স্পোর্টস ডেস্ক

ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানানোর কৃতজ্ঞতাস্বরূপ বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার ফুটবল সমর্থকেরা।
গাজা উপত্যকার ৩৩ বছর বয়সী বাসিন্দা আহমেদ আল-বোজম বলেন, ‘ফাইনালে স্পেনকে সমর্থন করব। তারা আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। গাজায় ইসরায়েলের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে স্পেন সরকারের রাজনৈতিক অবস্থান এবং ফুটবলার লামিনে ইয়ামালের প্রকাশ্য ফিলিস্তিনপন্থী অবস্থান এই সমর্থনের প্রধান কারণ।’
গত মে মাসে বার্সেলোনার লা লিগা শিরোপা উদযাপনের সময় ১৯ বছর বয়সী ইয়ামাল ফিলিস্তিনের পতাকা ওড়ান। ইয়ামালকে ধন্যবাদ জানিয়ে আল-বোজম বলেন, ‘আমরা আপনাকে ভালোবাসি। আমরা মন থেকে আপনাদের সমর্থন করি এবং আশা করি বিশ্বকাপ ট্রফির সঙ্গে ফিলিস্তিনের পতাকাও ওড়াবেন।’
দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা ইসরায়েলি আক্রমণে গাজায় ম্যাচ দেখা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। সাবেক ফুটবলার ও স্টেডিয়াম ম্যানেজার আদনান আল-আফিফি বলেন, ‘মানুষ কেবল তখনই ম্যাচ দেখতে পারে যখন বিদ্যুৎ থাকে।’

যুদ্ধাবস্থায় হারিয়ে যাওয়া খেলার আমেজ ফিরিয়ে আনতে গাজার একমাত্র সচল ‘স্পোর্টস ক্লাবে’ ফিলিস্তিন ও স্পেনের প্রতীকী বিশ্বকাপ ম্যাচের আয়োজন করা হয়েছিল।
আফিফি বলেন, ‘এই আয়োজন মূলত স্পেনের প্রতি আমাদের সমর্থনের বহিঃপ্রকাশ।’
২০২৪ সালের মে মাসে কাতারসহ অন্যান্য দেশের মধ্যস্থতায় স্পেন সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়। দেশটির প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ দুই রাষ্ট্র সমাধান ও গাজার মানবিক সংকট কাটাতে যুদ্ধবিরতি ও ত্রাণের তাগিদ দিয়েছিলেন।
ইসরায়েলি আগ্রাসনে আহত খেলোয়াড়দের দল ‘গাজা আল-ইরাদা’র ফুটবল দলের প্রধান কোচ হাতেম আল-মাগরিবি বলেন, ‘পুরো ফিলিস্তিন চায় স্পেন বিশ্বকাপ জিতুক। এই খেলোয়াড়েরা তাদের হাত-পা হারিয়েছেন, কিন্তু ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়ানো বন্ধুদের প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা জানাতে ভোলেননি।’
আল-আফিফি বলেন, রাফাহ থেকে বেইত হানুন পর্যন্ত গাজার সব বড় বড় স্টেডিয়াম ধ্বংস হয়ে গেছে। বর্তমানে খেলাধুলা কেবল ছোট পিচে সীমাবদ্ধ।
তবে স্পেনের প্রতি এই সমর্থনকে আর্জেন্টিনার প্রতি শত্রুতা হিসেবে না দেখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেইয়ের ইসরায়েলপন্থী অবস্থান ফিলিস্তিনিদের ক্ষুব্ধ করলেও দল হিসেবে আর্জেন্টানাকে সম্মান করি। তাদের শুভকামনা জানাই।’
কোচ হাতেম মনে করেন, লিওনেল মেসির কারণে আর্জেন্টিনার জেতার সম্ভাবনা বেশি। অন্যদিকে আল-বোজম আশাবাদী, নির্ধারিত ৯০ মিনিট ১-১ গোলে ড্র হওয়ার পর অতিরিক্ত সময়ে স্পেন ৩-১ ব্যবধানে জয়ী হবে।
তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা

ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানানোর কৃতজ্ঞতাস্বরূপ বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার ফুটবল সমর্থকেরা।
গাজা উপত্যকার ৩৩ বছর বয়সী বাসিন্দা আহমেদ আল-বোজম বলেন, ‘ফাইনালে স্পেনকে সমর্থন করব। তারা আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। গাজায় ইসরায়েলের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে স্পেন সরকারের রাজনৈতিক অবস্থান এবং ফুটবলার লামিনে ইয়ামালের প্রকাশ্য ফিলিস্তিনপন্থী অবস্থান এই সমর্থনের প্রধান কারণ।’
গত মে মাসে বার্সেলোনার লা লিগা শিরোপা উদযাপনের সময় ১৯ বছর বয়সী ইয়ামাল ফিলিস্তিনের পতাকা ওড়ান। ইয়ামালকে ধন্যবাদ জানিয়ে আল-বোজম বলেন, ‘আমরা আপনাকে ভালোবাসি। আমরা মন থেকে আপনাদের সমর্থন করি এবং আশা করি বিশ্বকাপ ট্রফির সঙ্গে ফিলিস্তিনের পতাকাও ওড়াবেন।’
দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা ইসরায়েলি আক্রমণে গাজায় ম্যাচ দেখা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। সাবেক ফুটবলার ও স্টেডিয়াম ম্যানেজার আদনান আল-আফিফি বলেন, ‘মানুষ কেবল তখনই ম্যাচ দেখতে পারে যখন বিদ্যুৎ থাকে।’

