স্পোর্টস ডেস্ক

মেক্সিকো নামটা শুনলেই ফুটবলপ্রেমীদের চোখে ভাসে গ্যালারিভর্তি দর্শকদের রঙিন ‘সোমব্রেরো’ টুপি, ঐতিহ্যবাহী মিউজিক আর বিখ্যাত ‘মেক্সিকান ওয়েভ’। লাতিন ও উত্তর আমেরিকার এই দেশে ফুটবল কেবল খেলা নয়, বরং আবেগ, সংস্কৃতি ও প্রাত্যহিক জীবনের অংশ।
ফুটবলের প্রতি বাঁধভাঙা আবেগ আর উন্মাদনা নিয়ে নিজেদের ফুটবল ইতিহাসের ১৮তম আসরের প্রস্তুতি নিচ্ছে মেক্সিকো। কনকাকাফ অঞ্চলের এই দেশ এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম স্বাগতিক দেশ। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ১৬তম দলটি ফুটবল বিশ্বে ‘এল ত্রি’ নামে পরিচিত। ঘরের মাঠে চেনা কন্ডিশন আর চেনা দর্শকদের সামনে এবার বড় সাফল্যের মিশনে নামবে তারা।
১৯৩০ বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া মেক্সিকোর বিশ্বমঞ্চে ৬০ ম্যাচে ১৭ জয়ের বিপরীতে ২৮ পরাজয় রয়েছে। ১৯৭০ এবং ১৯৮৬—এই দুইবার নিজেদের মাঠে বিশ্বকাপ আয়োজন করে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছেছিল তারা, যা এখন পর্যন্ত দলটির সর্বোচ্চ সাফল্য।
এবারও ঘরের মাঠে খেলা হওয়ায় আগের সব অর্জনকে ছাড়িয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে ‘এল ত্রি’রা। এই স্বপ্ন পূরণের প্রধান কারিগর হিসেবে ডাগআউটে আছেন কোচ হাভিয়ের আগিরে। তাঁর ক্ষুরধার রণকৌশলের পাশাপাশি মাঠে সান্তিয়াগো গিমেনেজ ও এদসন আলভারেজদের মতো প্রতিভাবান তারকাদের ওপর ভরসা রাখছে মেক্সিকো।
ঘরের মাঠের পর্বতসম প্রত্যাশার চাপ সামলে এই তারকারা এবার নকআউটে বাজিমাত করতে এবং মেক্সিকানদের উদযাপনের উপলক্ষ এনে দিতে মরিয়া হয়েই মাঠে নামবে।
গত ১৩ মে হাভিয়ের আগিরে বিশ্বকাপের জন্য ৫৫ সদস্যের প্রাথমিক স্কোয়াড ঘোষণা করেন। স্কোয়াডে দলের অন্যতম সেরা তারকা এবং গত বিশ্বকাপের নায়ক হিরভিং ‘চাকি’ লোজানোকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া হাঁটুর ইনজুরির (এসিএল টিয়ার) কারণে দল থেকে ছিটকে গেছেন ডেনিশ ক্লাবে খেলা রাইট-ব্যাক রদ্রিগো হুয়েসকাস। চোটের কারণে আরও বাদ পড়েছেন ক্রুজ আজুলের ডিফেন্ডার জেসুস ওরোস্কো এবং আমেরিকা ক্লাবের গোলরক্ষক লুইস মালাগোন।
তবে দলের অভিজ্ঞতার ঝুলি বাড়াতে ৪০ বছর বয়সী কিংবদন্তি গোলরক্ষক গুইলারমো ওচোয়াকে প্রাথমিক দলে রেখেছেন কোচ আগিরে। ওচোয়া যদি চূড়ান্ত ২৬ সদস্যের দলে সুযোগ পান, তবে যৌথভাবে ফুটবল ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় (মেসি ও রোনালদোর সঙ্গে) হিসেবে ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বকাপ খেলার রেকর্ড গড়বেন।
