স্পোর্টস ডেস্ক

ব্রাজিল নেই, উরুগুয়ে নেই, কলম্বিয়া নেই। দক্ষিণ আমেরিকার অন্য প্রতিনিধিরাও কেউ গ্রুপ পর্বে, কেউ শেষ-৩২ এ বিদায় নিয়েছে। ব্রাজিল ও কলম্বিয়ার মতো দল বিদায় নিয়েছে শেষ-১৬ থেকেই। শেষ আট তো দূরের কথা, শেষ চারে লাতিন আমেরিকার একমাত্র প্রতিনিধি আর্জেন্টিনা।
লাতিন আমেরিকার ফুটবল ইতিহাসে এমন দৃশ্য খুব কমই দেখা গেছে। পুরো একটি মহাদেশের আশা-ভরসা একটি দেশের কাঁধে এসে পড়েছে।
তবে এটিকে শুধু ২০২৬ বিশ্বকাপের মনে করলে ভুল হবে। গত এক যুগ ধরেই এমন চিত্র। ব্রাজিল ধীরে ধীরে ইউরোপের বিপক্ষে ব্যর্থতার বৃত্তে আটকে গেছে। আর্জেন্টিনা হয়ে উঠেছে লাতিন আমেরিকার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মুখ।
২০০২ বিশ্বকাপে শিরোপা জয়ের পর নকআউট পর্বে ইউরোপীয় দলগুলোর বিপক্ষে জয় যেন ভুলেই গেছে সেলেসাওরা। ২০০৬ সালের পর থেকে ইউরোপের কোনো দলের মুখোমুখি হলে খেই হারিয়ে ফেলে ব্রাজিল।
২০০৬ সালে ফ্রান্স, ২০১০ সালে নেদারল্যান্ডস, ২০১৪ সালে জার্মানি, ২০১৮ সালে বেলজিয়াম, ২০২২ সালে ক্রোয়েশিয়া এবং ২০২৬ সালে নরওয়ে। নকআউটে ইউরোপীয় প্রতিপক্ষের সামনে দাঁড়ালেই ভেঙে পড়ছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
তবে বিপরীত চিত্র আর্জেন্টিনা ক্ষেত্রে। শেষ চার বিশ্বকাপের মধ্যে তিনবারই শেষ চারে খেলেছে দলটি। ২০১৪ সালে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে আর্জেন্টিনা। ২০২২ সালে ক্রোয়েশিয়া ও নেদারল্যান্ডসকে বিদায় করে ফাইনালে জায়গা করে নেয়। এরপর তৎকালীন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সকে হারিয়ে শিরোপা জয় করে তারা।
এবারের বিশ্বকাপে সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে আবারও সেমিফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে দলটি। ২০১৮ সালে শেষ-১৬ তে ফ্রান্সের কাছে হারলেও, ২০২২ সালে সেই ফ্রান্সকেই হারিয়ে বিশ্ব জয় করে মেসির দল।
২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটি শুধুই একটি ম্যাচ নয়। এটি একটি মহাদেশের গল্প। এই ম্যাচে জিততে পারলে ফাইনালে আরেক ইউরোপীয় দেশ স্পেনের মুখোমুখি হবে দলটি।

