স্পোর্টস ডেস্ক

টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের দ্বারপ্রান্তে আর্জেন্টিনা। রোববার (১৯ জুলাই) নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে স্পেনের বিপক্ষে মাঠে নামবে মেসিবাহিনী। স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ভিআইপি বক্সে বসে এই ঐতিহাসিক ফাইনাল উপভোগ করার আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই। তবে তিনি ম্যাচ দেখতে আসবেন না।
ভাবছেন প্রশাসনিক কিংবা রাজনৈতিক ব্যস্ততায়? একেবারেই তা নয়, বরং দীর্ঘদিনের আর্জেন্টাইন কুসংস্কারের জেরেই মাঠে যাবেন না হাভিয়ের মিলেই। বুয়েনস আইরেসের স্থানীয় রেডিও স্টেশন ‘এল অবজারভেটর’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মিলেই জানান, কোনোভাবেই তিনি স্টেডিয়ামে যাবেন না। এর পরিবর্তে তিনি ওলিভোসে রাষ্ট্রপতির বাসভবনে বসে ম্যাচ উপভোগ করবেন।
মিলেই জানান, চলতি বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার আগের সাত ম্যাচই তিনি নিজের বাসভবনে একটি ভারী জ্যাকেট পরে দেখেছেন।
এই জ্যাকেটকে লাকি চার্ম আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ‘কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের দিন গরম লাগায় আমি জ্যাকেট খুলে রেখেছিলাম। ঠিক তখনই আমরা গোল খেয়ে বসি। সঙ্গে সঙ্গে আবার গায়ে জ্যাকেট পরে ফেলি এবং আর খোলার সাহস করিনি।’
আর্জেন্টিনায় ফুটবল নিয়ে এ ধরনের অন্ধবিশ্বাসকে বলা হয় ‘কাবালা’। প্রিয় দলের সৌভাগ্যের আশায় ফুটবল ভক্তরা টুর্নামেন্টজুড়ে একই জার্সি না ধুয়ে পরে থাকেন। আবার অনেকে প্রতি ম্যাচ একই স্থানে বসে দেখেন। এমনকি কেউ যদি বাথরুমে থাকাকালীন আর্জেন্টিনা গোল করে, তবে পরের ম্যাচগুলোতেও ঠিক ওই সময় বাথরুমেই আটকে রাখার মতো অদ্ভুত কাণ্ড ঘটানো হয়।
শুধু সাধারণ মানুষই নন, আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্টদেরও বিশ্বকাপ ম্যাচ মাঠে গিয়ে দেখায় দীর্ঘদিনের ভীতি রয়েছে। ১৯৯০ বিশ্বকাপে এই কুসংস্কারের শুরু। তৎকালীন প্রেসিডেন্ট কার্লোস মেনেমের উপস্থিতিতে উদ্বোধনী ম্যাচে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দেয় ক্যামেরুন। এরপরই মেনেমের গায়ে ‘মুফা’ বা অপয়া তকমা লেগে যায়। সেই কুসংস্কারের জেরেই গত সাড়ে তিন দশকে আর্জেন্টিনার কোনো ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট জাতীয় দলের বিশ্বকাপ ম্যাচ সরাসরি স্টেডিয়ামে বসে দেখার সাহস দেখাননি।

টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের দ্বারপ্রান্তে আর্জেন্টিনা। রোববার (১৯ জুলাই) নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে স্পেনের বিপক্ষে মাঠে নামবে মেসিবাহিনী। স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ভিআইপি বক্সে বসে এই ঐতিহাসিক ফাইনাল উপভোগ করার আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই। তবে তিনি ম্যাচ দেখতে আসবেন না।
ভাবছেন প্রশাসনিক কিংবা রাজনৈতিক ব্যস্ততায়? একেবারেই তা নয়, বরং দীর্ঘদিনের আর্জেন্টাইন কুসংস্কারের জেরেই মাঠে যাবেন না হাভিয়ের মিলেই। বুয়েনস আইরেসের স্থানীয় রেডিও স্টেশন ‘এল অবজারভেটর’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মিলেই জানান, কোনোভাবেই তিনি স্টেডিয়ামে যাবেন না। এর পরিবর্তে তিনি ওলিভোসে রাষ্ট্রপতির বাসভবনে বসে ম্যাচ উপভোগ করবেন।
মিলেই জানান, চলতি বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার আগের সাত ম্যাচই তিনি নিজের বাসভবনে একটি ভারী জ্যাকেট পরে দেখেছেন।
এই জ্যাকেটকে লাকি চার্ম আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ‘কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের দিন গরম লাগায় আমি জ্যাকেট খুলে রেখেছিলাম। ঠিক তখনই আমরা গোল খেয়ে বসি। সঙ্গে সঙ্গে আবার গায়ে জ্যাকেট পরে ফেলি এবং আর খোলার সাহস করিনি।’
আর্জেন্টিনায় ফুটবল নিয়ে এ ধরনের অন্ধবিশ্বাসকে বলা হয় ‘কাবালা’। প্রিয় দলের সৌভাগ্যের আশায় ফুটবল ভক্তরা টুর্নামেন্টজুড়ে একই জার্সি না ধুয়ে পরে থাকেন। আবার অনেকে প্রতি ম্যাচ একই স্থানে বসে দেখেন। এমনকি কেউ যদি বাথরুমে থাকাকালীন আর্জেন্টিনা গোল করে, তবে পরের ম্যাচগুলোতেও ঠিক ওই সময় বাথরুমেই আটকে রাখার মতো অদ্ভুত কাণ্ড ঘটানো হয়।
শুধু সাধারণ মানুষই নন, আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্টদেরও বিশ্বকাপ ম্যাচ মাঠে গিয়ে দেখায় দীর্ঘদিনের ভীতি রয়েছে। ১৯৯০ বিশ্বকাপে এই কুসংস্কারের শুরু। তৎকালীন প্রেসিডেন্ট কার্লোস মেনেমের উপস্থিতিতে উদ্বোধনী ম্যাচে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দেয় ক্যামেরুন। এরপরই মেনেমের গায়ে ‘মুফা’ বা অপয়া তকমা লেগে যায়। সেই কুসংস্কারের জেরেই গত সাড়ে তিন দশকে আর্জেন্টিনার কোনো ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট জাতীয় দলের বিশ্বকাপ ম্যাচ সরাসরি স্টেডিয়ামে বসে দেখার সাহস দেখাননি।

বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ও ইউরোপসেরা স্পেন। বিশ্ব যখন স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনার সাবেক ও বর্তমান তারকা মেসি-ইয়ামাল দ্বৈরথ দেখতে অধীর, ঠিক তখনই হানা দিয়েছে এক নতুন দুশ্চিন্তা।
২ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের ফাইনাল মানেই যেন স্প্যানিশ ক্লাব আতলেতিকো মাদ্রিদের ফুটবলারদের একচেটিয়া রাজত্ব। টানা তিন বিশ্বকাপের ফাইনালের পরিসংখ্যান বলছে বিশ্বজয়ের মঞ্চে রাজত্ব করার গোপন ফর্মুলাটা হয়তো ডিয়েগো সিমিওনের কোনো গোপন ডায়েরিতেই লেখা আছে।
৫ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপ ফুটবলের ট্রফি ও মেডেলের চেনা দৃশ্যপটে এবার যোগ হতে যাচ্ছে হিরে-জহরত খচিত ‘চ্যাম্পিয়নশিপ রিং’। আগামী রোববার ফাইনাল শেষে বিশ্বজয়ীদের আঙুলে শোভা পাবে ঐতিহাসিক এই আংটি।
৮ ঘণ্টা আগে
হিন্দি সিনেমা ‘হেরা ফেরি’র সেই বিখ্যাত ডায়লগটা মনে আছে? ‘দেনে ওয়ালা যাব ভি দেতা, দেতা ছাপ্পাড় ফাড়কে’ (দেনে ওয়ালা যখন দেন, একেবারে উজাড় করেই দেন)। আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের দিকে তাকালে এই কথা যেন অক্ষরে অক্ষরে মিলে যায়।
২১ ঘণ্টা আগে