বিশ্বকাপের তরুণ সেনসেশন–৪
স্পোর্টস ডেস্ক

২০২৬ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড শিবিরে বড় চমক মিডফিল্ডার নিকো ও'রাইলি। ম্যানচেস্টার সিটির ইতিহাদ একাডেমির আবিষ্কার এই বিস্ময়বালককে ঘিরে ইংলিশ ভক্তরা স্বপ্ন বুনছেন। ছয় ফুট চার ইঞ্চির দীর্ঘদেহী এই ফুটবলার এবার টমাস টুখেলের বিশ্বকাপ অভিযানে তুরুপের তাস।
রক্ষণ থেকে মাঝমাঠ হয়ে আক্রমণ কিংবা উইং দিয়ে ঝড়ের গতিতে প্রতিপক্ষের ডিফেন্সে কাঁপন ধরাতে সিদ্ধহস্ত নিকো ও'রাইলি। ক্ষুরধার ফুটবল মেধা আর পারফরম্যান্সের জোরে খুব দ্রুতই ফুটবল ভক্তদের আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছেন তিনি।
২০০৫ সালের ২১ মার্চ ম্যানচেস্টারে নিকো ও'রাইলির জন্ম। মাত্র আট বছর বয়সে যোগ দেন ম্যানচেস্টার সিটির অনূর্ধ্ব-৯ একাডেমিতে। ২০২৫ সালের ১৩ নভেম্বর ২০ বছর বয়সে সার্বিয়ার বিপক্ষে আন্তর্জাতিক অভিষেক হয় তাঁর। জাতীয় দলের হয়ে যদিও এখনো গোলের দেখা পাননি। সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ মৌসুমে ২১ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডারের ঝুলিতে রয়েছে ৯ গোল এবং ৬ অ্যাসিস্ট।
ও'রাইলিকে নিয়ে ম্যানচেস্টার সিটির কোচ পেপ গার্দিওলা বলেন, ‘নিকোর খেলায় সিটির ডিএনএ পুরোপুরি মিশে আছে।’

ইংল্যান্ডের কোচ টুখেল বলেন, ‘নিকো মাঠের পরিস্থিতি দ্রুত আয়ত্ত করতে পারে। শান্ত স্বভাব ও বুদ্ধিমত্তা তাঁর খেলায় স্পষ্ট ফুটে ওঠে।‘
সাবেক ইংলিশ ডিফেন্ডার গ্যারি নেভিল বলেন, ‘ও ফুটবলে রোলস রয়েলসের মতো। প্রতিপক্ষের দিকে ছুটে যাওয়া রাইলিকে মনে হয় গ্যারেথ বেল।’
ম্যানচেস্টার সিটির মূল দলে রদ্রি ও বার্নার্দো সিলভাদের পাশে নিজেকে ঝালিয়ে নিয়েছেন ও'রাইলি। সদ্য সমাপ্ত প্রিমিয়ার লিগ ও চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচগুলোতে গার্দিওলার ভরসার নাম ছিলেন তিনি। লং পাসের নিখুঁত টাইমিং, ট্যাকলিং এবং মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখার সহজাত ক্ষমতা রয়েছে এই তরুণের।
ইংল্যান্ডের যুব দলগুলোর হয়ে নিয়মিত খেলা এই সেন্ট্রাল মিডফিল্ডারকে থ্রি লায়ন্সদের বিশ্বকাপ স্কোয়াডের ‘সারপ্রাইজ প্যাকেজ’ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ডেক্লান রাইস কিংবা জুড বেলিংহামদের পাশাপাশি ও'রাইলির অন্তর্ভুক্তি ইংল্যান্ডের মাঝমাঠকে আরও শক্তিশালী ও বৈচিত্র্যময় করেছে।
মূলত অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার হলেও শারীরিক শক্তি ও অলরাউন্ড দক্ষতার কারণে লেফট-ব্যাক পজিশনেও সমান কার্যকর ও'রাইলি। মাঠের অবস্থান পরিবর্তন করে দ্রুত ডিফেন্স ও অ্যাটাকের সমন্বয় করার ক্ষমতার কারণে তাঁকে অনেকেই ‘পজিশনলেস’ বা বহুমুখী খেলোয়াড় হিসেবে আখ্যা দেন।
বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড লড়বে গ্রুপ ‘এল’-এ। ১৭ জুন ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু। এরপর ২২ জুন ঘানা এবং ২৭ জুন পানামার মুখোমুখি হবে টুখেলের শিষ্যরা। ইংলিশ ফুটবলের ঐতিহ্যবাহী ‘ফুটবল ইজ কামিং হোম’ স্লোগানকে বাস্তবে রূপ দিতে এই তরুণের ওপর ভরসা রাখছে থ্রি লায়ন্সরা।

