স্পোর্টস ডেস্ক

টানা ১২তম বার বিশ্বমঞ্চে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া। গতিশীল ফুটবল, স্ট্যামিনা এবং দ্রুতগতির কাউন্টার অ্যাটাকের জন্য পরিচিত দেশটি। ইউরোপের শীর্ষ লিগে খেলা তারকাদের পাশাপাশি ঘরোয়া লিগ থেকে উঠে আসা তরুণদের নিয়ে এবারের বিশ্বকাপের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে দক্ষিণ কোরিয়া।
অধিনায়ক সন হুং-মিনের শেষ বিশ্বকাপ রাঙাতে ‘টেগুক ওয়ারিয়র্স’রা এবার মেক্সিকো ও চেক বাধা পেরিয়ে নকআউটে যেতে মরিয়া।
১৯৫৪ সালে অভিষেক হয় দলটির। ওই আসরের পর দীর্ঘ ৩২ বছরের বিরতি থাকলেও ১৯৮৬ সাল থেকে টানা ১১ বার বিশ্বকাপে খেলছে।
২০০২ সালে ঘরের মাঠে এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে সেমিফাইনাল খেলে ইতিহাস গড়েছিল কোরিয়া। বর্তমানে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ২৫তম দলটি ফুটবল বিশ্বে পরিচিত ‘দ্য টেগুক ওয়ারিয়র্স’ নামে। এ পর্যন্ত বিশ্বকাপে ৩৮ ম্যাচে ৭ জয় ও ২১ পরাজয় রয়েছে ঝুলিতে।

দক্ষিণ কোরিয়ার ডাগআউট সামলাবেন দলটির কিংবদন্তি অধিনায়ক হং মিয়ুং-বো। তাঁর নেতৃত্বে বাছাইপর্বের দ্বিতীয় রাউন্ডে ৫ জয় ও ১ ড্রয়ের পর তৃতীয় রাউন্ডেও অপরাজিত ছিল দলটি।
বাছাইপর্বে ১০ ম্যাচে ৬ জয় ও ৪ ড্র নিয়ে ইরাক-কুয়েতকে পেছনে ফেলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করে। এশিয়ার একমাত্র অপরাজিত দল হিসেবে মূল আসরে জায়গা পেয়ে হং মিয়ুং-বোর শিষ্যদের আত্মবিশ্বাস বেড়েছে।
এবারের আসরে দক্ষিণ কোরিয়া লড়বে গ্রুপ ‘এ’-তে। ১২ জুন দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু। এরপর ১৯ জুন চেক প্রজাতন্ত্র এবং ২৫ জুন মুখোমুখি হবে তারা।
দলের প্রধান আকর্ষণ ও অধিনায়ক সন হুং-মিন শেষ বিশ্বকাপ খেলতে নামবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাছাইপর্বে ১০ গোল করা এই লেফট উইঙ্গার বর্তমানে মেজর লিগ সকারের লস অ্যাঞ্জেলেস এফসিতে খেলছেন। তাঁকে স্মরণীয় বিদায় দিতে পুরো দল এখন মুখিয়ে। এছাড়া রক্ষণে বড় ভরসা বায়ার্ন মিউনিখের কিম মিন-জে এবং আক্রমণভাগে পিএসজির হয়ে খেলা লি কাং-ইন।
বিশ্লেষকদের মতে, ১২ জুন দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জয় এবং চেক প্রজাতন্ত্রকে আটকে দিতে পারলে মেক্সিকো ম্যাচের আগেই কোরিয়ার শেষ ১৬ নিশ্চিত হবে।

টানা ১২তম বার বিশ্বমঞ্চে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া। গতিশীল ফুটবল, স্ট্যামিনা এবং দ্রুতগতির কাউন্টার অ্যাটাকের জন্য পরিচিত দেশটি। ইউরোপের শীর্ষ লিগে খেলা তারকাদের পাশাপাশি ঘরোয়া লিগ থেকে উঠে আসা তরুণদের নিয়ে এবারের বিশ্বকাপের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে দক্ষিণ কোরিয়া।
অধিনায়ক সন হুং-মিনের শেষ বিশ্বকাপ রাঙাতে ‘টেগুক ওয়ারিয়র্স’রা এবার মেক্সিকো ও চেক বাধা পেরিয়ে নকআউটে যেতে মরিয়া।
১৯৫৪ সালে অভিষেক হয় দলটির। ওই আসরের পর দীর্ঘ ৩২ বছরের বিরতি থাকলেও ১৯৮৬ সাল থেকে টানা ১১ বার বিশ্বকাপে খেলছে।
২০০২ সালে ঘরের মাঠে এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে সেমিফাইনাল খেলে ইতিহাস গড়েছিল কোরিয়া। বর্তমানে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ২৫তম দলটি ফুটবল বিশ্বে পরিচিত ‘দ্য টেগুক ওয়ারিয়র্স’ নামে। এ পর্যন্ত বিশ্বকাপে ৩৮ ম্যাচে ৭ জয় ও ২১ পরাজয় রয়েছে ঝুলিতে।

দক্ষিণ কোরিয়ার ডাগআউট সামলাবেন দলটির কিংবদন্তি অধিনায়ক হং মিয়ুং-বো। তাঁর নেতৃত্বে বাছাইপর্বের দ্বিতীয় রাউন্ডে ৫ জয় ও ১ ড্রয়ের পর তৃতীয় রাউন্ডেও অপরাজিত ছিল দলটি।
বাছাইপর্বে ১০ ম্যাচে ৬ জয় ও ৪ ড্র নিয়ে ইরাক-কুয়েতকে পেছনে ফেলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করে। এশিয়ার একমাত্র অপরাজিত দল হিসেবে মূল আসরে জায়গা পেয়ে হং মিয়ুং-বোর শিষ্যদের আত্মবিশ্বাস বেড়েছে।
এবারের আসরে দক্ষিণ কোরিয়া লড়বে গ্রুপ ‘এ’-তে। ১২ জুন দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু। এরপর ১৯ জুন চেক প্রজাতন্ত্র এবং ২৫ জুন মুখোমুখি হবে তারা।
দলের প্রধান আকর্ষণ ও অধিনায়ক সন হুং-মিন শেষ বিশ্বকাপ খেলতে নামবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাছাইপর্বে ১০ গোল করা এই লেফট উইঙ্গার বর্তমানে মেজর লিগ সকারের লস অ্যাঞ্জেলেস এফসিতে খেলছেন। তাঁকে স্মরণীয় বিদায় দিতে পুরো দল এখন মুখিয়ে। এছাড়া রক্ষণে বড় ভরসা বায়ার্ন মিউনিখের কিম মিন-জে এবং আক্রমণভাগে পিএসজির হয়ে খেলা লি কাং-ইন।
বিশ্লেষকদের মতে, ১২ জুন দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জয় এবং চেক প্রজাতন্ত্রকে আটকে দিতে পারলে মেক্সিকো ম্যাচের আগেই কোরিয়ার শেষ ১৬ নিশ্চিত হবে।

মাঠের বাইরে একের পর এক সমালোচনা। সাম্প্রতিক কাণ্ডে প্রশ্ন উঠেছে তাঁর পেশাদারিত্ব নিয়ে। তবে মাঠে নেমে দুই গোল করে সমালোচকদের জবাব দিলেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন নাহিদ রানা। প্রথম টেস্টে অনিশ্চিত লিটন দাস ফিরতে পারেন শেষ টেস্টে। শনিবার (২৫ জুলাই) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য দিয়েছে বিসিবি।
১৯ ঘণ্টা আগে
দুই দশকের বেশি সময় ধরে ফুটবল মাঠে পর্তুগালের ভরসার নাম ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে খেলেছেন ছয়টি বিশ্বকাপ। উয়েফার লিগের ম্যাচের মধ্য দিয়ে শেষ হতে যাচ্ছে তাঁর ক্যারিয়ার।
২৫ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে কোটি ফুটবলপ্রেমীর হৃদয়ে একটি প্রশ্ন জেগেছিল, তবে কি মহাকাব্যের শেষ পাতাটি পড়া হয়ে গেল? স্পেনের বিপক্ষে ১-০ গোলের হৃদয়ভাঙা হারের পর সবাই যখন ধরে নিয়েছিলেন, নীল-সাদা জার্সিতে বোধহয় শেষবারের মতো লিওনেল মেসি মাঠে নেমেছেন, ঠিক তখনই স্বস্তির খবর পেলেন তাঁর ভক্তরা।
২৪ জুলাই ২০২৬