যুদ্ধাবস্থায় হারিয়ে যাওয়া খেলার আমেজ ফিরিয়ে আনতে গাজার একমাত্র সচল ‘স্পোর্টস ক্লাবে’ ফিলিস্তিন ও স্পেনের প্রতীকী বিশ্বকাপ ম্যাচের আয়োজন করা হয়েছিল।
আফিফি বলেন, ‘এই আয়োজন মূলত স্পেনের প্রতি আমাদের সমর্থনের বহিঃপ্রকাশ।’
২০২৪ সালের মে মাসে কাতারসহ অন্যান্য দেশের মধ্যস্থতায় স্পেন সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়। দেশটির প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ দুই রাষ্ট্র সমাধান ও গাজার মানবিক সংকট কাটাতে যুদ্ধবিরতি ও ত্রাণের তাগিদ দিয়েছিলেন।
ইসরায়েলি আগ্রাসনে আহত খেলোয়াড়দের দল ‘গাজা আল-ইরাদা’র ফুটবল দলের প্রধান কোচ হাতেম আল-মাগরিবি বলেন, ‘পুরো ফিলিস্তিন চায় স্পেন বিশ্বকাপ জিতুক। এই খেলোয়াড়েরা তাদের হাত-পা হারিয়েছেন, কিন্তু ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়ানো বন্ধুদের প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা জানাতে ভোলেননি।’
আল-আফিফি বলেন, রাফাহ থেকে বেইত হানুন পর্যন্ত গাজার সব বড় বড় স্টেডিয়াম ধ্বংস হয়ে গেছে। বর্তমানে খেলাধুলা কেবল ছোট পিচে সীমাবদ্ধ।
তবে স্পেনের প্রতি এই সমর্থনকে আর্জেন্টিনার প্রতি শত্রুতা হিসেবে না দেখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেইয়ের ইসরায়েলপন্থী অবস্থান ফিলিস্তিনিদের ক্ষুব্ধ করলেও দল হিসেবে আর্জেন্টানাকে সম্মান করি। তাদের শুভকামনা জানাই।’
কোচ হাতেম মনে করেন, লিওনেল মেসির কারণে আর্জেন্টিনার জেতার সম্ভাবনা বেশি। অন্যদিকে আল-বোজম আশাবাদী, নির্ধারিত ৯০ মিনিট ১-১ গোলে ড্র হওয়ার পর অতিরিক্ত সময়ে স্পেন ৩-১ ব্যবধানে জয়ী হবে।
তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা

বিশ্বকাপের ব্যক্তিগত পুরস্কারে ছিল স্পেনেরই জয়জয়কার। সেরা খেলোয়াড়, সেরা গোলরক্ষক ও সেরা উদীয়মান খেলোয়াড় এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কারই উঠেছে স্পেনের তারকাদের হাতে। তবে গোলের মঞ্চে সবাইকে পেছনে ফেলে ১০ গোল করে গোল্ডেন বুট জিতেছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে।
১ ঘণ্টা আগে
জার্মানির মারিও গোটশের পর বিশ্বকাপের ইতিহাসের মাত্র দ্বিতীয় বদলি খেলোয়াড় হিসেবে ফাইনালের জয়সূচক গোলটি করেছেন ফেরান তোরেস। আর এই ঐতিহাসিক গোলের পর স্প্যানিশ ফরোয়ার্ডের বলেন–যার যোগ্য ঈশ্বর কেবল তাদের পুরস্কৃত করেন।
২ ঘণ্টা আগে
২০১০ সালে জোহানসবার্গের মাঠে বিশ্বজয়ের পর স্পেনের আরেকটি বিশ্বকাপের অপেক্ষা দীর্ঘ হয়েছে ১৬ বছর। মাঝখানে ভেঙেছে বিশ্বজয়ী দল, শেষ হয়েছে এক সোনালি প্রজন্ম, এসেছে একের পর এক হতাশা।
৬ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপ ফাইনালের ৯০ মিনিটের খেলা শেষেও গোল পায়নি স্পেন ও আর্জেন্টিনা। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ আর কার্ডের নাটকীয়তায় ঠাসা দ্বিতীয়ার্ধের পরও ম্যাচটি ০-০ গোলের সমতায় শেষ হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে