৬৮ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে মীর মোহাম্মদ শোয়াইবকে আহ্বায়ক এবং আরিফ মঈনুদ্দিনকে সদস্যসচিব করা হয়েছে। আগামী ছয় মাসের জন্য এই কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে