স্ট্রিম প্রতিবেদক

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, ‘সবার জন্য ইন্টারনেট’ নিশ্চিত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। দেশের প্রতিটি অঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন ও সাশ্রয়ী ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
শনিবার (১১ এপ্রিল) কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ‘সবার জন্য ইন্টারনেট’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহম্মদ জসীম উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, ‘উপকূলীয় ও মৎস্য খাতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগ অত্যন্ত জরুরি।‘ বিশেষ করে সমুদ্রে কর্মরত জেলেদের জন্য সাইক্লোন সতর্কতা, ডাকাতি প্রতিরোধ এবং জরুরি যোগাযোগ ব্যবস্থায় স্যাটেলাইটভিত্তিক ইন্টারনেট সেবা চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, ‘সরকার দেশের প্রতিটি অঞ্চলে, বিশেষ করে পর্যটননির্ভর এলাকা যেমন কক্সবাজারে, আধুনিক ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণে কাজ করছে। ইতোমধ্যে বিমানবন্দর, রেলস্টেশনে ফ্রি ওয়াইফাই সেবা চালু করা হয়েছে।’
কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা জরুরি বলেও উল্লেখ করেন ফকির মাহবুব আনাম। তিনি বলেন, ‘এই লক্ষ্যে বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সহজীকরণ, অবকাঠামোগত সুবিধা বৃদ্ধি এবং সংশ্লিষ্ট সব সেবা সহজলভ্য করতে সরকার কাজ করছে।’ একইসঙ্গে তিনি পর্যটন খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও স্থানীয় জনগণের প্রতি সামাজিক দায়বদ্ধতা পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘পরিচ্ছন্নতা, পর্যটকবান্ধব আচরণ এবং ইতিবাচক মনোভাবই কক্সবাজারের ভাবমূর্তি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘সরকারের লক্ষ্য জনগণের দোরগোড়ায় প্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়া। এজন্য উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত ইন্টারনেট বিস্তার, ফ্রিল্যান্সিং ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে দক্ষতা উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।’
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেন, ‘দেশের টেলিযোগাযোগ সেবার মান উন্নয়নে সরকার কাজ করছে। বিটিসিএলের সেবা বিলম্বসহ বিদ্যমান সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’
রেহান আসিফ আসাদ আরও বলেন, ‘কক্সবাজারে ফ্রি ওয়াইফাই সম্প্রসারণ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক উন্নয়নে কাজ চলবে। ধাপে ধাপে বিনিয়োগ ও পরিকল্পনার মাধ্যমে সেবার মান আরও উন্নত করা হবে।’
কক্সবাজার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আ. মান্নানের সভাপতিত্ব সভায় সুশীল সমাজ, বিভিন্ন স্টেক হোল্ডার, গণমাধ্যম কর্মী এবং দপ্তর সংস্থার প্রতিনিধি তাদের মতামত তুলে ধরেন।
এরপর মন্ত্রী এবং উপদেষ্টা কক্সবাজার হিলডাউন সার্কিট হাউজ সম্মেলন কক্ষে বিটিসিএল, টেলিটক, সাবমেরিন ক্যাবল ও বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানির কর্মকর্তা এবং ডাক বিভাগের ইডি কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় করেন। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আব্দুন নাসের খান এবং কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, ‘সবার জন্য ইন্টারনেট’ নিশ্চিত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। দেশের প্রতিটি অঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন ও সাশ্রয়ী ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
শনিবার (১১ এপ্রিল) কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ‘সবার জন্য ইন্টারনেট’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহম্মদ জসীম উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, ‘উপকূলীয় ও মৎস্য খাতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগ অত্যন্ত জরুরি।‘ বিশেষ করে সমুদ্রে কর্মরত জেলেদের জন্য সাইক্লোন সতর্কতা, ডাকাতি প্রতিরোধ এবং জরুরি যোগাযোগ ব্যবস্থায় স্যাটেলাইটভিত্তিক ইন্টারনেট সেবা চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, ‘সরকার দেশের প্রতিটি অঞ্চলে, বিশেষ করে পর্যটননির্ভর এলাকা যেমন কক্সবাজারে, আধুনিক ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণে কাজ করছে। ইতোমধ্যে বিমানবন্দর, রেলস্টেশনে ফ্রি ওয়াইফাই সেবা চালু করা হয়েছে।’
কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা জরুরি বলেও উল্লেখ করেন ফকির মাহবুব আনাম। তিনি বলেন, ‘এই লক্ষ্যে বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সহজীকরণ, অবকাঠামোগত সুবিধা বৃদ্ধি এবং সংশ্লিষ্ট সব সেবা সহজলভ্য করতে সরকার কাজ করছে।’ একইসঙ্গে তিনি পর্যটন খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও স্থানীয় জনগণের প্রতি সামাজিক দায়বদ্ধতা পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘পরিচ্ছন্নতা, পর্যটকবান্ধব আচরণ এবং ইতিবাচক মনোভাবই কক্সবাজারের ভাবমূর্তি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘সরকারের লক্ষ্য জনগণের দোরগোড়ায় প্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়া। এজন্য উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত ইন্টারনেট বিস্তার, ফ্রিল্যান্সিং ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে দক্ষতা উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।’
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেন, ‘দেশের টেলিযোগাযোগ সেবার মান উন্নয়নে সরকার কাজ করছে। বিটিসিএলের সেবা বিলম্বসহ বিদ্যমান সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’
রেহান আসিফ আসাদ আরও বলেন, ‘কক্সবাজারে ফ্রি ওয়াইফাই সম্প্রসারণ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক উন্নয়নে কাজ চলবে। ধাপে ধাপে বিনিয়োগ ও পরিকল্পনার মাধ্যমে সেবার মান আরও উন্নত করা হবে।’
কক্সবাজার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আ. মান্নানের সভাপতিত্ব সভায় সুশীল সমাজ, বিভিন্ন স্টেক হোল্ডার, গণমাধ্যম কর্মী এবং দপ্তর সংস্থার প্রতিনিধি তাদের মতামত তুলে ধরেন।
এরপর মন্ত্রী এবং উপদেষ্টা কক্সবাজার হিলডাউন সার্কিট হাউজ সম্মেলন কক্ষে বিটিসিএল, টেলিটক, সাবমেরিন ক্যাবল ও বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানির কর্মকর্তা এবং ডাক বিভাগের ইডি কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় করেন। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আব্দুন নাসের খান এবং কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন।

কক্সবাজার বিমানবন্দর ও রেলওয়ে স্টেশনে স্থাপিত ফ্রি ওয়াইফাই সেবা পরিদর্শন করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। আজ শনিবার (১১ এপ্রিল) এই সেবা পরিদর্শনের সময় মন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ উপস্থিত ছিলেন
৪৪ মিনিট আগে
দেশের মানুষের ডিজিটাল জীবন সহজ ও সাশ্রয়ী করতে বিটিসিএল এমভিএনও সিম এবং ট্রিপল প্লে সেবার পরীক্ষামূলক কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে।
০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ডিভাইস আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় উৎপাদনে যেতে পারলেই প্রকৃত সাফল্য আসবে বলে মনে করেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
৩১ জানুয়ারি ২০২৬
যশোরের শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের আলোচিত ‘হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট’– এর কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) থেকে প্রতিষ্ঠানটির সব বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মরত ৬৪ কর্মী তাদে
২৮ জানুয়ারি ২০২৬