স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্টে ম্যাচ পাতানোর অভিযোগ নতুন নয়। এবারও এমন অভিযোগ উঠেছিল। বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। তবে তদন্ত শেষে তারা জানিয়েছে, টুর্নামেন্টের কোনো ম্যাচে বেটিং বা ম্যাচের ফল প্রভাবিত করার মতো কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
৪৮ দলের অংশগ্রহণে এবারের বিশ্বকাপে অনুষ্ঠিত হয়েছে ১০৪টি ম্যাচ। পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে ম্যাচগুলোর ওপর নজরদারি চালিয়েছে ফিফা গঠিত ইন্টিগ্রিটি টাস্ক ফোর্স। এ কার্যক্রমে ফিফার সঙ্গে কাজ করেছে এফবিআই, ইন্টারপোল, জাতিসংঘসহ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থা।
ম্যাচ ঘিরে বেটিংয়ের গতিপ্রকৃতি থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের তথ্য সংগ্রহ করে সেগুলো বিশ্লেষণ করা হয়। তবে সবকিছু পর্যালোচনার পরও কোনো ম্যাচে ফিক্সিং বা কারসাজির বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ মেলেনি বলে জানায় ফিফা।
ম্যাচ পাতানোর অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া না পাওয়া গেলেও বিশ্বকাপের রেফারিং নিয়ে বিতর্কের কমতি ছিল না। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হয় আর্জেন্টিনা ও মিসরের ম্যাচকে ঘিরে। ৩–২ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেওয়ার পর ম্যাচ পরিচালনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে মিসর।
ম্যাচ শেষে দেশটির ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন দায়িত্বে থাকা রেফারি ও তাঁর সহকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায়। মিশরের কোচ হোসাম হাসানও ম্যাচের কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁর অভিযোগের তির ছিল ফিফার দিকে।
এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, লিওনেল মেসিকে বিশ্বকাপে টিকিয়ে রাখতে ফিফা পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে।
তবে এমন অভিযোগ সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন ফিফার রেফারিং বিভাগের প্রধান পিয়েরলুইজি কোলিনা। ম্যাচ পরিচালকদের নিরপেক্ষতা ও সততা নিয়ে প্রশ্ন তোলার বিষয়টিকে তিনি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেন।
ফিফার সিনিয়র ইন্টিগ্রিটি ম্যানেজার লিয়াম রিচ বলেন, বিশ্বকাপ চলাকালে বিভিন্ন সংস্থার সমন্বিত নজরদারি ব্যবস্থা বেশ কার্যকর ছিল। সন্দেহজনক কোনো বিষয় সামনে এলেই দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান করে তা যাচাই করা হয়েছে।

বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্টে ম্যাচ পাতানোর অভিযোগ নতুন নয়। এবারও এমন অভিযোগ উঠেছিল। বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। তবে তদন্ত শেষে তারা জানিয়েছে, টুর্নামেন্টের কোনো ম্যাচে বেটিং বা ম্যাচের ফল প্রভাবিত করার মতো কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
৪৮ দলের অংশগ্রহণে এবারের বিশ্বকাপে অনুষ্ঠিত হয়েছে ১০৪টি ম্যাচ। পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে ম্যাচগুলোর ওপর নজরদারি চালিয়েছে ফিফা গঠিত ইন্টিগ্রিটি টাস্ক ফোর্স। এ কার্যক্রমে ফিফার সঙ্গে কাজ করেছে এফবিআই, ইন্টারপোল, জাতিসংঘসহ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থা।
ম্যাচ ঘিরে বেটিংয়ের গতিপ্রকৃতি থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের তথ্য সংগ্রহ করে সেগুলো বিশ্লেষণ করা হয়। তবে সবকিছু পর্যালোচনার পরও কোনো ম্যাচে ফিক্সিং বা কারসাজির বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ মেলেনি বলে জানায় ফিফা।
ম্যাচ পাতানোর অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া না পাওয়া গেলেও বিশ্বকাপের রেফারিং নিয়ে বিতর্কের কমতি ছিল না। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হয় আর্জেন্টিনা ও মিসরের ম্যাচকে ঘিরে। ৩–২ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেওয়ার পর ম্যাচ পরিচালনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে মিসর।
ম্যাচ শেষে দেশটির ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন দায়িত্বে থাকা রেফারি ও তাঁর সহকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায়। মিশরের কোচ হোসাম হাসানও ম্যাচের কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁর অভিযোগের তির ছিল ফিফার দিকে।
এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, লিওনেল মেসিকে বিশ্বকাপে টিকিয়ে রাখতে ফিফা পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে।
তবে এমন অভিযোগ সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন ফিফার রেফারিং বিভাগের প্রধান পিয়েরলুইজি কোলিনা। ম্যাচ পরিচালকদের নিরপেক্ষতা ও সততা নিয়ে প্রশ্ন তোলার বিষয়টিকে তিনি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেন।
ফিফার সিনিয়র ইন্টিগ্রিটি ম্যানেজার লিয়াম রিচ বলেন, বিশ্বকাপ চলাকালে বিভিন্ন সংস্থার সমন্বিত নজরদারি ব্যবস্থা বেশ কার্যকর ছিল। সন্দেহজনক কোনো বিষয় সামনে এলেই দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান করে তা যাচাই করা হয়েছে।

একই মাঠ, একই প্রতিপক্ষ। মাঝখানে কেটে গেছে ১৭ বছর। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) ২০২৭ সালের ঘরের মাঠের আন্তর্জাতিক সূচি প্রকাশ করে। সেখানে বাংলাদেশের একটি টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে লর্ডসে।
৩ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের সেরা একাদশে মেসি, এমবাপ্পে, হলান্ড কিংবা রদ্রির মতো তারকা থাকবে এমনটা প্রত্যাশিত। তবে এবারের বিশ্বকাপ শুধু প্রতিষ্ঠিত তারকারা নয়, আলোচনায় উঠে এসেছে নতুন মুখও। সেই বিবেচনাতেই ঢাকা স্ট্রিম তাঁদের বিশ্বকাপ সেরা একাদশ সাজিয়েছে।
২২ জুলাই ২০২৬
আগস্টে বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের জন্য ১৩ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে অস্ট্রেলিয়া। ইনজুরি কাটিয়ে দলে ফিরেছেন অধিনায়ক প্যাট কামিন্স, জশ হ্যাজলউড ও নাথান লায়ন।
২১ জুলাই ২০২৬
আগামী ৪ থেকে ১৭ নভেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ১৫তম আসর। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দক্ষিণ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের (সাফ) বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
২১ জুলাই ২০২৬