২০২৬ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড শিবিরে বড় চমক মিডফিল্ডার নিকো ও'রাইলি। ম্যানচেস্টার সিটির ইতিহাদ একাডেমির আবিষ্কার এই বিস্ময়বালককে ঘিরে ইংলিশ ভক্তরা স্বপ্ন বুনছেন। ছয় ফুট চার ইঞ্চির দীর্ঘদেহী এই ফুটবলার এবার টমাস টুখেলের বিশ্বকাপ অভিযানে তুরুপের তাস।
রক্ষণ থেকে মাঝমাঠ হয়ে আক্রমণ কিংবা উইং দিয়ে ঝড়ের গতিতে প্রতিপক্ষের ডিফেন্সে কাঁপন ধরাতে সিদ্ধহস্ত নিকো ও'রাইলি। ক্ষুরধার ফুটবল মেধা আর পারফরম্যান্সের জোরে খুব দ্রুতই ফুটবল ভক্তদের আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছেন তিনি।
২০০৫ সালের ২১ মার্চ ম্যানচেস্টারে নিকো ও'রাইলির জন্ম। মাত্র আট বছর বয়সে যোগ দেন ম্যানচেস্টার সিটির অনূর্ধ্ব-৯ একাডেমিতে। ২০২৫ সালের ১৩ নভেম্বর ২০ বছর বয়সে সার্বিয়ার বিপক্ষে আন্তর্জাতিক অভিষেক হয় তাঁর। জাতীয় দলের হয়ে যদিও এখনো গোলের দেখা পাননি। সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ মৌসুমে ২১ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডারের ঝুলিতে রয়েছে ৯ গোল এবং ৬ অ্যাসিস্ট।
ও'রাইলিকে নিয়ে ম্যানচেস্টার সিটির কোচ পেপ গার্দিওলা বলেন, ‘নিকোর খেলায় সিটির ডিএনএ পুরোপুরি মিশে আছে।’

ইংল্যান্ডের কোচ টুখেল বলেন, ‘নিকো মাঠের পরিস্থিতি দ্রুত আয়ত্ত করতে পারে। শান্ত স্বভাব ও বুদ্ধিমত্তা তাঁর খেলায় স্পষ্ট ফুটে ওঠে।‘
সাবেক ইংলিশ ডিফেন্ডার গ্যারি নেভিল বলেন, ‘ও ফুটবলে রোলস রয়েলসের মতো। প্রতিপক্ষের দিকে ছুটে যাওয়া রাইলিকে মনে হয় গ্যারেথ বেল।’
ম্যানচেস্টার সিটির মূল দলে রদ্রি ও বার্নার্দো সিলভাদের পাশে নিজেকে ঝালিয়ে নিয়েছেন ও'রাইলি। সদ্য সমাপ্ত প্রিমিয়ার লিগ ও চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচগুলোতে গার্দিওলার ভরসার নাম ছিলেন তিনি। লং পাসের নিখুঁত টাইমিং, ট্যাকলিং এবং মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখার সহজাত ক্ষমতা রয়েছে এই তরুণের।
ইংল্যান্ডের যুব দলগুলোর হয়ে নিয়মিত খেলা এই সেন্ট্রাল মিডফিল্ডারকে থ্রি লায়ন্সদের বিশ্বকাপ স্কোয়াডের ‘সারপ্রাইজ প্যাকেজ’ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ডেক্লান রাইস কিংবা জুড বেলিংহামদের পাশাপাশি ও'রাইলির অন্তর্ভুক্তি ইংল্যান্ডের মাঝমাঠকে আরও শক্তিশালী ও বৈচিত্র্যময় করেছে।
মূলত অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার হলেও শারীরিক শক্তি ও অলরাউন্ড দক্ষতার কারণে লেফট-ব্যাক পজিশনেও সমান কার্যকর ও'রাইলি। মাঠের অবস্থান পরিবর্তন করে দ্রুত ডিফেন্স ও অ্যাটাকের সমন্বয় করার ক্ষমতার কারণে তাঁকে অনেকেই ‘পজিশনলেস’ বা বহুমুখী খেলোয়াড় হিসেবে আখ্যা দেন।
বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড লড়বে গ্রুপ ‘এল’-এ। ১৭ জুন ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু। এরপর ২২ জুন ঘানা এবং ২৭ জুন পানামার মুখোমুখি হবে টুখেলের শিষ্যরা। ইংলিশ ফুটবলের ঐতিহ্যবাহী ‘ফুটবল ইজ কামিং হোম’ স্লোগানকে বাস্তবে রূপ দিতে এই তরুণের ওপর ভরসা রাখছে থ্রি লায়ন্সরা।

আর এখানেই মঞ্চে আবির্ভূত হন স্ট্রাইকাররা—যাঁরা মাঠে থাকেন শুধুই গোলের তৃষ্ণা নিয়ে, যাঁদের পায়ের ছোঁয়ায় পূর্ণতা পায় দলের সব আক্রমণ। ঠিক এমনই এক গোল-ক্ষুধার্ত স্ট্রাইকার নরওয়ের আর্লিং ব্রাউট হলান্ড।
২৩ মিনিট আগে
চতুর্থ শিরোপা জয়ের পর অনেকে ভেবেছিলেন দ্রুতই ব্রাজিলের ৫ বিশ্বকাপ জয়ের রেকর্ডে ভাগ বসাবে জার্মানি। ২০১৮ এবং ২০২২ বিশ্বকাপে সেই স্বপ্ন পূর্ণ না হলেও এবারের সেই লক্ষ্যে মাঠে নামবে দলটি।
৩ ঘণ্টা আগে
১১ জুন পর্দা উঠছে ২০২৬ বিশ্বকাপের। এবারের আসরে গ্যালারিতে ভুভুজেলা এবং পানির বোতল নিষিদ্ধ করেছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।
৪ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে ধাক্কা খেয়েছে স্পেন। বৃহস্পতিবার রাতে প্রীতি ম্যাচে ইরাকের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে মাঠ ছেড়েছে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নরা।
১১ ঘণ্টা আগে