ব্রাজিল নেই, উরুগুয়ে নেই, কলম্বিয়া নেই। দক্ষিণ আমেরিকার অন্য প্রতিনিধিরাও কেউ গ্রুপ পর্বে, কেউ শেষ-৩২ এ বিদায় নিয়েছে। ব্রাজিল ও কলম্বিয়ার মতো দল বিদায় নিয়েছে শেষ-১৬ থেকেই। শেষ আট তো দূরের কথা, শেষ চারে লাতিন আমেরিকার একমাত্র প্রতিনিধি আর্জেন্টিনা।
লাতিন আমেরিকার ফুটবল ইতিহাসে এমন দৃশ্য খুব কমই দেখা গেছে। পুরো একটি মহাদেশের আশা-ভরসা একটি দেশের কাঁধে এসে পড়েছে।
তবে এটিকে শুধু ২০২৬ বিশ্বকাপের মনে করলে ভুল হবে। গত এক যুগ ধরেই এমন চিত্র। ব্রাজিল ধীরে ধীরে ইউরোপের বিপক্ষে ব্যর্থতার বৃত্তে আটকে গেছে। আর্জেন্টিনা হয়ে উঠেছে লাতিন আমেরিকার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মুখ।
২০০২ বিশ্বকাপে শিরোপা জয়ের পর নকআউট পর্বে ইউরোপীয় দলগুলোর বিপক্ষে জয় যেন ভুলেই গেছে সেলেসাওরা। ২০০৬ সালের পর থেকে ইউরোপের কোনো দলের মুখোমুখি হলে খেই হারিয়ে ফেলে ব্রাজিল।
২০০৬ সালে ফ্রান্স, ২০১০ সালে নেদারল্যান্ডস, ২০১৪ সালে জার্মানি, ২০১৮ সালে বেলজিয়াম, ২০২২ সালে ক্রোয়েশিয়া এবং ২০২৬ সালে নরওয়ে। নকআউটে ইউরোপীয় প্রতিপক্ষের সামনে দাঁড়ালেই ভেঙে পড়ছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
তবে বিপরীত চিত্র আর্জেন্টিনা ক্ষেত্রে। শেষ চার বিশ্বকাপের মধ্যে তিনবারই শেষ চারে খেলেছে দলটি। ২০১৪ সালে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে আর্জেন্টিনা। ২০২২ সালে ক্রোয়েশিয়া ও নেদারল্যান্ডসকে বিদায় করে ফাইনালে জায়গা করে নেয়। এরপর তৎকালীন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সকে হারিয়ে শিরোপা জয় করে তারা।
এবারের বিশ্বকাপে সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে আবারও সেমিফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে দলটি। ২০১৮ সালে শেষ-১৬ তে ফ্রান্সের কাছে হারলেও, ২০২২ সালে সেই ফ্রান্সকেই হারিয়ে বিশ্ব জয় করে মেসির দল।
২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটি শুধুই একটি ম্যাচ নয়। এটি একটি মহাদেশের গল্প। এই ম্যাচে জিততে পারলে ফাইনালে আরেক ইউরোপীয় দেশ স্পেনের মুখোমুখি হবে দলটি।

বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠে ৬০ বছরের অপেক্ষা ঘোচানোর হাতছানি ইংল্যান্ডের সামনে। তবে সেই স্বপ্নপূরণের পথে আজ (১৬ জুলাই) সেমিফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনা। দীর্ঘ ছয় দশকের ফুটবলীয় দ্বৈরথের পুরোনো ঝাঁজ নিয়েই আটলান্টায় আজ মুখোমুখি হচ্ছে বিশ্ব ফুটবলের এই দুই দল।
২ ঘণ্টা আগে
চলতি বিশ্বকাপে অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন স্পেনের তরুণ ফুটবলার লামিন ইয়ামাল। তবে এবার শুধু ইয়ামালই নন, খবরের শিরোনাম হচ্ছেন তাঁর পরিবারের আরেক সদস্যও। তাঁর নাম কেইন।
৫ ঘণ্টা আগে
এমবাপ্পে-দেম্বেলের ভয়ংকর আক্রমণভাগকে ৯০ মিনিট কার্যত বোতলবন্দি করে রেখে ফ্রান্সকে ২-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে স্পেন। পেনাল্টি থেকে মিকেল ওইয়ারসাবাল ও পরে পেদ্রো পোরোর গোলে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের ফাইনালে ফিরেছে লা রোহা। সেই সঙ্গে টানা তৃতীয় বড় টুর্নামেন্টে ফ্রান্সের স্বপ্ন ভেঙেছে স্প্যানিশরাই।
৯ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব ফুটবলের দুই পরাশক্তি, দুই ভিন্ন ফুটবল দর্শনের লড়াই। একদিকে কিলিয়ান এমবাপ্পে-উসমান দেম্বেলের গতিময় ফ্রান্স, অন্যদিকে লামিন ইয়ামাল-রদ্রির ছন্দময় স্পেন। বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ডালাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে আজ রাতে মুখোমুখি হচ্ছে ইউরোপের এই দুই জায়ান্ট।
১৪ জুলাই ২০২৬