স্পোর্টস ডেস্ক

ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ৮৪ মিনিট পর্যন্ত ছিল ইংল্যান্ডের হাতেই। আটলান্টার গ্যালারিতে তখন ফাইনালে ওঠার অপেক্ষায় ইংলিশ সমর্থকদের উচ্ছ্বাস। তবে শেষ কয়েক মিনিটে বদলে যায় ম্যাচের গল্প। লিওনেল মেসির জোড়া অ্যাসিস্টে মাত্র সাত মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল করে ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় আর্জেন্টিনা। এই জয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আলবিসেলেস্তেরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই ছিল বাড়তি উত্তেজনা। দুই দলের খেলোয়াড়দের ট্যাকল, ফাউল ও শারীরিক লড়াইয়ে প্রথমার্ধ ছিল উত্তেজনাপূর্ণ। এই অর্ধে দুই দল মিলিয়ে ১৯টি ফাউল করলেও গোলের দেখা পায়নি কেউ। গোলবারে কার্যকর কোনো শটও নিতে পারেনি দুই দল। ১৯৬৬ সালের পর বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো কোনো ম্যাচের প্রথমার্ধ গোলবারে শট ছাড়াই শেষ হয়।
বিরতির পর আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে শুরু করে দুই দল। শুরুতে আর্জেন্টিনা কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও সেগুলো কাজে লাগেনি। ম্যাচের ৫৫ মিনিটে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। মরগান রজার্সের বাড়ানো বল থেকে দারুণ এক শটে গোল করেন অ্যান্থনি গর্ডন।
গোল হজমের পর সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে উঠে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের শেষ দিকে অলআউট আক্রমণে নামে আর্জেন্টিনা। আক্রমণের ফল আসে ম্যাচের ৮৫ মিনিটে। মেসির ক্রস থেকে বল পেয়ে দারুণ কার্লিং শটে গোল করেন এনজো ফার্নান্দেজ।
সমতায় ফেরার পরও আক্রমণ থামায়নি আর্জেন্টিনা। যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে আবারও মেসির নিখুঁত ভাসানো ক্রসে হেডে জয়সূচক গোল করেন লাওতারো মার্তিনেজ। বিশ্বকাপে এটি ছিল মেসির ১২তম অ্যাসিস্ট।
বাকি সময়ে সমতায় ফেরার জন্য একাধিক আক্রমণ চালিয়েও সফল হতে পারেনি ইংল্যান্ড। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের জয় নিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা।
২০০২ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের কাছে হারের পর এবার সেই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে স্মরণীয় এক প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখল আর্জেন্টিনা। শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে হাঁটু গেড়ে বসে উদযাপন করেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। অন্যদিকে আরেকটি বড় মঞ্চে স্বপ্নভঙ্গের হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইংল্যান্ড।

ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ৮৪ মিনিট পর্যন্ত ছিল ইংল্যান্ডের হাতেই। আটলান্টার গ্যালারিতে তখন ফাইনালে ওঠার অপেক্ষায় ইংলিশ সমর্থকদের উচ্ছ্বাস। তবে শেষ কয়েক মিনিটে বদলে যায় ম্যাচের গল্প। লিওনেল মেসির জোড়া অ্যাসিস্টে মাত্র সাত মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল করে ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় আর্জেন্টিনা। এই জয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আলবিসেলেস্তেরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই ছিল বাড়তি উত্তেজনা। দুই দলের খেলোয়াড়দের ট্যাকল, ফাউল ও শারীরিক লড়াইয়ে প্রথমার্ধ ছিল উত্তেজনাপূর্ণ। এই অর্ধে দুই দল মিলিয়ে ১৯টি ফাউল করলেও গোলের দেখা পায়নি কেউ। গোলবারে কার্যকর কোনো শটও নিতে পারেনি দুই দল। ১৯৬৬ সালের পর বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো কোনো ম্যাচের প্রথমার্ধ গোলবারে শট ছাড়াই শেষ হয়।
বিরতির পর আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে শুরু করে দুই দল। শুরুতে আর্জেন্টিনা কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও সেগুলো কাজে লাগেনি। ম্যাচের ৫৫ মিনিটে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। মরগান রজার্সের বাড়ানো বল থেকে দারুণ এক শটে গোল করেন অ্যান্থনি গর্ডন।
গোল হজমের পর সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে উঠে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের শেষ দিকে অলআউট আক্রমণে নামে আর্জেন্টিনা। আক্রমণের ফল আসে ম্যাচের ৮৫ মিনিটে। মেসির ক্রস থেকে বল পেয়ে দারুণ কার্লিং শটে গোল করেন এনজো ফার্নান্দেজ।
সমতায় ফেরার পরও আক্রমণ থামায়নি আর্জেন্টিনা। যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে আবারও মেসির নিখুঁত ভাসানো ক্রসে হেডে জয়সূচক গোল করেন লাওতারো মার্তিনেজ। বিশ্বকাপে এটি ছিল মেসির ১২তম অ্যাসিস্ট।
বাকি সময়ে সমতায় ফেরার জন্য একাধিক আক্রমণ চালিয়েও সফল হতে পারেনি ইংল্যান্ড। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের জয় নিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা।
২০০২ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের কাছে হারের পর এবার সেই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে স্মরণীয় এক প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখল আর্জেন্টিনা। শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে হাঁটু গেড়ে বসে উদযাপন করেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। অন্যদিকে আরেকটি বড় মঞ্চে স্বপ্নভঙ্গের হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইংল্যান্ড।

এই জার্সির পেছনে রয়েছে ডিয়েগো ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ খ্যাত শতাব্দী সেরা গোলের অনন্য ইতিহাস। এটি একটি মনস্তাত্ত্বিক চালও বটে।
১৩ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) ‘ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ কমিটি’র চেয়ারম্যান নিয়োগ পেয়েছেন তামিম ইকবাল। বুধবার (১৫ জুলাই) স্কটল্যান্ডের এডিনবার্গে আইসিসির বার্ষিক সাধারণ সভা শেষে এই তথ্য জানানো হয়।
১৩ ঘণ্টা আগে
জিম্বাবুয়ের মাটিতে আবারও হারের স্বাদ পেল বাংলাদেশ। বুলাওয়ে অনুষ্ঠিত তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিকদের কাছে ৩২ রানে হেরে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে গেছে টাইগাররা।
১৪ ঘণ্টা আগে
ব্রাজিল নেই, উরুগুয়ে নেই, কলম্বিয়া নেই। দক্ষিণ আমেরিকার অন্য প্রতিনিধিরাও কেউ গ্রুপ পর্বে, কেউ শেষ-৩২ এ বিদায় নিয়েছে। ব্রাজিল ও কলম্বিয়ার মতো দল বিদায় নিয়েছে শেষ-১৬ থেকেই। শেষ আট তো দূরের কথা, শেষ চারে লাতিন আমেরিকার একমাত্র প্রতিনিধি আর্জেন্টিনা।
১৭ ঘণ্টা আগে