গোলকিপিং পজিশনে ব্যাক-আপ হিসেবে ডাক পেয়েছেন তরুণ আলেকজান্দ্রে প্যাডিলা এবং রাউল র্যাঙ্গেল। এছাড়া আক্রমণভাগে ফুলহ্যামের তারকা ফরোয়ার্ড রাউল জিমেনেজ এবং মাঝমাঠে ফেনারবাচের এদসন আলভারেজের ওপরই থাকবে দলের মূল নিয়ন্ত্রণ।
স্বাগতিক হিসেবে সরাসরি বিশ্বকাপের মূল আসরে জায়গা পাওয়ায় মেক্সিকোকে বাছাইপর্ব খেলতে হয়নি।
বিশ্বকাপে দলটির প্রধান ভরসা জাতীয় দলের হয়ে ৬ গোল করা এসি মিলানের সান্তিয়াগো গিমেনেজ। এছাড়া সৌদি আরবের প্রো লিগের দল আল-কাদসিয়ার হয়ে ২৫-২৬ মৌসুমে ৩০ ম্যাচে ৩০ গোল ও ৪ অ্যাসিস্ট করা হুলিয়ান কিনিয়োনেসও থাকবেন স্পটলাইটে।
মেক্সিকো লড়বে গ্রুপ ‘এ’-তে। ১২ জুন দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু। এরপর ১৯ জুন দক্ষিণ কোরিয়া এবং ২৫ জুন চেক প্রজাতন্ত্রের মুখোমুখি হবে তারা।

মেক্সিকো নামটা শুনলেই ফুটবলপ্রেমীদের চোখে ভাসে গ্যালারিভর্তি দর্শকদের রঙিন ‘সোমব্রেরো’ টুপি, ঐতিহ্যবাহী মিউজিক আর বিখ্যাত ‘মেক্সিকান ওয়েভ’। লাতিন ও উত্তর আমেরিকার এই দেশে ফুটবল কেবল খেলা নয়, বরং আবেগ, সংস্কৃতি ও প্রাত্যহিক জীবনের অংশ।
ফুটবলের প্রতি বাঁধভাঙা আবেগ আর উন্মাদনা নিয়ে নিজেদের ফুটবল ইতিহাসের ১৮তম আসরের প্রস্তুতি নিচ্ছে মেক্সিকো। কনকাকাফ অঞ্চলের এই দেশ এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম স্বাগতিক দেশ। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ১৬তম দলটি ফুটবল বিশ্বে ‘এল ত্রি’ নামে পরিচিত। ঘরের মাঠে চেনা কন্ডিশন আর চেনা দর্শকদের সামনে এবার বড় সাফল্যের মিশনে নামবে তারা।
১৯৩০ বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া মেক্সিকোর বিশ্বমঞ্চে ৬০ ম্যাচে ১৭ জয়ের বিপরীতে ২৮ পরাজয় রয়েছে। ১৯৭০ এবং ১৯৮৬—এই দুইবার নিজেদের মাঠে বিশ্বকাপ আয়োজন করে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছেছিল তারা, যা এখন পর্যন্ত দলটির সর্বোচ্চ সাফল্য।
এবারও ঘরের মাঠে খেলা হওয়ায় আগের সব অর্জনকে ছাড়িয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে ‘এল ত্রি’রা। এই স্বপ্ন পূরণের প্রধান কারিগর হিসেবে ডাগআউটে আছেন কোচ হাভিয়ের আগিরে। তাঁর ক্ষুরধার রণকৌশলের পাশাপাশি মাঠে সান্তিয়াগো গিমেনেজ ও এদসন আলভারেজদের মতো প্রতিভাবান তারকাদের ওপর ভরসা রাখছে মেক্সিকো।
ঘরের মাঠের পর্বতসম প্রত্যাশার চাপ সামলে এই তারকারা এবার নকআউটে বাজিমাত করতে এবং মেক্সিকানদের উদযাপনের উপলক্ষ এনে দিতে মরিয়া হয়েই মাঠে নামবে।
গত ১৩ মে হাভিয়ের আগিরে বিশ্বকাপের জন্য ৫৫ সদস্যের প্রাথমিক স্কোয়াড ঘোষণা করেন। স্কোয়াডে দলের অন্যতম সেরা তারকা এবং গত বিশ্বকাপের নায়ক হিরভিং ‘চাকি’ লোজানোকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া হাঁটুর ইনজুরির (এসিএল টিয়ার) কারণে দল থেকে ছিটকে গেছেন ডেনিশ ক্লাবে খেলা রাইট-ব্যাক রদ্রিগো হুয়েসকাস। চোটের কারণে আরও বাদ পড়েছেন ক্রুজ আজুলের ডিফেন্ডার জেসুস ওরোস্কো এবং আমেরিকা ক্লাবের গোলরক্ষক লুইস মালাগোন।
