স্ট্রিম প্রতিবেদক

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে কর্মসূচির ধরনে পরিবর্তন এনেছে দলটি। রাজনৈতিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাস্তাঘাট বন্ধ হওয়া এবং জনদুর্ভোগ সৃষ্টির যে চেনা চিত্র দেখা যেত, এবার তা পরিহার করে অনাড়ম্বর পরিবেশে দিনটি পালন করা হয়েছে।
এবারের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের দিনব্যাপী কর্মসূচি প্রসঙ্গে কথা বলেছেন বিএনপি সামগ্রী প্রদর্শনী ও বিক্রয় কেন্দ্রের পরিচালক মো. মানিক মিয়া। তিনি জানান, সকাল থেকেই ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, শ্রমিক দল, জাসাস, জিয়ামঞ্চসহ দলের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও এর আশপাশে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে।
মানিক মিয়া বলেন, এবার রান্না করা খাবারের বদলে অসচ্ছল মানুষের মধ্যে চাল-ডালসহ বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী, শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণ করা হয়েছে।
সাধারণ মানুষের সুবিধার কথা চিন্তা করে নেওয়া উদ্যোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আগে মাজার জিয়ারত বা বিভিন্ন কর্মসূচিতে অনেক রাস্তা ব্লক হতো। কিন্তু এবার শুধু জনদুর্ভোগের কথা চিন্তা করে কর্মসূচির ধরনে পরিবর্তন আনা হয়েছে। মানুষের চলাফেরার সুবিধার কথা মাথায় রেখেই রাস্তা ব্লক করা থেকে বিরত থাকা হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, দলের শীর্ষ নেতৃত্ব এখন ঢাকা শহরের ১৬টি স্পটে ঘুরে ঘুরে কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন, যেন কোনো একটি নির্দিষ্ট জায়গায় দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করার কারণে যানজট বা সাধারণ মানুষের ভোগান্তি সৃষ্টি না হয়।
জিয়ামঞ্চের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাহিদ রহমান পুতুল বলেন, আগে কর্মসূচির নামে জায়গায় জায়গায় মাইক বাজিয়ে চিৎকার-চেঁচামেচি করা হতো; যার পেছনে মূলত চাঁদাবাজির একটা সম্পর্ক থাকত।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, জনদুর্ভোগ যেন না হয় এ বিষয়ে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশ রয়েছে। এই অনাড়ম্বর ও শৃঙ্খল কর্মসূচি রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি নতুন ও সুন্দর রেওয়াজের সূচনা করেছে।
এবারের কর্মসূচির দিনে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে, রাস্তাঘাটে ব্যানার ও পোস্টার কম।
রাস্তাঘাটে চলাচলকারী সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে রিকশাচালকদের সঙ্গেও কথা বলে জানা যায়, শহীদ জিয়ার মৃত্যুবার্ষিকীর বিষয়টি তারা জানতেন। তবে অতীতে এ ধরনের দিবসে যেভাবে রাস্তা বন্ধ করে জনদুর্ভোগ তৈরি হতো, এবার তেমন কিছু না দেখেননি।
রিকশাচালক মোতালেব জানান, ঈদের ছুটি থাকলেও, এমন দিনে যানজটহীন থাকা কল্পনাতীত।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে কর্মসূচির ধরনে পরিবর্তন এনেছে দলটি। রাজনৈতিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাস্তাঘাট বন্ধ হওয়া এবং জনদুর্ভোগ সৃষ্টির যে চেনা চিত্র দেখা যেত, এবার তা পরিহার করে অনাড়ম্বর পরিবেশে দিনটি পালন করা হয়েছে।
এবারের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের দিনব্যাপী কর্মসূচি প্রসঙ্গে কথা বলেছেন বিএনপি সামগ্রী প্রদর্শনী ও বিক্রয় কেন্দ্রের পরিচালক মো. মানিক মিয়া। তিনি জানান, সকাল থেকেই ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, শ্রমিক দল, জাসাস, জিয়ামঞ্চসহ দলের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও এর আশপাশে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে।
মানিক মিয়া বলেন, এবার রান্না করা খাবারের বদলে অসচ্ছল মানুষের মধ্যে চাল-ডালসহ বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী, শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণ করা হয়েছে।
সাধারণ মানুষের সুবিধার কথা চিন্তা করে নেওয়া উদ্যোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আগে মাজার জিয়ারত বা বিভিন্ন কর্মসূচিতে অনেক রাস্তা ব্লক হতো। কিন্তু এবার শুধু জনদুর্ভোগের কথা চিন্তা করে কর্মসূচির ধরনে পরিবর্তন আনা হয়েছে। মানুষের চলাফেরার সুবিধার কথা মাথায় রেখেই রাস্তা ব্লক করা থেকে বিরত থাকা হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, দলের শীর্ষ নেতৃত্ব এখন ঢাকা শহরের ১৬টি স্পটে ঘুরে ঘুরে কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন, যেন কোনো একটি নির্দিষ্ট জায়গায় দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করার কারণে যানজট বা সাধারণ মানুষের ভোগান্তি সৃষ্টি না হয়।
জিয়ামঞ্চের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাহিদ রহমান পুতুল বলেন, আগে কর্মসূচির নামে জায়গায় জায়গায় মাইক বাজিয়ে চিৎকার-চেঁচামেচি করা হতো; যার পেছনে মূলত চাঁদাবাজির একটা সম্পর্ক থাকত।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, জনদুর্ভোগ যেন না হয় এ বিষয়ে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশ রয়েছে। এই অনাড়ম্বর ও শৃঙ্খল কর্মসূচি রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি নতুন ও সুন্দর রেওয়াজের সূচনা করেছে।
এবারের কর্মসূচির দিনে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে, রাস্তাঘাটে ব্যানার ও পোস্টার কম।
রাস্তাঘাটে চলাচলকারী সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে রিকশাচালকদের সঙ্গেও কথা বলে জানা যায়, শহীদ জিয়ার মৃত্যুবার্ষিকীর বিষয়টি তারা জানতেন। তবে অতীতে এ ধরনের দিবসে যেভাবে রাস্তা বন্ধ করে জনদুর্ভোগ তৈরি হতো, এবার তেমন কিছু না দেখেননি।
রিকশাচালক মোতালেব জানান, ঈদের ছুটি থাকলেও, এমন দিনে যানজটহীন থাকা কল্পনাতীত।

জ্বালানি ও সারের দাম বৃদ্ধিতে উৎপাদন ব্যয় বাড়লেও ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন কৃষক। গণসংহতি আন্দোলন আয়োজিত এক প্রাক-বাজেট আলোচনায় এই সংকট কাটাতে আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কৃষি খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির দাবি জানানো হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইসলামী ব্যাংক সবার ব্যাংক উল্লেখ করে গ্রহণযোগ্য কেউকে নিয়োগের পরামর্শ দিয়েছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু।
৬ ঘণ্টা আগে
তেল, গ্যাস, বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি ও সীমান্তে পুশইনের প্রতিবাদে আগামীকাল রোববার (৭ জুন) রাজধানীতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস।
৭ ঘণ্টা আগে
আগামী বাজেটে বরাদ্দ প্রতিটি পয়সা জনগণের কাজে ব্যয় হচ্ছে কিনা, তা নজরদারি করা হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। ফ্যামিলি কার্ডের অর্থসংস্থান কীভাবে হবে– সে প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।
১ দিন আগে