ad

সেমিতে মেসিরা কেন ম্যারাডোনার সেই ‘জার্সিতে’ খেলবেন

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক

গাঢ় নীল জার্সি পরে উদযাপন করছে আর্জেন্টিনা দল। ছবি: সংগৃহীত

ফুটবল আর কুসংস্কার যেন মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। মাঠে জয়ের জন্য ক্ষুরধার কৌশল থাকলেও সৌভাগ্যের ছোঁয়া পেতে চান সব তারকা খেলোয়াড় এবং কোচরা। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে সেই সৌভাগ্যের পরশ চায় আর্জেন্টিনা। তাই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে লিওনেল মেসিরা মাঠে নামবেন গাঢ় নীল জার্সি পরে।

এই জার্সির পেছনে রয়েছে ডিয়েগো ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ খ্যাত শতাব্দী সেরা গোলের অনন্য ইতিহাস। এটি একটি মনস্তাত্ত্বিক চালও বটে। ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে প্রতিপক্ষের এই মনস্তাত্ত্বিক চাল নিয়ে কথা বলেছেন ইংল্যান্ডের কোচ থমাস টুখেল। তিনি বলেন, আমি তাদের জায়গায় থাকলে একই কাজ করতাম।

১৯৮৬ সালে মেক্সিকো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের কথা কার না মনে আছে? নীল জার্সি পরেই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ডিয়েগো ম্যারাডোনা করেছিলেন শতাব্দী সেরা গোল। ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ২-১ ব্যবধানে বিদায় করে ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছিল আলবিসেলেস্তেরা।

১৯৯৮ সালের ফ্রান্স বিশ্বকাপেও ডেভিড বেকহ্যামের ইংল্যান্ডকে কাঁদিয়েছিল আর্জেন্টিনা। তখনো আর্জেন্টাইনদের গায়ে ছিল এই গাঢ় নীল রঙের জার্সি।

কুসংস্কার নিয়ে থমাস টুখেল বলেন, দেখুন আমার নিজেরও কিছু গোপন কুসংস্কার আছে। কিন্তু সেগুলো যদি আপনাদের আমি বলি, তার টোটকা পরবর্তীতে কাজেও দেবে না। আসলে হাই-লেভেল স্পোর্টসে নিজেদের ফোকাসড রাখতে এমন ছোটোখাটো রুটিন বা লাকি চার্ম সবারই থাকে। এটি খুবই স্বাভাবিক।

তবে জার্সি নিয়ে বরাবরের মতো রহস্য রেখেন লিওনেল স্কালোনি। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমি তো কোনো নীল জার্সির অর্ডার দিইনি। হয়তো এটি ফেডারেশনের কোনো ঐতিহ্য, তাই অর্ডার দিয়েছে। এটা নিয়ে আমার কোনো মাথাব্যথা নেই। আর থমাসের যখন কোনো আপত্তি নেই, তখন আমার ক্ষেত্রে তো প্রশ্নই আসে না।

যদিও দেশটির ডার্ক ব্লু জার্সির রয়েছে এক অনন্য ইতিহাস। কালো ও নীলের সংমিশ্রণে তৈরি এই জার্সিতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে দেশটির ইউনেস্কো স্বীকৃত ঐতিহ্যবাহী ‘ফিলেতেয়াদো’ আর্ট।

Ad 300x250

সম্পর্কিত