তবে দলের অভিজ্ঞতার ঝুলি বাড়াতে ৪০ বছর বয়সী কিংবদন্তি গোলরক্ষক গুইলারমো ওচোয়াকে প্রাথমিক দলে রেখেছেন কোচ আগিরে। ওচোয়া যদি চূড়ান্ত ২৬ সদস্যের দলে সুযোগ পান, তবে যৌথভাবে ফুটবল ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় (মেসি ও রোনালদোর সঙ্গে) হিসেবে ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বকাপ খেলার রেকর্ড গড়বেন।
গোলকিপিং পজিশনে ব্যাক-আপ হিসেবে ডাক পেয়েছেন তরুণ আলেকজান্দ্রে প্যাডিলা এবং রাউল র্যাঙ্গেল। এছাড়া আক্রমণভাগে ফুলহ্যামের তারকা ফরোয়ার্ড রাউল জিমেনেজ এবং মাঝমাঠে ফেনারবাচের এদসন আলভারেজের ওপরই থাকবে দলের মূল নিয়ন্ত্রণ।
স্বাগতিক হিসেবে সরাসরি বিশ্বকাপের মূল আসরে জায়গা পাওয়ায় মেক্সিকোকে বাছাইপর্ব খেলতে হয়নি।
বিশ্বকাপে দলটির প্রধান ভরসা জাতীয় দলের হয়ে ৬ গোল করা এসি মিলানের সান্তিয়াগো গিমেনেজ। এছাড়া সৌদি আরবের প্রো লিগের দল আল-কাদসিয়ার হয়ে ২৫-২৬ মৌসুমে ৩০ ম্যাচে ৩০ গোল ও ৪ অ্যাসিস্ট করা হুলিয়ান কিনিয়োনেসও থাকবেন স্পটলাইটে।
মেক্সিকো লড়বে গ্রুপ ‘এ’-তে। ১২ জুন দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু। এরপর ১৯ জুন দক্ষিণ কোরিয়া এবং ২৫ জুন চেক প্রজাতন্ত্রের মুখোমুখি হবে তারা।

বিশ্বকাপের ২৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে তিনবারের রানার্সআপ নেদারল্যান্ডস। দলে অভিজ্ঞতার সঙ্গে প্রতিভাবান তরুণদের সমন্বয় লক্ষ করা গেছে।
২১ ঘণ্টা আগে
গোলের সুযোগ তৈরিতে যারা সিদ্ধহস্ত, তাদের নিয়েও দর্শক ও সমালোচকদের আগ্রহের কমতি নেই। কেউ কেউ তো গোল করার চেয়ে গোলের সুযোগ তৈরিকেই বেশি গুরুত্ব দিতে চান। গত এক যুগ ধরে এমন ফুটবলারদের আলাপ উঠলে কেভিন ডি ব্রুইনার নাম থাকে সবচেয়ে ওপরের দিকে।
১ দিন আগে
রাজনীতি ও অর্থনীতিতে পরাশক্তি হলেও বিশ্বকাপে বড় কোনো অর্জন নেই যুক্তরাষ্ট্রের। এবারের আসরে নিজেদের ১২তম বিশ্বকাপ অভিযানে নামবে তারা। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ১৮তম এই দলটি ফুটবল বিশ্বে স্টার্স অ্যান্ড স্ট্রাইপস নামে পরিচিত।
১ দিন আগে
২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেছে মরক্কো। গ্রুপ পর্বে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ এই দলে অভিজ্ঞদের পাশাপাশি স্থান পেয়েছেন একঝাঁক তরুণ। গতবারের সেমিফাইনালিস্টরা এবার ব্রাহিম দিয়াজ ও আশরাফ হাকিমিদের ওপর ভরসা রাখছে।
১ দিন আগে